মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১০

উল্লুকদের সাথে সহবাস ---ওড টু সামহোয়্যার ইন কতৃপক্ষ

অনেক আগে পারস্পরিক আলোচনায় একটা বিষয় উঠে এসেছিলো- সামহোয়্যার ইনের কর্তাব্যক্তিদের আচরণ তথাকথিত ইসলামপ্রেমী জঙ্গীবাদের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে- তারা ইসলামপ্রেমী আচরণ করে বেশীরভাগ সময় যেসব বিতর্কের জন্ম দেয় সেসব বিতর্কের পেছনে মডারেশন নামের একটা ভুত থাকলেও সেটা সব সময়ই প্রতিক্রিয়াশীল একটা আচরণ হিসেবেই প্রতীয়মান হয়- এবং সাইটের ডেভলপার এবং মডারেটরেরা কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ডানপন্থী এবং যদি মাত্রার কথা বলা হয় তবে সেটা উগ্র ডানপন্থী নির্বোধের আড্ডাখানা বলা যাবে-

যদিও ব্লগের কনসেপ্ট এই কল্পিত কম্যুনিটি ব্লগিংয়ের জায়গাটাতে শোভনতা কিংবা মতাদর্শিক দ্বন্দ্বের জায়গাতে এসে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অধিকাংশ সময়ই আহত করে- যদিও ধারণাগত বিচারে ব্লগ মানুষের স্বাধীন কণ্ঠস্বরকে ধারণ করার কথা তবে যখন তথাকথিত টিকিধারী পুরোহিত আর কাঠমোল্লারা সবকিছুর তত্ত্বাবধানে থাকে তখন যেকোনো মতের গলায় ছুড়ি চালাতে এরা দ্বিধা করে না-

অমনিবাসে মুহাম্মদের যে কার্টুন ছাপা হয়েছে কিংবা প্রকাশিত হয়েছে এই কার্টুন উদ্ভব হওয়ার দায়টা সবসময়ই এইসব উল্লুক ডানপন্থী জঙ্গীবাদের সমর্থকদের ঘাড়েই পড়ে- তাদের আচরণে অন্যান্য সাধারণ মুসলিম কিংবা যারা মুসলিম পরিবারে জন্মে বাবা মায়ের কারণে নামের শেষে ইসলামী পদবী নিয়ে ঘুরে তাদের জন্য ভয়ংকর একটা বাস্তবতা নিয়ে এসেছে- এবং এইসব মোহাম্মদ আহমেদ সহ তাবত মুসলিম নামসম্বলিত মানুষদের সাম্ভাব্য জঙ্গী হিসেবে দেখবার একটা সুযোগ করে দিয়েছে তারা-

এইসব উল্লুকেরা বোমা মারে- এইসব উল্লুকেরা বিভিন্ন ওয়েব সাইটে গিয়ে ন্যাংটা মেয়ের ছবি দেখে আর দাড়িতে হাত বুলায়- যেমনটা করছে আমরা পাশের বুথের মানুষটা- তার প্রায় এক বিঘত লম্বা দাড়ি আর এডাল্ট ফ্রেন্ড ফাইন্ডারের ওয়েব সাইটের এক মুষ্ঠিরও কম কাপড় পড়া মেয়েদের উন্মুক্ত বক্ষ এবং সেই সাথে নাওজুবিল্লাহ রাস্তায় হাঁটা যায় না লোকজন এরকম অশোভন ভাবে রাস্তায় পেশাপ করে সম্বলিত বক্তব্য আমাকে কোনোভাবেই সম্মানজনক কোনো ভাবমুর্তি প্রকাশে সহায়তা করে না-
এরাই যখন আমাকে আলাপচারিতায় জানায় দেশটায় মেয়েমানুষদের চলাফেরা শালীনতার বাইরে চলে যাচ্ছে- মেয়েরা বড় বেশী প্রলোভন জানাচ্ছে - এসব মোকাবেলা করবার জন্য আসলেই ইসলামীকরণের প্রয়োজন আছে- এসব সহানুভুতিশীল বক্তব্য আমাকে যেসব শব্দ উচ্চারণে বাধ্য করে সেসব শব্দ অনায়াসেই ব্যবহার করাটা যৌক্তিক এটা আমার মতামত-

যাই হোক ইসলাম প্রেমী এইসব উল্লুক যারা মুহাম্মদের নাম শুনে হাতে তসবি জপা শুরু করে এবং একই সাথে কীবোর্ডের নীচে হাত নিয়ে হস্ত মৈথুন করে এবং এরপর বাইরে বের হয়ে হারকাতুল জিহাদের সদস্য হিসাবে একটা ডায়েরী ধরিয়ে দেয় বন্ধুর হাতে এদের নিয়ে আমাদের আসলে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা উচিত এটা নির্ণয় করা কঠিন-

আমি যদিও ধর্ম পালনকারীদের যথোপযুক্ত সম্মান করতে চাই- একজন প্রণত মানুষ সে দুর্গার মুর্তির সামনে কিংবা মেরীর মুর্তির সামনে নতজানু নাকি মসজিদের উন্মুক্ত প্রান্তরে নতজানু এটা বিচার না করেই তাকে সম্মান করতে ইচ্ছা হয়- এই ভাবালুতার জায়গা থেকে আমি যখন তাদের বাইরের সমাজে দেখি- তখন একটা সত্য জেনে বড়ই ভালো লাগে- প্রকৃত ধার্মিকদের ধর্মীয় লেবাস ধরতে হয় না- বরং আমার দেখা অধিকাংশ ধর্মভীরু ভালো মানুষেরা মাথায় টুপি দিয়ে চলে না- তারা দাড়িও রাখে না- তাদের অন্তরে ধর্ম নিয়ে ঘুরে তারা- এইসব মুমিন মুত্তাকীদের দেখি আর চিন্তা করি এরা ধর্মের কারণেই হয়তো এতটা শোভন যে অন্য ধর্মের মানুষদের আহত করে না- এরা তথাকথিত মুসলিম ভাইদের দুঃখে দুখী না বরং তারা ঘরের পাশের হিন্দু বন্ধু ভারতের কোনো দাঙ্গায় আক্রান্ত হলে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়- এরাই মুসলিম জঙ্গীরা যখন ৬৩ জেলায় বোমা ফাটায় আর আদালতের বিচারককে হত্যা করে কোনো ধর্মান্ধ উল্লুক তার প্রতিবাদ করে-

তবে এই সাইটের কর্তাব্যক্তিদের অভিমত তারা হিজবুত তাহিরীর সঙ্গ দিবে- তারা গাণিতিক যুক্তির চর্চা করে- গাণিতিক যুক্তির চর্চা করা মানুষদের সামান্য যৌক্তিকতা বোধ থাকে না এমন অদ্ভুতুড়ে অবস্থা আমি দেখি নি-

যাই হোক যখন আলোচনায় কর্তাব্যক্তিদের এই ধর্মপ্রীতির কথা আলোচিত হলো- যখন মোটামুটি টাদের মডারেশনের ছুড়ির গতিবিধি দেখে ধারণা হলো এটা ক্রমশ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী জঙ্গীদলগুলোর অন লাইন ফোরামে পরিণত হতে যাচ্ছে- যখন এটা মোটামুটি নিশ্চিত হলো আসলে স্বাধীনতার সপক্ষ বিপক্ষ বিতর্কতে এদের অবস্থান প্রায়শই স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদের পক্ষে তখন একটা সাধারণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিলো-

অনেক বিতর্কের পরও সামহোয়্যার ইন ছাড়া হয় নি- এর কারণ এখানের লেখালেখির পরিবেশ না- বরং অন্য একটা দায়িত্ব বোধের জায়গা ছিলো- যদি কেউ স্বাধীনতার পক্ষের কথা না লিখে তবে বিতর্কিত এবং ভ্রান্ত ইতিহাসের চর্চায় এখানের অনেক তথ্য গ্রহন করবে এই সাইটের লেখা যারা পড়বে- তাদের বিভ্রান্ত করবার সুযোগ দেওয়া রাজনৈতিক কারণে এবং সামাজিক কারণে উচিত হবে কি না এটা নিয়ে বিতর্কের পর মোটামুটি একটা নির্বাচন ধাঁচের ঘটনাও ঘটলো-

সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মূলত পিয়ালের যুক্তিকেই গ্রহন করা হয়েছিলো- তার বক্তব্য ছিলো যদি আমরা হঠাৎ করেই মাঠ ছেড়ে চলে যাই তবে এটা ধর্মান্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে আপোষকামী মানুষদের দখলে চলে যাবে- এবং এখানে তখন এইসব উগ্র ধর্মীয় রাজনীতি চর্চাকারীরা সহজেই নিজেদের উন্মাদনা ছড়াতে পারবে-

অবশ্য এখন মনে হচ্ছে আদতে আমাদের এই যৌথ সিদ্ধান্ত এই সামহোয়্যার ইন ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তটাই সঠিক সিদ্ধান্ত হতো-

এখানে নারী নির্যাতনের নামে যখন নারীত্বের অবমাননার জন্য একজনের শাস্তি হয় তখন অন্য এক ইসলামপ্রেমীর কণ্ঠ অনেক উঁচুতে উঠে যায়- অথচ একই অপরাধে অপরাধী ছিলো সেও-

যাই হোক ক্ষমতার চর্চা এবং ক্ষমতা ব্যবহারের সহনশীলতা যেখানে নেই সেই সব উল্লুকদের সাথে পাশাপাশি লেখালেখি করতে আমার স্পষ্ট আপত্তি জানাচ্ছি-

পিয়ালের ব্যন উঠিয়ে নেওয়ার কোনো দাবী আমি জানাই না- বরং আমার রুচিত বাঁধে এমন দাবী জানাতে- উল্লুকের সাথে কোনো আলোচনা বা আপোষ সম্ভব না-

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪

  • ৪৬ টি মন্তব্য
  • ১১৪৬ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৮ জনের ভাল লেগেছে, ৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫০
অবেলা বলেছেন: রাসেলের বেন্ড চাই। সে আস্তমেয়েকে গালি দিয়েছে।
২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫২
৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩
এস্কিমো বলেছেন: এর পর আর না বলা কিছুই নেই। তবে মাঠ না ছাড়ার সিন্ধান্তটা এখনও সঠিক মনে করছি।
৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪
৫. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭
ঘোড়ার ডিম বলেছেন: জনাব চটি রাচেল, আপনের এই বিশাল (হয়ত) চটি মার্কা লেখা পড়ার ধৈর্য্য নাই। তয় প্রথমেই একটা বিরাট ভুল করসেন। সেইটা ধরায়া দেই। আপনি কইসেন=

"অনেক আগে পারস্পরিক আলোচনায় একটা বিষয় উঠে এসেছিলো- সামহোয়্যার ইনের কর্তাব্যক্তিদের আচরণ তথাকথিত ইসলামপ্রেমী জঙ্গীবাদের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে- তারা ইসলামপ্রেমী আচরণ করে বেশীরভাগ সময় যেসব বিতর্কের জন্ম দেয় সেসব বিতর্কের পেছনে মডারেশন নামের একটা ভুত থাকলেও সেটা সব সময়ই প্রতিক্রিয়াশীল একটা আচরণ হিসেবেই প্রতীয়মান হয়- এ"


এইখানো আপনেগো ভুলটা হইলো ইসলাম নিয়া যারা কথা কয় তারা আপনাগো মত চটি লেখতে পারে না বা গালি দিতে পারে না। এইখানে ঘটনা হইলো গালিবাজদের কতৃপক্ষ রিমুভ করতাসে। এখন যদি দেখা যায় যে এক শ্রেণীর লোক যারা নিজেগোরে বেশী জ্ঞানী, স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি, বিবেকবান, প্রগতিশীল মনে করে তারাই শুধু ব্যান খায়, তাইলে বুঝতে হইবো...... কি বুঝতে হইবো? নিজেই বুইঝা লন!

৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯
৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:০৪
সুমন চৌধুরী বলেছেন: আমিও আর থাকতে চাইনা। অনেকে দেখলাম আগেই ধইরা নিছে আমি যামুগা। তারাও আনন্দিত হউক।
৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:০৮
১১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৩
অবেলা বলেছেন: রাসেল আস্তমেয়েকে গালি দিয়ে নারি অবমানা করেছে। চটি রাসেলের বেন্ড চাই
১২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৭
স্বরহীন বলেছেন: সেই,আমি ও চাই, একটু পর ই এই নিয়ে পোস্ট দিতাছি
১৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৮
রাসেল ( ........) বলেছেন: এইখানে বললে হবে? একটা আলাদা পোষ্ট দিয়া- গালির নমুনা দিয়া এর পর না দাবী জানাইতে হবে- আমারে বেন্ড না কইরা ব্যান করলে আরও খুশী হবো- বেন্ড করলে কোনটা বেন্ড করতে কোনটা বেন্ড করবে একটা ভজঘটের ভিতরে পড়ে যাবো।
১৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:২৪
১৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:২৮
রাসেল ( ........) বলেছেন: যাহ বাবা অবেলা ভাইছাব দেখি সুন্নতী তরিকায় চলেন-

চলেন ভাই ব্যান খাই-
১৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৩০
অবেলা বলেছেন: বেন্ড এমনিতেও খাবা, মানে মানে পোটলা গুছিয়ে বিদায় হও। তোমার কুখাদ্য ফ্লাডিংগুলা সংগে নিও। পরে চান্স পাইবানা
১৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৩৭
রাসেল ( ........) বলেছেন: ভাইসাব একটু ভাষার বিষয়টা নিয়া সচেতনতা চাইতেছিলাম- অবেলার জায়গায় আবালের মতো বানানে লিখাটা ঠিক না-
অবমাননা- সঠিক বানান হইবো-
আর বেন্ড মানে বাঁকানো ভাইসাব- ব্যান্ড জিনিষটাও আলাদা অর্থ নিয়ে ঘুরে-
আপনে যেইটা চাইতেছেন সেইটা হইলো
ব্যান- সাময়িক নিষেধাজ্ঞা কিংবা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার চাহিদাকে বেন্ড কইরা বাঁকায়া ফেললে এট্টুসখানি খারাপ লাগে আবাল ভাইটি-
১৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪১
অবেলা বলেছেন: সপ্তমাশ্চর্য! চটি আবার আমারে ভাশার জ্ঞান দেয়। তোমার ভাশার জ্ঞান ভান্ডার লইয়া পালাও বাপ। ব্লগটা একটু শান্তিতে থাক।
২০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪২
অবাক বলেছেন: "আস্তমেয়ে বলেছে। সে মিথ্যা বলে না।"
এইটার চেয়ে বড় মিথ্যা আর কী হৈতে পারে
২১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪৪
রাসেল ( ........) বলেছেন: মজা পাইতেই আছি পাইতেই আছি পাইতেই আছি-
আবাল ভাই রসের ভিয়ানে জ্বাল দিয়ে মধুতে ভইরা দিলো সব দিক
২২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪৭
অবেলা বলেছেন: এই যে আবার গালি শুরু হইলো। কারো নাম বিকৃত করে বলা গুনাহে কবিরা
২৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:০৮
২৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
২৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:২৫
অমিত বলেছেন: অবেলা আপনে গোআর হোগা দিয়া অবেলায় বাইর হইছেন। অহন আবার ভিতরে যানগা, টাইম হয় নাই।
২৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
অবেলা বলেছেন: যারা আমাকে অকারনে গালি দিচ্ছেন আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করুন। আমীন।
২৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৫৬
হযবরল বলেছেন: রাসূল(সাঃ) এর পিন্ডি চটকায়ে ফেল্লো ট্যাঁটনা হুজুরেরা। সেমেটিক ধর্মের মধ্যে মুসলিমদের সহনশীলতার অভাব, তাদের ইমেজটাকে ধীরে ধীরে জংগী রুপ দিলো। সর্বান্তকরণে মুসলিম হবার চাইতে, 'আমি মুসলিম' বলে মুহু মুহু হুমকি আর হুংকার দেওয়াটাকেই কাজ হিসেবে নিয়েছে।

'হিন্দুরা কেন গরু খায় না?' বলে যে চিন্তার কথা বলেছে আশরাফ রহমান, সেটা অন্য কোথাও দেশে বললে পাছার চামড়া খুলে রেখে দিত ওর। যতোসব মৌলবাদী খরগোশ আসছে সামহোয়্যারে। আর পিয়াল ভাই সেইখানে শেখ মুজিবের ভাষণ পোস্ট করে।
২৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:১৫
৩০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:১৬
অলৌকীক বলেছেন: রাসূল(সাঃ) এর পিন্ডি চটকায়ে ফেল্লো ট্যাঁটনা হুজুরেরা।

অবেলা @ বেলা পইড়া যাইতাছে। আসো শুই।
৩১. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:২৫
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: হায়রে হায়! ১৪০০ বছর আগের একজন মানুষ - যার কোন ছবি নাই কোথাও, তাঁকে ইমেজ কইরা আঁকছে কোন আবালেরা, আর তোরা আবালেরা সেইটা শুনে এইসব ছবি নিয়া মাতামাতি করবি?

সত্যিই যদি রাসূলের জন্যে সম্মান থাকে মনে, তাইলে এইসব ভূয়া ছবি দেখার সমস্যাটা কোথায় - বুঝি না।
রাসূলরে ইমেজ কইরা আকঁছে, তাতে তো আমার মনের মধ্যে থাকা মহামানবের ইমেজ নষ্ট হয় নাই।কারণ আমি জানি, এইটা রাসূলের ছবি নাহ।

এইটুকুই কী যথেষ্ট না ?
কেউ তো আর বলছে না.. যে এটা রাসূল।
আর বললেও তাঁরা মিথ্যা বলছে।

মূর্খ লোকেরা, চোখ খোলো। রাসূলকে কেউ দেখেনাই - অথচ তাঁরা ছবি এঁকে ফেললো ? রাসূলের ছবি শুনেই তোমরা মূর্খরা যারা চোখ বন্ধ করে রাখো, তাঁরা চোখ বন্ধ করে ছবিটাকেই কি স্বীকৃতি দিচ্ছোনা?
বরং তোমরা চোখ খোলা রেখে হেসেই উড়িয়ে দিলেইতো ল্যাঠা চুকে যায়, নয় কি?

কারণ তাঁর কোন ছবি থাকতে পারে না।
তোমাদের বিশ্বাস কি এতোই দুর্বল?
তাহলে তোমাদের জন্যে করুণা ছাড়া আমার আর কিছুই করার নেই।
৩৩. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৮:৪৪
মুকুল বলেছেন: আজব ব্যাপার! আমি এই পোস্টে রেটিং দিতে গিয়ে দেখি
"আপনি এই পোস্টকে একবার রেটিং করেছেন"
-- বলা হয়েছে। অথচ আমি আগে রেটিং দিই নাই।
যাই হোক আনঅফিসিয়ালি ৫ দিলাম।
৩৪. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:২৮
কালপুরুষ বলেছেন: এই লেখাটা রাসেলের অনেক ভাল লেখার মধ্যে একটা। গালি ছাড়াও যে ভাল লেখা যায় তার উত্কৃষ্ট উদাহরণ এই লেখাটা। নিজস্ব মতামত যে কেউ জানাতে পারে এবং তা যদি বিশ্লেষণমূলক হয় তাতে অসুবিধা কোথায়। তবে ব্যক্তিগত আক্রমন ও কাউকে গালি দেয়ার ঘোর বিরোধি আমি। আর রাসেলের এই গালি দেয়ার ব্যাপারটা আমাকেও মাঝে মাঝে খুবই বিব্রত করে। সত্যি বলছি ভীষণ বিরক্ত হই আমি। তবে সে লিখতে জানে এবং তা খুব ভালভাবেই জানে সেই কারণেই আমার অবাক লাগে, মানতে কষ্ট সে হয় মতের মিল না হলেই কেন গালাগালির প্রশ্ন আসবে?
৩৫. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৩২
ফেলুদা বলেছেন: ফেলুদা বলেছেন :
২০০৭-০৭-২৭ ০১:৪৫:২০
ইন্টেরেস্টিং ব্যাপারটা কি জানিস তোপসে, নোটিশবোর্ড জানেই না আসলে কি হয়েছিল! যাকে ব্যান করা হয়েছে সে কিন্তু কোনো পোস্ট করেনি, প্রোফাইলে একটা কার্টুন ব্যবহার করেছিল যা সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে দিয়েছে। অথচ নোটিশ বোর্ড বলছে পোস্টের কথা। অস্থিরতা বিরাজ করার পোস্টটা কে দিয়েছে রে? ত্রিভুজ, ইবনে সালাম? কে? তারা কি ব্যান। তাহলে হয় সামহোয়ার উপরের নোটিশটা ভুল লিখেছে, নয়তো তারা জানেই না কি হয়েছিল, ততটাই জানে যতটা তাদের জানানো হয়েছে।
৩৬. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪৮
অন্যরকম বলেছেন: যুদ্ধের sound পাওয়া যাইতেেছ মনে হয়? মাল রেডি আছে..... কখন লাগবো? কার লাগবো? কন..... supply দিমু....
৩৭. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৫৮
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: "তবে সে লিখতে জানে এবং তা খুব ভালভাবেই জানে সেই কারণেই আমার অবাক লাগে, মানতে কষ্ট সে হয় মতের মিল না হলেই কেন গালাগালির প্রশ্ন আসবে? "
তয় কুকুর কামড়াইতে আইলে মুগুড়েরই দরকার হয়।
৩৮. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:০২
আপন তারিক বলেছেন: পিয়াল ভাইয়ের ব্যান উঠিয়ে নেয়ার কথা আমারো বলতে রুচিতে বাধে। এইটা আসলে জামাতে ইছলামী বাংলাদেশের ব্লগ। অমি রহমান পিয়ালরা থাকলে রাজাকারদের ছানাপোনাদের তো অনেক সমস্যা!
৩৯. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:১৫
ধ্রূপদী বলেছেন: লোলপুরিষ এখানেও গালি টেনে আনলেন। আপনার বৌমার কি খুব ব্যথা লেগেছে? সে ব্যথা আপনার মধ্যে সঞ্চারিত হল কিভাবে? টাচে, না ইন্ডাকশনে?
৪০. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৭
ঝরা পাতা বলেছেন: চলে যাবো তবু যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ,
প্রাণপণে সরাব এই পৃথিবীর জঞ্জাল।
৪১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৩:১৬
বড় ভাবী বলেছেন: ধার্মিক শিশ্ন চুষে আরাম বেশী। পবিত্র শিশ্ন হতে গলগল করে বের হওয়া পবিত্র বীর্য নরওয়েবাসী আরিলের খুব পছন্দ।
৪২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৮
স্বপ্নময় বলেছেন: সেরেছে... রেগে বৌম ঠাকুর হয়ে গেছে দেখি। রাসেল সাহেবের রাগের পিরিওডে হুজুররা কখনোই রেহাই পাইলো না... তাদের প্রতি সমবেধনা থাকলো ;) ভাগ্গিস আরিল্ড মিয়া মুসলমান পোলা না, সেটাই রক্ষে।

পাশের বুথের পাবলিকের কাজকম্ম চুরি করে দেখাটাও বেকুবের কম্ম। ভুল ধরলে প্রচুর ধরা যায়। রাসেল যে পদ্ধতিতে রাগটা ঝারলো সেটা পছন্দ হলো না। আমার মনে হয়েছে বিষয়টা আরো স্বাবলীল বিষয়বস্তুর জড়ো করে উপস্থাপন করা যেতো। অবশ্য, আমার পছন্দ অপছন্দে কিছু যায় আসে না। মতামত দিতে ইচ্ছে হলো, দিলাম।

অনেকদিন আসলে আসা হয়না এখানে। এখন এখানে আসতে অতটা ইচ্ছে হয়না। পিয়ালকে ব্যান করেছে সেটা পোষ্টটা পড়ে জানতে পারলাম। মোটামুটি মর্মাহত হলাম। এক্কেবারে পানসে হয়ে গেছে ফোরাম টা। নির্বোধ কর্তৃপক্ষের চোখ কবে ফুটবে ঈশ্বর ভালো জানেন।
৪৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৫
সাধক শঙ্কু বলেছেন: এইবার মোটামুটি একটা হাইপোথিসিস বানানো যায়।

১. একটা মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানী সুপরিকল্পিতভাবে ধর্ম-ভিত্তিক ফ্যাসীবাদরে সমর্থন দিয়া যাইতাছে। পাকিস্থানের যেই মাদ্রাসার তালিবদের দিয়া তালেবান বানানো হইছে সেগুলা ফিনান্স করছে ইউনিকল।

২. আইয়ূব-জিয়া-এরশাদের মতো মদ-সূদী কারবারের লগে খিচুড়ি কইরা নারায়ে তকবীর মিশিনোর কাজে বরাবরই মুক্তচিন্তার লেখকরা অসুবিধাজনক। সুতরাং ছাগু ছাড়া কাউরে বাক-স্বাধীনতা দেওন যাইবো না। এইটা অস্বাভাবিক কিছু না। যেই যুক্তিতে হিটলার ইন্টেলেকচুয়াল মারছে একই যুক্তিতে জামায়াতে ইসলামীর মিলিশিয়া বাহিনি আল-বদর বুদ্ধিজীবি মারছে। প্রতি ক্ষেত্রেই আলটিমেট নিয়ন্ত্রণ ছিল জলপাই মামাগো হাতে। এইবারো তাই।

৩. বাংলা প্রাচীনকাল থিকাই বিদ্রোহ উপদ্রুত এলাকা। এই সমস্ত প্রতিরোধের কেন্দ্রে কোনদিনই আল্লাহ-ভগু-গডু-শিঙাবোঙা-উগাবুগাদের কোন ইনফ্লুয়েন্স ছিল না। রাজনীতিতে ধর্ম ঢুকাইছে রাষ্ট্র। এই বিষয়ে সবচেয়ে সফল ইংরেজ। ইংরেজের বিরুদ্ধে যতগুলা আপরাইজিং হইছে তার সবই সরাসরি উপনিবেশবিরোধী ইস্যুতে। ধর্ম এইখানে ঢুকছে এই আন্দোলনগুলারে ভান্ডা করার জন্য। পাকিস্থান হইয়াও টিকতে পারে নাই কারণ বাঙ্গালীর কালচার মারফতি-মুর্শীদী দেহতত্ত্ববাদী ঘরানার। হক্কুলু কুলু কুলু ঘরানার না। কিন্তু ঐ যে স্বাধীন মতপ্রকাশের চান্স দিলেই প্রতিবাদ করে । তাতে তো মামার অসুবিধা। ধান চাইল পাতালে পাঠানো যায় না। সুতরাং একের পর এক জলপাই নামাও, লাড়ায়ণ তকবীর গো পাট্টি বানাইয়া দাও নিজ খরচে।

এই ধারাবাহিকতাই হইছে সামহোয়ারইনব্লগে। আন্তর্জাতিকভাবে মামারা এইটারে একটা বিজ্ঞাপন হিসাবে দেখাইবো। দেখাইবো যে বাংলাদেশের লেখকরা মূলত ত্রিভুজ। পাঠকরা ভোদাইচোদা। একটু বেশী বুদ্ধি হইলে এরা সুফী হয়। কিন্তু কোন অবস্থাতেই এর উপরে না। এই বিজ্ঞাপন প্রচারের আর্থিক ক্ষমতা তাগো আছে। তারা এইটা পারে। ২০০৬ এর ফেব্রুয়ারীতে মাসুদার পোস্ট ডিলিট দিয়া শুরু অমি রহমান পিয়ালরে ব্যান করা দিয়া খতম তারাবী।

ছাগুচন্দ্র! সামুব্লগ এখন তোমাগু। খুশীতে এখন জিবলা দিয়া নিজের গোয়া চাটো আর বাললুডুস বানাও।

.....................................................

এই পোস্টখান ২য়বারের মতো মুইছা দিলেন সামহোয়ারের মডুরাম। আবার দিতাছি। পুরা ব্যান না করা পর্যন্ত চলবো।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ!!




কৌশিকের মন্তব্যের জবাবে কইছিলাম :

আমি কোনজায়গায় অনপেক্ষ অবস্থানের কথা কইছি বইলা মনে পড়তাছে না। সব অবস্থানেরই নিজস্ব বক্তব্য আছে। কথা হইলো সেই বক্তব্য কি এবং সেইটা কোন পক্ষে যায়।

বাংলাদেশের মাটি থিকা পরিচালিত একটা ফোরাম/ব্লগ বা সোজা কথায় মিডিয়া প্রমাণিত বাংলাদেশবিরোধীদের পেট্রোনাইজ করলে তার বিরুদ্ধমত প্রচন্ডভাবে আঘাত করবোই। ইন্টারনেট তো লেখনের জাগা। এইখানে অক্ষর সমাবেশ দিয়াই আক্রমণ হইবো। এই বিষয়ে সদ্য ব্যান খাওয়া পিয়াল ভাই এর একটা মহাবাক্য মনে পড়তাছে

" থাকলে এমনেই থাকতে হইবো নাইলে ফুট "
৪৫. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২০
স্বপ্নময় বলেছেন: শীট, কি করলাম। পোষ্টটারই বারোটা বাজাইলাম।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন