dec 2006 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
dec 2006 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

হুদাহুদাই গালাগালি করলাম

জনাব ইউনুস শিখিয়েছিলেন কিভাবে গরুর চামড়া ছিলে সে গরুর দুধ দোয়াতে হয়, এবং এর পর সেই চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে গরুর পায়ে পড়িয়ে দিয়ে বলতে হয় গরু সভ্য ও স্বচ্ছল হয়েছে। এবার কুরবানীতে অনেক দিন পর পশুপ্রেমিকসংঘ দেখলাম, পশুর কষ্টে ন্যাংটা হয়ে ছবি তোলা বিদিশী সিনেমাস্টার না, পশুপ্রেমে বাংলাদেশি মানুষরাও এগিয়ে আছে, কুরবানী নামক বর্বর প্রথার বিরুদ্ধে কথা বলছেন তারা- তারা কি সব নিরামিষ খাদ্যে বিশ্বাসী, তারা কি ডিম খান? তারা কি মাঝে মাঝে মুরগি খান? তারা কি গরু খাসী এসব স্পর্শ করেন?
তারা কি বাঘের মতো নখর লুকিয়ে এরপর সাধু নিরামিষি হয়েছেন নাকি অযথা একটা কথা বলে ফেললেন।
কুরবানী বর্বর, এভাবে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে গরু জবাই দেওয়ার দৃশ্যটা সবার কাছে গ্রহনযোগ্য মনে নাও হতে পারে তবে মৃতু্য আসলে মৃতু্যই, ভ্রুন হত্যা হতে পারে বলে যেমন কেউ ডিম খাওয়া বাদ দিবে না তেমন শুধুমাত্র বর্বরতার দোহাই দিয়া কুরবানীকে অগ্রহনযোগ্য প্রমানের চেষ্টাটা হাস্যকর হয়ে উঠবে।
কুরবানী বিষয়টার সাথে উপাসনাভিত্তিক যে আদর্শ সেটা এখন নেই- ওটা বাদ দিয়ে যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তার বিরোধিতা করতে পারি আমি কিন্তু কাবাব-চাপ- কাটলেট, ক্রাম চপ খাওয়া আমি কোনো মতেই পশুহত্যার বিরোধী না। ডিম বিষয়টা আমার পছন্দ না তাই বলে কেউ ডিম খেলে আমার আপত্তি নেই- তবে নিজে মাংসাশী হয়ে কুরবানীর গরু জবাইকে বর্বর বলার ভন্ডামিটা এখনও ঠিক মেনে নিতে পারছি না।
ইউনুস ভাইকে নিয়ে একজনের চমৎকার একটা মন্তব্য ছিলো- গরিবের হোগার তেল বের করে সেই তেল গরীবের হোগায় মেখে গরীবের হোগা মারা ইউনুস নোবেল পাইছে- এইটাতে পাছার কাপড় তুলে লাফানোর কি আছে? তেমন ভাবেই বলা যায় একজন মাংসাশী হুট করে পেটার সদস্য হয়েছে-কুরবানী বর্বর বলছে এইটা নিয়া মাতামাতির কি আছে?
গরু কেনা হচ্ছে, সবাই পারছে না, কুরবানীর বাজার চড়া, সাংঘাতিক দাম, গরু কেনা হচ্ছে, গরুর মাংসের জল্পনা চলছে, বাজার থেকে মাগনস কিনলে সস্তা পড়তো কি না এমন আলোচনাও প্রবল যখন তখন একজনকে বললাম- কি রে কিছু কিনলি না? বললো সংগতি নাই, আমরা গরীবের পোলাপাইন, কথাটা শুনিস নাই-
গরীবের পোলাপাইন কম্বলে বসে
হোগা কুটকুট করে মিটিমিটি হাসে
আমার হইলো ঐ অবস্থা, রাস্তা দিয়া যেই গরুই যায় দাম জিগাই আর বলি ইশ লাভ করছেন। ইশ ঠকে গেছেন।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ১৯ টি মন্তব্য
  • ৪০৪ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
অতিথি বলেছেন: ভেজিটেবল কুরবানি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হইবো এখন থাইক্যা।
"বিরাট শাক-শব্জির হাট" থাইকা ইয়া ঢুশমা সাইজের পেঁয়াজ, আলু, পটল, গাজর, মূলা, শশা কিন্যা আইনা ঐগুলারে কুরবানী দেওয়ার রেওয়াজ করতে হইবো।

কেডা জানে, হয়তো তখন পরিবেশবাদীরা হাউকাউ শুরু করবো, উৎসবের নামে "আলু হত্যা" মানি না, মানবো না।


হালায় আজব চিড়িয়া আমরা!
৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৪
অতিথি বলেছেন: আপনার লেখা পড়লে মনে হয়, দুনিয়ার বেবাক জনগন ভোন্দাচোদা, আর আপনি হইলেন গিয়া জ্ঞানের রাজা সক্রেটিস। যা হউক এইডাও একটা ক্রেডিট আপনার।
৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৭
অতিথি বলেছেন: কিলিয়ে শোয়ানো, শুইয়ে কিলানোর মধ্যে যদি তফাৎ থাকে, তাহলে মাংশ খাওয়া ও এই হত্যাজজ্ঞের মাঝেও তফাৎ থাকবে।

হাগতে গেলে দরজা বন্ধ করি বলে কেউ দাবী করেনা যে, হাগাহাগিই বন্ধ করে দেওয়া দরকার...।
৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৩৩
অতিথি বলেছেন: কোনো গরুর দাম জিগাতে মিস করতেছিনা। এখন পর্যন্ত অনেক হলো। গুনে পারা যাবেনা।
৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:০৮
৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:১৬
৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:২৯
সুর বাংলা বলেছেন: [রং=মৎববহ][গাঢ়]ঈদ মুবারক[/গাঢ়] [/রং] [গাঢ়] ও [/গাঢ়][রং=ৎবফ][গাঢ়] Happy New Year 2007[/গাঢ়] [/রং]
১০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৩৮
রাগ ইমন বলেছেন: গরু বর্ডার পারের পাস পায় নাই।পোর্ট ও পার হইতে পারে নাই।বেঁচে গেল!

ঈদ আর ইংরেজী নববর্ষের শুভকামনা !

ভালো থাকুন! ভালোবাসায় থাকুন!
১১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৩৪
অতিথি বলেছেন: ইস একটা গরুর দামও জিগাইতে পারলামনা!!!

সবাইকে ঈদ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা।
১২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০৩
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: কোরবানী এখন বানিজ্যিক পন্যের বিজ্ঞাপনের মত ।
প্রচারেই প্র-সা-র
১৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০৬
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: কোরবানী এখন পন্যের বানিজ্যিক বিজ্ঞাপনের মত ব্যাপার
১৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:২৮
অতিথি বলেছেন: 2য় নাম ভাই কথাটা সত্য, দুইন্যাতে বেকুব পাবলিক বেশী, আমি কি এইটা কইতে পারি না তয় বেকুব বেকুবি করলে বুঝতে পারি এই যা।
১৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৩
অতিথি বলেছেন: অই মিয়া খাড়ান ঃ আপনে কাচ্চি আর ইস্পেশাল হালিম কবে রাইন্ধা খাওয়াইবেন তাই কন।
১৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৯
অতিথি বলেছেন: তীরন্দাজ হত্যা করার উদ্দেশ্য কিন্তু ভক্ষন, যে ভাবেই কা হোক সেই ভক্ষণনিমিত্তে হত্যার ভয়াবহতা পশুটার ক্ষেত্রে একই রকম, তাকে নিহত হতে হবে সমীকরণ এটাই- আপনি যদি একসাথে 1000 হত্যা সমর্থন না করেন তাহলে আলাদা আলাদা করে 1000 হত্যা সমর্থনের কারনটা কি?
কুরবানীতে বেশী কইরা গোহত্যা হইতেছে এইটার জন্য একটা নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক চক্রও সচল হইতেছে, অনেকগুলা মানুষ পশুমৃতু্যর সুবাদে কিছু কামাই করতেছে, এইটাও একটা বাস্তবতা, মৃতু্য নিয়ে অনেক ধরনের ব্যবসাই প্রচলিত, গরীবকে তিলতিল করে মেরে ফেলার ক্ষুদ্্র ঋণের ব্যবসাও একধরনের মৃদুমৃতু্যর তরিকা।
কুরবানীর নামে গো হত্যাযজ্ঞ বিষয়টাকে অসমর্থনের জায়গাটা বুঝি নি বলেই এত কিছু বললাম,
১৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৪৪
১৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৫
অতিথি বলেছেন: রাসেল,
আপনার স্পষ্টবাদিতাকে সন্মান করি।
এখানে গো হত্যাজজ্ঞকে অসমর্থনের চেয়ে, এর পেছনের যুক্তি, সৌন্দর্য, রুচি, প্রয়োজনীয়তা ও পরিবেশের প্রশ্নটি আমাকে ভাবায় বেশী।
আমার কাছে সকাল বেলা ইমাম সাহেবের ছুড়ি হাতে রক্তাক্ত চেহারা, রাস্তাঘাটে রক্তের নদী, এদিক সেদিক ছড়িয়ে থাকা নারীভুড়ি ও দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশ ভয়ংকর রুচিহীন মনে হয়। আমরা শিশদেরকে এসব থেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টা কেন করি?

মৃত্যু নিয়ে যেসব ব্যাবসা, তাকে আপনি নীতিগতভাবে সমর্থন করেন বলে আমার মনে হয়না।
১৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:০৯
অতিথি বলেছেন: মাংসাশী হওয়াতে কিছু দোষের নেই । কিন্তু দেখা উচিত যে পশুদের মারা হচ্ছে তারা যাতে বেশী যন্ত্রনা না পায় । এবং কোন পশুর সামনে কোন পশুকে মারা উচিত নয় । কোরবানি বা বলির মূল অর্থ হচ্ছে কোন পশুকে হত্যা করা নয় । নিজেদের মনের ভিতরে যে পাশবিক বৃত্তিগুলো আছে তাকে হত্যা করা ।

দিনাজপুর।

অনেক দিন পর দিনাজপুরে আসলাম। এখানের মানুষের ভাষা ভুলেই যাচ্ছিলাম। এখানে যারা থাকে তাদের কথার একটা আলাদা টান আছে, একেবারে লোকভাষার মতো না, রংপুরের ভাষার টান যেমন তেমন কথাও বলে কেউ কেউ তবে টাউনের মানুষের কথার মিষ্টতা আলাদা।
যদিও বিশ্বায়নের রোগ ধরেছে এখানে এর পরও অনেক ভাষার আগ্রাসনেও মাঝে মাঝে সেই প্রিয় স্বর শোনা যায়।' অনেক দিন পর আসছে এখন কি আর যাবার মোনায়" এই কথাটা আসলে আলাদা ভাবে কিছুই প্রকাশ করে না কিন্তু ইচ্ছা না করার প্রতিভাষা হিসেবে 'মন করে না' এর অপভ্রংশ ' মোনায় না' খাস দিনাজপুরের।
তেমন ভাবে আলাদা একটা শব্দ যা অনেক দিন ব্যবহার করি নি তা হলো 'খিলাতে হবে, খিলালি না' অন্য কোনো জায়গায় এই খাওয়ানোর বদলে খিলানো ব্যবহার হয় না। আজকে ও খিলাবে, শালা এমন চুতিয়া খিলালো না। েইসব শব্দ শুনেই বেড়ে ওঠা আমার। এইসব শব্দ শুনে স্টেশন থেকেই মনটা অন্যরকম হয়ে গেলো। দেখা হলো পুরোনো বন্ধুর সাথে।
সবাই ঢাকায় যায়। টাউনের মানুষ যায় রাজধানীতে, ওখানে জৌলুস, জীবনের অয়োজন কিংবা অর্থের প্রকোপ বেশী। এখানে এসে তাই সবার সাথে দেখা এখনও হয় নি, যারা কোনো ভাবেই এরকম রাজধানীর লোভের বাইরে তারাই আছে, আর আছে বলেই এখনও সন্ধ্যায় দেখা হয় বন্ধুর সাথে।
একটা বিষয় সব সময়ের জন্য সত্য, আমাদের সাংস্কৃতিক ধারনার বদল ঘটে , এটা সার্বক্ষনিক বিবর্তন। আমাদের কলেজের প্রথম বর্ষের আচরন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের সাথে মেলে না। এই বিবর্তনের ধারাটা আবার বিশ্ববিদ্যালয় শেষে আরেক রকম হয়ে যায়। এর পর কর্মজীবনের সাংস্কৃতিক বিবর্তন। তাই হঠাৎ গত কাল ঠিক কলেজের প্রথম দিনের সস্তার সিকতার মুখোমুখি হয়ে বেশ বিব্রত হলাম। একটা সময়ে শাররীক বিষয়াসয় নিয়ে বেহুদা আলোচনা করার অখন্ড অবসর ছিলো এখন তেমন আকর্ষনীয় মনে হয় না এই বিষয়ে আলোচনা, তবে কেউ যদি আনন্দ পায় তাকে সেই আনন্দনিরত করতেও ইচ্ছা করে না যতক্ষন না সেই শরীর ঘনিষ্ঠতার আলোচনা আমাকে ঘিরে শুরু হয়।
উদাসীনতা- অনিচ্ছুকতা এসবের সমাধান না, বরং সুন্দর করে বলতে হয় আসলে এই আলোচনা বিষয়ে আমি এখন আগ্রহী না, এর পরও না শুনলে শরীরঘনিষ্টশব্দাবলী দিয়েই তাকে বুঝাতে হয় আমার অনাগ্রহ।প্রয়োজন অনুসারে শব্দ সাজাতে হয় আসলে। দিনাজপুরের নমিনেশন পেপার সাবমিট করা হয়েছে- খালেদা জিয়া এখানে এম পি ইলেকশন করবেন, এর জন্য দিনাজপুরে জটিল উত্তেজনা, এর বিরুদ্ধে প্রার্থি ইকবালুর রহিম-আমার সাথে এদের কারোই পরিচয় নেই, আমার সামনে যখন কেউ দেশনেত্রি জননেত্রি নিয়ে আলোচনা করে, ইকবাল ভাই খসরু মিয়া খাটকু চৌধুরি নিয়ে কথা বলে তখন আমার অজ্ঞানতার জন্য লজ্জিত হই। তবে যারা এবার মুলত ভোট রিগিং, ভোটের জন্য প্রচারনা চালাবে, তাদের সুযোগ সুবিধা দেওয়ার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের বিলিবন্টন বিষয়ক আলোচনা শুরু হয় তখন একটু আগ্রহ জাগে, আসলেই এই নির্বাচন ব্যায় সীমা 5 লাখ হলেও এদের দৈনিক ভাতার যেমন বর্ণনা তাতে কোনো ভাবেই 50 লাখে কুলানো সম্ভব না এই ব্যায়।
ভালোই লাগছে এই নির্বাচন জনিত উত্তাপ। ভালো লাগছে এই ভাষা শুনতে, তাই সেই ভাষা শুনি চায়ের আড্ডায় বসে।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৫ টি মন্তব্য
  • ২২৩ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:২১
২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:১০
৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৪৭
অতিথি বলেছেন: মোনয় ---শুনি নায় তবে খিলালেন শুনেছি।খাওয়ার সাথে সম্পর্ক আছে যে।
৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৫৬
অতিথি বলেছেন: পশ্চিম ঘেষে দেশের প্রান্তিয় উত্তর (রাজশাহী, দিনাজপুর ইত্যাদি) আর প্রান্তিয় দক্ষিন (পটুয়াখালি, বরিশাল, পিরোজপুর), দুই অঞ্চলের ভাষা শুনলেই কেমন খুব আপন একটা আবেদন বোঝা যায়।

সামনা সামনি দিনাজপুরের মানুষের ভাষা শুনে সেরকমই মনে হইছিলো শেষবার।
৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৪৬

পুর্ব পোষ্টের মন্তব্যের প্রতিমন্তব্য

কতিপয় অযোনীসম্ভুত এং অযোনীসম্ভুতা আচোদা আবাল পাবলিকের চিন্তাশক্তির মান এত নীচে যে আমি অনেক চেষ্টা করেও তাদের সাথে কোনো সংযোগ স্থাপন করতে পারি না। অবশ্য যাদের ঘাড়ের উপরের মাথার ব্যবহার কম তারা মধ্যপ্রদেশের মাথায় বেশী চাপ ফেলায়। এবং সারাক্ষণ উত্তেজিত ঘোরাঘুরি করে।
আমাদের মাহবুব সুমন সাহেব এমন একটা ভাব নিয়েছেন যে তিনি আমাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনেন এমন কি তার বক্তব্য অনুসরণ করলে এমন একটা ধারনা জন্মায় যে তিনি হয়তো আমার বন্ধুস্থানীয় তবে আবালদের সাথে আমার সম্পর্ক বরাবরই শীতল, এইসব অথর্ব চিন্তাশক্তির মানুষদের সাথে সঙ্গত কারনেই আমার যোগাযোগ থাকে না। তারা দুর থেকে আমাকে দেখে অনুপ্রাণীত বোধ করতেই পারে, আমাকে পূজা কিংবা ঘৃনা করতেই পারে, এইসব অচেতন মানুষকে নিয়ে ভাবনার কোনো কারন দেখি না।
তিনি আমার হয়ে অনেক কিছুই ভেবেছেন, আমার করনীয় কি হওয়া উচিত বা কি হতো এই বিষয়ও নির্দিষ্ট করেছেন। তার সাথে আবার আস্তমেয়ের এন্টেনা মিলে যায়। তাদের ভাবনার ঐক্য আছে, অবশ্য যার যেমন চিন্তাশক্তি সে তেমনই বন্ধু খুঁজে নেয়। ভাবনার ঐক্য না থাকলে এবং কোনো সাধারন সংযুক্তি না থাকলে আসলে সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন ও এর পরিসর বাড়ানো সম্ভবপর না। তাই মাহবুব সুমনের সাথে চিন্তার ঐক্যসহ আস্তমেয়ে যখন মডারেটর হিসেবে তার নাম নির্দিষ্ট করে তখন বুঝতে হবে ঐক্যমতের জোড় আছে তাদের ভেতরে।
আস্তমেয়ে আপত্তিকর কথা বলেন নি তবে একটা আবেগীয় সুরসুরি দেওয়ার ক্ষীন প্রচেষ্টা করেছেন। এই সব আবেগের উপরে উঠেই আমাদের চলতে হয়। একটা নিয়ম নির্দিষ্ট করা আদর্শ স্থাপন করার পর সেখানে এই ধরনের আবেগীয় বাধা না রাখাটাই সবচেয়ে শোভন বিধায় এ বিষয়ক মন্তব্যটা আস্তমেয়ের পছন্দনীয় হবে না।
স্বরহীন নামে যে ব্লগে লেখালেখি করে তার সাথে আমার সম্পর্ক ব্লগে একজন লেখকের সাথে অন্য লেখকের যেমন সম্পর্ক তেমন। তার লেখার পাঠক হিসেবে আমার পছন্দ অপছন্দ আমি তাকে জানাই, কোনো আপত্তিকর বিষয় থাকলে তাকে প্রতিহত করার একটা বাসনাও আছে। তবে তার লেখার ভেতরে তেমন ভাবে সাংঘর্ষিক আদর্শ থাকে না বলেই তার লেখার কোনো শক্ত সমালোচনা আমি করি নি। সে তার নিজস্ব ভাবনার জগত এবং তার সৃষ্টিশীলতা এখানে প্রকাশ করে। সেটা সাহিত্য কিংবা সাহিত্য নয় কি না এই নিয়ে আমি আলোচনা করতে পারি ব্লগে, এখানের কোনো ঘটনাই আমাদের জীবনযাপনের অংশ না। এখানে আমরা আসি আমাদের ভাবনা লিখতে, আমাদের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য না।
স্বরহীন নামক ব্লগারের সাথে আমার অন্য একটা সামাজিক সম্পর্কও আছে। এটা আসলে আমাদের নিজস্ব এবং ব্যক্তিগত বিষয়, সেখানে আমরা কি অনুভব করি কিংবা কিভাবে অনুভব করি এটা বিশ্লেষন করা বা জানানোর জন্য আমাদের দুজনের কেউই ব্লগে আসে না। এই ভার্চুয়াল সম্পর্কের কোনো প্রভাব আমাদের নিজস্ব সম্পর্কে নেই। এখন গুরুতর প্রশ্নটার জবাব দেই, যদি কেউ স্বরহীনের নামে এমন কথা বলতো তাহলে আমার প্রতিক্রিয়া কি হতো? অহেতুক আচরনে আমি বিরক্ত হতে পারি, হয়তো খানিকটা বিরক্ত হতামও তবে যদি দেখতাম তার আচরনের জন্যই তার এ হেনেস্থা হয়েছে তাহলে আমি এর প্রতিবাদ করতাম না। এবং আমার ধারনা সেও যথেষ্ট বিবেচক একজন মানুষ ব্যক্তিজীবনে। আমার নিস্পৃহতার কার্যকরণও সে জানতো।
যদি প্রশ্নটা করা হয় তুমি কেনো এ ধরনের আচরন পেলে তাহলে আমি বলবো এটা তোমার স্বভাব দোষ। অযথা মানুষের পাছায় আঙ্গুল দেওয়ার স্বভাব আছে তোমার। তোমাকে আমি এই ব্লগে দেখতেছি সেই প্রথম থেকে, অহেতুক অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা, অহেতুক ইসলামি ফেটিশ, এই সব সংকীর্ণতার জায়গায় থেকে তোমার ভাবনা খুবই সীমিত পরিসরে ঘুরাঘুরি করে। এবং তুমি অহেতুক বক্তব্যের জায়গায় ব্যক্তিকে আক্রমন করতে যাও।
সবাই শোহাইল মতাহির চৌধুরি বা আড্ডাবাজ বা হাসান মোরশেদের মতো সভ্য না। তাদের সহনশীলতা, তাদের ভব্যতার জায়গাটা অর্জন করতে তোমার অনেকটা চর্চা প্রয়োজন। হযবরল কনফুসিয়াস কিংবা হিমু গোধুলীর মতো সবাই না। তারাও তোমার আগ্রাসি মন্তব্যের জবাব দেয় খুব শোভন ভাবে।
আমার ভেতরে ভব্যতার অভাব আছে। যে শোভন ভাষা বুঝে না তাকে অশভন ভাবেই বুঝাতে হয়। যার চিন্তার ভাবধারা যেমন তাকে সেভাবেই বুঝানোর চেষ্টা করতে হয়। তোমার অশালীন অপরিপকক মস্তিস্কে যুক্তি স্বভাবতই প্রবেশ করতে পারে না। এবং বিবেচনা ও বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তোমার কম। এর পরও তুমি অযথা যারে তারে নতুন শিং উঠা বাছুরের মতো গুঁতাগুঁতি করতে যাও। সবাই একই রকম ভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে না।
যারা ভাববে তুমি শুধুমাত্র এমন পশ্চৎছেদনের উপযুক্ত তারা তোমাকে সেভাবেই ব্যবহার করতে চাইবে। তুমি তোমার বক্তব্যে তাদের সামনে এমন একটা অবস্থানই তৈরী করেছো। অযথা মানুষের পাছায় আঙ্গুল দিলে সে মানুষ ভাবতে পারে তুমি পাছায় আঙ্গুল দেওয়াটাকে উপভোগ করো। সবাই তো আর তেমন সেমেটিক কায়দায় সঙ্গমে অভ্যস্ত না। কেউ কেউ অন্যভাবেও ব্যবহার করতে চাইবে তোমার এই পাছায় আঙ্গুল দেওয়ার ফেটিশটাকে।
নিজের আচরন সংশোধন করো তাহলেই হবে। ইসলাম নিয়ে একটা শব্দ থাকলে অযথাই তোমাকে একটা কথা বলতেই হবে যেটা অপ্রাসঙ্গিক নির্বোধের মতো হলেও তোমার উপস্থিতি জানান দিতে হবে এমন মানসিক স্থবিরতা ত্যাগ করো, সবাই অনেক ঘাটের জল খেয়ে এখানে এসেছে। তাদের চিন্তাকে সমর্থন না করো কিন্তু তাদের চিন্তা প্রকাশের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ালে তারা প্রতিহত করবে, সবাই সভ্য উপায়ে প্রতিহত করবে না, কারো কারোটা অশোভন এবং হৃদয়বিদারক হবে।
এরশাদ সাহেব আমার লেখার পাঠক আপনি না, আপনার এন্টেনা ছোটো তাই আমার বক্তব্য বুঝার সম্ভবনা আপনার কম। অযথা আপনার মুল্যবান সময় আমার লেখা পড়ে নষ্ট করবেন না। যারা একটু ছোটোবেলা বই পড়েছে, যারা আমার মতো একই রকম সাংস্কৃতিক বিবর্তনের ভেতর দিয়ে জীবন যাপন করেছে তাদের জন্য সহজসাধ্য এটা বোঝা, তবে এর জন্য অন্তত আপনার নিয়মিত পাঠক হতে হবে বাংলা সাহিত্যের, সেখানের পরিচিত উপমা গুলোকে বুঝতে হবে। এসব জিনিষের সাথে পরিচয় না থাকলে আমার লেখার সামান্যতম অংশও আপনি ধারন করতে পারবেন না। তাই নিজে আগে আমার লেখা পড়ার যোগ্য হয়ে উঠেন এর পরে আমার লেখা নিয়ে মন্তব্য চোদাইয়েন।
দাঁড়াল হাসান সাহেব আপনার মন্তব্যে আমার পোষ্ট ধন্য হলো। আপনার ভাবনায় যদি মনে হয় মডারেশন অবশ্যই দরকার তাহলে সেটার সাথে দ্্বিমত প্রকাশ করা ছাড়া অন্য কিছুই করার নেই। শমসের আলম সাহেব বাংলা পর্ণো সাইটের নিয়মিত ভোক্তা এটা বুঝলাম, সেসব সাইটে মডারেশন আছে কি নেই এ বিষয়ে আমি জানি না। পর্নো সাইটে মডারেশন রাখেও যদিও সেটার জন্য এখানেও মডারেশন দরকার হবে কেনো তাও বুঝি নাই আমি। আপনি বোধ হয় ঠিক মতো লেখাটা পড়েন নাই। সমস্যা এখানেই। এই ব্লগের সংস্কৃতির সাথে তেমন যৌণপ্রবনতা যায় না। নিরুৎসাহিত হওয়ার উপাদান আছে এখানে। এখানের যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে সেটাই যেকোনো এমন উদ্যোগকে নিরূৎসাহিত করে। এবং এর পরও সামান্য যেকোনো গোলোযোগ ঠেকানোর জন্য এডমিন আছে। যদিও তারা যদি মডারেট নাও করতেন তাহলেও এটা থেমে যেতো। বরং এই নির্দিষ্ট সময় পর পর মডারেটর দরকার বলে যে রব উঠে তার পেছনে অন্য কোনো কারন আছে আমার মনে হয়। আমার মনে হয় না কতিপয় ইসলামমনস্ক ব্লগার ছাড়া অন্য কেউ এখানে মডারেশন প্রয়োজন বলে ভাবে। ইসলামমনস্ক, জামাত সমর্থক কতিপয় ব্লগার চায় বলেই মডারেটর নিয়োগ করতে হবে এমনটা আমার রূচির সাথে যায় না। আমি যেকোনো ধরনের স্বাধীন মতামত প্রদানের অধিকারের পক্ষে নিজের অবস্থান বজায় রাখবো। এবং আমি নিশ্চিত জানি এইখানের সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো এমন যে এটাকে একেবারে পর্ণোগ্রাফিক ব্লগ বানানোর চেষ্টা যদি কেউ করে তারা কয় দিন পরেই এই ব্লগের সংস্কৃতির সাথে ঐক্যতানিক হয়েই ব্লগিং করবে।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৪৬ টি মন্তব্য
  • ৮৫৩ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩২
অতিথি বলেছেন: এক আরব থাইল্যান্ডে গিয়া হালাল মাগী চাইয়া বসল।

যখন হোটেল বয় জিগাইল জনাব হালাল মাগীটা কি জিনিস?


তখন আরবে কয় ঝুটা মাল খাওয়া আর হারাম মাগী খাওয়া একই কথা। তাই আমি হালাল মাগী মানে ভার্জিন ছাড়া খাইনা।


এখন প্রশ্ন হইল এই লেখার মাজেজাটা কি?


আপনের আগের পোষ্টে দেখলাম অনেকেই হালাল মাগী ছাড়া কিছুই খায় না..........তাই নাদানের মনে এই কথা আসল।


ভুল হইলে ক্ষমা দিয়েন ওস্তাদ আর আমার পিছনের এবং সামনের ফুটা দোনোটাই অলরেডি বুকড তাই ঐখানে আর আপনারে মারতে দিতে পারলাম না।


আপনারত আবার পিছনের ফুটার আলাদা প্রীতি আছে...................
২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৬
হযবরল বলেছেন: এত বড় একটা লিখা আপনি একই ছন্দে কিভাবে লিখেন এটা আমার বোধগম্য না, কারণ আমি পারিনা। এবং আরেকটা জিনিস পারিনা সেটা হলো , এক চোখাকে চোখে খোঁচা দিয়ে দেখানো যে সে একচোখা। যেটা ব্লগে এখন অত্যন্ত জরুরী গুণ হিসেবে পরিগণিত ।
না হলে জ্যামিতিক ঘরানার বুদ্ধিজীবিরা এবং তাদের আইআরসি সাঙ্গপাঙ্গরা এইরকম মধ্যরাতে ব্লগ সয়লাব করবে এবং সেটার দায় বহন করতে হবে পুরো ব্লগকে মডারেশন এবং কাঁটা ছেড়ার মাধ্যমে।
৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫০
অতিথি বলেছেন: হেজাব ভাই আপনে মহান, আপনে বহমান, আপনে অনেক কিছুই। এইটা মন্তব্যেরপ্রতি মন্তব্য তা তো বলাই আছে ঠিক না, এর আগের পোষ্টে মন্তব্য লিখা যাইতেছিলো না, তাই একটা পোষ্ট ঝাইড়া দিলাম, নিজের পোষ্টও বাড়লো কৌলিনত্বও বাড়লো।
সামনের ফুটা কিংবা পেছনের ফুটার প্রতি আমার আগ্রহ বেশী এইটা বুঝলেন কিভাবে?
তবে আমার নিজস্ব ধারনা এটা একটা অযথা বিতন্ডা তৈরির চেষ্টা। আস্তমেয়েকে লালন পালন করা কতিপয় ব্লগার এবার কোনো পোষ্ট রাখেন নাই আস্তমেয়ের সমর্থনে, তাদের উস্কানিই প্রবল ছিলো এমনটাই মনে হয় আমার। আস্তমেয়েও বেশ চমৎকার নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করার মতো সবার দুয়ারে দুয়ারে গিয়েছে করুন আর্তি নিয়ে। তাদের মূল লক্ষ্য আসলে মডারেটর নিয়োগ বিষয়টাকে ফয়সালা করা। অনেক ভাবে চেষ্টা করেও তারা মডারেটর নিয়োগের ব্যাবস্থাকে পাকাপোক্ত করতে পারছে না। তাই এবার নিজের ঘারানার ব্লগার কে হেয় করে হলেও দাবি আদায় করতে চায়।
৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০২
অমিত বলেছেন: আজাইরা জিনিস নিয়া মানুষ হুদাই লাফায়... আরে ভাই এইটা কি গ্রুপ যে মডারেশন দরকার হবে ??? ফ্লাডিং তো টাইম ডোমাইন দিয়েই আটকানো যায়। আর অতিরিক্ত গ্রাফিক কনটেন্ট এর জন্য "নোটিসবোর্ড" কি যথেষ্ট নয় ????

অনেক প্রিয় মানুষের এইসব ভোটাভুটি দেখে আমি হাসব না কাঁদব ঠিক বুঝলাম না....
৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:২৫
৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০২
মোহাম্মদ এরশাদ বলেছেন: আবারও বলছি আপনার লেখার ভাষা এবং এজন্য আপনার লেখার পরিবর্তীত মানের জন্য আপনার লেখা আমার পছন্দ না। আপনার লেখা বুঝার জন্য কোনরকম অতিরিক্ত পরিশ্রম আমি জীবনেও করব না।
আপনি প্রকারান্তরে অসভ্য ভাবে রিপ্লাই দেয়াটাকে সমর্থন করলেন, যেমনটি আপনি দিয়ে থাকেন, মানে বোকারামকে আপনি সমর্থন করলে।

মিস্টার রাসেল............. এখানে কেউ কাউকে যোগ্যতর বাননোর জন্য আসে না, যে যে রকম সে রকম অবস্থান থেকে আসে, এখানে এসে পরিবর্তীত হতেও আসে না। আপনি আমার কথা বলবেন, আমি আমার, আমার কথা না পছন্দ হলে আপনি যে ভাষায় রিপ্লাই দেন তার মডারেশনের দরকার কি না আমি সে বিতর্কে যেতে চাই না, তবে আমি প্রশ্নাতীত ভাবে বোকারাম টাইপের ব্লগারকে প্রথিহত করার পক্ষে।


বটম লাইন ইজ,আমি মডারেশনের পক্ষে আপনি বিপক্ষে। দেখা যাক কি হয়, সেটাই হবে আসল ফলাফল।

৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৪
৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৭
৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১৪
রাগ ইমন বলেছেন: এই পোস্টের বক্তব্য অনেক পোস্টের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার। তার পর ও ষাঁড়ের মত গোঁ ধরার লোকের কমতি পড়লো না!!! হায় রে কপাল!

নন ব্লগীয় সম্পর্ক , স্বাধীন সত্তার স্বাধীন বিচরন, শালীন অশালীন বিষয় গুলো কেউ বুঝবে বলে আশা ছেড়ে দিয়েছি । বিতর্ক তো মনে হয় থামবে না। মুক্তিযুদ্ধ - রাজাকার লড়াই ও চলতে থাকবে । রাসেল ভাই , এক চোখাদের ঘুম ভাঙানোর উপায় কিছু বলবেন?


নীতিগত ভাবে মডারেশনের সমর্থনে না। কিন্তু এডমিনের সমস্যাটা কই , তাও তো বুঝলাম না! ব্যর্থতার দায় এখন মডারেটর নিয়োগ করে সমাধান করতে হবে!
১১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩৮
অতিথি বলেছেন: আবালেরা চিরকালই আবাল থাকিবে, তবে এখন একদল 'গণতান্ত্রিক আবাল' - এর শালীনতা চোদানো মন্তব্যে ব্লগ সয়লাব হয়ে যাচ্ছে।
১২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:২৩
অতিথি বলেছেন: আমি অনেক জায়গায় অনেকবার একটা কথা শুনছি, "মেয়েটা যদি ঠিকঠাক চলাফেরা করত তাইলে সে রেইপড হইতনা"। আমার কাছে এইটা কখনই যুক্তিযুক্ত মনে হয়নাই,,,মনে হওয়ার কারনও বোধহয় নাই। এইটা বইলা যে রেইপিস্ট এর কাজটারে একভাবে সমর্থন দেয়া হইতেছে সেইটা অনেকেই বুঝেনা। রাসেল, আপনার যুক্তিটা কি ঐরকমি হইয়া গেলনা?
১৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:২২
অতিথি বলেছেন: @রাসেল

আপনার আগ্রহ কোন দিকে বেশি সেইটাত জোয়ার-ভাটার উপরে আর কার্তিক মাসের উপরে নির্ভর করে।

তবে আপনার জিহবা র কারসাজিতে মনে হইল আপনি পিছনেই বেশি ইন্টারেষ্টেড!!
১৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫১
অতিথি বলেছেন: আমি জানতাম না যে শৌমচো, হাসান মোরশেদ আর আড্ডাবাজসহ কতিপয় ব্লগারগন ইমেজ সংকটে পরেছেন!
১৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:১১
অতিথি বলেছেন: ধুরো, নেটে ছিলাম না ওই রাত্রে। মাইয়ামানুষটা রেইপডও হইছে নাকি?
১৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৪২
অতিথি বলেছেন: এই পোষ্টের উপদেশগুলি রাসেল(........) সাহেব আপনার জন্যই বেশী প্রযোজ্য.... :)

আস্তমেয়ের সাথে তর্কে পারার মত বিদ্যা অর্জন করতে না পারলে তারে নিয়া যা খুশি বলতেই পারেন.. ব্যাপার না.. মানসিক শান্তির উপর আর কি আছে...


এটা একটা ডিসকাসন ফোরাম টাইপ সাইট.. আর পৃথিবীর সকল ডিসকাসন ফোরামেই মডারেশন থাকে... রাসেল সাহেব.. বাকীদের নাহয় নেট অভিজ্ঞতা কম.. আপনার তো কম থাকার কথা না... আজাইরা মডারেশন লইর্য়া চিৎকার করেন ক্যান?


শেষ যুক্তিটা ঠিকাছে... হ্যা.. ইসলাম পন্থিরা মডারেশন চায় বেশী.. কারনটা হইলো ইসলাম পন্থিরা অনেকগুলি নিক রেজি: করে গালাগালি করে না। ঐটা ইসলাম পন্থিরা ভাল পারে না। মডারেশন চালু হইলে সবচেয়ে ক্ষতি হইবো আপনাগো মত পাবলিকের.... হাজারটা নিক রেজি: করে গাইলাইতে পারবেন না....
১৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
১৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৩
অতিথি বলেছেন: হিজাব ভাইসাব কি মাদ্্রাসাফেরত? হাককানী আলেম আছে মালুম হয়। যাউকগা যারা বেশী বুঝে কিংবা যারা বুঝে না তাগোর সাথে বাতচিত করা সহজ না। আমি ক্ষান্ত দিলাম, আপনের ব্যাপক জ্ঞানের সামনে নতজানুহয়্যা গেলাম।
১৯. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৫
অতিথি বলেছেন: কাহা, বড় ক্যাচাল লাগছে।
আমার এলকোহল সমস্যার সমাধান করেন আগে।
২০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৬
অতিথি বলেছেন: মহান রামছাগল এসে হাম্বা দিছে এখানে, এটা নাকি ডিসকাশন টাইপ ফোরাম- সাবাস ভাই আসকাল কি ইউরিয়া দেওয়া কাঠাল পাতা জুটতেছে না কি ইউরিয়া ছাড়া?
আমি আস্তরে আর কি বলবো কও দেখি, আমার লগে আস্তর কোনো তর্ক লাগে নাই, আসলে আস্ত তর্ক করার যোগ্য মানুষ না, বিতন্ডা করা আর তর্ক করার মধ্যে ফারাকটা হইলো তর্ক বিতর্ক করতে হইলে সেইখানে যুক্তির একটা ভিত্তি লাগে, অযথা নিজের মনোভাব জানায়া যাওয়া সেই ধারাটাকে সমর্থন করে না। আস্ত মেয়ের সমস্যা হইলো এইখানে যে ও এই রকম যৌক্তিকতার কোনো ধার ধারে না। নিজের মনে হইলো তাই একটা গুঁতা দিয়া আইলাম এমন করলে সেটা বিতন্ডা হয়, সব সময় এই রকম বেহুদা প্যাঁচালের সময় থাকে না, তাই অযথাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও কইতে হয়-
পইড়া গেছে বাড়ার পানি সইরা শোও গুদ মারানি- তোমারে এখন চোদার টাইম নাই।
২১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৩
অতিথি বলেছেন: মৌসুম একটু ফারাক আছে- ধরো বিষয়টা যদি তুমি এইভাবে প্রকাশ করো যে তুমি ল্যাপ ড্যান্স দিতাছো আর সেই ল্যাপ ড্যান্সের নিয়মে আছে তুমি যার কোলে নাচতাছো তারে ছোঁয়া যাবে না- এখন তুমি ইচ্ছা কইরা তার উত্তেজক অংশে শরীর ছোঁয়া লাগাইলা- সে যদি তোমার শরীরে হাত দেয় সেইটা উচিত কি অনুচিত হবে এইরকম ভাবে বললে ঠিক ছিলো-
লেখাটা আবার পড়ো- বলা আছে- তর্কের সময় বিষয়নিষ্ঠতা থেকে সরে এসে কেউ যদি বক্তাকে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমন করে বসে, কেউ যদি বক্তা সম্পর্কে তার বিশ্বাস - অবিশ্বাস এবং অন্য সব বিদ্্বেষ অহেতুক প্রকাশ করে তাহলে সেই ব্যাক্তিকে পালটা ব্যাক্তিগত আক্রমন বা অশালীন আক্রমনটা করার বিষয়টা যে আক্রান্ত হইছে তার বিবেচনার উপর নির্ভর করে- যাদের রেপ করা হয় তারা প্রথম ভিকটিম- কিন্তু এখানে বিষয়টা পালটা আক্রমনের ভিকটিমের প্রতিক্রিয়া নিয়া কথা হচ্ছে- এইটাকে তুমি কিভাবে তোমার যুক্তির সাথে মিলাইলা।
২২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫১
অতিথি বলেছেন: এরশাদ ভাই আপনে এত পরিশ্রম করতে ারবেন না যখন তখন আপনের না পড়াটাই ভালো। আপনেও ভালো থাকলেন আমিও ভালো থাকলাম। অযথা বিরক্তবোধ করলাম না আপনের কথায়। আমি অশালীন ভাবে প্রতিরোধের পক্ষে থাকবো, মাঝে মাঝে ইশ্বরের কৃপায় অদৃশ্য নিরোধে মোড়া মানুষজন পাওয়া যায়, কোনো উন্নত ভাবনা তাদের ভেতরে বিকাশ লাভ করতে পারে না- তাদের জন্য আসলে নিরোধ ফুটা করার তাগিদটা নিজের ভেতর থেকে আনতে হয়। আপনেও অদৃশ্য নিরোধ গায়ে জরায়া আছেন- যত তাড়াতাড়ি এই নিরোধ থেইক্যা বাহির হইতে পারবেন ততই লাভ। তখন আসলে প্রকৃত অবস্থাটা বুঝলেও বুঝতে পারেন। তবে একটু কষ্ট করে বিচার বিশ্লেষন করতে হবে।
২৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১:২৮
অতিথি বলেছেন: বালিকা যদি তোমার হিসাবে ভুল না থাকাই ভালো। লেখো তোমার প্রভুর নামে। তোমার মূল্যায়ন আামার কাছে সঠিক মনে হয়েছে। কারন তুমি চপল এবং চনচল। তুমি গর্ধভও বটে। তোমার যদি মনে হয় তুমি গধভ নয়। প্রমান কর
২৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৫১
অতিথি বলেছেন: বালিকা তুমি চপল এবং লজ্জাহীন। সমালোচনা করে আরবে যাও এলাহীর কাছে। ধধম্ম শিক্ষা হউক। আর আমার কথা বাদ দাও আমি তো ভন্ড।
২৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ২:০১
২৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩০
অতিথি বলেছেন: "যদি কেউ স্বরহীনের নামে এমন কথা বলতো তাহলে আমার প্রতিক্রিয়া কি হতো? অহেতুক আচরনে আমি বিরক্ত হতে পারি, হয়তো খানিকটা বিরক্ত হতামও তবে যদি দেখতাম তার আচরনের জন্যই তার এ হেনেস্খা হয়েছে তাহলে আমি এর প্রতিবাদ করতাম না। এবং আমার ধারনা সেও যথেষ্ট বিবেচক একজন মানুষ ব্যক্তিজীবনে। আমার নিস্পৃহতার কার্যকরণও সে জানতো।
যদি প্রশ্নটা করা হয় তুমি কেনো এ ধরনের আচরন পেলে তাহলে আমি বলবো এটা তোমার স্বভাব দোষ। অযথা মানুষের পাছায় আঙ্গুল দেওয়ার স্বভাব আছে তোমার।"

--- এইগুলা পড়ে ঐরকমি মনে হয়না? যা হইছে তোমার স্বভাবের কারনেই হইছে বল্লে কি যে অ্যাসল্ট টা করল তাকে একভাবে জাস্টিফাই করা হলনা? একটা পর্নগ্রাফিক ছবি দিয়ে একজন পারটিকুলার ব্যক্তির নামে ফ্লাডিং করাটা তো একধরনের অ্যাসল্ট - ই তাইনা? ভিকটিম যতই বদমাইশ হোক,,,এইরকম জিনিষ কেমনে মাইনা নেই!
২৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৪১
অতিথি বলেছেন: হ, পর্নগ্রাফি মাইনা নেওন যাইবো না। ভিকটিম (!) খুন কইরা ফালাইলেও তারে পর্নগ্রাফি দেখানো যাইবো না। সভ্য সমাজ। নিজেরা পর্ন ভিডিও কইরা বাজারে ছাড়লেও সমস্যা নাই; কিন্তুক সেই জিনিসের আলোচনা!! কদাচ না! কদাচ না!! আমারে তোরা কেউ একগ্লাস জমজমের পানি দে। এই মন্তব্যে পর্নগ্রাফি শব্দ লিখনের জন্য আমি অপবিত্র হয়া গেছি। কুলি করুম।
২৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫৫
২৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:০১
৩০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: মৌসুম আপু, আমারো একই এক্সপ্রেশন আপনার প্রথম মন্তব্যের প্রতি।
৩১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:০৯
৩২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:২৫
অতিথি বলেছেন: কারণ, রাসেলের যুক্তির সাথে আপনি রেপিস্টের কাহিনী গুলায়া ফেলেছেন। প্রথমত, আস্তমেয়ে এমন ধোয়া তুলসীপাতাটাইপ রূপবতী হেযাবী না, যে তারে দেখলেই সবার ঈমান খাড়ায়া যায়, তারে খামাখা গুতাগুতি করনের খায়েশে সবাই ব্লগে আসে। আস্তমেয়েও আক্রমণ করে কথা বলেন, যুক্তির নাম দিয়ে, ধর্মের নাম দিয়ে আপনাকে অধর্মের শিক্ষা দেন, নিরপেক্ষ ধার্মিকের ভাব নিয়ে রাজনৈতিক পোস্টে প্রতিপক্ষকে অ্যাটাক করেন। তার সাথে যদি বিনা কারণে ধর্ষণ হওয়া একটি মেয়ের তুলনা করেন, আপনি কি বুঝেন না যে, তাতে সমস্ত ধর্ষিতার অপমান হয়?

দ্্বিতীয়ত, এভাবে আক্রমণ করলে তার উত্তর কেউ কিভাবে দিবে, তার কোনো ধরাবাধা নিয়ম নেই। ব্লগে কি করা যাবে আর কি করা যাবে না, তার জন্য নীতিমালা আছে। ওই নীতিমালার মধ্যে থেকে যেকোনো উত্তর দেওয়া এখানে বৈধ। আপনি নীতিমালার লঙ্ঘন দেখলে রিপোর্ট করুন। সেটা বাদ দিয়ে যে লোকটা প্রতিবাদ করছে, তাকে রেপিস্ট বললেন আর রাসেলকে বললেন রেপিস্টের সমর্থনকারী। দুজনকেই অপমান করলেন। ব্যাপারটা ঠিক খাপ খায় না মৌসুম আপু।
৩৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:২৯
অতিথি বলেছেন: নারে ভাই। রাশেলরে ভ্যাসেকটমি করছে। তারফর বিচি ফালাইয়া রসুন দিছে। এখন কয় ইট দিয়া ছ্যাছা দিবো আরৈকবার দাড়াইলে।
৩৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫০
অতিথি বলেছেন: আমি রাসেলরে কখন রেইপিস্টের সমর্থনকারী বল্লাম! আমার কনফিউসন হইছে রাসেলের কথায় আমি তারে সেইটা বলছি,,রাসেল বুঝছে তো ব্যাপারটা! সে আমার কথার রিপ্লাই -ও দিছে...আমি তারে আবার আমার কথাটা বল্লাম,,এখন দেখি সে কি বলে। আর রাসেলরে অপমান করিনাই আমি। এইটা রাসেল ভালমতই জানে।
ব্যাপারটা হইল, আচ্ছা,,আমি আমার উদাহরন দিয়াই বুঝাই,, আমি যদি অনেক অনেক গাধামিও করি, কিংবা গোয়ার্তুমি করি,,তাতে কি আরেকজন আমারে নিয়া পর্নগ্রাফিক ছবি পোস্ট করলে সেইটা জায়েজ হইয়া যাবে? আমি শুধু এইটাই জানতে চাইতেছি চোর ভাই।
আর কোন এক ব্লগার তো সমানে লানত দিত আমার যতদুর মনে পরে,,,তারে নিয়া কিন্তু কেউ কোন ইমেজ পোস্টায়নাই। সে কিন্তু সরাসরি আক্রমন-ই করছে।
একটা মেয়েকে নিয়া এইটা করাটা পুরাপুরি পুরুষতান্ত্রিক একটা অ্যাটিচুড। এইটা ক্যামন না?
আমার ইন্টারনেটের কানেকশন পুরা খেলতেছে ইচ্ছামত। মেজাজ খারাপ বইলা (আপনার উপর না,,জিপি-র উপর!) গুছানো হইলনা লেখাটা। তবে আশা করি বুঝতে পারছেন আমার পয়েন্টটা।
৩৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ের ব্যাপারে যতদুর জানি সে নিরপেক্ষ ধার্মিক না। আর ধর্মের নিরপেক্ষ ব্যাপারটাও কিন্তু ঘোলাটে। যতক্ষন পর্যন্ত আপনি কোন ধর্মে বিশ্বাস করবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি অন্য ধর্মকে মিথ্যা মনে করবেন। নিরপেক্ষ ধার্মিক কথাটা তাই একটু হাস্যকর।
আর আপনি বল্লেন 'যে প্রতিবাদ করেছে' ...প্রতিবাদ তো অনেকভাবেই হতে পারে তাইনা? ঐ ফ্লাডিং টা যদি প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে স্বীকৃত হয় তাহলে আমার কিছু বলার নাই।
৩৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:১৯
অতিথি বলেছেন: মৌসুমাপু, এইবার লাইনমত আসছেন। একটা 'মেয়েকে' নিয়া এইটা করা যাইবো না!

মেয়ে পরিচয় ভাঙায়া খাওয়া কিন্তু সুবিধাবাদীর লক্ষণ।


হ্যা, ব্লগের নীতিমালা না ভাঙলে যে কোনো কিছু দিয়া (সেটা খোলামেলা ছবি হলেও) এই ভার্চুয়াল জগতে জায়েজ।
৩৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৩৫
অতিথি বলেছেন: মেয়েকে নিয়া এইটা করা যাইবনা সেইটা বলিনাই। বলছি ছেলেদের নিয়া এইটা করেনা কেউ। পুরুষতান্ত্রিক কইলেই আজকাল আপনার এই, 'সুবিধাবাদীর লক্ষণ' গালিটা খুব কমন হইয়া গেছে। কিন্তু পুরুষতান্ত্রিকতা কিন্তু মেয়েদের মধ্যেও আছে। এই টার্মটা এখন অনেক পলিটিক্যাল এইটা আপনার জানার কথা।
যাই হোক,,আমি আপনেরে বুঝাইতে পারিনাই আমি কি বলতে চাইছি। দেখি রাসেল কি কয়।
৩৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৫৬
অতিথি বলেছেন: হ, রাসেলই যা ইচ্ছা বলুক। আমি কিন্তু আপনার প্রথম মন্তব্য প্রসঙ্গে কিছুই বলি নাই। জাস্ট ঐ অনুভূতিটা হয়েছিলো। নিজের কাছে রেখেছিলাম। আপনি কারণ জানতে চেয়েছেন, তাই বলেছি।

তবে, মৌসুম আপু, এখানে কিন্তু ব্যাপারটা মেয়ে বলে না। সারিয়া বা আপনার সম্পর্কে কিন্তু কেউ এরকম পোস্ট দিচ্ছে না। আরো একটি ব্যাখ্যা থাকে। তাহলো নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রা ভঙ্গ। ভালো থাকেন।
৩৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৯
৪১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১৮
অতিথি বলেছেন: না আমি না এইটা নিশ্চিত,,আমার নাক আমার দুই চোখের মধ্যবর্তি জায়গায়-ই আছে।
৪২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৭
অতিথি বলেছেন: মৌসুম প্রতিক্রিয়া যেমনই হোক যদি আক্রান্ত প্রতিবাদ করে তাকে মেনে নিতেই হয়, ইরাকের লোকজন যখন ধরে ধরে বিদেশীদের গলা কাটতেছে তখন ওদের বর্বর মনে হয়, কিন্তু তাদের এই বিদেশি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার পন্থা হিসাবে এই বর্বরতাকে আমি সমর্থন করছি-


কেউ যদি এমন ভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় তার মনে হচ্ছে এটাই আস্তমেয়ের জন্য সবচেয়ে ভালোভাবে প্রযোজ্য একটা প্রতিবাদ, সেটাকে অসমর্থন করবো কেনো। এটার জন্য নিজেকে রেপিস্টের সমর্থন কারী ভাবতেও আমার আপত্তি নেই। আর এই রকম লেখার অংশবিশেষ নিয়ে আলোচনা না করে যদি সম্পুর্নটা পড়তা কষ্ট করে তাহলে ওখানেও এই কথাটাই লেখা ছিলো, যে যার নিজস্ব পদ্ধতিতে প্রতিবাদ প্রতিরোধ করে, তার যেটাকে উপযুক্ত মনে হবে সে সেভাবেই করবে প্রতিবাদটা।
৪৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৮
অতিথি বলেছেন: আচ্ছা। কিন্তু এই যুক্তিতে কিন্তু আস্তমেয়েও ঠিকঠাক কাজ করছে। সে তার ধর্মীয় মূল্যবোধের জায়গা থেকে তার মত করে প্রতিবাদ করছে। সেইটা যদি অযৌক্তিক-ও হয়...তার মনে হইছে এইটাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য সবচেয়ে ভালভাবে প্রযোজ্য প্রতিবাদ...মানে সে তার বিশ্বাসের জায়গা থেইকা কথা বলছে। এইরকম না ব্যাপারটা?
৪৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:২১
অতিথি বলেছেন: সমস্যাটা যেখানে তা হলো ধর্ম আক্রান্ত হবে এমনটা ভেবে কেউ এখানে লিখে না , লিখে তার নিজস্ব ভাবনার কথা, সেই ভাবনা সব সময় সমাজের নৈতিকতা, নীতি আর মুল্যবোধকে সমর্থন করবে এমনটা হবে না, মানুষের ভাবনার জায়গায় নিরোধ পড়ানোর বিষয়টা চলে আসলেই চলে আসে মৌলবাদী ধ্যানধারনার কথা।
তবে এখানে যারা এমন লেখা লিখছে তারা কেউ আস্তমেয়েকে গুঁতানোর জন্য লিখছে না, আস্তমেয়ে যদি হাওয়ার উপর পলটি খায় তাহলে সেই স্পর্শকাতরতাকে ধর্মের নীতিবোধ দিয়ে জায়েজ করে নেওয়ার ঔচিত্য নিয়েও আমি প্রশ্ন করি।
প্রতিবাদের শালীনতা-অশালীনতা বিষয়টার প্রেক্ষিত এখানে আলোচিত হচ্ছে না।
কেউ যদি কোনো পোষ্টের প্রতিবাদ করে তাহলে তাকে পোষ্টের বক্তব্যের ভিত্তিতে করতে হবে। এ শোভনতার জায়গা থেকে আস্তমেয়ে বের হয়ে পেছনের ব্যক্তিকে যখন আঘাত করবে তখন সেই ব্যক্তিও তাকে আক্রমন করতে পারবে। নীতিটা তুমি বুঝতে চাচ্ছো না কিংবা বুঝতে পারছো না।
৪৫. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৬
অতিথি বলেছেন: কথাবার্তা মনে হয় একটু অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাচ্ছে। ভাবনার জায়গায় নিরোধ পরাবার কথা আমি বলিনাই। আপনার আক্রমনের ধারা নিয়ে কিন্তু আমি প্রশ্ন তুলিনাই। আমি বোকারামের ঐ ফ্লাডিং টা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলাম। ঐটা কিন্তু সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ছিল। এখন পালটা আক্রমনের পন্থা হিসাবে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট কে আপনি সমর্থন করেন বলতেছেন। আপনার সাথে এইখানেই আমার মতভেদ। বোকারামের সাথে আস্তমেয়ের কোন বিরোধ হইছিল বলে আমার মনে পরেনা। তবে বোকারাম যদি কোন আক্রান্ত ব্যাক্তির ছদ্মনাম হয় তাইলে এইরকম ছদ্মনামে হ্যারাসমেন্টরেও আমি সমর্থন করিনা।
৪৬. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:২৮
অতিথি বলেছেন: সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট বিষয়টা নিয়ে ঠিক একমত হতে পারতেছি না, যদিও ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলাটাও সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের অংশ। প্রতিবাদ মানুষ তার নিজস্ব যোগ্যতা অভিজ্ঞতা দিয়ে করে, বোকারাম নামক মানুষটার সাথে যদি আস্তমেয়ের কোনো বিরোধ না থাকে তাহলে অকারনে কেনো বোকারাম তােেক যৌনহয়রানি করবে?
অন্য কোনো আইডি যদি বোকারামের থাকেও তবে সেটার সাথে আস্টমেয়ের বিরোধের জায়গাটাও খেয়াল রাখা দরকার।
যদিও আমি যাদের চিনি এখানে কিংবা যাদের লেখা নিয়মিত পড়ি তাদের কারো প্রতিবাদের ধরন এমন না। এই ধরনের প্রতিবাদের জনক, ধারক বাহক যারা তারা সবাই আবার মডারেশন চায়।
এমনও হতে পারে তারা সবাই এই পন্থাটাকে সাহীহ মনে করছে। এইভাবে করেই হয়তো মডারেশনের দাবিটার যৌক্তিকতা তারা তুলে ধরতে চাইছে। সেক্ষেত্রে এটা অন্তর্ঘাতমুলক কার্যক্রম।