রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১০

কৌতুক ১

আবারও কৌতুক তবে কারও কারও খারাপ লাগতে পারে কিছু করার নেই, সবার সব কিছু ভালো লাগে না।
নব্য ধনী এক ডেনিশ লোক সৌদি আরবে দোকান দেবে ঠিক করলো। কিসের ব্যাবসা ভালো চলবে এটা দেখতে সে এক মাস কাটালো সৈদি আরব, অবশেষে সে একটা বিকিনির দোকান দিলো।
ডেনিশ এমব্যাসির বানিজ্য উপদেষ্টা বিদ্্রুপ করে বললো কি করো, এখানে বিকিনির দোকান? চলবে এখানে?
সেই লোক উত্তর দিলো আমার তো মনে হয় ভালোই চলবে, এরা দেখি বিকিনি মাথায় বেঁধে ঘুরে বেড়ায়।
ওটা বিকিনি না ওটা হিজাব বেকুব কোথাকার। বানিজ্য উপদেষ্টার বিরক্ত জবাব।
-------------------------------------
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত কঙ্গোর নতুন শাসকের সম্মানে দেওয়া পার্টিতে আমন্ত্রিত হয়েছেন। খাচ্ছেন, পাশে নবগঠিত সরকারের একজন উপদেষ্টা বললো, আচ্ছা আমাদের বিগত শাসককে আপনার কেমন লাগতো?
ভালোই তো, রাষ্ট্রদুত কুটনৈতিক উত্তর দেন।
ঠিক আছে আমাদের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের একটা টুকরা নেন।
------------------------------------
পাকিস্তানের কায়েদ এ আজম যাদুঘরের দেয়ালে জিন্নাহর মায়ের একটা ছবি টাঙ্গানো আছে, এক দর্শক সেই ছবির সামনে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করে বলছে, ছবি দেখেতো যথেষ্ট সম্মানিত মহিলা মনে হয়, কেনো যে সময়মতো গর্ভপাত করলো না।
---------------------------------------
এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান এসেছে বাংলাদেশে, এসে বললো তোমাদের এখানে র্যাব মানবাধিকার লংঘন করছে।এর জবাবদিহি করতে হবে বিচার বিভাগকে ।
মওদুদ বললেন সবাই র্যাবকে সম্মান করে, এমন কি র্যাব বললে কুকুরও মরিচ চেটে খায়।
এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান বললেন প্রমান করো। সাথে সাথে হিজাব পড়া র্যাব একটা কুকুর ধরে আনলো রাস্তা থেকে ধরেই কুকুরের ল্যাজে রাধুনির খাঁটি মরিচ মেখে দিলো।
কুকুর চেটে চেটে খাচ্ছে এবং মওদুদ বলছে দেখলেনতো কেমন আনন্দ নিয়ে চাটছে।

তবে ডেনিশ ভদ্্রলোকের বিকিনির দোকান চরম অলাভজনক হয়েছিলো, বেশ কয়েক মাস পর একজন বাংলাদেশী এম বি এ কে দায়িত্ব দেওয়া হলো এটা তদন্তের জন্য, এক মাস পর সেই এম বি এ রিপোর্ট দিলো-

এমন না যে এখানের লোকজন সমুদ্্রসৈকতে যায় না, তবে সমুদ্্রসৈকতে গেলে তারা মাথা থেকে হিজাব খুলে কোমরে বেঁধে সমুদ্্রে নেমে যায়। আপনি বরং হিজাবের দোকান দেন, অনেক উপকারি বহুমুখী ব্যাবহার আছে এটার, একটাতো বললাম
অন্যগুলো হলো ধরেন কোথাও কোনো পাবলিক টয়লেট ব্যাবহার করবেন সাথে তোয়ালে নেই, মাথা থেকে খুলে মুখ মুছতে পারবেন। যদি দেখেন বাচ্চার নেংটি সংকট, মাথা থেকে খুলে বাচ্চার আব্রু ঢাকতে পারবেন।
আর এটা ব্যাবহার করা অর্থসাশ্রয়ী, মাথার চুলের পেছনে ক্লিপ, কাঁটা ফিতা, শ্যাম্পু তেল কিছুই লাগে না।

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:৫৭


  • ৭ টি মন্তব্য
  • ৪৪১ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১০:০৪
অতিথি বলেছেন: বাহে, বিলা হইছুইন? কই ঘুইরা বেরাণ বনে বাঁদাড়ে? আপনের ব্লগের এহেন সংখায়িত করার মাহাত্ব কীগো কাহা বলবাইন!
২. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪
শুভ বলেছেন: হা হা হা- জবাব ব্জ্বনহী ব্জ্বতব্জ্বর, বদ্দা!
৩. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১:০৪
৪. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪
অতিথি বলেছেন: সংখ্যায়িত করার মাহাত্ম হচ্ছে, আমার মনে হয়, বারোটা বাজার আগে............
৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
শুভ বলেছেন: বদ্দা, আনব্জ্বন কুনায়- এমন আরও কিছু মাল ছাব্জ্বড়ন না!
না, মরি ব্জ্বগব্জ্বছন- মরি ব্জ্বগব্জ্বলও, আহাব্জ্বর ব্জ্বচাখটা ব্জ্বয বাছি ব্জ্বগব্জ্বছ।
৬. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
শাহাদৎ খান বলেছেন: ইস, আমি যদি এরকম লিখতে পারতুম তাহলে বই কয়েকটা লিখতে পারতুম ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন