nov 2006 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
nov 2006 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

রইস কবি আর মালিশদার

আমাদের রইস উদ দ্্ব ীন মিয়া যখন নাম থেকে দ্্ব ীন মুছে ফেলে উদ বেড়ালের মতো প্রগতিশীলতার স্রোতে গা ভাসালেন তখন ঘুনসি কোমরে বেঁধে ডোবায় ডুব দিলো এক ন্যাংটো শিশু। এখানে এই পরিবেশটাকে লক্ষ্য করা দরকার, প্রেক্ষিত বিশ্লেষনের আবশ্যকতা আছে প্রবল ভাবে। দ্্ব ীন মুছে ফেলে রইস হয়ে উঠার ভাবনায় তার এই প্রগতিশীলতার স্রোতে উদ বেড়ালের মতো ভেসে থাকাকেও খোল করা দরকার।

খেয়াল করা দরকার সেই বিকেলের রোদ, সেই বিকেলের রোদ মরে যাওয়ার আগেই আকাশ অন্ধকার করে ঝড় উঠেছিলো, ঘুনসি কোমরে বাঁধা সেই ন্যাংটো শিশুটা তখন পথ হারিয়ে কোনো এক গ্রাম্য বিধবার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে তার পোষা ছাগলের হাজামত দেখছিলো বিস্ফোরিত চোখে। সেই ছাগলের বিকট ম্যাঁ ডাকের সাথেই বিজলীর গর্জন, বৃষ্টি মেনেছিলো খুব।


সেই বৃষ্টির ছাঁট গায়ে পড়তেই বাচ্চা ছাগলটা উঠে দাড়িয়েছিলো, হাজাম তার হাতের অবশিষ্ট ছাই যা ছাগলের অন্ডকোষে লাগানোর পরেও রয়ে গিয়েছিলো হাত ঝাড়া দিয়ে ফেলে বললেন মা একটু পানি আনো।

বাচ্চা ছাগল তখনও বোঝে নি তার পুরুষত্ব লুণ্ঠিত হয়েছে এই মাত্র, পা টেনে টেনে সে আশ্রয় নিয়েছিলো চৌকির কোনায়। বাজের ভয়ংকর শব্দে কেঁপে কেঁপে উঠছিলো সে। আর আমেনার বাপ তার দিকে তাকাতেই ভীষন হয়ে দ্্বিগবিদিক জ্ঞানশুন্য ন্যাংটো শিশুর ছুটে যাওয়া দেখে খ্যাঁক খ্যাঁক হেসেছিলো আমেনার বাপ।

রইস মিয়া সেই বিকালেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো বৃষ্টিমঙ্গল কাব্য রচিত হবে,

রচিবে এমন ভাবে য্যান লোকে ভাবে
কবি আছে জগতে একখান
কবির কবির বেটা রইস পাঠান।
পাটকিলে ছোড়ার এক বগ্গা শরীরে ভীষন তাকত,সব ছুঁড়িদের দিকে আড়ে আড়ে চায়। পুকুর পাড়ের জামগাছে উঠে বসে থাকে দুপপুর বেলা, ঘোষদের বাড়ীর মালতি ছুঁড়িটাকে একটা লাইন টানা কাগজে পদ্য লিখে পাঠিয়েছে সে - সেই পড্য পড়ে মুখ টিপে হাসে ঘাটলার সব মেয়ে।
রইস মিয়া দুপপুর বেলা জাম গাছের ডালে বসে দেখে ডোঁয়া পিঁপড়া হেঁটে যায় সামনে দিয়ে কাকের পাখার সাট সাট আওয়াজ স্থিমিত হয়।
কে কোকিলা লীলা করে কাউয়ার ঘরে পাড়ে ডিম
পুকুরের ঘোলা জলে যুবতির স্নান বুকে জ্বলে তারার পিদিম।
ডোয়া পিঁপড়া কামড়ায়, শালার পিঁপড়ার পোন মারি বলে রইস মিয়া ভিন্ন ভাবে ভীষন সামলে পশ্চাতদেশ চুলকায় আর আহ উহ করে। আহারে একেবারে ডোয়া পিঁপড়ার ঘরের উপর বসেছে সে গোয়া মেরে দিয়েছে পিঁপড়া, হঠাৎ অবলম্বনহীন খসে পড়লে জাম গাছে মৃদু আন্দোলন আর পুকুরের পানিতে দীর্ঘ ঝপপাস শব্দ হয় একটা। সচকিত মেয়েরা মেনী মুখো ঢ্যামনা বদের তাড়ী ইত্যকার বিশেষন ঝাড়লেও সে দিকে মনোযোগ দেওয়ার অবসর নেই রইস মিয়া। বরং লুঙ্গির ভেতরে হাত ঢুকিয়ে খাবলা দিয়ে ডোয়া পিঁপড়া সংহারে ব্যাস্ত তখন সে।

সেই দুপুরেই আবার মঞ্চে আবির্ভূত হয় ঘুনসি বাঁধা শিশুর, তার হাতে প্রলেপ আস্তে আস্টে ঢেকে দিচ্ছে ডোয়া পিঁপড়া স্মৃতি রইস মিয়ার অনাবৃত পশ্চাতদেশ থেকে। এ মা আপনার বাল উঠে নি, য্যানো বালভিজ্ঞ শৈশবের প্রথম ব্যাতিচারে আশর্য হয়েছে ছেলেটা। যা ব্যাটা পাকনামি চোদাবি না চুপ করে যা করতে আছিলি তাই কর, হোগা জ্বলতাছে আর এই ব্যাটা বালের আলাপ করে। নত মুখে সেই শিশু প্রলেপ মাখিয়ে ফিরে যায়- আসলে এসব শিশুরা কোথায় যায় আমরা জানি না। হয়তো অন্য কোথাও প্রলেপন মগ্ন থাকে-ক্ষুন্নবৃত্তি করে জীবন চালায়-


হা বাৎসায়ন মুনি তোমার কামসূত্রে কিশোরকামের বর্ণনা আছে নেই শিশুপ্রেমবিবরন

শিশুদের ভালোবাসবে কে ভবে রইস কবি ভনে জনে জনে বিলাও সন্দেশ
এই দেশে শিশুপ্রেম নাই কেনো বাৎসায়নে এ কি তব অবহেলা
রচিব নতুন শাস্ত্রশস্ত্র হাতে দাঁড়াও শিশুগন শস্ত্রে প্রলেপ মাখো মসৃন
সহস্র বছরের এই অনাচার বন্ধিবে রচিয়া রইস কামলীলা।

সেই বিকালেই বাজারের ভাঙা রেডিওতে লেজে হোমো এরশাদের ক্ষমতাগ্রহনের খবর প্রচারিত হয়।


এই ঘটনার পর কেটে গেছে এক যুগ,সেই শিশু প্রলেপন হাতে আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এখন উত্তুঙ্গ তার হাতে মুখে ভীষন মসৃনতা, নিয়ত চর্চায় পারদর্শি হয়ে এখনও সে প্রলেপন মাখে- মাখায়, সবাইকে তোয়াজ করে যায়। প্রথম বর্ষ দ্্ব ীতিয় বর্ষ তৃতীয় বর্ষ যায়- সময় আসলে নিজের নিয়মে বয়ে যায়- উদ বেড়ালের মতো স্রোতে ভাসে রইস কবি। আর প্রগতিশীল রাম ছাগলের ছানা মেলে দেয় ডানা বাংলাদেশের আকাশে পূর্ব বঙ্গে একটাই জেলা বিক্রম পুর সেখানে দুপুর বিশ্রামালাপ বঙ্গীয় ভাষা শুধিতে হইবে


তাই একটা ভাষা আন্দোলন পুটকির চিপায় নিয়ে পা টিপে টিপে হাঁটে রইস কবি। দুপুরের বাসী খাবার ঘাঁই মারে পেটে- একটা মাত্র টাট্টি খানা অনেকক্ষন আটকে আছে সুনিত বাবু-এবাদের ইবাদত উদ্যত হাত জোড়া কাঁপছে বিরবির করে প্রার্থনায় যা বলছে সেটা ইশ্বরের পক্ষেয় শোভনীয় নয় শোনা। দাঁতে দাঁত চেপে সেই উদ্যত ভাষা আন্দোলনের ঘাঁই পেটের ভেতরে নিয়েই একটা উদগ্র চাপের ভেতরে রইস কবি ছুটছে দিকজ্ঞানশুন্য- একটা আড়াল চাই। মালতীর বিয়ের বাসী পোলাও এমন জব্দ করবে কে জানতো।


একটা গাছের গোড়ায় চোখ রেখে সে গাছের শেকড় গুনতে গুনতে রইস অনুভব করে প্রবল ভাষা আন্দোলনের মিছিল নেমে যাচ্ছে হোাগা দিয়ে- অমল সুখে রইস প্রায় নিদ্্রিত হয়ে শেষ সোনাটা বাজাচ্ছিল হোগা দিয়ে- খিল খিল শব্দে পেছন ফিরে দেখলো চৌধুরি বাড়ির জানালায় হেসে লুটোচ্ছে কতিপয় মেয়েরা। দামড়া পোলা সামলাতে পারে নাই- মরাখাকির পুত বাসার খিড়কিতে এমন কাম করছে- হিঃ হিঃ হিঃ হিঃ হিঃ


ভাষা আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়, আরক্ত মুখে তীব্র মনোসংযোগ দিয়ে গাছের কোটরে কবিতা খোজে রইস মিয়া। সেই ঘুনসি বাঁধা শিশু 10 কিংবা 15 বছর পরে এখন কিশোর কিংবা তরুন- হাসিমুখে তার দিকে তাকায়- বলে আপনার বাল উঠে নাই।

রইস মিয়া কটমট তাকালেও এই সময়টাতে সবার প্রতি একটা তাচ্ছিল্য থাকেই, বয়েসের দোষ বা ুগুন যাই বলি- তাই অম্লান মুখে আউড়ে যায় সেই গত কৈশোর শিশু
আমার কত কত বাল
কত কত খালের কিনারে বসে পরিস্কিনু বাল
আর আবাল কবিরে দেখি আজ হায়
আবাল কবিরে দেখি আজ
কাঁঠাল পাতায় ঘষে
অকর্ষিত হোগা।
খানিকটা কাঁঠাল পাতা হাতে ধরিয়ে দিয়ে সেই না কিশোর না তরুন না যুবক ঘুনসি বাঁধা এককালের শিশুটা চলে যায়। রইস কবি কাঁঠাল পাতা চিবায় আর কবিতা অবতীর্ন হয় ধরাধামে।
এই সব দৃশ্যের সাথে আমাদের সহবাস
বসবাসরত সব বৃক্ষ প্রেমিকেরা আজ হাত নাড়ে
টেলিগ্রাম পৌঁচেছে মুক্তাঙ্গনে
সভাপতি্ন তন্বি সুঠাম তন্দ্র ালু

কিশোর তরুন হয় যুবা প্রৌঢ় এমনটাই রীতি তবে একাগ্র নিষ্ঠায় সেই না তরুন না কিশোর না যুবক ঘুনসি বাঁধা শিশু প্রলেপন দিয়ে যায় ডোয়া পিঁপড়া চর্চিত হোগায়।


একুস্টিক মনোজ কবিতার পান্ডুলিপি পড়ছেন- কবিতার সঠিক সমালোচনা করতে পারে একমাত্র সৎ কবি - রইস মিয়ার স্টেপ ফ্রেন্ড কিংবা দুর সম্পর্কের বন্ধু একুস্টিক মনোজ কবিতা পড়ে আর মাথা নাড়ে বিতৃষ্ণায়


অবশেষে সমালোচনা ছাপা হয় দৈনিকে- উল্লেখযোগ্য কয়েকটা বিশেষন সবার অবগতির জন্য জানানো-

-ছাগল চার পায়ে জুতা পড়লেই সাহেব হয়ে যায় না আর ল্যাদা ছাড়লেই ওটা মুক্তা হয় না- অধ্যাবসায় গুরুত্বপূর্ন রইস মিয়া সেই পরিশ্রম করতে নারাজ তাই যা হবার তাই হয়েছে- উস্কোখুস্কো চুল আর দাড়ি ঝোলালেই কবি হয়ে যায় না লোকে এই সত্য অনুধাবনের ক্ষমতা এখনও হয় নি তার-
-পিঁপড়ার হোগায় ঠেসে বারুদ ভরলেই ওটা জোনাকি হয়ে জ্বলে না তেমন কবিতার সারবস্তু না থাকলে ওটা নিজের ভারে চলে না মোটেও-
একুস্টিক মনোজের সমালোচনায় ব্যাথিত রইস মিয়া এবার সিলোটি বেডিংয়ের দোকানে বসে থাকে- প্রাক যৌবন প্রলেপনিষ্ঠ অভিজ্ঞ মালিশদার সেই শিশুটিকে দেখা যায়-
সে এখন ছাগলের হোগার বাল চেঁচে সাফ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন বিউটি পার্লার খুলেছে-

প্রকাশ করা হয়েছে: কৌতুক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৩৩ টি মন্তব্য
  • ৯৮৪ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৬
টিয়াবাম বলেছেন: আর আট বীচিওয়ালা ছাগল, তাজমহল দেখে পাড়ি জমালো কাগুর দেশে.....
২. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৭
অতিথি বলেছেন: চমৎকার হচ্ছে আর একটু হলেই রইস কবির সমকক্ষ হয়ে যাবে- তখন দুজনে মিলে কোথাও বাগ টাগ বোটে বসে দেখপে-
৩. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৯
৪. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১০
অতিথি বলেছেন: পাএ পাএির বাস্তবে কোনো মিল পেলে কি হবে? আরো কিছু ফ্লাডিং হবে।
৫. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৬
অতিথি বলেছেন: রাসেল ভাই,আপনারে পইড়া মুগ্ধ!...... হের পিছনে না লাগলে হয় না!হেরে এখন মাপ কইরা দেন।
৬. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৮
৭. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৪
লাল মিয়া বলেছেন: বোলগ মাকুন্দায় ভইরা গেছেগা
পেরথম মন্তব্য পরসঙ্গে কইলাম
৯. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:০৮
হিমু বলেছেন: গল্প হিসাবে খারাপ না। পরবর্তীতে স্ক্যানস্কুন করে কোথাও না দিলেই হলো।
১০. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৭
অতিথি বলেছেন: হ, আমিও কই, রাসেল দাদার এই রইসু বিকার কবে যে যাইবো? এইটারে ইগনোর করা যায় না? আপনার এইটা ছাড়া বাকী তো সব ভালই ইনজয় করি।
১১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৯
অতিথি বলেছেন: অশোভন, অপ্রাসঙ্গিক এবং অপ্রয়োজনীয় বলে রাইসুর মন্তব্য মুছিয়া ফেলা হইলো।
১৩. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৯
১৪. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০১
১৫. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫০
অতিথি বলেছেন: অশোভন, অপ্রাসঙ্গিকতা আর অপ্রয়োজনীয়তার মান নিয়া আমি পুরা কনফিউজড হইলাম!
১৬. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১৭
অতিথি বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিকতা এবং অপ্রয়োজনীয়তা বুঝার জন্য আসলে জিভটাকে সামান্য ছুটি দিতে হয়, অযথা চাটাচাটিতে ব্যাস্ত থাকলে নিজের অর্থহীন আচরন এবং অপ্রয়োজনীয় কর্মকলাপের মাধ্যমে সব অপ্রাসঙ্গিক অশোভনতাকে নিতান্ত সভ্য মানুষের কাজ মনে হয়।
যাই হোক আপনে বড় মানুষ, অনেক দিন দ্্বান্দ্বিক বস্তুবাদী ভাবধারায় অবগাহন করছেন এর পরও আপনার বিবেচনা বোধের ভেতরের তস্কর মনোভাব ও পলায়নবাদী মানসিকতার পরিবর্তন হয় নাই।
রাইসুর পুরো নাম কি? এটা একেবারে অপ্রয়োজনীয় তথ্য এই রচনার প্রেক্ষিতে, কেউ যদি সাইধা নিজের হোগায় বাঁশ টাইনা আমোদিত হয় সেই অসুস্থতার জন্য আমারে দোষারোপ করার চেষ্টাটাকে আমি াপ্রাসঙ্গিক বলি।
আর সে তাকে ভিত্তি করে আমার যৌনতার নির্মান বিষয়ক যে হাইপোথিসিস দাঁড়া করছে ঐটা সে য্যানো অগাস্টিন গোমেজের হোগায় গিয়া ঢুকায়। এইটা আমার কাছে অশোভন মনে হইছে।
যাউক গা। অযথা কথা কইয়া মুখ খুলায়েন না। মুখ খুললে আপনের সামান্য অসুবিধা হইতে পারে।
১৭. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩১
অতিথি বলেছেন: অসুবিধা ক্যান হইবো ...কন না...

তয় পলায়ন বাদী কইলেন...এই অবজারভেশন আপনের ঠিক আছে...ঐটার কারনেই হয়তো এখন ব্যক্তিগত জীবনে আছি...কিন্তুতাও ঐ মন্তব্য আমার কাছে এই ব্লগের অনেক কালচার থেইকা অনেক ভিন্ন কিছু মনে হয় নাই।

আপনে টিয়াবামের মন্তব্যটা যদি অশোভন, অপ্রাসঙ্গিক আর অপ্রয়োজনীয় মনে না করেন তাইলে রাইসুরটা আমার কাছে এই পোস্টে এক্কেরেই শোভন আর আপনের ঐ গল্পের ধারাবাহিকতায় ঐটারে প্রায় প্রাসঙ্গিকই লাগছিলো। গল্পে আপনে রাইসুর দায়িত্ব নিছেন, মন্তব্যে রাইসু মন্তব্যে আপনের দায়িত্ব নিছে, এই তো।
আর আবারো কই আমার অসুবিধা নিয়া আপনের না ভাবলেও চলবো। আপনে অসুবিধা তৈরী করেন আমার লেইগা...
১৮. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৮
১৯. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৪
অতিথি বলেছেন: রাস্তায় খাড়ায়া মেয়েদের প্রতি মন্তব্য করন, মেয়ে দেখলে বিগলিত হওন, এইসব সমস্যা সব মানুষের আছে- এইসব কমন কিছু বৈশিষ্ঠ্য, এমন অনেক কমন বৈশিষ্ঠ্য আছে, কবি হইলে পুর্বজদের সামান্য হেয় করতে হয় এইটাও কমন বৈশিষ্ঠ্য সাহিত্যাঙ্গনে, তেমনই কমন বৈশিষ্ঠ্য পছন্দের কবিদের স্তুতি আর অপছন্দের কবিদের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধারের । বাংলাদেশের লিটলম্যাগ কালচারের একটা বড় অংশ এই কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়া ব্যাস্ত- গল্পের রইস উদ দ্্ব ীনের এমন কিছু বৈশিষ্ঠ্য রাইসু যদি নিজের ট্রেড মার্ক ভাইবা লয় তাইলে ঐটা তার নিজের সমস্যা। আপনের সাথে রাইসুর এই একটা বিষয়ে চরম মিল আছে। যাউকগা আপনে আপনার ব্যাখ্যা নিয়া থাকেন- সেই ব্যাখ্যা আমি খাইতাছি না যখন তখন সেইটা আমার কাছে না বেইচ্যা অন্য কোথাও দরদাম করেন- আখেরে লাভ হইবো।
২০. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৬
অতিথি বলেছেন: রাইসু আপনে সব সময় প্রয়োজনের বেশী বুইঝা অভস্ত্য- এই বাপের আগে বাল ফেলানো মানসিকতা ছাইড়া দিলে কিছু হইতে পারতো আপনের।( হতাশামিশ্রিত হাসি)
২১. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫০
অতিথি বলেছেন: না বাপজান, বাল আপনের একান্তই নিজস্ব সম্পত্তি। ওইটা ফেলানো বা না ফেলানো আপনারই। জামাল ভাস্কর যে ঠিক না সেইটা তো খালি আপনের জাস্ট আগের পোস্টটা পইড়াই না বুঝলাম। বাপ বাল ফেলাইছে তায় বুঝতে পাইরা আমি জামাল ভাস্কর নামক বালটিকে ফেলাইয়া দিচ্ছি। রাসেল, আমি আপনের লগে আছি।
২২. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৪
অতিথি বলেছেন: রাসেল, আমি একটু বেরুচ্ছি। বাংলাবাজার পত্রিকায় যাবো। পুরনো কিছু পত্রিকা কিননের জন্যে। পরে যাবো যায়যায়দিনে মাহবুব মোর্শেদের কাছে। সন্ধ্যায় শাহবাগে যাবো, আপনি থাকলে চইলা আইসেন, ভাস্করও আইসেন। কৌশিকরে নিয়া আইসেন। পিয়ালরে নিয়া আইসেন রাসেল। দাওয়াতে কোনো প্যাচ নাই।
২৩. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৬
অতিথি বলেছেন: গল্পের রইস মিয়া যদি আলদা কেউ হয় (আপনের দাবী অনুযায়ী) তাইলে আমার কিছু বলার নাই। আমি আসলে অন্য যে কারো মতোই এই লেখারে আপনের রাইসু বিষয়ক স্যাটায়ার টাইপ ভাবছিলাম ( যেইটা আপনে অতীতে অনেকই করছেন)।

লেখা আপনের। এখন আপনে যদি এইটারে কাল্পনিক চরিত্র কন, কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে দুঃখিত হইতে চান আমার কিছু বলবার নাই!
২৪. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০০
অতিথি বলেছেন: রাসেল হইল কাউয়ার মতো মুখ লুকাইয়া ভাবে কেউ দেহে না।
২৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৩৩
অতিথি বলেছেন: রাসেল কি অবস্থা?
কেমন কাটছে সময় দেশে?
ফিরছেন কবে?
২৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:০৮
আলী বলেছেন: বল্গের নিয়ন্ত্রনকারী কেউ আছে কি? নোটিশবোর্ড তো কবেই পইচা ভাইঙ্গা গেছে
মনে হয় এখন এই বল্গের মা-বাবা যারা ছিল তারা হয় মারা গেছে না অন্য কোন জায়গায় পার্টি করতাছে। তা না হলে কোন ছাগুরাম সাতটা লেখা দিয়া হাফহাজারী পালন করে?

1) কথা হয় আমার কপিপেস্ট নিয়া মাননাল আমি কপিপেস্ট করি লেখা কম্পোজ তো আমার ই করা লাগে নাকি সেইটা কোন কুৎসিত আর্বজনাখেকো পাখি কইরা দেয়?


2) লেখা দেয়া হবে ব ল্গারা পড়বে কমেন্ট দিবে এইটাই বল্গের নিয়ম কিন্তু ড্রাফট কইরা রাখলে এটা কি বল্গিং?


3)এই ঘটনার জন্য নোটিশবোর্ড এবং সামহোয়ার ইন বল্গ কতৃপক্ষ সম্পূর্ন দায়ী কারন যখন নতুন আপগ্রেড করা হল তখনই অনেক বল্গার আওয়াজ তুলেছিল ড্রাফটকে পোট হিসেবে কাউন্ট না করার জন্য তখন ড্রাফট পোস্ট হিসেবে কাউন্ট অফ করে দিলে এখন কেউ সাত পোস্ট দিয়ে হাফহাজারী করতো না।


4)শুধু নিক ব্যান করলেই সামহোয়ার ইন বল্গ সুন্দর পরিবেশ ভালো হয় না আরো অনেক দিক দেখতে হয়

২৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:২৩
অতিথি বলেছেন: আলী ক্ষেইপ্যা গেলা ক্যান?
এইটাকে প্রতিযোগিতার পর্যায়ে নামাইও না। অযথা চাপ নেওয়ার কিছু নাই-এইটারে উপভোগের চেষ্টা করো- ড্রাফট কইরা কেউ পোষ্ট 500 কইরা ফেললো তাতে কি হইছে? তুমি মাঝে মাঝেই ভালো খবর জানায়া যাও-এই কাজটা কয়জন করে কও?
২৮. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
আতাহার বলেছেন: বাপে নাম রাখছিল রইস উদ্দিন। হালার বেটা ঢাকায় আইসা নামকরণ করে ব্রাত্য রাইসু। এই ক্ষেতটা কবি কয় কোন হালা। একটা খচ্চর।
৩১. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০০
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
লেখক বলেছেন: এইটাই, আমিও মাঝে মাঝে বুঝি না কোনটা আমি আর কোনটা অন্যজন।

জাহাঙ্গির ভাই

অনেক দিন পর কার্জন হলে গিয়ে জাহাঙ্গির ভাইয়ের সাথে দেখা হলো। আমাদের অতীত বিশ্ববিদ্যালয় জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশের মতো, যার দোকানের সামনে বসে কিংবা পেছনে বসে আমাদের অনেক সকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়েছে, অতীতের চোখ দিয়ে বর্তমানকে দেখার মতো অনেক দিন পর ফিরে যাওয়ার পর বস্তুগত ভারসাম্য অনুমান করার একটা ক্ষীন প্রচেষ্টা থাকেই।
কি ছিলো, কি আছে, কোনখানে ঠিক কি পরিবর্তন হলো, এইসব দৃষ্টিপাতের সাথে আশে পাশের মুখগুলোকে পুনরায় দেখা, কোনো পরিচিত মানুষ চোখে পড়ে না, আশাও করি নি আসলে আমাদের পরিচিত-পরিচিতারা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌকাঠ পেরিয়ে অনেক দুর হেঁটে চলে গেছে, আমরা দিন দিন বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি হয়তো।
দেখা হলো শাহজাহানের সাথে, বৃদ্ধ ভাবটা তার ভেতরে প্রকট, চোখের নীচে ঘন কালি পড়েছে, যতদুর জানি বিয়েও করেছে সে, আমি তাকে নাম ধরে ডাকার পর সে বেশ সংশয়ী চোখে তাকালো আমার দিকে, শিক্ষক হয়ে যাওয়ার পর যে সমস্যা হয় মানুষের, সামান্য সম্মান অবচেতনে আশা করতে থাকে আর এই অবসরে তারা ছাত্রবিচ্ছিন্ন হতে থাকে নিয়মিত ভাবে। তারা ছাত্রের কাছ থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যায়, ক্লাশের সামনের মঞ্চ ছাড়া অন্য কোথাও ছাত্রের সাথে যোগাযোগ করাটা শালীনতার লঙ্ঘন এমনটাই অলিখিত নিয়ম এখনও।
আমার ডাকে তার সংশয়ী হওয়ার যথেষ্ট কারনও আছে, আমার ছেঁড়া জিন্স, ছেঁড়া টি শার্ট এবং না কামানো গাল, এইসব এখনও নিদারুন ছাত্রত্বের পরিচায়ক, তাকে অবজ্ঞা করে এমন নাম ধরে ডাকা হলো কি না, এই সংশয় এড়িয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো। এত রসের সময় ছিলো না তাই কোনো রকম ভূমিকা ছাড়াই কিছু তথ্য জানতে চাইলাম, এই তথ্য জানতে চাওয়ার পরই সে নিশ্চিত হলো তাকে অপমানের কোনো চেষ্টা আমি করি নি, দেখতে ছাত্র মনে হলেও তার সাথে আমার সম্পর্কে এমন উপাদান আছে যার ভিত্তিতে আমি তাকে তুমি বলতেই পারি।
জাহাঙ্গির ভাইয়ের কাছেও শুনলাম আমাদের বন্ধুরা যারা শিক্ষক হয়েছে তারা আর এখন এই পাশে আসে না, তারা মিলন ভাইয়ের ক্যান্টিন থেকে চা নিয়ে যায় ঘরে, সামান্য অবস্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে কি কি বিপর্যয় ঘটে যায়, এখনও বাংলাদেশের সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতা মানুষের পদবি ও অবস্থান নির্নয় করে সম্বোধন নির্দিষ্ট করে, এবং সেই একই রকম সামন্ততান্ত্রিকতা তাকে পদ-সচেতন করে তোলে, কার সাথে সম্পর্কিত হওয়া যাবে এই বিষয়গুলো নির্দিষ্ট করে ফেলে তারা। অবাক হলাম না, আমরা ঐতিহ্য অনুসরন করে যাই, আমাদের দুর্বল মনঃস্তত্বে ভেঙে ফেলার সাহসটাই অনুপস্থিত। আমরা প্রথাকে মেনে চলতে চাই, প্রথাগত জীবনযাপন করতে চাই, সামাজিক নিয়মাবদ্ধ থেকে, আমাদের সমাজ পরিবর্তনের ইউটোপিয়া থাকে হয়তো, যেভাবে কৈশোরে মানুষ বামপন্থার দিকে সামান্য ঝুঁকে যায়, সেই একই রকম শুভবোধ থেকে মানুষ জামায়াতে যোগ দেয়, একই রকম ভাবে তার স্বার্থ সচেতন হয়ে উঠে, আমাদের পরিচিত অনেক বখে যাওয়া বামের মতো অবশেষে পুঁজিবাদের শেকড়ে জল ঢালে, কেউ কেরানী হয়, কেউ ব্যাঙ্কের টাকা গুনে, কেউ অফিসের কাগজ ঠিকঠাক রাখে, আমাদের শোষনমুক্ত সমাজের স্বপ্ন দেখা মানুষের অবশেষে শোষনের মঞ্চ প্রস্তুত করে, একটু মানবিক হয়ে মশা হয়, ফোঁটা ফোঁটা রক্ত খায় ড্রাকুলার মতো একচোটে একবাগ সাঁটিয়ে নেয় না।
জাহাঙ্গির ভাইয়ের দোকানের ছেলেরা যারা চাঁদপুর থেকে জীবিকার অন্বেষণে আসে এখানে , আমাদের চা-সিগারেট- বন-কলা এনে দেয় তাদের কপাল ভালো থাকলে স্নেহ পায় কপাল খারাপ থাকলে থাপ্পর জুটে কপালে সেইসব ছেলেদের কাউকেই দেখলাম না। তবে পুরস্কার দিতে আমরা কুণ্ঠিত থাকি তাই তিরস্কারের পরিমান সবসময়ই বেশী হয়, আমাদের সুখের দিনের গল্প হয়, আমরা অতীতচারি হয়ে উঠি, জাহাঙ্গির ভাইয়ের মন্তব্য শুনি আপনারা যারা চলে গেছেন তারাই ভালো আছেন, এখনের ছেলেরা তেমন ভালো না, হবে হয়তো, আমাদের সময়ে পুঁজিবাদ এতটা সক্রিয় উপাদান ছিলো না, তখনও বাঙ্গালি সাম্যবাদি মানসিকতা ছিলো সবল, আমাদের কর্পোরেট হয়ে উঠার প্রক্রিয়াটা 90 এর দশকে শুরু হলেও ওটার সম্পুর্ন প্রভাবটা এসেছে এক বিংশ শতাব্দিতে, আমাদের একবিংশ শতাব্দির কর্পোরেট বাংলাদেশ মানবিকতা খুন করে ফেলেছে।
সবার কথাই ঘুরে ফিরে আসে, লিটু ভাই, রাজীব, অতনু, লিপি, ইফতেখার, টানভীর, তন্ময়, আমরা যারাই সেখানে বসে আড্ডা দিয়েছি জাহাঙ্গির ভাই তাদের সবাইকেই কোনো না কোনো ভাবে চিনে রাখে, সবারই ভালো চায়, সবাই ভালো থাকুক এ মঙ্গল প্রার্থনা আমাদের সঙ্গি হয়ে থাকুক অনন্ত কাল।

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:৫০


  • ৮ টি মন্তব্য
  • ২৭৫ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৫৭
২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:০৯
অতিথি বলেছেন: সবাই চলে যায়,বদলে যায়.....শুধু জাহাঙ্গির ভাইরা থেকে যায়।
৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:১৯
৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৬
রাগ ইমন বলেছেন: মানবিকতা তো খুন হয়েছেই, কটা দিন অপেক্ষা করেন, মানব খুনের রেট কি হারে বাড়ে , তাই দেখবেন!!!

মাটির তলায় কোন সম্পদ থাকাটা এখন অভিশাপ মনে হয়!


আমার বাংলাদেশ , আগামী 20 বছরে শুধু খারাপের দিকেই যাবে, এইটা জানি বলেই আজকাল আর কিছুই ভাল লাগছে না।


ও রাসেল ভাই, একটা উপায় টুপায় চিন্তা করে বের করেন না!!!
৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১৩
অতিথি বলেছেন: লিটু ভাই, তানবীর সবার কথা লিখবেন। কে কোথায় আছে?? কি করছে??
আসলে আপনার ভ্রমন সিরিজগুলো পড়ে আমি নিজে ও স্মৃতি রোগে ভুগতেছিলাম।
৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৮
অতিথি বলেছেন: লিটু ভাই এখন নিউ ইয়র্ক স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পি এইচ ডি শেষ করে ফেলার কথা এতদিনে, তার বিয়ের দাওয়াত পেয়েছিলাম তবে সময় আর সুযোগ হয় নি উপস্থিত হওয়ার, তানভীর আছে কানাডাতে, ভালোই আছে বোধ হয়, তার বিভিন্ন চাপাবাজী শুনে বিশ্বাস করলে এমনটাই বলতে হয়। আর বাকী সবার কথা বলা যাবে একটু সময় লাগবে এখনও সব আপডেট পাই নাই হাতে।
৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫১
অতিথি বলেছেন: জাম্পার হিট টাইটেলের জন্য 'বাধ ভেঙ্গে যাওনের আওয়াজ'টা নাইম্যা গেছে...

কবিতা-না-কবিতা

আমাদের সুপ্তি-জাগরন সন্তপ্ত রমন অবসাদের দীর্ঘ গ্রহন
শরীর খুঁড়ে ভালোবাসার খোঁজ
আমাদের নির্লিপ্তি শঙ্কিত অনুতাপ উদাসিন সঙ্গম
বিষন্নতার করাল গ্রাসে রোজ
--------------------------------------------

সুকান্তের পদবি কি ছিলো? ভট্টাচার্য চক্রবর্তি কিংবা চট্টোপাধ্যায়?

প্রথমেই চট্টোপাধ্যায় বাদ পড়ে কারন নিছক নান্দনিকতা
কখনও মনে হচ্ছে ভট্টাচার্য কখনও মনে হচ্ছে চক্রবর্তি

আজকাল ম্রিয়মান অবসাদগ্রস্থ দিন যায় আমার

স্বপ্ন আর বাস্তব, স্মৃতি আর কল্পনার তফাত বুঝি না মোটেও

তবে সুকান্তের সাথে ভট্টাচার্য লাগালেই মানানসই হয় এমনটাই বিশ্বাস এখনও আমার,যদিও কিছু কিছু পদবিবিহীন নাম আমাদের চেতনা আসন গেঁড়ে বসে থাকে, কিছু ডাক নাম কিছু সংকেত

কিছু দৃশ্য সাংকেতিক হয় খুব
----- মুহূর্তঅনেক ঐতিহ্য ধরে রাখে
মানুষ পাথর সাজিয়ে দূর্গ বানায় যেমন
সেভাবেই ঐতিহ্য সরিয়ে নতুন নির্মান চায়

তবু মাঝ রাতে হঠাৎ মনে পড়লো আজ

সুকান্তর পদবি কি ছিলো?

--------------------------------

এটাকে কবিতা বলতে পারছি না, কিছু গোঁজামিল আছে, প্রথমত হোঁচট খাওয়ার মতোই একটা প্রায় পরিচিত উপমা মাথার কোনো গোপন ঘুপচিতে আটকা পড়ে আছে। সেই উপমার শেষে মুহূর্ত শব্দটাকেও স্পষ্ট বসাতে পারি, কোথাও পড়ে চটক লেগেছিলো হয়তো, সেই মনে না পড়া শব্দটাকে কোনোদিন খুঁজে পাওয়া গেলে, সেই প্রেক্ষিতটা পাওয়া গেলে হয়টো কবিতা বলা যেতো।
ইদানিং খুব পরিশ্রমবিমূখ তাই এই সামান্য শব্দটার হদিশ না করেই না-কবিতার সমাপ্তি ঘোষনা করি।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ১২ টি মন্তব্য
  • ২৯৯ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:১৯
২. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২১
অতিথি বলেছেন: যা কইতে চাইছিলাম সেই শব্দটা হারায়া গেলো তাই।
৩. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২৬
৪. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩০
অতিথি বলেছেন: নাহ আশে পাশে সুন্দর তন্বি স্তন ঘুরছে, কবিতা বিষয়টাও সামগ্রিক ভাবে তেমনই, যে যার যৌন অভিরুচি অনুযায়ি খুঁেজ নেয়।
কবিতার চেয়ে শরীর বেশী উন্মাদক, এমনটাই মনে হচ্ছে এখন। জয় বাংলাদেশের নতুন কাপড় পড়ার ধাঁচ।
৫. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৫
৬. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১৪
সাদিক আলম বলেছেন: ঐ মাগিগো নিয়া তুমি সাহিত্য চচ্চা কববা আর তুমার পুলা ওগো বুনি টিপা শিক্ষা লইয়া তুমার নাম উজ্জল করবো !!! :)))...........
৭. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১৭
অতিথি বলেছেন: যাক সাদিকালম স্বীকার কর্লেন তার পোলায় বুনি প্রসঙ্গে নিরপেক্ষ ।তিনি নিজেও ।
৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৩
অতিথি বলেছেন: হেভভী টাইটেল হইছে ব্লগের উপরে (জামাতী বিষয়ক)। নিশ্চই সম্প্রতি দেশীয় পর্যবেক্ষনের উপরে ভিত্তি করে! বিস্তারিত লিখিলে মন্দ হইতো না।
৯. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৯
১০. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:০৯
১১. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:২৮
অতিথি বলেছেন: অই মিয়া ডইট্টা, অমাবস্যার চান্দের ভি দেখা পাওন যায় হালায় মাগার আফনেতো মিয়া হেরেও ফেইল মারাইয়া দিলেন।
১২. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯