গোবিন্দের কমেডি আর ত্রিভূজের ব্লগ মনে হয় অন্যতম বিনোদক বর্তমান সময়ে। বিবি নাম্বার ওয়ান কিংবা হিরো নাম্বার ওয়ান এবং এ জাতীয় যত কারিশমাজনিত সস্তা যৌন সুরসুরিমুলক চিত্রায়ন এবং ডেভিড ধাওয়ানের টুকরো চুটকির সরস উপস্থাপন গোবিন্দের ছবিকে যেমন 3 ঘন্টার প্যাকেজ বিনোদনের জনপ্রিয়তা দিয়েছে সেটার মুল কারন অবশ্য েই ছবির হাস্যরসের মানটা নিম্ন, বেশি চিন্তা করতে হয় না. ঠিক সেভাবেই সস্তা ভাঁড়ামি আর ঠুনকো দার্শনিকতার মিশেল ত্রিভূজকে অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগার হিসেবে চিহি্নত করেছে।
তার আগমন এবং টার অনুসন্ধিৎসু সব লেখা পড়ে আমার বিশ্বাস ইশ্বর আছেন এবং নিশ্চিত ভাবে আছেন। টার একটা কারন ত্রিভূজ এখনও লিখে যাচ্ছে। এর চেয়ে কৌতুককর ইশ্বরের অস্তিত্বজনিত অন্য কোনো প্রমান থাকতে পারে না। ত্রিভূজের মতো চেতনাধারী মানুষ ধরাপৃষ্টে বিদ্যমান এবং পৃথিবী এবং মহাবিশ্ব এ খজ্জায় স্থির হয়ে যাচ্ছে না এটা ইশ্বরের অপরিসীম করূনার মূর্ত দৃষ্টান্ত। ইশ্বর নিশ্চিত ভাবেই আচেন এবং নিজের হাতে ত্রিভূজে সংরক্ষন করছেন। তার ভাবনার জগতটা স্থির হলেও সে যে একেবারে বিকলাঙ্গ মানসিকতার না বা তার ভাবনা ওচেতনার বিকলাঙ্গতা যে শাররীক কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না এটার সপক্ষে প্রমান হলো সে সিলেট যায় ট্রেনে চেপে। ঢাকা শহরের রাস্তাও ঠিকমতো পারি দিতে পারে এবং যদি সে বাসা থেকে বের হয় তাহলে আবার বাসা চিনে ফিরে আসতে পারে। অবশ্য এটা তেমন বড় কোনো বিষয় না। এক পা খোঁড়া হলেও বিড়াল নাকি বাসা চিনে ঠিকই ফিরে আসে পুরোনো ঠিকানায়। অবোধ প্রাণীদের অন্য সব ইন্দরিয় ঠিক মতোই কাজ করে। অবোধ প্রাণী এবং নির্বোধদের ইশ্বর নিজ হাতে সহায়তা প্রদান করেন। তবু যারা বিভ্রান্ত, যারা এমন বিশ্বাস লালন করে না সেসব অপোগন্ড নাস্তিকদের ত্রিভূজের ব্লগ পড়ার উপদেশ দেওয়া যেটে পারে। ধর্মগ্রন্থের বিকল্প হটে পারে ত্রিভূজের ব্লগ। ত্রিভূজের ব্লগ পড়ুন, প্রতিদিন পাঠ করুন প্রভূর নামে, হাসুন এবং ইশ্বর বিশ্বাসী হয়ে বেঁচে উঠুন।
মানুষ প্রলাপ বকটে বকটে সামান্য হলেও ক্লান্ত হয়।তবে ত্রিভূজের ভেতরে ডিউরোসেল লাগানো, সে অক্লান্ত নির্বোধ, কুকুরের মতো পরিশ্রমি নির্বোধ সে, যাদের ভাবনা এলোমেলো তাদের নিয়ে 2-4টা সস্তা রসিকতা করা যায় তবে ত্রিভূজ জনপ্রিয় ও সিরিয়াস মানুষ, সে এসব ঠাট্টা বুঝে না।
বোকাচোদারা চোদা খায় নিজের নির্বুদ্ধিতায়। টবে চোদা খাওয়ার পর তারা বুদ্ধিমান হয়ে উঠে, কলকব্জায় যেই সামান্য অসঙ্গতি থাকে তা হোগা মারার ধাককায় খাপে খাপ বসে যায় বলেই হয়তো এমনটা হয়,তবে ত্রিভূজের কলকব্জা এমন বিকল যে তার চেতনার মাথা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এমন বড় মাপের অশ্বলিঙ্গ আসলে অনুপস্থিত। অনেক গভীরে তার চেতনার মাথা। সেখানে পৌঁছাতে পারে এমন যন্ত্রসম্পন্ন মানুষ ধরাধামে জন্মায় নি অদ্যাবধি।
তার স্বাধীনতা সংক্রান্ত ভাবনা যথেষ্ট কৌতুহলউদ্দিপক। ভাবনার খোরাক আছে বিশ্বাসীদের জন্য-তিনি আলোচনার নিমিত্তে কিছু পয়মাল সাজিয়েছেন- ধর্মনিরপেক্ষটা বিষয়ক তার ইসলামি এলার্জি সম্ভবত মওদুদির হোগার খাউজানিউদ্ভুত। সারাক্ষণ কিট কিট কিট কিট করে চুলকায়। ধর্মনিরপেক্ষটা বিষয়ে- এর পরিধি ও নীতিমালা নিয়ে যতই বলা হোক ভাইজানের আমার একটাই কথা " লাইড়া দে"।
একজন সুন্দর কথা বলেছিলেন একদা, ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে মেয়েদের ওড়না ধরে টানা,আচরনবাদী দৃষ্টিতে মেয়েদের ওড়না টানা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের মিলমিশ কোথায় বোধগম্য হয় নি তবে তার স্থির বিশ্বাস ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা সব মানুষই আসলে মেয়েদের ওড়না ধরে টানার সুযোগ চায়। আমাদের ক্ষউদে ছাগল অবশ্য তাস সদ্য গজানো 3 গাছি দাড়ি নেড়ে লাফিয়ে উঠেছিলো- হুমম বাবা এবার েই অব্যর্থযুক্তির জবাব দাও দেখি। ক্যামোন পারো? পারবা পারবা এইটার পালটা যুক্তি দিতে?
আমি নির্বাক অসহায় চেয়ে চেয়ে ধর্মনিরপেক্ষ ওড়না টানা বাদ দিয়ে শালীন ইসলামী ওড়নার পেছনে স্তনকে লুকিয়ে রাখলাম। থাক সবাই যৌন উত্তেজনা হজম করতে পারে না- চুনরি কি পিছে যা আছে তা চুনরির পিছেই থাক, চুনরি সরালেই ধর্ম উন্মুক্ত হয়ে সবাইকে নিরপেক্ষ অস্তিত্ব জানান দিতে পারে। সেই অস্তিত্ব আবাস কারো কারো যৌন উত্তেজনাও জাগিয়ে দিতে পারে।
যার যার নিজস্ব ধর্ম পালনের অধিকার যেনো সংরক্ষিত হয় তাই রাষ্ট্র নিজে কোনো ধর্মকে প্রাধান্য দিবে না সকল ধর্মের নাগরিকদের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র সকল ধর্মকে একই দৃষ্টিতে দেখবে এবং ধর্ম সংক্রান্ত কোনো প্রাধান্য দেওয়া হবে না। কেউ যেনো নিজেক ধর্মের কারনে বঞ্চিত মনে না করে এমন নিরপেক্ষতা রাষ্ট্রের সকল নাগরিককে সম্মানসহ বাঁচার একটা সুযোগ দিবে। রাষ্ট্রের আইন প্রণয়নে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারীদের কোনো বাড়তি সুবিধা দিবে না। যেহেতু রাষ্ট্র অসংখ্য ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষনিয়ে গঠিত সংস্থা তাই নিজস্ব নাগরিক অধিকার রক্ষার্থে তাকে এই কবচ পড় ঘুরতে হবে। যারা কোনো ধর্মে বিশ্বাসী না এবং যারা কোনো প্রথাগত ধর্ম পালন করে না সেই সব অধম অধার্মিক নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য এমন একটা নীতি গৃহীত হওয়া প্রয়োজন।
ধর্মনিরপেক্ষতা হিসেবে যা প্রচারিত হচ্ছে জানাতের প্রচারযন্ত্রে টা আদতে নাসারা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলী শব্দ, মওদুদি আব্বুর হোগায় ইলাস্টিক নিরোধ দিয়ে সেঁটে দেওয়া এই শব্দ ও ভাবনাগুচ্ছের টুপি পড়া মওদুদির হোগাজাত সন্তানদের মুখে অনবরট উঠে আসছে এসব ভাবনার কথা। অবস্য নাসারা যুক্তরাষ্ট্র টাদের নিজেদের মাটিটে 200 বছর আগেই বলেছে ধর্মপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রে ভেতরের আপাত সংযোগহীনতার কথা। সেপারেশন ও চার্চ এন্ড স্টেট নামক নীতিমালায় এখনও যেকোনো রাষ্ট্রিয় ভবনে ধর্মের আবহ আনেএমন স্থাপনার উপস্থাপনের কাজটাও তারা শক্ত হাতে প্রতিরোধ করছে। তারাই ধরমনিরপেক্ষতাকে ইশ্বরহীনতার চিহ্ন হিসাবে ঢুকিয়ে দিলো- পেছন দিয়ে প্রবিষ্ট বলেই হয়তো এর ছাপ এখনও যায় নি।
দেশে অশিক্ষিত, কুশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা কম নয়, ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়ে স্থুল ও ভুল লেখা জমা দিচ্ছে এমন মানুষের সংখ্যাও কম না। স্বাধীনতা সংগ্রামের নতুন ভাবনা লেখা হচ্ছে, জামাত লিখছে স্বাধীনতা মানপত্র। রাজাকারছানা ওয়ালি, মওদুদীর পুটকিজাত কুশিক্ষিত ওয়াজবাজ ফজলে বিলাই,এসবের প্রচারনাও করছেন।ভাষা আন্দোলন মুসলিম জাতিয়টা বাদ এসব লেখায় যারা গভীর ভাবনার খোরাক খুঁজে পান সেসব অযোনীসম্ভুত ও অযোনীসম্ভুতাদের নিয়ে ভাবনার আবশ্যকতা আছে। তারা এই উদ্ভট সংজ্ঞা সমর্থন করছেন বলেই আমাদের অন্যতম কৌতুক চরিত্র ত্রিভূজ টার জ্ঞানের সীমিত সীমা নিয়ে লাফিয়ে উঠেছেন দক্ষ দাড়বাজের মতো।
তারা বলছেন স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার কোনো সংযোগ নেই।ত্তরিভূজ নির্বোধ তাই ওয়ালীর বলা বানীর সহজ একটা পাঠ দিচ্ছে সে এখানে। ওয়ালীর লেখার ভাবনা আর ত্রিভূজের লেখার ভাবনা একই তবে একটা শিশুপাঠ অন্যটা বয়স্কদের জন্য। ওয়ালি এবং জামাটের প্রচার যন্ত্রের শ্রদ্ধেয় বালনুডুসকে েই বয়েসে শিশুপাঠ ধরিয়ে দেওয়া উচিত হয় নি।
সাধারন জনগন নাকি মুজিবের নাগরিকত্বের জন্য আওয়ামী লিগ কে ভোট দিয়েছিলো- তা এখানে আর যত প্রার্থি নির্বাচন করেছিলেন তারা কি পাকিস্তানের নাগরিক ছিলেন না- কিংবা নির্বোধ ত্রিভূজ যা বলতে চেয়েছিলো হয়তো( অনুমান করতে পারি, ভুল হওয়ার যথেষ্ট সম্ভবনা সত্তবেও) মুজিবের বাঙ্গালি পরিচয় আসলে তার দলকে বেশী ভোট পেতে সাহায্য করেছে, অন্য সব দলের প্রার্থিদের কতজন আসলে পশ্চিম পাকিস্তানের ছিলো? কিংবা আওয়ামি মুসলিম লীগ যখন নিজের নাম থেকে মুসলিম শব্দটা কর্তন করেফেললো তখনই এটা েই দেশের সব মানুষের মুখপত্র হয়ে গিয়েছিলো এটাও একটা বাস্তবতা। কেনো মুসলিম শব্দটা বিসর্জন দিলো আওয়ামী লীগ এটার উত্তর বালনুডুসের কাছে জানতে ইচ্ছা করে।
ধর্ম বিষয়ক উন্মাদনা সাধারন বাঙালীর জীবনে ছিলো কবে? কতিপয় কাঠমোল্লা আর ধর্মব্যাবসায়ী ছাড়া আর কে এই উন্মাদনার শিকার ছিলো? যে যার মতো ধর্ম পালন করেই বাঙ্গালি দিব্যি ছিলো- এটাই ধর্ম নিরপেক্ষতার মূল সুর। তুমি তোমার ধর্ম পালন করবে, আমি আমার ধর্ম পালন করবো। এ বিষয়ে কোনো বিরোধ থাকবে না আমাদের ভেতরে। এবং বাঙ্গালি মনস্তত্বে যখন এটা সুপ্রতিষ্ঠিত তখন পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটার জন্মপ্রক্রিয়ায় ধর্মের যে উপাদান ছিলো তা একটা ঋণাত্বক প্রভাব ফেলেছিলো এই সমাজের ভেতরে।
কতিপয় উঠতি মধ্যবিত্ত ও সুবিধাভোগি ছাড়া একটা পর্যায়ে অন্য কেউই পাকিস্তানের ধর্মিয় পরিচয় এবং এই জাতিয়তা পরিচয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলো না।
অবশ্য এই পাঠ পর্যন্ত এখনও ত্রিভূজ বালনুডুস যায় নি। এই স্যালাইনের মতো এক চিমটি লবন দেওয়া বিকল্প নির্বোধ ভাবনার ম্যালেরিয়া থেকে ত্রিভূজের আশু রোগমুক্তি কামনা করে শেষ করছি।
তার আগমন এবং টার অনুসন্ধিৎসু সব লেখা পড়ে আমার বিশ্বাস ইশ্বর আছেন এবং নিশ্চিত ভাবে আছেন। টার একটা কারন ত্রিভূজ এখনও লিখে যাচ্ছে। এর চেয়ে কৌতুককর ইশ্বরের অস্তিত্বজনিত অন্য কোনো প্রমান থাকতে পারে না। ত্রিভূজের মতো চেতনাধারী মানুষ ধরাপৃষ্টে বিদ্যমান এবং পৃথিবী এবং মহাবিশ্ব এ খজ্জায় স্থির হয়ে যাচ্ছে না এটা ইশ্বরের অপরিসীম করূনার মূর্ত দৃষ্টান্ত। ইশ্বর নিশ্চিত ভাবেই আচেন এবং নিজের হাতে ত্রিভূজে সংরক্ষন করছেন। তার ভাবনার জগতটা স্থির হলেও সে যে একেবারে বিকলাঙ্গ মানসিকতার না বা তার ভাবনা ওচেতনার বিকলাঙ্গতা যে শাররীক কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না এটার সপক্ষে প্রমান হলো সে সিলেট যায় ট্রেনে চেপে। ঢাকা শহরের রাস্তাও ঠিকমতো পারি দিতে পারে এবং যদি সে বাসা থেকে বের হয় তাহলে আবার বাসা চিনে ফিরে আসতে পারে। অবশ্য এটা তেমন বড় কোনো বিষয় না। এক পা খোঁড়া হলেও বিড়াল নাকি বাসা চিনে ঠিকই ফিরে আসে পুরোনো ঠিকানায়। অবোধ প্রাণীদের অন্য সব ইন্দরিয় ঠিক মতোই কাজ করে। অবোধ প্রাণী এবং নির্বোধদের ইশ্বর নিজ হাতে সহায়তা প্রদান করেন। তবু যারা বিভ্রান্ত, যারা এমন বিশ্বাস লালন করে না সেসব অপোগন্ড নাস্তিকদের ত্রিভূজের ব্লগ পড়ার উপদেশ দেওয়া যেটে পারে। ধর্মগ্রন্থের বিকল্প হটে পারে ত্রিভূজের ব্লগ। ত্রিভূজের ব্লগ পড়ুন, প্রতিদিন পাঠ করুন প্রভূর নামে, হাসুন এবং ইশ্বর বিশ্বাসী হয়ে বেঁচে উঠুন।
মানুষ প্রলাপ বকটে বকটে সামান্য হলেও ক্লান্ত হয়।তবে ত্রিভূজের ভেতরে ডিউরোসেল লাগানো, সে অক্লান্ত নির্বোধ, কুকুরের মতো পরিশ্রমি নির্বোধ সে, যাদের ভাবনা এলোমেলো তাদের নিয়ে 2-4টা সস্তা রসিকতা করা যায় তবে ত্রিভূজ জনপ্রিয় ও সিরিয়াস মানুষ, সে এসব ঠাট্টা বুঝে না।
বোকাচোদারা চোদা খায় নিজের নির্বুদ্ধিতায়। টবে চোদা খাওয়ার পর তারা বুদ্ধিমান হয়ে উঠে, কলকব্জায় যেই সামান্য অসঙ্গতি থাকে তা হোগা মারার ধাককায় খাপে খাপ বসে যায় বলেই হয়তো এমনটা হয়,তবে ত্রিভূজের কলকব্জা এমন বিকল যে তার চেতনার মাথা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এমন বড় মাপের অশ্বলিঙ্গ আসলে অনুপস্থিত। অনেক গভীরে তার চেতনার মাথা। সেখানে পৌঁছাতে পারে এমন যন্ত্রসম্পন্ন মানুষ ধরাধামে জন্মায় নি অদ্যাবধি।
তার স্বাধীনতা সংক্রান্ত ভাবনা যথেষ্ট কৌতুহলউদ্দিপক। ভাবনার খোরাক আছে বিশ্বাসীদের জন্য-তিনি আলোচনার নিমিত্তে কিছু পয়মাল সাজিয়েছেন- ধর্মনিরপেক্ষটা বিষয়ক তার ইসলামি এলার্জি সম্ভবত মওদুদির হোগার খাউজানিউদ্ভুত। সারাক্ষণ কিট কিট কিট কিট করে চুলকায়। ধর্মনিরপেক্ষটা বিষয়ে- এর পরিধি ও নীতিমালা নিয়ে যতই বলা হোক ভাইজানের আমার একটাই কথা " লাইড়া দে"।
একজন সুন্দর কথা বলেছিলেন একদা, ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে মেয়েদের ওড়না ধরে টানা,আচরনবাদী দৃষ্টিতে মেয়েদের ওড়না টানা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের মিলমিশ কোথায় বোধগম্য হয় নি তবে তার স্থির বিশ্বাস ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা সব মানুষই আসলে মেয়েদের ওড়না ধরে টানার সুযোগ চায়। আমাদের ক্ষউদে ছাগল অবশ্য তাস সদ্য গজানো 3 গাছি দাড়ি নেড়ে লাফিয়ে উঠেছিলো- হুমম বাবা এবার েই অব্যর্থযুক্তির জবাব দাও দেখি। ক্যামোন পারো? পারবা পারবা এইটার পালটা যুক্তি দিতে?
আমি নির্বাক অসহায় চেয়ে চেয়ে ধর্মনিরপেক্ষ ওড়না টানা বাদ দিয়ে শালীন ইসলামী ওড়নার পেছনে স্তনকে লুকিয়ে রাখলাম। থাক সবাই যৌন উত্তেজনা হজম করতে পারে না- চুনরি কি পিছে যা আছে তা চুনরির পিছেই থাক, চুনরি সরালেই ধর্ম উন্মুক্ত হয়ে সবাইকে নিরপেক্ষ অস্তিত্ব জানান দিতে পারে। সেই অস্তিত্ব আবাস কারো কারো যৌন উত্তেজনাও জাগিয়ে দিতে পারে।
যার যার নিজস্ব ধর্ম পালনের অধিকার যেনো সংরক্ষিত হয় তাই রাষ্ট্র নিজে কোনো ধর্মকে প্রাধান্য দিবে না সকল ধর্মের নাগরিকদের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র সকল ধর্মকে একই দৃষ্টিতে দেখবে এবং ধর্ম সংক্রান্ত কোনো প্রাধান্য দেওয়া হবে না। কেউ যেনো নিজেক ধর্মের কারনে বঞ্চিত মনে না করে এমন নিরপেক্ষতা রাষ্ট্রের সকল নাগরিককে সম্মানসহ বাঁচার একটা সুযোগ দিবে। রাষ্ট্রের আইন প্রণয়নে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারীদের কোনো বাড়তি সুবিধা দিবে না। যেহেতু রাষ্ট্র অসংখ্য ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষনিয়ে গঠিত সংস্থা তাই নিজস্ব নাগরিক অধিকার রক্ষার্থে তাকে এই কবচ পড় ঘুরতে হবে। যারা কোনো ধর্মে বিশ্বাসী না এবং যারা কোনো প্রথাগত ধর্ম পালন করে না সেই সব অধম অধার্মিক নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য এমন একটা নীতি গৃহীত হওয়া প্রয়োজন।
ধর্মনিরপেক্ষতা হিসেবে যা প্রচারিত হচ্ছে জানাতের প্রচারযন্ত্রে টা আদতে নাসারা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলী শব্দ, মওদুদি আব্বুর হোগায় ইলাস্টিক নিরোধ দিয়ে সেঁটে দেওয়া এই শব্দ ও ভাবনাগুচ্ছের টুপি পড়া মওদুদির হোগাজাত সন্তানদের মুখে অনবরট উঠে আসছে এসব ভাবনার কথা। অবস্য নাসারা যুক্তরাষ্ট্র টাদের নিজেদের মাটিটে 200 বছর আগেই বলেছে ধর্মপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রে ভেতরের আপাত সংযোগহীনতার কথা। সেপারেশন ও চার্চ এন্ড স্টেট নামক নীতিমালায় এখনও যেকোনো রাষ্ট্রিয় ভবনে ধর্মের আবহ আনেএমন স্থাপনার উপস্থাপনের কাজটাও তারা শক্ত হাতে প্রতিরোধ করছে। তারাই ধরমনিরপেক্ষতাকে ইশ্বরহীনতার চিহ্ন হিসাবে ঢুকিয়ে দিলো- পেছন দিয়ে প্রবিষ্ট বলেই হয়তো এর ছাপ এখনও যায় নি।
দেশে অশিক্ষিত, কুশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা কম নয়, ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়ে স্থুল ও ভুল লেখা জমা দিচ্ছে এমন মানুষের সংখ্যাও কম না। স্বাধীনতা সংগ্রামের নতুন ভাবনা লেখা হচ্ছে, জামাত লিখছে স্বাধীনতা মানপত্র। রাজাকারছানা ওয়ালি, মওদুদীর পুটকিজাত কুশিক্ষিত ওয়াজবাজ ফজলে বিলাই,এসবের প্রচারনাও করছেন।ভাষা আন্দোলন মুসলিম জাতিয়টা বাদ এসব লেখায় যারা গভীর ভাবনার খোরাক খুঁজে পান সেসব অযোনীসম্ভুত ও অযোনীসম্ভুতাদের নিয়ে ভাবনার আবশ্যকতা আছে। তারা এই উদ্ভট সংজ্ঞা সমর্থন করছেন বলেই আমাদের অন্যতম কৌতুক চরিত্র ত্রিভূজ টার জ্ঞানের সীমিত সীমা নিয়ে লাফিয়ে উঠেছেন দক্ষ দাড়বাজের মতো।
তারা বলছেন স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার কোনো সংযোগ নেই।ত্তরিভূজ নির্বোধ তাই ওয়ালীর বলা বানীর সহজ একটা পাঠ দিচ্ছে সে এখানে। ওয়ালীর লেখার ভাবনা আর ত্রিভূজের লেখার ভাবনা একই তবে একটা শিশুপাঠ অন্যটা বয়স্কদের জন্য। ওয়ালি এবং জামাটের প্রচার যন্ত্রের শ্রদ্ধেয় বালনুডুসকে েই বয়েসে শিশুপাঠ ধরিয়ে দেওয়া উচিত হয় নি।
সাধারন জনগন নাকি মুজিবের নাগরিকত্বের জন্য আওয়ামী লিগ কে ভোট দিয়েছিলো- তা এখানে আর যত প্রার্থি নির্বাচন করেছিলেন তারা কি পাকিস্তানের নাগরিক ছিলেন না- কিংবা নির্বোধ ত্রিভূজ যা বলতে চেয়েছিলো হয়তো( অনুমান করতে পারি, ভুল হওয়ার যথেষ্ট সম্ভবনা সত্তবেও) মুজিবের বাঙ্গালি পরিচয় আসলে তার দলকে বেশী ভোট পেতে সাহায্য করেছে, অন্য সব দলের প্রার্থিদের কতজন আসলে পশ্চিম পাকিস্তানের ছিলো? কিংবা আওয়ামি মুসলিম লীগ যখন নিজের নাম থেকে মুসলিম শব্দটা কর্তন করেফেললো তখনই এটা েই দেশের সব মানুষের মুখপত্র হয়ে গিয়েছিলো এটাও একটা বাস্তবতা। কেনো মুসলিম শব্দটা বিসর্জন দিলো আওয়ামী লীগ এটার উত্তর বালনুডুসের কাছে জানতে ইচ্ছা করে।
ধর্ম বিষয়ক উন্মাদনা সাধারন বাঙালীর জীবনে ছিলো কবে? কতিপয় কাঠমোল্লা আর ধর্মব্যাবসায়ী ছাড়া আর কে এই উন্মাদনার শিকার ছিলো? যে যার মতো ধর্ম পালন করেই বাঙ্গালি দিব্যি ছিলো- এটাই ধর্ম নিরপেক্ষতার মূল সুর। তুমি তোমার ধর্ম পালন করবে, আমি আমার ধর্ম পালন করবো। এ বিষয়ে কোনো বিরোধ থাকবে না আমাদের ভেতরে। এবং বাঙ্গালি মনস্তত্বে যখন এটা সুপ্রতিষ্ঠিত তখন পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটার জন্মপ্রক্রিয়ায় ধর্মের যে উপাদান ছিলো তা একটা ঋণাত্বক প্রভাব ফেলেছিলো এই সমাজের ভেতরে।
কতিপয় উঠতি মধ্যবিত্ত ও সুবিধাভোগি ছাড়া একটা পর্যায়ে অন্য কেউই পাকিস্তানের ধর্মিয় পরিচয় এবং এই জাতিয়তা পরিচয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলো না।
অবশ্য এই পাঠ পর্যন্ত এখনও ত্রিভূজ বালনুডুস যায় নি। এই স্যালাইনের মতো এক চিমটি লবন দেওয়া বিকল্প নির্বোধ ভাবনার ম্যালেরিয়া থেকে ত্রিভূজের আশু রোগমুক্তি কামনা করে শেষ করছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৪১
চিরকালই গাধা বলেছেন: সব জায়গায় ধর্ম চর্চা ভালো না, বুঝলা মামা
চিরকালই গাধা বলেছেন: সব জায়গায় ধর্ম চর্চা ভালো না, বুঝলা মামা ৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
অতিথি বলেছেন: রাসেল, ভীষণ ভাল হয়েছে। অনেকদিন পরে একটানে পড়া একটা বিশাল লেখা। ফোড়নের সাথে রাষ্ট্রীক ধর্মনিরেপক্ষতার আসল সুরটা অত্যন্ত সুরেলাভাবে বর্ণনা যেমন সহজবোধ্য তেমন অনেক বেশী যৌক্তিক লেগেছে। ভাষার ব্যবহারে চমৎকৃত।
অতিথি বলেছেন: রাসেল, ভীষণ ভাল হয়েছে। অনেকদিন পরে একটানে পড়া একটা বিশাল লেখা। ফোড়নের সাথে রাষ্ট্রীক ধর্মনিরেপক্ষতার আসল সুরটা অত্যন্ত সুরেলাভাবে বর্ণনা যেমন সহজবোধ্য তেমন অনেক বেশী যৌক্তিক লেগেছে। ভাষার ব্যবহারে চমৎকৃত। ৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৯
অতিথি বলেছেন: হাইগ্যানীর কাছে ধার করছি। সে আবার 10 জনরে একলগে মিশন দেয় আমারে দিছে বালনুডুস ভাবনা লিখতে। অর্ধেক ও বলছে বাকিটা মাইরা দিছি অন্য ব্লগ থেকে।
অতিথি বলেছেন: হাইগ্যানীর কাছে ধার করছি। সে আবার 10 জনরে একলগে মিশন দেয় আমারে দিছে বালনুডুস ভাবনা লিখতে। অর্ধেক ও বলছে বাকিটা মাইরা দিছি অন্য ব্লগ থেকে। ৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:২৪
১৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৬
420-2 বলেছেন: রাসেল আপনাকে আমি চিনিনা কিন্তু আপনার লেখনী বাধ্য করছে অপরিচয় হওয়া র পড়েও আপনার বক্তব্য প্রতিবাদ করতে।
জনাব ত্রিভূজ র রাজনীতির সাথে আমি একমত নই। এও মানি মাঝে মাঝে উনার আচরন কিশেরি সুলভ। কিন্তু একজন লেখক হিসাবে উনার অধিকার আছে বাংলাধেশের স্বাধীনতা নিয়ে বিকলপ মতামত প্রকাশের।আসমানী কিতাব নিয়ে যদি ভিন্নমত আলোচনা করা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে বিকল্প মতবাদ প্রকাশৈ কারও বুদিধ কমে যায়না। ত্রিভুজ যেমন আসমানী কিতাবকে লজ্জাবতী কন্যা বানাচেছ আপনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা কে একই কাতারে নিয়ে যাচ্ছেন। সব কিছুই আলোচনার জন্য উন্মুক্ত, আপনিও মৌলবাদি যদি স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনাকে আপনি হীন দৃষ্টিতে দেখেন এবং কটক্ষি করেন যারা আলোচনা করছে।। দূঃখজনক হলেও সত্যি বই পড়ে ইতিহাস শৈগা যায়না কেননা জয়ীরাই সবসময় ইতিহাস লেখে।
There is no absolute truth and truth is very relative. We need to engage in discussion with each other and that is the only way we can learn.
420-2 বলেছেন: রাসেল আপনাকে আমি চিনিনা কিন্তু আপনার লেখনী বাধ্য করছে অপরিচয় হওয়া র পড়েও আপনার বক্তব্য প্রতিবাদ করতে। জনাব ত্রিভূজ র রাজনীতির সাথে আমি একমত নই। এও মানি মাঝে মাঝে উনার আচরন কিশেরি সুলভ। কিন্তু একজন লেখক হিসাবে উনার অধিকার আছে বাংলাধেশের স্বাধীনতা নিয়ে বিকলপ মতামত প্রকাশের।আসমানী কিতাব নিয়ে যদি ভিন্নমত আলোচনা করা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে বিকল্প মতবাদ প্রকাশৈ কারও বুদিধ কমে যায়না। ত্রিভুজ যেমন আসমানী কিতাবকে লজ্জাবতী কন্যা বানাচেছ আপনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা কে একই কাতারে নিয়ে যাচ্ছেন। সব কিছুই আলোচনার জন্য উন্মুক্ত, আপনিও মৌলবাদি যদি স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনাকে আপনি হীন দৃষ্টিতে দেখেন এবং কটক্ষি করেন যারা আলোচনা করছে।। দূঃখজনক হলেও সত্যি বই পড়ে ইতিহাস শৈগা যায়না কেননা জয়ীরাই সবসময় ইতিহাস লেখে।
There is no absolute truth and truth is very relative. We need to engage in discussion with each other and that is the only way we can learn.
১৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০৬
২০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:২০
অতিথি বলেছেন: বালনুডুস বোঝো নাই? কও কি? আমি ভাবলাম আমি একাই বুঝি নাই।
অতিথি বলেছেন: বালনুডুস বোঝো নাই? কও কি? আমি ভাবলাম আমি একাই বুঝি নাই। ২৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫
অতিথি বলেছেন: রাসেল (.......) ভাই তার শেষ মন্তব্যের আগের মন্তব্যে দারুন একটা কথা বলছে.... ঠিকই
অতিথি বলেছেন: রাসেল (.......) ভাই তার শেষ মন্তব্যের আগের মন্তব্যে দারুন একটা কথা বলছে.... ঠিকই ২৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০৫
অতিথি বলেছেন: আমারো পরোশনো!
শব্দডা চোরার আবিষ্কার। অহন রাসেইল্যা অপাত্রে ইউজ করতাছে। ছাগল হইতে লুচ্চা উত্তম।
অতিথি বলেছেন: আমারো পরোশনো!শব্দডা চোরার আবিষ্কার। অহন রাসেইল্যা অপাত্রে ইউজ করতাছে। ছাগল হইতে লুচ্চা উত্তম।








