মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১০

সামরিকতার গল্প-উৎসর্গ' চ 'বর্গীয় সবাইকে

মেরুদন্ডহীন অদ্ভুত একদল মানুষ প্রত্যক্ষ দিবালোকে সেনাবাহিনীর শিশ্ন চাটে পরম আগ্রহে। আবেশে উভয় দলের চোখ বুঁজে আসে। মগ্ন স্বরে সেনা দল পেছনে সরিয়ে দলপতি বলেন " এখনও সমকাম গ্রহনযোগ্য নয়। প্রকাশ্যে এটা সিদ্ধ হতে পারে তবে তোমাকে এ জন্য 24 মাজারে যেতে হবে প্রেয়সী"

না বৃদ্ধ না যুবক প্রেয়সীর দল " জি্ব প্রাণনাথ" বলে ঠোঁট থেকে বীর্য মুছেন বসুন্ধরা টিস্যুতে।
বাংলাদেশ নামের অদ্ভুত এক দেশ ছিলো, একদা সেখানে ইরান তুরান পেরিয়ে ছুটে এসেছিলো ধার্মিক মানুষের দল। 12 আউলিয়ার দেশ এটা। কত শত গল্প উপকথা দেশের গলিতে ঘুপচিতে সর্বাঙ্গে ঘা নিয়ে নিয়ে বেড়ে ওঠে। কোথাকার কোন ডাকাত ছিচকে চোর গাল ভর্তি দাড়ি নিয়ে ছিন্ন পোশাকে দাঁড়ালে দরজায় গৃহস্বামী বিগলিত স্বরে বলেন " বাবা দয়া করে পদধুলি দেন"

এদেশের মানুষ অতিশয় ভদ্র ও ধর্মভীরু। ধর্মাচরণে টেমন পটু নয়- তবে সাধু দেখলেই অবারিত দ্বার। সাতিশয় আবেগাক্রান্ত দেশের মানুষ ছিঁচকে চোরের হাতে সিঁধকাঠি দেখলেও না দেখার ভান করেন, কিংবা কিছুই বলতে চান না প্রকাশ্যে পাছে সাধুর অপমান হয়।

কোন এক অজানা কারণে রাজপথ গর্ভবতী হলো। তার পেট ফুলে উঠলো ভীষণ ভাবে। টানানো হলো লাল কাপড় চারপাশে- বাঁশের লাঠি পুঁতে রাজপথ বন্ধ করে দেওয়া হলো- আসন্ন প্রসবা রাজপথ মুর্দা পীরের মাজার প্রসব করছে- মাটির শত হাত নীচ থেকে মাজার উর্ধপানে ছুটছে- সবাই ইশ্বরাভিমুখী।

600 বছরের পুরোনো জনপদে কবে কোন দাড়িয়াল মরেছিলো। তার হাড়গোর খেয়ে গেছে ইঁদুরে শেয়ালে শুধু অবশিষ্ট কয়েক গাছি চুল আর দাড়ির কারণে পৃথিবীর আজীর্ণ হয়। পৃথিবী উগলে দেয় মুর্দা পীরের মাজার।

গাঞ্জুট্টির দল মজমা বসায় চারপাশে। গাড়ী আর রিকশা থেকে সিকি- আটানা, কাগজের নোট, আগর বাতি মোমবাতি জমতে থাকে পোয়াতি রাজপথের ফুলে ওঠা পেটের উপরে।
মাত্র সপ্তাহখানেক পরেই জমজমাট হয়ে উঠে মাজার। মানুষ মানতের সুতা বাধে বাঁশের লাঠিতে- চোখে ভক্তি আর ভয়ভাব পকেটে টুপি নিয়ে এ রাস্তা ধরে যাতাযত করে- মাজারের লাল কাপড় দেখলে মাথায় টুপি দেয় -হাত থেকে আস্ত সিগারেট ফেলে দেয়, ভক্তিরসে আপ্লুত হয়,
তার পর পানি পরা- তাবিজ- অসংখ্য ভক্তিমূলক কার্যক্রম আর জনরব প্রচারিত হয়। অতঃপর মুর্দা বাবা স্বপ্নে দর্শন দেন- সাদা পাঞ্জাবি আর চেকের লুঙ্গির সাথে গলায় চেক গামছা ঝুলিয়ে খাদেম তদারকি করে- বাবা জাগ্রত- বড় শক্তিশালী বাবা।

বাংলাদেশ অদ্ভুত ভক্তিরসের স্রাবে পিচ্ছল হয়ে যায়- বাবার বাবা মিলিটারি বাবা -বেয়ারা ঘোড়ার শক্ত চোদনে নেতিয়ে যাওয়া খরগোশের মতো জনগন নেতিয়ে যায়- মিইয়ে যায় সবাই। রাস্তায় কেউ বেলাইনে চলে না ভুলেও বেয়ারা ঘোড়ার চেয়ে শক্ত চোদন দেয় মিলিটারি বাবা- ধরলে নেঘ্যাৎ মৃত্যু অনিবার্য- নেতিয়ে যাওয়া না কঁকিয়ে কঁকিয়ে প্রাণত্যাগ করবে- এমন আতঙ্ক নিয়ে দিন যায়, সপ্তাহ আর মাস যায়-

দেশটা ক্রমশ সামরিক কেতাদুরস্ত হয়ে যায়। অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেলদের অবকাশযাপন কেন্দ্র হয়ে উঠে প্রশাসন। আর স্থুল বুদ্ধির সকল মেজর জেনারেল যাদের ছোট করে ছাঁটা চুল। মিঁখুত কামানো দাড়ি, পেত্তি শুক্কুর বার দুপুরে ছাটের টুপি মাথায় দিয়ে মসজিদে যান।
এটাই আমাকে আশ্চর্য করে বেশী। প্রতি শুক্র বার জুমার নামাজের বাধ্যবাধকতা ছিলো কয়াডেট কলেজে। প্রেয়ার রুমে নিয়মিত ঢু মারার রীতি ছিলো আর নিশুতি রাতে প্রেয়ার রুমের নির্জনে বসে প্লে বয় আর পেন্ট হাউসের ছেঁড়া পাটা দেখাতেও ছিলো স্বর্গীয় সুখ।
সেরকম নিয়ম বোধ হয় এখনও জারি আছে- নিয়মতান্ত্রিকতায় যন্ত্রমানব হয়ে ওঠা যাবতীয় সেনাসকল একই ছাঁটে গড়ে উঠেন- সম্ভবত এখানেই নারীবির্বজীত জীবনে সমকামের ছলাকলা শিখেন। অতঃপর পুঙ্গির পোলার লোভ পুটকির দিকে- যেমনটা বিড়ালের নজর থাকে শিকের দিকে।
যেকোনো বিখ্যাত মানুষের কবরের মাজার হয়ে উঠার সংবাদপত্রীয় তরিকাটা আমি এখনও বুঝি না। চন্দ্রিমায় জিয়ার মাজার, টুঙ্গিপাড়ায় মুজিবের মাজার-কেনো কোন পুণ্যবলে তারা এমন পীরত্ব পেলেন আমি জানি না। তিন নেতার মাজার কিংবা বুদ্ধিজীবি গোরস্তান( সম্ভবত এরা তেমন বিখ্যাত হয়ে উঠতে পারেন নি জীবনে) সবই ন্যাংটা গনিকা আর খদ্দেরের ঘামে পবিত্র হয়।
অবশ্য নারীলোলুপতা ক্ষমতাবানদের প্রধান দুর্বলতা। ইনারা মহা মহা ক্ষমতাবান তাই তাদের মৃতদেশের উপরেও মানুষ উপগত হয়। মাজারে মাজারে গ্রুপ সেক্সের আনন্দ পান এখনও নেতারা। জিয়ার মাজারের শান বাঁধানো চত্ত্বর কত শীৎকারের ইতিহাসে জানে কে সেই খবর রাখে।

মেরুদন্ডহীন অদ্ভুত এক দল মানুষের গল্পটা এখনও শেষ হয় নি- তাদের দলপতি প্রকাশ্যে শিশ্নলেহনের দাবী বুকের ভেতরে পুষে টুঙ্গিপাড়ায় যান সুটা বাঁধতে, তার পর যান শাহজালালের দরগায়- 12 আউলিয়ার দেশ চট্টগ্রামেও যাবেন হয়তো যাবেন কুমিল্লায়

এদের একজনেরও একটুও খারাপ লাগে না- ধারাবাহিল লেহনেও মেজর জেনারেলদের উত্থিত শিশ্ন নেতিয়ে যায় না- বরং তারাও চোখ বুঁজে থাকেন-অথচ খুব সহজেই তারা মাথা উঁচু করে বলতে পারতেন " জলপাই দানবেরা ডেরায় ফিরে যাও"
বলটে পারতেন " আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ, আমরা ক্লান্ত"
বলতে পারতেন " আপনাদের দেখেই অনাচার গোপনে বাড়ে, ক্ষমতার চর্চার জন্যই লোকে সেনাবাহিনীতে যায়।"
বলতে পারতেন " জনগনের ভিক্ষায় চলছেন আপনারা- এত ভর্তুকী এত সুবিধা আর কে পায়"
ঐ যে দুরে সেই তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তাকে দড়ি বেধে নিয়ে যাচ্ছেন সে লোকটাও খোলা বাজারে চাল কিনে খায়। আপনাদের মতো সাপ্টাহিক রেশনের চাল পৌছায় না তার ঘরে। আপনার সন্তানের মতো নিখর্র্চায় তার শিশু পড়তে পারে না

অভাবগ্রস্ততা প্রথমেই সততা গিলে ফেলে- এ অভাব বোধের সাথে আপনাদের পরিচয় নেই- আপনারা সুবিধাভোগী জনগন বিবর্জিত নাগরিক রাষ্ট্রের শুক্লবিহীন সিগারেট আর নানাবিধ ভর্তুকি আর রেশনে সয়লাব হয়ে উঠা ভাঁড়ার ঘরে থেকে সততার বাজে গল্প করা খুবই সম্ভব, খুবই সম্ভব উত্তেজনার নামে বৌ বদল করে সোশ্যাল যৌনবিনিময়।
ওরা এত সব চোখেও দেখে না , ওদের সমস্ত জীবন উঠা নামা করে মুক্ত বাজারের ঢেউয়ে। ক্রমাগত মুল্যবৃদ্ধির ফাঁস তাদের গলায়- তাদের নাক পর্যন্ত ঢেউ উঠে গেছে
কোনো মতে পা উচিয়ে অভাবগ্রস্থ হওয়া থেকে বেঁচে আছে ওরা- আর ওদের পেছনে যেইসব রাষ্ট্রবিরোধী সন্ত্রাসীদের দেখছেন ওদেরও জন্ম হয়েছে আপনাদের বদান্যতায়
মিলিটারি শাসনে অভ্যস্ত মেজর জেনারেলরাই সৈন্য দিয়ে লোক ঠেঙ্গিয়ে শান্তি শৃঙ্খলা বাজায় রাখতো- আচনারা হলেন রাষ্ট্রের রক্ত চুষে খাওয়া শান্তি রক্ষী বাহিনী- আর তারা স্থানীয় রক্ষী বাহিনী- জনগনের রক্ত শুষে খায় তবে নেতার খুব বাধ্যগত- যেমন আপনারা ছিলেন আপনাদের মেজর জেনারেল প্রেসিডেন্টদের বাধ্যগত সেনা।
প্রশাসনিক কাঠামোতে কোনো পার্থক্য নেই
তবে এমন বিক্ষুব্ধ কথা আমরা কখনও শুনবো না- কোন একশুক্র বারের অবকাশে শুরু হওয়া গল্পটার ফিতা জড়িয়ে গেছে- তাই বার বার পুনরাবৃত্তি হয়- হবে-
সেই গল্পটা
প্রকাশ্য দিবালোকে আশ্চর্য জলপাই রংয়ের পোশাক পরা একদল সৈন্য চেন খুলে ডেকেছিলো " তু তু তু" ওমনি মেরুদন্ডহীন একদল অদ্ভুত মানুষ হাঁটু গেড়ে বসে শিশ্ন লেহন করছিলো
আর সৈন্যদলের নেতার উৎফুল্ল শিসে ছিলো বাফেলো সোলজারের সুর

লোকগুলোর মুখ ভরে ছিলো উৎক্ষিপ্ত বীর্যে তাই তারা কিছু বলত পারে নি--

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

  • ২৪ টি মন্তব্য
  • ৬৮৬ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:০৩
মদন বলেছেন: অভাব গ্রস্ততা সততা গিলে ফেলে..??????
হাঃ হাঃ হাঃ
ফালু, তারেক জিয়া, হুদা আসলেই অভাবী লোক, দুই মুঠ ভাতের জন্য তারা ত্রানের টিন মেরে দিয়েছে।
২. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:১৪
৩. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:১৬
নজমুল আলবাব বলেছেন: কিছু কিছু লেখা (পোস্ট!!??) আছে শুধু পড়তে হয়। মন্তব্য করতে নেই! অথবা মন্তব্যের তাকত আমাদের দেয়া হয়না।
৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:২০
সুর বাংলা বলেছেন: টিকাচে!
বিহারীপট্টীয় বাংলা সাহিত্য নামে একখান কাব্যসংকলন ছাপানো যাইতাম ফারে!
৮. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৩০
অতিথি বলেছেন: সুরবাংলা, তুমি রাসেলকে নিয়ে হাস্যতামাশা বাদ দাও। সে অত্যন্ত চিন্তাকর্ষক লেখা লিখেছে। তুমি এমন কিছু লিখতেছো না অনেকদিন, তোমার লেখাও তো আমাদের পড়তে ইচ্ছে করে, কিন্তু না লিখে তোমার মূল্যবান উপলব্ধি থেকে আমাদের বঞ্চিত করছো! গো গো বয়!
৯. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৩২
১০. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৩৩
সুর বাংলা বলেছেন: রাসেলের লেহা মোর চিত্তকে আকর্ষিত কইরচে বইলাই মন্তব্য মারাইচি@কৌশিক।
১১. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৩৪
অতিথি বলেছেন: ভালো পোস্ট। তুমিতো ভালোই লেখ। সামরিকদের চেয়ে কী বেসামরিকরা পিছিয়ে আছে নাকি... দুর্নীতিতে?
১২. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৫৮
অতিথি বলেছেন: সেরম, যথারীতি।
শুধু একটা যায়গায় আপত্তি। প্রথম লাইনে 'চাটে'র পরিবর্তে 'চোষে' হবে; অথবা চাটে ও চোষে দুইটাই।

কিছু সার্টিফিকেটধারী উচ্চশিক্ষিত মানুষকে বলতে শুনেছি, উনারা অনির্দিষ্টকালের জন্য সামরিক শাসন হলেও তাতে চরম পুলকিত, আহলাদিত। বীর্য নাকি চরম পুষ্টিকর খাদ্য, আর সেটা যদি হয় আচোদা সামরিক তাগড়া জোয়ানের, তাইলে নাকি কথাই নাই। ওটা গলাধঃকরণ করে উনারাও বেজায় চেকনাইপ্রাপ্ত হবেন।
১৩. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:১০
অতিথি বলেছেন: সামরিকদের আচোদা বলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
১৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:১৯
অতিথি বলেছেন: ক্যান ওরা তো তারেক-ফালুসহ হাসিনা-খালেদাগোর গুষ্টিগো ভালই চোদন দিতাছে, এতে রাসেল ভাইয়ের এত লাগে ক্যা? হাসিনা আর খালেদা তো দেশরে গত 15 বছর ধইর্যা চোদন দিছে (ল্যাওড়া না থাকা সত্ত্বেও)। এখন ওনারা একটু খাক না।
১৬. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:২৭
অতিথি বলেছেন: হ, উনারা চোদাচুদি করুক আর আমরা চাইয়া চাইয়া দেখি। মালের গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। আচ্ছা, ফালুরে ধরার পরে এইডার দরকার আছে। খালেদাও তো মানুষ! মানুষ হইলে চাহিদা থাকবোই।

জলপাই জিন্দাবাদ। সমস্যা হইলো খালেদার লুজ জিনিসে জলপাইয়ের না পোষাইলে তখন আমাগো ওপর হামলে পড়বে এবং অলরেডি পড়ছে।
১৭. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:২৮
রঙহীন বলেছেন: চোর,
তোমার কাছ থেকে এমন একটা লেখা পাইলে সপ্তম আকাশে যাইবার ইচ্ছা ত্যাগ করিয়া এই চ বগর্ীয় আস্তকুড়ে পইড়্যাই থাকুম

গুডবয় গুড কমেন্ট করেছে। কনগ্রেটস।

মাগার, চোষা, চুষি, চাটা-চাটি শব্দদ্্বয়ের অত্যধিক সংযুক্তি ঘটাইলে মেরুদন্ডহীন মানিষগো বদ হজম হইবার পারে... নো, তোমার কথা চিন্তা করিনা। তুমি আন্ডারগ্রাউন্ডের মানুষ, ঐসব তোমার মাথার উপর দিয়াই যাইবো, আর আমগো যাইবো দুচক্ষুর মধ্যি দিয়া!

গুড পোষ্ট।
১৮. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৩০
অতিথি বলেছেন: তেলা, আমি লেখক না। লেখক হওয়ার খায়েশও নাই। অতএব, কবে চোরায় একটা 'লেখা' লিখবে সেই আশায় বইসা থাইকা সপ্তম আকাশের স্বপ্ন বাদ দেওনের দরকার নাই।
১৯. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৩৩
রঙহীন বলেছেন: এক কাম করো, তোমার সব কমেন্ট জোড়াতালি দিয়া একটা 'চোদাচুদি'ময় বই বাজারে ছাড়ো। আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তুমি সুপারহিট হইবা।

না পারলে রাসেলের লেখার মাঝখানে চইল্যা যাও। জলপাই মামাদের বউ বদলাবদলীর ট্রিকসটা কাজে লাগাইতো পারো। (দাঁত কেলানো হাসি)
২০. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৩৭
অতিথি বলেছেন: তেলু, ভুল সাজেশন :)
আমার লেখালেখি করে বিখ্যাত/কুখ্যাত হওয়ার খায়েশই যে নাই ব্রাদার! তোমার সহমর্মিতা ফিল করতেছি; কিন্তু কি আর করা। সবাইরে দিয়া সবকিছু হয় না।

সুখের বিষয় হইলো, আমারে দিয়া কোনডা হইবো না, এইডা আমি জানি।
২১. ২০ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৪১
রঙহীন বলেছেন: তাইলে তোমারে চ বগর্ীয় পুরুষ ভাবতে ন পারি। জলপাই মামারা বউ বদল করিতে পারিলেও তুমি পারো না। অতএব, তোমার 'চ বগর্ীয়' কবিতাসমূহ অনাথ আশ্রমের জিনিস। ঐসবে আর মজা পাওন যাইবো না।
২২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:১৬
২৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: সমস্যা একটাই 100 জনরে ধরতে গিয়া 30 লক্ষের বেশী লোকের পেটে লাত্থি পড়ছে। মানুষ দৈনিক দেইখ্যা জীবন যাপন করে বইলা সমস্যা, পেপার লিখছে বড় বড় দুর্ন ীতিবাজের হোগায় লাথি দিচ্ছে সামরিকতার আড়ালে থাকা সুশীল প্রশাসন তাতেই লুঙ্গী উপরে তুলে লাচতেছেন ভাইসকল।
এই যে ফুটপাত পরিস্কার, এই যে সরকারী জমি মুক্ত করা এই নিয়া যেইসব বস্তি জ্বললো সেইসবের মানুষগুলাও কি সামরিক শাসনের বলি না?
এনটিভি আরটিভি পুড়লো সবাইকে বিনা খরচে চিকিৎসা দেওয়া হইলো
আর চিটাগাং ঢাকার বস্তি পুড়লো, কামারাঙ্গির চরের বস্তি উচ্ছেদ হইলো এইসব মানুষ কি কোনো কামের না। নাকি ওগোর কোনো ক্ষতি ক্ষতি বইলা বিবেচিত হয় না?
যাউকগা যাগো হোগায় গুতা লাগে না তারা সবাই আনন্দিত-
২৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:১৬

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন