এটাকে কবিতা বলা চলে কি না এ বিষয়ে আলোচনা চলতে পারে সমান্তরাল ভাবে। গত রাতে অনেকটা আকস্মিক ভাবেই শ্রদ্ধেয় মামুন রশীদ সাহেবের সাক্ষাৎকার দেখার দুর্ভাগ্য হয়েছিলো। তিনি অর্থনীতিবিদ- অনেক বিষয়েই তিনি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে দক্ষ আমার তুলনায়। নগন্য আমি খানিকটা হচকচিয়ে যাই- এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন সিন্ডকেট তৈরি করে কৃত্রিম ভাবে দাম বাড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন। কাঁচা বাজারে সিন্ডিকেট সক্রিয় না। চাল, তেল, সোনা এসব নিয়ে যে সব সিন্ডিকেট কাঁচা বাজারের মুল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী তারা আসলে মুল্য বৃদ্ধিতে তেমন প্রভাব রাখেন না। মূলত দাম নির্ভর করে চাহিদা- যোগান রেখার ঢালে।
আমি নির্বাক, বিবশ এবং বিবমিষাক্রান্ত হইযুগপত-বড়ই ফাঁকা লাগে চার পাশ- কাঁচা বাজার সংক্রান্ত আমার চেতনা সবজি আর শস্যের আশেপাশে- এমন কি এখন কাঁচা বাজারে যেতে হলে আমি সেই আলো-পটল- বেগুন-ঝিঙ্গে-শসা- টমেটোঅধু্যষিত রঙ্গিন প্রান্তরে চলে যাই।
আমার এ জানা তবে ভুল ছিলো- আমার কাঁচা বাজার যাওয়ার যে রাস্তা সোনাহারের দোকান স্পর্শ করে না তা কি রূপে কাঁচা বাজার হবে। আমি হতাশায় ভুগি- তবে এত দিন যা জেনেছি ভুল সবই ভুল।
অবশ্য সময়সল্পতার কারনে এখনও অন্যসব চেতনা ক্রিয়াশীল।নতুনবা হয়তো আরও খানিকক্ষণ দেখলে চেতনার সামগ্রিক বিপর্যয় ঘটে যেতো। তখন হার্ডওয়ারের দোকানে গিয়ে উইন্ডোজ ভিসটা খুঁজতাম কিংবা অটবিতে গিয়ে বলতাম 5 আনার ধনে পাটা হলে ভালো হতো।
কিংবা ফিলিপসের শোরুমে গিয়ে বলতাম ভাই 2 টাকার লবন দিবেন? এমন অনেক জাগতিক সংঘর্ষ থেকে মুক্ত হয়ে হয়তো মুদি দোকানদারের কাছে কয়েক ভরি সোনাও চাইতে পারতাম। অনেক কিছুই হলো না কারন সময়সল্পতার। তবে এর একটা প্রতিক্রিয়া থাকেই। নিউটন সাহেব শ্রদ্ধাহ্য- তিনি বলেছিলেন প্রতিক্রিয়া এবং ক্রিয়া সব সম ভিন্নভিন্ন 2টা অবস্থানে ঘটে- তবে ক্রিয়ার সমপরিমান প্রতিক্রিয়া হয়- বিমুঢ় আমি ঠিক সঠিক পরিমানে প্রতিক্রিয়াশীল কি না এ বিবেচনা আবার পাঠকের কাছে- তিনি সিদ্ধান্ত দিলে ল্যাঠা চুকে যায়।
আমাদের পা-হাত-চোখ-ঠোঁট-হাসি কণ্ঠস্বরের রূপান্তর ঘটে-
আমাদের আনকোরা বুদ্ধিজীবি চাই, ফটোজেনিক হতে হবে- এ বিজ্ঞাপনে
সাড়া দেওয়ার যথাযোগ্য কোনো কারন খুঁজে পাই না বর্তমানে
অবশ্য তিনি বলেছেন যদিও সোনা বা চাল বা তেল মজুতদার সিন্ডিকেটের কবলে পড়লে মুল্য সামান্য বেড়ে যায় কাঁচা বাজারে তবে এতে কৃষকেরা লাভবান হয়।
আমিও মুগ্ধ হই-
তীব্র বেগ চাপে প্রস্রাবের- আমি কোমেডে কল্পনা করি সেই বুদ্ধিজীবি আআলজিহবা হা করে আহবান করছেন-সাড়া দেই জৈবিক নিয়মে-সরোষে ফ্ল্যাশ টানি- আর চিন্তা করি-
ভাগ্যিস পানি কিনে খাই না,অন্তত সাপ্লাইয়ের পানির দাম বাড়ানোর কোনো সিন্ডিকেট নেই।নতুবা কত দামি প্রসাব অপচয় হচ্ছে ভেবে হাড়কেপ্পনের বহুমুত্র সেড়ে যেতো আর কাঁচা পয়সায় লেমোনেডের বদলে বোতলে ভরে পেশাব খেতাম স্ট্র দিয়ে।
অবশ্য সেই কৃষকের লাভবান হওয়ার বিষয়টাও আমাকে চিন্তিত করে।
"মহাজনের কাছে মাঠ বেঁচে দেওয়া কৃষকের খোরাকি ধান কত দামী , কৃষক তা জানে"। আর জানে মজু মিয়া, ঝঁকা মাথায় 5 মাইল হেঁটে মুল্যহীনতায় অপমানে ঝাঁকা ছুড়ে ফেলে ড্রেনে- সেদিন বেগুন ছিলো 30 টাকা মন। আমরা সেদিনও চলমান সব্জি দোকান থেকে বেগুন কিনেছি 15 টাকা কেজি।
অবশ্য কৃষকের বিষয়উন্নতি নিয়ে চিন্তিত হওয়ার উপাদান আছে,
যদি তারা মধ্যবিত্ত হয়ে যায়
যদি তারা জি ডি পি এ ডিপি বুঝে যায়
যদি তারা শস্যবপন না করে জমিতে সার সার রূয়ে যায় স্বর্ণরেণু
তবে সোনার দাম পড়ে যাবে
আমরা সোনার মজুতদারি করে সে বছর মুনাফা পাবো না।
আমি নির্বাক, বিবশ এবং বিবমিষাক্রান্ত হইযুগপত-বড়ই ফাঁকা লাগে চার পাশ- কাঁচা বাজার সংক্রান্ত আমার চেতনা সবজি আর শস্যের আশেপাশে- এমন কি এখন কাঁচা বাজারে যেতে হলে আমি সেই আলো-পটল- বেগুন-ঝিঙ্গে-শসা- টমেটোঅধু্যষিত রঙ্গিন প্রান্তরে চলে যাই।
আমার এ জানা তবে ভুল ছিলো- আমার কাঁচা বাজার যাওয়ার যে রাস্তা সোনাহারের দোকান স্পর্শ করে না তা কি রূপে কাঁচা বাজার হবে। আমি হতাশায় ভুগি- তবে এত দিন যা জেনেছি ভুল সবই ভুল।
অবশ্য সময়সল্পতার কারনে এখনও অন্যসব চেতনা ক্রিয়াশীল।নতুনবা হয়তো আরও খানিকক্ষণ দেখলে চেতনার সামগ্রিক বিপর্যয় ঘটে যেতো। তখন হার্ডওয়ারের দোকানে গিয়ে উইন্ডোজ ভিসটা খুঁজতাম কিংবা অটবিতে গিয়ে বলতাম 5 আনার ধনে পাটা হলে ভালো হতো।
কিংবা ফিলিপসের শোরুমে গিয়ে বলতাম ভাই 2 টাকার লবন দিবেন? এমন অনেক জাগতিক সংঘর্ষ থেকে মুক্ত হয়ে হয়তো মুদি দোকানদারের কাছে কয়েক ভরি সোনাও চাইতে পারতাম। অনেক কিছুই হলো না কারন সময়সল্পতার। তবে এর একটা প্রতিক্রিয়া থাকেই। নিউটন সাহেব শ্রদ্ধাহ্য- তিনি বলেছিলেন প্রতিক্রিয়া এবং ক্রিয়া সব সম ভিন্নভিন্ন 2টা অবস্থানে ঘটে- তবে ক্রিয়ার সমপরিমান প্রতিক্রিয়া হয়- বিমুঢ় আমি ঠিক সঠিক পরিমানে প্রতিক্রিয়াশীল কি না এ বিবেচনা আবার পাঠকের কাছে- তিনি সিদ্ধান্ত দিলে ল্যাঠা চুকে যায়।
আমাদের পা-হাত-চোখ-ঠোঁট-হাসি কণ্ঠস্বরের রূপান্তর ঘটে-
আমাদের আনকোরা বুদ্ধিজীবি চাই, ফটোজেনিক হতে হবে- এ বিজ্ঞাপনে
সাড়া দেওয়ার যথাযোগ্য কোনো কারন খুঁজে পাই না বর্তমানে
অবশ্য তিনি বলেছেন যদিও সোনা বা চাল বা তেল মজুতদার সিন্ডিকেটের কবলে পড়লে মুল্য সামান্য বেড়ে যায় কাঁচা বাজারে তবে এতে কৃষকেরা লাভবান হয়।
আমিও মুগ্ধ হই-
তীব্র বেগ চাপে প্রস্রাবের- আমি কোমেডে কল্পনা করি সেই বুদ্ধিজীবি আআলজিহবা হা করে আহবান করছেন-সাড়া দেই জৈবিক নিয়মে-সরোষে ফ্ল্যাশ টানি- আর চিন্তা করি-
ভাগ্যিস পানি কিনে খাই না,অন্তত সাপ্লাইয়ের পানির দাম বাড়ানোর কোনো সিন্ডিকেট নেই।নতুবা কত দামি প্রসাব অপচয় হচ্ছে ভেবে হাড়কেপ্পনের বহুমুত্র সেড়ে যেতো আর কাঁচা পয়সায় লেমোনেডের বদলে বোতলে ভরে পেশাব খেতাম স্ট্র দিয়ে।
অবশ্য সেই কৃষকের লাভবান হওয়ার বিষয়টাও আমাকে চিন্তিত করে।
"মহাজনের কাছে মাঠ বেঁচে দেওয়া কৃষকের খোরাকি ধান কত দামী , কৃষক তা জানে"। আর জানে মজু মিয়া, ঝঁকা মাথায় 5 মাইল হেঁটে মুল্যহীনতায় অপমানে ঝাঁকা ছুড়ে ফেলে ড্রেনে- সেদিন বেগুন ছিলো 30 টাকা মন। আমরা সেদিনও চলমান সব্জি দোকান থেকে বেগুন কিনেছি 15 টাকা কেজি।
অবশ্য কৃষকের বিষয়উন্নতি নিয়ে চিন্তিত হওয়ার উপাদান আছে,
যদি তারা মধ্যবিত্ত হয়ে যায়
যদি তারা জি ডি পি এ ডিপি বুঝে যায়
যদি তারা শস্যবপন না করে জমিতে সার সার রূয়ে যায় স্বর্ণরেণু
তবে সোনার দাম পড়ে যাবে
আমরা সোনার মজুতদারি করে সে বছর মুনাফা পাবো না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৩৬
অরূপ বলেছেন: 5 দিলাম
অরূপ বলেছেন: 5 দিলাম ২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৩৯
অতিথি বলেছেন: বেসম্ভব সুন্দর একটা কবিতা হয়েছে। কবিতার কপিসত্ত্ব চাই!
অতিথি বলেছেন: বেসম্ভব সুন্দর একটা কবিতা হয়েছে। কবিতার কপিসত্ত্ব চাই! ৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪০
অতিথি বলেছেন: আমিও 5 দিয়েছি।আরো বেশী দেয়ার ইচ্ছা ছিলো কিন্তু উপায় পাচ্ছি না।
অতিথি বলেছেন: আমিও 5 দিয়েছি।আরো বেশী দেয়ার ইচ্ছা ছিলো কিন্তু উপায় পাচ্ছি না। ৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪৩
অতিথি বলেছেন: মামুন রশিদের সাক্ষাৎকারটি দেখার সৌভাগ্য আমারও হয়েছিল। এটিএন বাংলার রিপোর্ট দেখানোর পর এই দালালটি যেভাবে ফুঁসে উঠলো তাতে মনে হয়েছিল তার ভাগে বোধ হয় কিছু কম পড়ে যাবার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সে আবার অর্থনীতির চাহিদা ও যোগান নিয়েও একটা বক্তৃতা দিয়ে ফেললো। মামুন রশিদের মতো লোকেরাও মানে তথাকথিত ভদ্রলোক ব্যাংকাররাও যখন কালোবাজারী ও মজুদদারদের সমর্থন করে তখন চিন্তিত হতেই হয়। এই ব্যাটারে নিয়া মিডিয়া অযথাই লাফায়। ফুললি ফালতু একটা লোক।
অতিথি বলেছেন: মামুন রশিদের সাক্ষাৎকারটি দেখার সৌভাগ্য আমারও হয়েছিল। এটিএন বাংলার রিপোর্ট দেখানোর পর এই দালালটি যেভাবে ফুঁসে উঠলো তাতে মনে হয়েছিল তার ভাগে বোধ হয় কিছু কম পড়ে যাবার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সে আবার অর্থনীতির চাহিদা ও যোগান নিয়েও একটা বক্তৃতা দিয়ে ফেললো। মামুন রশিদের মতো লোকেরাও মানে তথাকথিত ভদ্রলোক ব্যাংকাররাও যখন কালোবাজারী ও মজুদদারদের সমর্থন করে তখন চিন্তিত হতেই হয়। এই ব্যাটারে নিয়া মিডিয়া অযথাই লাফায়। ফুললি ফালতু একটা লোক। ৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪৮
অতিথি বলেছেন: ঐ সব ফালতুদের প্রোফাইল পড়ে সময় নষ্ট করার কি আদৌ দরকার আছে?
ফটোজনিক বুদ্ধিজীবি,এটাইতো ঠিক আছে।
অতিথি বলেছেন: ঐ সব ফালতুদের প্রোফাইল পড়ে সময় নষ্ট করার কি আদৌ দরকার আছে?ফটোজনিক বুদ্ধিজীবি,এটাইতো ঠিক আছে।
৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪৮
৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:১৯
রাগ ইমন বলেছেন: কবিতাই আসলে ! একেবারে আধুনিক !
একই সাথে যদি আক্রোশ আর বিষন্নতা চেপে বসে , সাথে অট্টহাস্য , কোনটা আগে?
ভন্ডামির আরো কত রূপ যে দেখবো!
লেখাটা পড়ে কেমন বিমূঢ় বিষন্ন লাগছে!
রাগ ইমন বলেছেন: কবিতাই আসলে ! একেবারে আধুনিক !একই সাথে যদি আক্রোশ আর বিষন্নতা চেপে বসে , সাথে অট্টহাস্য , কোনটা আগে?
ভন্ডামির আরো কত রূপ যে দেখবো!
লেখাটা পড়ে কেমন বিমূঢ় বিষন্ন লাগছে!
১০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:২৮
অতিথি বলেছেন: এই লোকটা মনে হয় সিটিব্যাংকের(আমেরিকান) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ম্যানেজার ।
তার আবার প্রোভাইড করে প্রথমআলো-ডেইলি স্টার গ্রুপ ।
সব শালাদের এক ধান্দা তত্ব আর তথ্যের মোড়কে আসল সত্যগুলোকে আড়াল করা ।
অতিথি বলেছেন: এই লোকটা মনে হয় সিটিব্যাংকের(আমেরিকান) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ম্যানেজার ।তার আবার প্রোভাইড করে প্রথমআলো-ডেইলি স্টার গ্রুপ ।
সব শালাদের এক ধান্দা তত্ব আর তথ্যের মোড়কে আসল সত্যগুলোকে আড়াল করা ।
১২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৪১
অতিথি বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ,
ব্যাংকার মামুন রশীদ নাইলে দালাল বুঝলাম কিন্তুব্যাংকার মাত্রই কি ব্যাপকার্থে দালাল না? উনি বলছেন (রাসেল...-এর লেখায়), "চাল, তেল, সোনা এসব নিয়ে যে সব সিন্ডিকেট কাঁচা বাজারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী তারা আসলে মূল্য বৃদ্ধিতে তেমন প্রভাব রাখেন না। মূলত দাম নির্ভর করে চাহিদা- যোগান রেখার ঢালে।" তার এই মহাজনবাক্য যদি ভ্রান্ত হয় কীভাবে উনি ভুল বলতেছেন মাহবুব সেইটা বলেন।
দালালদের দালাল বইলা গাইল দেওয়াটা খারাপ না। ওইটা গাইল না হইয়া বরং সম্বোধন হইয়া যায়।
অতিথি বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ,ব্যাংকার মামুন রশীদ নাইলে দালাল বুঝলাম কিন্তুব্যাংকার মাত্রই কি ব্যাপকার্থে দালাল না? উনি বলছেন (রাসেল...-এর লেখায়), "চাল, তেল, সোনা এসব নিয়ে যে সব সিন্ডিকেট কাঁচা বাজারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী তারা আসলে মূল্য বৃদ্ধিতে তেমন প্রভাব রাখেন না। মূলত দাম নির্ভর করে চাহিদা- যোগান রেখার ঢালে।" তার এই মহাজনবাক্য যদি ভ্রান্ত হয় কীভাবে উনি ভুল বলতেছেন মাহবুব সেইটা বলেন।
দালালদের দালাল বইলা গাইল দেওয়াটা খারাপ না। ওইটা গাইল না হইয়া বরং সম্বোধন হইয়া যায়।
১৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৫
অতিথি বলেছেন: রাইসু ভাই,
ব্যাংকার যে অর্থে দালাল সে অর্থে দালালী করলে মামুন রশিদকে শুধু ব্যাংকার বললেই হইতো। আলাদা করে দালাল বলতে হইতো না। ব্যাংকার যে অর্থে দালালী করে বা পুঁজির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সেই প্রোফেশনাল দায়িত্বের বাইরে তিনি কথা বলছিলেন। ব্যাংকারের দায়িত্বের বাইরে এইটাই তার দালালী।
মামুন রশিদ বলেন, সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব আছে এইটা তিনি মনে করেন না। একন মনে করেন না তার পক্ষে তিনি যুক্তি দেখান নাই। তিনি কোনো সিচুয়েশনাল যুক্তি দেখাতেও পারবেন না। চাহিদা অনুযায়ী যোগান নিশ্চিত হলে দাম আগের মতো থাকে। চাহিদা চেয়ের বেশি হলে দাম কমে। আর চাহিদার কম হলে দাম বাড়ে। এই সূত্রের বাইরে যে কারণে দাম বাড়তে পারে তাও এই সূত্রের মধ্যেই ঘটে। কেউ যদি, বাজারে কাটতি আছে এমন পণ্য অতিরিক্ত মজুদ করে রাখে তাহলেও চাহিদা অনুসারে যোগান হয় না ফলে দাম বেড়ে যায়। মার্কেট যদি ওপেন হয় তবে স্বাভাবিক নিয়ম অনুসারে একজন চিনি বাজারে না ছাড়লেও আরেকজন ছাড়বে। ফলে বাজারে চিনির চাহিদা কিছুটা হলেও মিটবে। কিন্তু চিনির আমদানী কারকররা সবাই মিলে যদি চিনি গুদামবন্দী করে বলে 35 টাকার চিনি 70 টাকায় বিক্রি হবে। তাহলে চিনির দাম ডবল হইতে সময় লাগে না। এই ঘটনা শুধু চিনি না। আরও কয়েকটা পণ্যের ক্ষেত্রে আমাদের এখানে ঘটেছে। আমদানী নির্ভর পণ্যের ক্ষেত্রে এটা করা সহজ।এক্ষেত্রে ক্রেতাদের জিম্মি করা হচ্ছে। বাজারের স্বাভাবিক গতিকে রুদ্ধ করে দাম বাড়ছে। মানুন রশিদের সূত্র মতে, কলোবাজারী বা মজুদদারী বলে কোনো ধারণা নাই। আছে শুধু ব্যবসা আর ব্যবসা। ফলে ওনাকে আলাদা করে ও স্পষ্ট করে দালাল বলার দরকার আছে।
অতিথি বলেছেন: রাইসু ভাই,ব্যাংকার যে অর্থে দালাল সে অর্থে দালালী করলে মামুন রশিদকে শুধু ব্যাংকার বললেই হইতো। আলাদা করে দালাল বলতে হইতো না। ব্যাংকার যে অর্থে দালালী করে বা পুঁজির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সেই প্রোফেশনাল দায়িত্বের বাইরে তিনি কথা বলছিলেন। ব্যাংকারের দায়িত্বের বাইরে এইটাই তার দালালী।
মামুন রশিদ বলেন, সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব আছে এইটা তিনি মনে করেন না। একন মনে করেন না তার পক্ষে তিনি যুক্তি দেখান নাই। তিনি কোনো সিচুয়েশনাল যুক্তি দেখাতেও পারবেন না। চাহিদা অনুযায়ী যোগান নিশ্চিত হলে দাম আগের মতো থাকে। চাহিদা চেয়ের বেশি হলে দাম কমে। আর চাহিদার কম হলে দাম বাড়ে। এই সূত্রের বাইরে যে কারণে দাম বাড়তে পারে তাও এই সূত্রের মধ্যেই ঘটে। কেউ যদি, বাজারে কাটতি আছে এমন পণ্য অতিরিক্ত মজুদ করে রাখে তাহলেও চাহিদা অনুসারে যোগান হয় না ফলে দাম বেড়ে যায়। মার্কেট যদি ওপেন হয় তবে স্বাভাবিক নিয়ম অনুসারে একজন চিনি বাজারে না ছাড়লেও আরেকজন ছাড়বে। ফলে বাজারে চিনির চাহিদা কিছুটা হলেও মিটবে। কিন্তু চিনির আমদানী কারকররা সবাই মিলে যদি চিনি গুদামবন্দী করে বলে 35 টাকার চিনি 70 টাকায় বিক্রি হবে। তাহলে চিনির দাম ডবল হইতে সময় লাগে না। এই ঘটনা শুধু চিনি না। আরও কয়েকটা পণ্যের ক্ষেত্রে আমাদের এখানে ঘটেছে। আমদানী নির্ভর পণ্যের ক্ষেত্রে এটা করা সহজ।এক্ষেত্রে ক্রেতাদের জিম্মি করা হচ্ছে। বাজারের স্বাভাবিক গতিকে রুদ্ধ করে দাম বাড়ছে। মানুন রশিদের সূত্র মতে, কলোবাজারী বা মজুদদারী বলে কোনো ধারণা নাই। আছে শুধু ব্যবসা আর ব্যবসা। ফলে ওনাকে আলাদা করে ও স্পষ্ট করে দালাল বলার দরকার আছে।
১৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:২০
অতিথি বলেছেন: আরে মুসিবত!
এখনতো দেখি আমি সহমত@মাহবুব!!
রাইসুদা,আপনার সাথে সহমত প্রত্যাহার করলাম।হে.হে.হে.....
অতিথি বলেছেন: আরে মুসিবত!এখনতো দেখি আমি সহমত@মাহবুব!!
রাইসুদা,আপনার সাথে সহমত প্রত্যাহার করলাম।হে.হে.হে.....
১৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:২৩
অতিথি বলেছেন: বাজরে যদি কোনো পণ্যের প্রকৃতই সংকট থাকে তবে 35 টাকার চিনি 70 টাকা কেন 140 টাকাতেও পাওয়া যাবে না। কিন্তু কোথাও দেখা যায় নাই যে টাকা দিলে কোনো দোকানদার চিনি দিতে পারছেন না। তার মানে চিনিটা মামুন রশিদদের ঘরে আছে। এক্ষেত্রে সরকার বাইরে থেকে সাহায্য চাইবে। বাড়তি চিনি আনবে। বাজারে বিক্রি করবে। দেশের মানুষকে বাচাবে। কিন্তু সরকার তা করে নাই। কারণ সে জানে চিনি মানুন রশিদের বেরাদারদের ঘরে আছে। তারা ডবল মুনাফা কমানোর জন্য সাময়িক সংকট তৈরি করেছে।
এইভাবে মামুন রশিদের বেরাদাররা দেড়লাখ কোটি টাকা ঘরে তুলছে।
অতিথি বলেছেন: বাজরে যদি কোনো পণ্যের প্রকৃতই সংকট থাকে তবে 35 টাকার চিনি 70 টাকা কেন 140 টাকাতেও পাওয়া যাবে না। কিন্তু কোথাও দেখা যায় নাই যে টাকা দিলে কোনো দোকানদার চিনি দিতে পারছেন না। তার মানে চিনিটা মামুন রশিদদের ঘরে আছে। এক্ষেত্রে সরকার বাইরে থেকে সাহায্য চাইবে। বাড়তি চিনি আনবে। বাজারে বিক্রি করবে। দেশের মানুষকে বাচাবে। কিন্তু সরকার তা করে নাই। কারণ সে জানে চিনি মানুন রশিদের বেরাদারদের ঘরে আছে। তারা ডবল মুনাফা কমানোর জন্য সাময়িক সংকট তৈরি করেছে। এইভাবে মামুন রশিদের বেরাদাররা দেড়লাখ কোটি টাকা ঘরে তুলছে।
১৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:২৮
অতিথি বলেছেন: এই কালোবাজারির পক্ষে এতকাল কাউকে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। কারণ তাদের পক্ষে আসলে কাউকে দাড়াতে হয় না। ওরা বাজার তো বটেই সরকারও নিয়ন্ত্রণ করে। এখন যেহেতু তাদের সাময়িক শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাই তারা মামুন রশিদকে হয়তো নিয়োগ দিয়েছে। তাদের নাম ভয়ে কেউ বলে না। মিডিয়া হয় ভয়ে নইলে ভাগ পেয়ে তাদের কথা গোপন করে। এই প্রথম তাদের পক্ষে একজনকে পাওয়া গেল। মামুন রশিদকে ধরলে হয়তো বাকীদের নাম বের হয়ে আসবে।
অতিথি বলেছেন: এই কালোবাজারির পক্ষে এতকাল কাউকে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। কারণ তাদের পক্ষে আসলে কাউকে দাড়াতে হয় না। ওরা বাজার তো বটেই সরকারও নিয়ন্ত্রণ করে। এখন যেহেতু তাদের সাময়িক শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাই তারা মামুন রশিদকে হয়তো নিয়োগ দিয়েছে। তাদের নাম ভয়ে কেউ বলে না। মিডিয়া হয় ভয়ে নইলে ভাগ পেয়ে তাদের কথা গোপন করে। এই প্রথম তাদের পক্ষে একজনকে পাওয়া গেল। মামুন রশিদকে ধরলে হয়তো বাকীদের নাম বের হয়ে আসবে। ১৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৪৩
মোহাম্মদ এরশাদ বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ, আমি মনে করি তার পরেও সরকারের আমদানি করা ঠিক হবে না। সরকারের উচিত হবে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও তার যথার্থ প্রয়োগ। মানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। যে কেউ যখন তখন আইন অনুযায়ী যা ইচ্ছা তা করতে পারবে। কেউ বাধা দিবে না। সরকারের উচিত হবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া। কোন পুরানো ফর্মুলা খাওয়ালে চলবে না। বাচা গেল যে পুরানো ফর্মুলা খাওয়ানো লোক দুই একটা অতি কস্টে খুজে পাওয়া যায়।
সাইটের স্পীড খুবই স্লো। অনেক কস্টে পোস্ট করতে হয়।
সাইটের স্পীড খুবই স্লো। অনেক কস্টে পোস্ট করতে হয়।
১৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০১
অতিথি বলেছেন: মামুন রশিদ সাহেব কালোবাজারির পক্ষে দাঁড়াইছেন এইা টহয়তো তার ভাষ্য এবং অবস্থান থিকা আন্দাজ করতেছেন আপনি। তার যুক্তি আমি এইখানে পাই নাই। এবং তার প্রতিনিধি যেহেতু কেউ নাই তাই তার নিজের দিকের ব্যাখ্যাটাও পাওয়া গেল না।
যতটুক বুঝলাম সিন্ডিকেট কইরা দাম বাড়ানো যায় না বলতেছেন উনি। এইটা তো হইতেই পারে সিন্ডিকেট কইরা কিছু লোকের বিশাল মুনাফা হইল ঠিকই কিন্তু বৃহৎ বাজারে দ্রব্যমূল্য তেমন বাড়লো না। সেক্ষেত্রে আমগো দেশে সরকারের বা বিশেষজ্ঞদের কর্তব্য দাঁড়ায় দ্রব্যমূল্য বাড়ার অন্য কারণগুলি সন্ধান করা। কিন্তু যদি মামুন সাহেবের বক্তব্যরে আগেই কালোবাজারিদের দালালদের বক্তব্য ধইরা নেই তাইলে তার আর প্রয়োজন থাকে না। এই ক্ষেত্রে আমি মামুন সাহেবের মতটা শুনতে খুবই আগ্রহী। হিঃ হিঃ, তার লগে যোগাযোগের ঠিকানা কেউ পারলে দিয়েন।
মামুন সাহেব যা বললেন তা মীন করে না যে উনি কালোবাজারির পক্ষে দাঁড়াইছেন। কারণ কালোবাজারির কারণেও যদি দ্রব্যমূল্য না বাড়ে তবু কালোবাজারি অপরাধ। সেই অপরাধ ক্ষালন করতে উনি চাইতেছেন তা যদি এই বক্তব্যের বাইরে অন্য কোনো কথায় মনে হইয়া থাকে জানাইয়েন। তর্কটা হইল কালোবাজারিরা সেই অর্থে দ্রব্যমূল্য বাড়াইতে পারে না। এই নিয়া যদি একজন কালোবাজারিও আইসা তর্ক শুরু করে তারে মরাল গ্রাউন্ডে ফেলাইয়া গালাগালি করলে তর্ক থিকা দূরে সইরা যাইতে হবে।
হোসেইন ভাই, আমি এবং মাহবুবও সহমত। এই অর্থে যে আমরা কারো পক্ষে কথা বলতেছি না। একটা বিষয়রে খোলসা করতে চাইতেছি। বিষয়ের স্বার্থে মত দিতেছি।
অতিথি বলেছেন: মামুন রশিদ সাহেব কালোবাজারির পক্ষে দাঁড়াইছেন এইা টহয়তো তার ভাষ্য এবং অবস্থান থিকা আন্দাজ করতেছেন আপনি। তার যুক্তি আমি এইখানে পাই নাই। এবং তার প্রতিনিধি যেহেতু কেউ নাই তাই তার নিজের দিকের ব্যাখ্যাটাও পাওয়া গেল না। যতটুক বুঝলাম সিন্ডিকেট কইরা দাম বাড়ানো যায় না বলতেছেন উনি। এইটা তো হইতেই পারে সিন্ডিকেট কইরা কিছু লোকের বিশাল মুনাফা হইল ঠিকই কিন্তু বৃহৎ বাজারে দ্রব্যমূল্য তেমন বাড়লো না। সেক্ষেত্রে আমগো দেশে সরকারের বা বিশেষজ্ঞদের কর্তব্য দাঁড়ায় দ্রব্যমূল্য বাড়ার অন্য কারণগুলি সন্ধান করা। কিন্তু যদি মামুন সাহেবের বক্তব্যরে আগেই কালোবাজারিদের দালালদের বক্তব্য ধইরা নেই তাইলে তার আর প্রয়োজন থাকে না। এই ক্ষেত্রে আমি মামুন সাহেবের মতটা শুনতে খুবই আগ্রহী। হিঃ হিঃ, তার লগে যোগাযোগের ঠিকানা কেউ পারলে দিয়েন।
মামুন সাহেব যা বললেন তা মীন করে না যে উনি কালোবাজারির পক্ষে দাঁড়াইছেন। কারণ কালোবাজারির কারণেও যদি দ্রব্যমূল্য না বাড়ে তবু কালোবাজারি অপরাধ। সেই অপরাধ ক্ষালন করতে উনি চাইতেছেন তা যদি এই বক্তব্যের বাইরে অন্য কোনো কথায় মনে হইয়া থাকে জানাইয়েন। তর্কটা হইল কালোবাজারিরা সেই অর্থে দ্রব্যমূল্য বাড়াইতে পারে না। এই নিয়া যদি একজন কালোবাজারিও আইসা তর্ক শুরু করে তারে মরাল গ্রাউন্ডে ফেলাইয়া গালাগালি করলে তর্ক থিকা দূরে সইরা যাইতে হবে।
হোসেইন ভাই, আমি এবং মাহবুবও সহমত। এই অর্থে যে আমরা কারো পক্ষে কথা বলতেছি না। একটা বিষয়রে খোলসা করতে চাইতেছি। বিষয়ের স্বার্থে মত দিতেছি।
২০. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:১০
অতিথি বলেছেন: রাইসু 2টা ভিন্ন ধাঁচের প্যাঁচ আছে এইখানে, কৃত্রিক সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর ধারনার সাথে আরও একটা বিকল্প ধরনা প্রবিষ্ট করার চেষ্টা আছে নাগরিকের ভেতরে- যদিও সোনার মজুতদারী কিংবা ড্রাই ফুড স্টাফ এর মজুত করা সম্ভব কিন্তু কাঁচা বাজারের জিনিষ মজুত করা শক্ত- এইসব বিষয়ে কিভাবে দাম বাড়ানো যেতে পারে- কিংবা একটা সংঘবদ্ধ চক্রের উপস্থিতি নির্ধারনের বিষয়টা কিভাবে পরিস্কার হবে।
কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে হলে একযোগে বাজারে পন্য সরবরাহ কমিয়ে দিতে হবে, সিন্ডিকেটের ধারনা বা সংঘবদ্ধ চক্রের ধারনাটা এইভাবে আসে -বাড়তি মুনাফার লোভে একদল মানুষ হুট করে বাজারে পন্য সরবরাহ কমিয়ে দিবে ফলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হবে- মানুষের নিত্য চাহিদা আছে এমন সব জিনিষের সংকট তৈরি করলে সেটাতে লাভবান হওয়ার সুযোগ আছে-
তবে এই ধারনার সাথে কাঁচা বাজারের ধারনা কিছুটা ভিন্ন হবে- কাঁচা বাজারের পন্য যেহেতু সংরক্ষন করা সম্ভব না বেশী দিন তাই এইখানে আলাদা একটা চক্র এবং আলাদা নিয়ম নির্ধারণ করতে হবে-
সেটা হলো এমন একটা সংঘবদ্ধ চক্র তৈরি করতে হবে যারা বাজারের খুচরা ব্যাবসায়ীদের কাছে সবজি সরবরাহ করবে বেশী দামে- এবং এই দাম বাড়ানোর দায়টা থাকবে পথিমধ্যে চাঁদাবাজী, পরিবহন ব্যাবস্থার উপরে- এইসব করে তারা যদি তাদের ওখান থেকে খুচরা ব্যাবসায়ীদের বাধ্য করে বেশি দামে কিনতে তাহলেও সাধারন ক্রেতা বেশী মুল্যে কিনবে জিনিষপত্র-
অতিথি বলেছেন: রাইসু 2টা ভিন্ন ধাঁচের প্যাঁচ আছে এইখানে, কৃত্রিক সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর ধারনার সাথে আরও একটা বিকল্প ধরনা প্রবিষ্ট করার চেষ্টা আছে নাগরিকের ভেতরে- যদিও সোনার মজুতদারী কিংবা ড্রাই ফুড স্টাফ এর মজুত করা সম্ভব কিন্তু কাঁচা বাজারের জিনিষ মজুত করা শক্ত- এইসব বিষয়ে কিভাবে দাম বাড়ানো যেতে পারে- কিংবা একটা সংঘবদ্ধ চক্রের উপস্থিতি নির্ধারনের বিষয়টা কিভাবে পরিস্কার হবে।কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে হলে একযোগে বাজারে পন্য সরবরাহ কমিয়ে দিতে হবে, সিন্ডিকেটের ধারনা বা সংঘবদ্ধ চক্রের ধারনাটা এইভাবে আসে -বাড়তি মুনাফার লোভে একদল মানুষ হুট করে বাজারে পন্য সরবরাহ কমিয়ে দিবে ফলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হবে- মানুষের নিত্য চাহিদা আছে এমন সব জিনিষের সংকট তৈরি করলে সেটাতে লাভবান হওয়ার সুযোগ আছে-
তবে এই ধারনার সাথে কাঁচা বাজারের ধারনা কিছুটা ভিন্ন হবে- কাঁচা বাজারের পন্য যেহেতু সংরক্ষন করা সম্ভব না বেশী দিন তাই এইখানে আলাদা একটা চক্র এবং আলাদা নিয়ম নির্ধারণ করতে হবে-
সেটা হলো এমন একটা সংঘবদ্ধ চক্র তৈরি করতে হবে যারা বাজারের খুচরা ব্যাবসায়ীদের কাছে সবজি সরবরাহ করবে বেশী দামে- এবং এই দাম বাড়ানোর দায়টা থাকবে পথিমধ্যে চাঁদাবাজী, পরিবহন ব্যাবস্থার উপরে- এইসব করে তারা যদি তাদের ওখান থেকে খুচরা ব্যাবসায়ীদের বাধ্য করে বেশি দামে কিনতে তাহলেও সাধারন ক্রেতা বেশী মুল্যে কিনবে জিনিষপত্র-
২১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:১৪
অতিথি বলেছেন: সম্পূর্ণ ব্যাবস্থাটাই মধ্যসত্ত্বভোগী একদল মানুষের কাছে জিম্মি, কৃষকের সরাসরি কোনো ভাবেই লাভবান হওয়ার সুযোগ নাই- এই প্রচলিত ব্যাবস্থায় যখন কেউ দাবী করে কৃষক লাভবান হচ্ছে এইসব থেকে কিংবা কৃষকের একটা লাভবান হওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়েছে এই ব্যাবস্থায় তখন তার আনতি কোন পক্ষে এটা নির্ধারন কঠিন কোনো বিষয় না।
যাই হোক আলোচনার জন্য ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন: সম্পূর্ণ ব্যাবস্থাটাই মধ্যসত্ত্বভোগী একদল মানুষের কাছে জিম্মি, কৃষকের সরাসরি কোনো ভাবেই লাভবান হওয়ার সুযোগ নাই- এই প্রচলিত ব্যাবস্থায় যখন কেউ দাবী করে কৃষক লাভবান হচ্ছে এইসব থেকে কিংবা কৃষকের একটা লাভবান হওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়েছে এই ব্যাবস্থায় তখন তার আনতি কোন পক্ষে এটা নির্ধারন কঠিন কোনো বিষয় না।যাই হোক আলোচনার জন্য ধন্যবাদ।
২২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:১৯
শুভ বলেছেন: মামুন রশীদ সাহেবরা আমাকে আদৌ মুগ্ধ করেন না- সমস্যাটা সম্ভবত আমার, তাঁদের না। এঁদের অধিকাংশই বাস করেন বায়বীয় এক জগতে...।
তিনি তাঁর মতো অজস্র মানুষের একজন মাত্র!
কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে, এইসব মানুষরাই আমাদের মনন, দেশের চাকা ঘুরান বনবন করে।
আফসোস, এঁদের দেখে, এঁদের জন্যে আমরা আমাদের যৌবন, মনন বিনষ্ট করি, অবলীলায় প্রাণ দেই, প্রিয় মানুষদের হারাই...কে জানে, হয়তো বা নিজের অজান্তেই...।
শুভ বলেছেন: মামুন রশীদ সাহেবরা আমাকে আদৌ মুগ্ধ করেন না- সমস্যাটা সম্ভবত আমার, তাঁদের না। এঁদের অধিকাংশই বাস করেন বায়বীয় এক জগতে...।তিনি তাঁর মতো অজস্র মানুষের একজন মাত্র!
কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে, এইসব মানুষরাই আমাদের মনন, দেশের চাকা ঘুরান বনবন করে।
আফসোস, এঁদের দেখে, এঁদের জন্যে আমরা আমাদের যৌবন, মনন বিনষ্ট করি, অবলীলায় প্রাণ দেই, প্রিয় মানুষদের হারাই...কে জানে, হয়তো বা নিজের অজান্তেই...।





কোবতে 