june 2006 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
june 2006 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

রাঢ় ও ভদ্রযোনী




পাশাপাশি বসে থাকে রাঢ় ভদ্্রযোনী,
কে কিরূপে হয় ভদ্্রযোনী?
কে হয় গো রাঢ় দিদিমনি?

সতীচ্ছদ ছিন্ন করা শিশ্ন সে অর্থে একটা সীমানা, আসমাজযোনী প্রাচীরের এপাশে ভদ্্রযোনীরা থাকে অন্যপাশে রাঢ়ের বসবাস। এবং উভয়েই একই ভঙ্গিতে ব্যাবহৃত হওয়ার প্রতীক্ষায় থাকে তাবত কিশোরীকাল।

বস্তুত পাশাপাশি বসে থাকে রাঢ় ভদ্্রযোনী শব্দ কয়টি পাওয়া মাত্রই হূররে করে যে লাফ দিতে ইচ্ছা করেছিলো এই পর্যায়ে এসে সেই উল্লাস নিভে যায়-এই রাঢ় আর ভদ্্রযোনী নিপাট নিরীহ 2টা শব্দ হলেও একটা স্পষ্ট সামাজিক বিভাজন ধারন করে- সেই গল্পটা এই শব্দদ্্বয়ের ডানায় ভেসে ওহী নাজেলের মতো নাজেল হলো ভেবে উল্লাসিত ছিলাম কিছু ক্ষণ- তবে ভুল ভাঙ্গলো সহসাই- শুধু এই শব্দদ্্বয়ের সাথে অনিবার্য চলে আসলো প্রশ্নটাও কে কিভাবে নির্ধারন করে কে রাঢ়ের ভুমিকায় এবং কে ভদ্্রযোনীর ভূমিকায় থাকে- ভদ্্রযোনী এবং রাঢ় দুজনেই ব্যাবহৃত হয়। একই কায়দায় ব্যাবহৃত হওয়ার অপেক্ষায় থাকে হয়তো। সেই আকাংক্ষিত শিশ্ন যার ভেদন ও ছেদন ক্ষমতা অসীম, যার ছেদনে এই সীমারেখা নির্ধারিত হয়। এই একটা শিশ্নের প্রতীক্ষায় সতীচ্ছদ অক্ষুন্ন রাখা, কিংবা প্রত্যাশিত জলের প্রতীক্ষা- অনেক আগে কোন এক দিদি মা'র মুখে শোনা কথাটা, যা সেই বয়েসে নিতান্ত অশ্ল ীল উত্তেজক মনে হয়েছিলো সেই বিয়ের জল গায়ে পড়লেই চামড়া টানটান হয়ে যাওয়ার অর্থটা বুঝতে পারি নি, তেমন ভাবেই বোঝা হলো না হঠাৎ পড়া জল খসার শব্দ শোনার বিষয়টা।
শব্দের যেমন ধর্ম থাকে তেমনই যৌনাঙ্গ থাকে, ধন্য বাংলাভাষা যৌনাঙ্গসমেত কোনো ক্রিয়াপদ নেই তবে ভাববিশেষ্য এবং ভাবক্রিয়াপদে হাবেভাবে যৌনাঙ্গ চলে আসে- সেই সাথে শব্দের সামাজিকতাও চলে আসে। যৌনকাতরতাস্পষ্ট থাকে কিছু শব্দগুচ্ছে- এবং যেহেতু শব্দের সামাজিক প্রতিক্রিয়া থাকে এবং শব্দের সাথেই মনস্তত্ত থাকে তাই সঙ্গম পুরুষালী হয়ে যায়- নারীর ভূমিকা শুধু সঙ্গতে- যেমন তানপূরা- তাই তৃষ্ণার তানপূরায় লিখিত আছে নারীর নাম- নারীর জন্য তুলে রাখা শোভন শব্দগুলো অবগাহনের মতো ধন্দময় প্রপঞ্চ আনে। কোথায় অবগাহন-কিসের অবগাহন-কি অর্থে কোথায় বয়াবহৃত হবে- এর সাথে চলে আসে শব্দকারিগর নারীর কথা- ভাবনার সুতো থাকে- সে সুতোটে জট থাকে, একটা থেকে অনায়াসে অন্যটাতে লাফ দিয়ে চলে যাওয়ার পর মনে হয় ভুল সাঁকো পর হয়ে ভুল গ্রামে চলে আসেছো, আদমসন্তান তোমার প্রকৃতি ডাকে-শব্দকারিগর নারী কি নারীর চোখে পৃথিবী দেখে নাকি পুরুষের চোখে পৃথিবী দেখে- এই একটা আলোচনা পর্যালোচনায় কাটিয়ে দেওয়া যাবে অনন্তকাল- আমার জলে স্লান করো এসে জাতীয় শব্দগুচ্ছেও সেই শালীনতার মায়া মাখানো। মায়া সে অর্থে আদর বা কোমলতা নয়, ধন্ধার্থে মায়া।
সেই চিরন্তন প্রশ্নের সামনে, নরীর সামাজিক ও ধর্মিয় ব্যাবহার, কে নির্ধারন করে এই শব্দ
দেয়াল এবং আবরন তোলে কিভাবে শব্দগুলো। শব্দ শুধু অক্ষরের সহবাস নয়। শব্দের পেছনে ইতিহাস থাকে, শব্দের আগায় থাকে বিষ, মাঝে মাঝে বিদ্ধ করে-মাঝে মাঝে আদর মাখানো শব্দেরাও থাকে। তেমনই অনর্থক শব্দের শীৎকার থাকে, মানুষের জিহবায় ভর দিয়ে থাকে অর্থ ও অনর্থেরা। তাই একটা রাঢ় বা একটা ভদ্্রযোনী নিরীহ নিপাট কয়েকটা অক্ষর না, অক্ষর হয়ে থাকেও না- এটা একটা দেয়ালের এপার ওপার, যার এপাশে থাকে শালীন শোভন নারী অন্য পাশে কামার্ততা থাকে। একপাশে অবগাহনের লোভ অন্যপাশে থাকে গমন- অবগাহনের মতো সুখ থাকে না সেখানে- নিতান্ত কাজের প্রয়োজনের-
মানে দেয়ালের এপাশটাতে থাকে খুনসুটি সমেত লজ্জা এবং শালীন সঙ্গমদিন অন্য পাশে থাকে প্রয়োজন এবং দায়মোচনের রাত।
এই সংবাদ বহন করে এই নিরিহ শব্দ দুটি- আর বিভাজন করে কারা? কারা দাগ কেটে বলে দেয় এই পাড়ের আমরা ভদ্্রযোনি অন্য পাড়ে তোমরা রাঢ়-

এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না-

কয়েকটা কথায় কি আর সহস্রাব্দের চেয়ে প্রাচীন ভাবনাকে বলে দেওয়া যায়? ভাবনারও অক্ষমতা থাকে। সেই যোগ্য প্রশ্ন করতে না পারার ব্যার্থতা থাকে আর তাই কখনই সত্যটা প্রকাশিত হয় না।
পুরুষের কামভাব জাগরুক হবে তাই আবৃত হয়, যেয়ো না নিশীথে জলের ঘাটে, একলা দুপুরে ভেজা গায়ে ফিরো না ঘাট থেকে, নিপাট মাঝিও নৌকায় ঘুর্নি তুলে নিয়ে যায় নির্জনে। এসব খুনসুটির কথা- দুজনের ভাবভালোবাসা। তবে অবগাহনের কাল শেষ হলে পুরুষ শিশ্ন দিয়ে দেয়াল ভেঙে চুড়ে অনায়াসে হয়ে যেতে পারে শালীনতার প্রতিমা আর অন্য পুরুষ সাথে নিয়ে না গেলে নারী এপাশেই পড়ে থাকে রাঢ় হয়ে অগনন শীত রাত্রির শেষে খরকুটোর প্রত্যাশায়।
[ুরুষের কামনা নিবৃত করার মতো কোনো পোশাকের উদ্ভাবন হয় নাই, নারী সমস্তটাই একটা যোনী হয়ে রাস্তা হাঁটে,উনুনে আঁচ দেয়। স্লান ঘাটে যায়, মাথায় চুঁড়ো বেধে ফিরে আসে




পাশাপাশি বসে থাকে রাঢ় ভদ্্রযোনী,

কে কিরূপে হয় ভদ্্রযোনী ?
কে হয় গো রাঢ় দিদিমনি?
সতীচ্ছদ ছিন্ন হলে
যোনীর শোনিতে গাঁথা সীমানাপ্রাচীর
আমার দুপায়ের ফাঁকে জন্মায় কোন এক অন্ধকার রাতে
এবং তার ওপাশে বসে থাকে তাবত ভদ্্রযোনী আঙ্গুল দেখিয়ে হাসে কদর্য উল্লাসে

শুধু পবিত্র শিশ্ন পারে সে প্রাচীর ভেঙে আমাকে আবার তোমাদের মহল্লায় তুলে নিয়ে যেতে

(শিশ্নের অসীম ভেদন ও ছেদন ক্ষমতা থাকে, অভেদ বিভেদ সব মুছে দিতে পারে)
আবরন আভরনে মুড়ে ফেলে দেহ প্রতীক্ষা করো আকৈশোর ,পবিত্র শিশ্ন কামনা করো, প্রত্যহ স্লান ঘরে পরিমাপ ভাঁজ খাঁজআর শঙ্কিত দিবসযাপন।

সতীচ্ছদ সীমানা প্রাচীর যোনী থেকে খসে পড়লেই রাঢ় আর ভদ্্রযোনীর সীমানানির্ধারন হয়, বীর্যবন্যা ঠেকানোর প্রাচীর এভাবেই ডান ও বামে ভাগ করে একপক্ষকে প্রাধন্য দেয় অন্যপক্ষের উপরে।

এবং আমরা চিহি্নত করতে পারি, আসলে করে ফেলি অনায়াসে,
কিভাবে কেনো করি এ প্রশ্নের উত্তর যে করে তার কাছে আছে।
অসম্পুর্ন যেহেতু কোনো ব্যাবস্থা নেই সংরক্ষনের তাই অসম্পুর্ন হলেও তুলে রাখতে হয় নিজের পাতায়।

প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ৮১৬ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: এখনও পুরাটা ফেরেশ হয় নাই। অনেক জায়গাই অস্পষ্ট, অনেক কটা ভুলও আছে- এইটাই কইতে চাইছিলাম। আপনারে না, নিজেরে মনে করায়া দেওয়া।
২. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: শুভ বলেছে লেখাটা মিনি স্কার্টের মতো। অসংখ্য তথ্য তুলে ধরে।
৩. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: ভুল থাকবেই খসরা লেখায় হাজার হাজার ভুল থাকে, এখনও গুছায়া উঠতে পারি নাই সম্পুর্নটা।
৪. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: রাসেল, আমি তো ভুল ধরি নাইরে ভাই। আমি বলতাছি দৃষ্টিভঙ্গীর মতদ্্বৈততা নিয়া, সমিল-অমিল নিয়া। যেই অংশটুকু নিয়া আমার মনে অমিল, আমি কিছুটা বিভ্রান্ত- হয়তো ধরতে পারি নাই বক্তব্যের সারবেত্তাটা। বলছি এইটাই। ভুল লিখছেন এই ভুল বকলামই বা কখন
৫. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
শুভ বলেছেন: পিয়াল, আমি বাকাপ বলছি অন্য কারণে- বহুল ব্যবহত গর্ভস্রাব শব্দটা নাই- হা হা হা!

এনিওয়ে অসম্ভব তথবহুল!

৬. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: জটিল। আসলেই খুব কষ্ট কইরা লেখা লেখা গুলান মানুষ পড়ে না। মন্তব্য কইরা কালার হইতে চায় না। এই লেখাটাই এই ব্লগের বিশিষ্ঠ নারীবাদিদের পুরানো ও নব্যদের হাত থাইকা বাইরাইলে এত ক্ষণে মন্তব্যের চোদনে অস্থির হইয়া যাইত। দারূণ লেখছেন বস, বাকাপ। তবে কিছুক্ষেত্রে দ্্বিমত আছে। নেটসাক্ষাতে বিস্তারিত।
৭. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
শুভ বলেছেন: হা হা হা- মিনি স্কার্ট বেশি উপরে তোলা যায় না- গন্ডগোল হয়া যায়!

আহহারে তথ্যবহুলের জায়গায় তথবহুল হয়া গেছে...
৮. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
অতিথি বলেছেন: খুব জটিল বিষয় নিয়ে লিখেছেন রাসেল। শব্দের সাথে সহবাস! ভারী সুন্দর আলোচনা।
সময় পেলে একজন ফরাসী ফিলোসফার, মিশাইল ফুকোর লেখা পড়বেন। ওনিও শব্দ নিয়ে অরেক কথা বলেছেন। এমনও হতে পারে, আপনি হয়তো পড়েই ফেলেছেন।
লেখাটি নিয়ে অলোচনায় আমার মনে হলো, লেখাটি যতটা না তথ্যনির্ভর, তারচেয়ে বেশী চিন্তা-অনুভুতি ও যুক্তির ব্যাপ্তির উপর নীর্ভশীল। আমার মনে হয় এই লেখাটির সঠিক দিক নির্দেশন।
৯. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
হযবরল বলেছেন: আবরণ আর আভরণ এর পর্াথক্য শব্দ দিয়ে পাওয়া যায় না, আর একটু স্পষ্ট করা যায় না। ভাল লেখায় হাজার অভিযোগ ।
১০. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
১১. ২৪ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৬:০৬
অতিথি বলেছেন: হুমায়ন আজাদ জীতি হলো আপনার লেখার মাঝে। হ্যাটস অফ!
১২. ২৪ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৬:০৬
অতিথি বলেছেন: আমি সযতনে এড়িয়ে যাই দর্শন বিষয়ক লেখা- রুশোর অটোবায়োগ্রাফি শুরু করেছিলাম এমন জিনিষ শেষ করার ধৈর্য হয় নাই- সোশ্যাল কনট্রাক পড়ার চেষ্টা বোধ হয় একমাত্র এই লাইনে বই পড়ার অপচেষ্টা।
১৩. ২৪ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৬:০৬
অতিথি বলেছেন: আমার প্রথম ইচ্ছা ছিলো বিষয়টা কবিতা হবে- সেই ভাবেই চেষ্টা করছিলাম লেখা-
তার একটা নমুনাও শেষে দিলাম- কিন্তু যতটা বৃহৎ পরিসরে ভাবছিলাম লেখাটা হবে- সেই প্রশ্নটা তুলতে চেয়েছিলাম শেষ পর্যায়ে - আমাদের অবস্থানে কাউকে রাঢ় ঘোষনা দেওয়াটা একধরনের বিলাসিতা- এই খানে আমাদের অনেকের মানসিক পতিতাবৃত্তির অভ্যাস- অনেকের চিন্তার পতিতাবৃত্তির অভ্যাস- অনেকে অনেক রকম নিরাপত্তার দায়ে দাসত্ব করছে- রাঢ় শব্দটার সাথে যেই শব্দটা চলে আসে তা হলো রক্ষিতা- আমরাও অর্থনৈতিক কারনে কারো না কারো রক্ষিতা হয়ে যাচ্ছি- তবে এটা ফোকাস করার কিছু নেই- কিন্তু যেই মেয়েটা এই প্রশ্নটা করবে তাকেও বুঝতে হবে যে কারনে এই লেখাটা লেখার সূচনা-
তার এবং এই উল্লেখিত রাঢ়ের চেতনাগত পার্থক্য ক্ষীন। একজন সমাজে স্ব ীকৃত শিশ্ন গ্রহন করছে অন্যজন সামাজিক স্ব ীকৃতি না পেয়েই শিশ্ন গ্রহন করেছে-
১৪. ২৪ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৬:০৬
অতিথি বলেছেন: হুমায়ন আজাদ জীবিত হয়েছে আপনার লেখার মাঝে! হ্যাটস অফ!
১৫. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
১৬. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
অতিথি বলেছেন: শুব তো স্বীকার করছে সে এক সময় কোন জায়গায় লিখেছে সদর্পে। আপনেতো মিয়া সেটাও বলেন না। জিগাইলে কন এর আগে কখনো লেখেন নাই। ভোদাই পাইছেন আমাগোরে? ঠিক কইরা কন আপনে ক্যাঠা...। নাইলে কইলাম আমিও হুমকি দিমু....। ফাঁস কইর্যা দিমু কইলাম সব
১৭. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
অতিথি বলেছেন: সব সর্ষেতে ভুত থাকে না কিছু কিছু সর্ষে কলুর বলদের চিপায় পইড়া যায়- আমারও একই দশা।
১৮. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: শব্দ হল আমাদের সমগ্রকে ধারণ করার এবং ধারণ করতে না পারার সবচেয়ে সার্থক প্রকাশ। শব্দের সাথে সহবাস স্বরেই অনেকটা পুরুষালী। ভেতরের শব্দে আমরা আর লুকিয়ে থাকতে পারিনা।শব্দ হল আমাদের জীবনের মতই সিদ্ধান্তহীন যদিও প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর। জীবনের যেমন প্রতিভা থাকে জীবন যেমন বুড়িয়ে যায় জীবন যেমন বেঁচে ওঠে সেভাবে শব্দও বেঁচে ওঠে শব্দও শাণিত হয় ভেতরে ঢোকে ছিন্নভিন্ন করে, কখনো নষ্ট করে কখনো বিযুক্ত করে কখনো শিশ্ন হয়ে ওঠে কখনো যোণী হয়ে ওঠে কখনো কেবলই শিশুতোষ থাকে কখনো মুক্ত করে কখনো নি:শব্দ করে। শব্দ মানুষকে বেঁধেও ফেলে, খুবই দূর্দান্ত অনমনীয় শব্দগুচ্ছো মুগ্ধ করে মোহময়ী হয়ে আবেশে জড়ায়। একটা স্বাধীণ একরোখা শব্দ আমাদের যেভাবে অনুপ্রাণিত করে তেমনি বাসি পুরোনো শব্দ আমাদের নিভিয়ে দেয়। শব্দের এই স্ফ্থরণে আপনার অবগাহন এমনই চলতে থাকুক।
১৯. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: শরৎ তোমাকে দেখলে আমার এক পরিচিত ছেলের কথা মনে পড়ে যার বসত ছিলো সুইহারি।
২০. ২৪ শে জুন, ২০০৬ রাত ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: সত্যিই তাই? আমার বসত আসলেই ছিল সুইহারি, কোলড স্টোরেজের পেছনে। আমরা কি পূর্ব পরিচিত?
২১. ২৪ শে জুন, ২০০৬ রাত ৯:০৬
অতিথি বলেছেন: ভদ্্রযোনি বুঝলাম। ভদ্্র, শান্তশিষ্ট মেয়েদে র যৌনাংগ। কিন্তু 'রাঢ়' মানে কি হে অষ্টবিন্দু?
২২. ২৫ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
শুভ বলেছেন: তীরন্দাজ:
আপনি ঠিকই বলেছেন- আসলে লেখাটায় তথ্যর কিছু নাই, আছে ভাবার।
সরি, আমার এই মন্তব্যটা বেখাপ্পা- লেখাটা তথ্যবহুল!

আসলে উচ্ছ্বাসে অনেক সময় মাথা এলোমেলো হয় যায়, অন্তত আমার।

২৩. ২৫ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
কনফুসিয়াস বলেছেন: লেখাটা ভালো বুঝি নাই। রাঢ় শব্দটার অর্থ জানা নাই। তাই হয়ত পুরাটা বুঝলাম না। তবে ধারনা করে নেয়া যায় যতটুকু, ততটুকু বুঝেছি।
শব্দের সাথে তুলনা বা শব্দের এরকম অপূর্ব ( যাহা পূর্বে ছিল না অর্থে ) বর্ণনা ভালো লাগছে।
অসম্পূর্ণ , ঠিক, রাসেল ভাই তো বলেই দিলেন সেটা। তবে, কবিতার শুরুটা যেখানে, তার আগের অংশটুকু আলাদা পোষ্ট করলে মনে হয় অসম্পূর্ণতাটুকু অনেকটা কাটানো যায়।
কবিতাটা আলাদা করে সম্পুর্ন করবেন নাকি?



[ উল্লাসিত না বস, উল্লসিত। ]
২৪. ২৬ শে জুন, ২০০৬ রাত ১:০৬
২৫. ২৭ শে জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
রাগ ইমন বলেছেন: কে ভদ্্রযোনী , কে রাঢ়! ব্যব হৃত দুজনই তবু সামাজিক অবস্থান নির্ধারিত কঠোর দেয়ালের দুপাশে। এইটুকু ভাবলে মাকড়জাল হয়ে সংযুক্ত হতে হবে ইতিহাস , মানব ও সম্পদের ব্যব হার, একের উপর অন্যের নিয়ন্ত্রন , কখনো নারী-পুরুষ, কখনো দখল ও রক্ষায় কে ক্ষমতাশালী ।
শুধু ভদ্্রযোনী ও রাঢ় - এর সীমীত অর্থ যদি বিবেচনাধীন হয়, তবে উত্তরটা তো সরল। যে ব্যব হার করে, সেই দেয় সংঙ্গা বা সমাধান। দুটোই তো পুরুষের প্রয়োজন, নয়?
শব্দ ও তার অর্থ -এ দুটোই মানুষের নিজের সৃষ্টি। এই অর্থ- প্রদানের কাজটা ' ক্ষমতা বলয়' এর ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নির্ধারণ করে দেবে এবং প্রতিষ্ঠিত রাখবে। যতক্ষন না হচ্ছে ক্ষমতাবদল।
সামপ্রতিক স হস্রাব্দী বিশ্ব পুরুষের দখলে। তাই যোনী ব্যব হারের নিয়মাবলী পুরুষ স্বার্থে রক্ষিত। মাতৃতান্ত্রিক যুগের ইতিহাস 'শব্দে লিখিত' হলে আজকের ভাষা এবং এর শালীনতা বিচার এর নিয়মকানুন - তুল্য মূল্য করা যেত। আমার জ্ঞান কম। মানব বিবর্তনের যা পড়েছিলাম তাও মনে হয় বিস্মৃত। আপনার লেখাটা পড়ে মন ফিরে যেতে চাইছে নৃ তত্ত্বের পাতায়।

'আমরা' ভদ্্রযোনী, বলার অধিকার প্রদেয় পুরুষ শাসিত সমাজ কর্তৃক। নারী তার অবস্থান নির্ধারনের অধিকার সেই দিন হারিয়েছে, যেদিন হারিয়েছে সম্পদ নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা।

আমার যোনীতে আমি আহ বান করতে পারবো না কোন শিশ্ন বা প্রত্যাখান- সব যোনীই এখন দাসত্বে আবদ্ধ। কখনো জৈবিক ,কখনো পারিবারিক আর কখনো সামাজিক-রাষ্ট্র ীয়- অর্থনৈতিক ' শরীরী নিয়ম কানুনে।
রাঢ় বা ভদ্্রযোনী- ---- বাদী, বিবাদী, বিচারক, সাক্ষী ---- পুরুষালী সমাজ, বড়জোর বেঁধে দেওয়া নারী প্রতিনিধি।
২৬. ২৮ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
শুভ বলেছেন: রাসেল...,
Click This Link

কাইন্ডলি একটু দেখবেন।

আর পাকিস্তানে আটকেপড়া বাঙালীদের নিয়ে কোন তথ্য পাচ্ছি না- পিয়ালকে বলেছি, দেখা যাক!
২৭. ২৮ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
২৮. ২৮ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
অতিথি বলেছেন: আবার পড়লাম।
ভাবছি যৌনাঙ্গ নিয়ে বাংলা ক্রিয়াপদ আছে কিনা?
প্রমিত ভাষাতে? বা কোনো আঞ্চলিক ভাষায়?
২৯. ২৮ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: আপনার লেখাটি পড়ে মন্তব্যের ভাষা হারিয়েছি। খুব গুছিয়ে চিন্তার ফসল এটা বোঝাই যাচ্ছে, পড়ার পর একটি প্রশ্নও জাগছে মনে, প্রশ্নটা করেই ফেলি কি বলেন?
আচ্ছা রাঢ় ও ভদ্রযোনী মেয়েদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, এমন কোনও শব্দ কি আমরা ব্যবহার করতে পারি না যা পুরুষ-নির্দেশক? যেমন ভদ্রানঙ্গ (ভদ্র + অনঙ্গ) কিংবা বহুব্যবহারে জীর্ণ শিশ্ন বা বহুশ্ন?
এই লেখাটির পাঠকদের কাছ থেকে এরকম কিছু নতুন শব্দ আশা করছি।
৩০. ২৮ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: ভদ্রযোনী যা রাঢ় নয়; সোজা কথায় সতী সাবিত্রী - বেশ্যা নয় !
৩১. ২৮ শে জুন, ২০০৬ রাত ৯:০৬
অতিথি বলেছেন: আমি ভাবলাম কিন্তু যৌনাঙ্গসমেত কোনো ক্রিয়াপদের অস্তিত্ব পেলাম না। হয়তো আছে- তবে যুগল শব্দে ক্রিয়ারত যৌনাঙ্গ বিদ্যমান এবং তাও পুরুষালী অর্থে, নারীকে কখনই ছেদনের অধিকার দেওয়া হয় নাই- শিশ্নভিত্তিক পুরুষভাগ আছে কিন্তু যোনীভিত্তিক নারী ভাগ নেই, যোনীর ব্যাবহার ভিত্তিক নারী ভাগ বিদ্যমান।
পুরুষের সাথে বহুগামীতা ট্যাগ করা বাংলা ভাষায়। আমাদের ব্যাকরণবিদেরা সবই বামুন, এবং কামলীলাবিশারদও বামুন-তাই বামুনের বহুভোগী চরিত্র আছে শব্দে কিন্তু যেহেতু নারীলিখিত শব্দযুগল নেই তাই নারী কিভাবে দেখছে এটাকে তা কোথাও পাওয়া গেলো না। 800 বছরের বাংলাগদ্যের ইতিহাসে নারী লেখক খুব কম- হাতে গোনা যায়- এবং তাদের ভঙ্গি পুরুষালী। তবে স্বর কোমল- ব্যাতিক্রম আছে কিছু কিন্তু নারীর চোখে দৃশ্য দেখার মতো ব্যাতিক্রম নেই বোধ হয়।

যৌন ক্ষমতার উপর পুরুষের শ্রেনীবিভাগ বিদ্যমান। অকালপতনের বাংলা আছে-চলতি সাধু তদ্ভব তৎসম- এমন কি অনর্থক কামবোধেরও কিছু শব্দপ্রচলিত তবে জীর্ন শীশ্নধারী পুরুষের জন্য কোনো উপমা প্রচলিত নেই- কামুকের সাথে বহুব্যাবহারে জীর্ণ শব্দ যায় না।
৩২. ০৫ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ১২:০৭

ধর্মপালনের অধিকার এবং নৈরাজ্য তৈরি চেষ্টা!!

ঘটনা 1
বহুজাতিক কোম্পানির সুসজ্জিত অফিস। সবাইকেই বেশ সুবেশী হয়ে অফিসের ড্রেসকোড মেনে ঢুকতে হয়। অফিসের ড্রেস কোডে যেই সুটেড বুটেড অবস্থার কথা বলা আছে তাতে পাঞ্জাবি পাজামা বা শেরওয়ানি নেই। অফিসটা বহুজাতিক, এবং যেহেতু মুল অফিসটা বিলাতে তাই তাদের ড্রেস কোডের ধারনাটার মধ্যে এই জাব্বা জোব্বা নেই- জনৈক ধর্মপ্রান মুসলিম যিনি প্রচন্ড রকম ভাবে ধর্মপালন করেন, সুন্নাহ, ফরজ, নফল ওয়াজিব সবই পালনের চেষ্টা করেন। তিনি ঝোলা দাড়ি রেখে পাঞ্জাবি পড়ে অফিস করার অনুমতি প্রার্থনা করলেন, প্রার্থনা করলেন যেনো তাকে জোব্বা পড়ে অফিসে কাজ করার অধিকার দেওয়া হয়। অফিস রাজী হয় নাই- রাজি হওয়ার মতো কোনো কারন দেখে নাই-

ভদ্্রলোক মামলা ঠুকে দিলেন, ধর্মিয় বিভাজনের কারনে তাকে হেনেস্থা করা হচ্ছে- তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে তিনি ধর্মপ্রাণ বলে-

কথা হলো এই প্রথম ঘটনায় আপনার কাকে দোষি মনে হয়?
যারা পড়বেন তারা তাদের বিবেচনা মতো উত্তর দিবেন।
ঘটনা 2
প্রাইভেট ফার্ম। কর্মচারীর সংখ্যা কম, তবে অফিসের মালিক ভালো। কর্মচারীদের বাড়তি কাজ করান না। ঘড়ি ধরে 5 টার সময় সবাই ইচ্ছা করলেই বাড়ী যেতে পারে। কাউকে বসিয়ে রেখে জোড় করে কাজ করান না তিনি, তার 9টা -5টা অফিসের সময় তিনি তা পালন করেন।
মাসের প্রথম সপ্তাহে সবাইকে বেতন দেন- আদর্শ মালিক , তবে তিনি নিয়মানুবর্তি, তার একটাই কথা অফিসে যতক্ষন থাকবেন অফিসের কাজ করবেন। এইটুকু সময় আপনারা আমার কর্মচারি। এইখানে আপনাদের কাজ করার জন্য আমি পারিশ্রমিক দেই,এবং এই একটা জায়গায় আপনাদের সহায়তা এবং সততা দাবি করি আমি। আপনাদের যদি এই অফিসের নিয়ম পছন্দ না হয় আপনারা চলে যেতে পারেন।
অফিসে শোভন পোশাক পড়ে আসবেন আর যেটুকু সময় অফিসে থাকবেন অফিসের কাজ করবেন। 12টা থেকে 1টা লাঞ্চের সময় সে সময় আপনার লাঞ্চ করবেন নিজের মতো সময় কাটাবেন- সমস্যা বাধালো গুটিকয় ধার্মিক মানুষ। তাদের দাবি হলো যেহেতু তাদের জোহরের নামাজ পরতে হয় তাই তাদের জন্য 1 থেকে 2টা পর্যন্ত লাঞ্চ আওয়ার করতে হবে।
মালিক নীতিবান, তিনি রাজি হন নাই। আবারও মামলা- মামলায় অভিযোগ ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে-
প্রথম কারন জোহরের নামাজের ওয়াক্তের সময় তারা নামাজ পড়তে পারেন না।
2য় কারন তাদের এই নিয়মে আপত্তি ছিলো না যদি অফিসে একটা প্রার্থনা কক্ষ থাকতো।
তারা বিকল্প হিসেবে বলেছিলেন অফিসের ভেতরে আলাদা একটা প্রার্থনায় জায়গা তৈরির জন্য। মালিক তাদের বলেছেন অফিস কাজ করার জায়গা ধর্মপালনের জায়গা না। এই ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে বলে তারা সুবিচার চান। মালিকের কথাটার মধ্যে কোনো ভুল কি কেউ খুঁজে পেয়েছেন?

এই যে ধর্মপালনের নামে নৈরাজ্য এটাকে আবেগ দিয়ে বিচার করার কোনো প্রয়োজন কি আছে। এই 2টা ঘটনায় কি মানুষের ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমনাদের মনে হয়। মনে হলে কেনো মনে হয় একটু যুক্তি দিয়ে বোঝান। না মনে হলে কেনো হয় নাই তাও যুক্তি দিয়ে বোঝান


এইটা একটা ঘটনা- হয়তো বাস্তব না, কিন্তু এই যে অফিসের নিয়ম কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা বা অফিস যে কাজের জায়গা এই বিষয়টাতে েঅহেতুক ধর্মের গোঁজামিল দিয়ে অনৈতিক সুবিধা দাবি করাটা উচিত কি অনুচিত।


বাংলাদেশের সরকারি অফিসের চালচিত্র এমনই, সেখানে মানুষজন 12টার দিকে লাঞ্চ ব্রেকে যায় 3টায় ফিরে আসে।

প্রতিটা সরকারি অফিসে আলাদা করে নামাজের জায়গা বানানো আছে-
কিন্তু প্রতিটা অফিসে কোনো মন্দির গীর্যা বা প্যাগোডা নেই- এবং এই সব অমুসলিম মানুষেরা বা যারা ধর্মপালন করেন না তাদের উপর অফিস টাইমে বাড়তি চাপ পড়ে- কারন তাদের ধার্মিকদের ধর্মপালনের জের টানতে হয়- এখন যদি বাংলাদেশ সরকার এইটা নিয়ম করে যে অফিসের নিয়মাবলীতে যা যা বলা আছে তা পালন করতে হবে- লাঞ্চ ব্রেক যদি 1টা থেকে 2টা হয় তাহলে সেই টুকু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ থাকবে আর যদি 12টা 1টা হয় তাহলে সেইটুকু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ থাকবে।
আসরের নামাজ পড়ার বিরতি নেই কোনো।
সরকারি অফিসে কোনো মসজিদ থাকবে না। কোনো ধর্মপালনের জায়গা থাকবে না- এই শুভ পরিবর্তনগুলো কে কিভাবে গ্রহন করবে।

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৮


  • ১৬ টি মন্তব্য
  • ৪৭১ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
মদন বলেছেন: 2টারই উত্তর যার পোশাবে সে চাকরি করবে না পোশালে চলে যাবে

এখানে মালিকের সাথে মিচুয়ালের মাধ্যমে নামাজের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। মালিক যদি রাজি না হয় তাইলে যেখানে গেলে নামাজের ব্যবস্থা করা যাবে সেখানে যাওয়া ভাল।

এটা আমার মত।
২. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: ধর্মপ্রান ভদ্রলোকরা (দুটো অফিসেরই) যখন চাকুরী নিয়েছিলেন, তখন কি তাদেরকে ওখানকার নিয়ম সম্পর্কে জানানো হয়েছিল ? ধরুন আমি যখন আমার অফিসে যোগ দিই, তখন ওখানকার চলাফেরার নিয়ম জানিয়ে হতে কাগজ ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল। আমাকে তাতে সই করতে হয়েছে ও তা পালন করতে বাধ্য।

এমন কোন কিছু শর্ত দিয়েছিলেন কি মালিকপক্ষ? নাহলে আমার মতে এ কর্মচারীরা মামলা করার অধিকার রাখেন বলে আমার মনে হয়। তবে বলে নিচ্ছি, আমি আইনজ্ঞ নই।

৩. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: প্রথম:
ওই ভদ্রলোক যেভাবে পোশাক পড়তে চান তার সাথে আমার আপত্তি থাকত। "শোভন" মনে হত না। শিখরা যেভাবে দাড়ি রাখে অনেক সময়ই অফিসে একটু আউট অফ প্লেস মনে হতে পারে। কিন্তু ধর্মীয় অধিকার একটা গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। যদি এই কোম্পানী সেই অধিকার দিতে না পারে, তাহলে প্রথমেই পরিষ্কার বলে দেয়া উচিৎ, এই ড্রেস কোড ফলো করতে হবে, ধর্ম ফর্ম মানব না। কিন্তু মানবাধিকারের বুলি মুখে বলে পরে মানা হবে না এইটা হবে না।

2. আমি কোন কারণ দেখি না কেন লাঞ্চ টাইমেই অফিসের মুসলি্লরা নামাজ পড়তে পারবে না, বা পরে উসুল তুলে দিতে পারবে না খরচকৃত সময়ের। অবশ্যই দুই পক্ষকে রিজনেবল হতে হবে। একেবারেই এগ্রিমেন্টে পৌছানো সম্ভব না হলে অন্য চাকরি তো আছেই।
৪. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
অবারিত বলেছেন: 1>অফিসটিতে যেহেতু কোড ড্রেস আছে সেহেতু সে অফিস জুববা মানতে নাই পারেন। এটা তাদের ব্যপার।ধমের ব্যপারে যদি সে ব্যক্তির ডিটারমিনাশন থাকে তবে সে অন্য কোথাও যেতে পারে। কেও ত তাকে ধম পালনে নিষধ করেনি।(যদি চাকুরি দেয়ার সময় পোশাকের কথা বলা হয়ে থাকে।)
না বলা হয়ে থাকে তবে সে মামলা করতে পারে।কারন তাকে বলা হয়নি।
2>এখানেও একই ব্যপার, নামাজে সমসসা হলে জব বাদ দিয়ে দিবে।বা মালিকের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটা সমাধানে আসতে হবে । তবে আমি জতটুকু জানি জ 12-30 টা তেই যোহর নামাজ পরা যায়।
৫. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
৬. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
অতিথি বলেছেন: অবারিত হাদিস অনুযায়ি ঠিক 12টা 12টা 30এর আশে পাশে জোহর পড়ার নিয়ম নাই।
জোহর পড়তে হবে সূর্যপশ্চিমাকাশে খানিকটা ঢলে পড়লে। বাংলাদেশে 12টা 12টা 30এ সূর্য থাকে মাথার উপরে।
যদি বিশ্বাস না হয় এর পর 12টার দিকে আকাশের দিকে তাকায়া দেইখেন।
৭. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
অতিথি বলেছেন: সরাসরি কোনো উত্তর নেই এ প্রশ্ন দু'টির।
কোন দেশের অফিস, কি ধরনের অফিস, কিরকম বেতন দেয়, কি ধরনের কাজ করতে হয়, কি রকম যোগ্যতা লাগে সেখানে কাজ করতে, কর্মীর সংখ্যা কত, মালিক কে ও তার উদ্দেশ্য কি, এসবের উপর নির্ভর করবে সেখানে কিরকম আইন-কানুন হবে।

কর্মচারির কাছ থেকে কাজ আদায়ের জন্য কর্মচারিকে সন্তুষ্ট রাখার একটা দায়ও আছে কতর্ৃপক্ষের। সুতরাং কতর্ৃপক্ষ তার সুবিধা-অসুবিধা বুঝেই সুতা ঢিলা দিবে বা টাইট দেবে।

সুতরাং প্রশ্নের উত্তর case by case আলাদা হবে।
৮. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: এক এক দেশে এক এক সময়!
নামাজের ব্যপারে ফ্লেক্সিবিলিটি কম না, জোহর আসর মিলিয়ে পড়ার সুযোগও আছে। নির্ভর করে পালনের সদিচ্ছার উপর। মানিয়ে চলার ইচ্ছার উপর।
৯. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: তীরন্দাজের কমেন্টা ফলো করলে দুইটা প্রশ্নের ই উত্তর খানিকটা পাওয়া যায়।

যখন চাকুরীতে ঢুকে কেউ, তখন অবশ্যই স্বাক্ষর করা থাকে বিভিন্ন নিয়ম কানুন মেনে চলার। এবং আমি যতদূর জানি, স্বাক্ষর করার আগে হিউম্যান রিসোর্স থেকে জিজ্ঞেস ও করা হয়, "আপনি সন্তুষ্ট কিনা, কিংবা কিছু বলার আছে কিনা"।


কিছু বলার থাকলে তখনই বলেন, হয় 'হাই' নয়তো 'বাই'। সব মেনে নিয়ে সাইন করে পরে ক্যাচাল করা তো কোন সত্যিকার ধার্মিকের কাজ না!
১০. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
অবারিত বলেছেন: ঃ-)
12-30 টার পর সূয কিসুটা ঢলে পরে রাসেল। অনেক মাওলানাও একথা বলেন।ঠিক আমি নাহয় দেখে নেব কাল।
১১. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: কেউ শেষ প্রশ্নটার ুত্তর দিলো না। যদি আমাদের দেশের এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে হয় তাহলে সরকারী অফিসের কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে।
আমার অভিজ্ঞতা কম- শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রনালয় এবং 2টা শিক্ষাবোর্ডে ঘোরার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি- সেখানে মানুষজন স্বেচ্ছাচারী। যাদের যখন ইচ্ছা কাজ ছেড়ে বেড়িয়ে যাচ্ছে এবং নামাজ পড়ার অজুহাতে কাজ ফাঁকি দিচ্ছে- বোধ হয় সরকারী আইন করে এই নামাজজনিত দূর্ন ীতি সামাল দেওয়ার সময় এসেছে- শক্ত না হলে কোনো মতেই আসলে নিয়ন্ত্রন সম্ভব নয় স্বেচ্ছাচারিতা- একজনের কাজে অমনোযোগিতা অন্য সবাইকে হতোদ্যম করে।
১২. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: ছলটা নামাজের, অসৎ কার্য করার পেছনে ধর্মের অজুহাত দেওয়া-
আমি নামাজের বিপক্ষে বলি নাই বলছি সরকারি অফিসে এই সুযোগটা বন্ধ করার কথা।
প্রথম কারনটা হলো এইটা ধর্মিয় কাজ বিধায় এইটার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোটা কঠিন- তাই কেউ নামাজের অজুহাতে ফাঁকি দিলে তাকে দোষারোপ করতে চায় না কেউ ইশ্বরকে নাখোশ করার ভয়ে। এবং এই নামাজ পড়ার অজুহাত দিয়ে অনেকেই ফাঁকি শুরু করে এবং এই প্রবনতার ফলে সবাই ফাঁকির সুযোগ পায়- যদি নামাজের অজুহাত বাতিল ঘোষণা করা হয় তাহলে আর কিসের অজুহাতে ফাঁকি দিবে বলেন?? অন্য কোনো সময়ক্ষয় করা অজুহাত তো নাই।
১৩. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
মদন বলেছেন: রাসেল
ঠিক নামাজ পড়ার অজুহাতে কাজ ফাকি দিচ্ছে এটা বোধহয় ঠিকনা। দুর্জনের ছলের অভাব হয়না। তারা যেকোন বিষয়কেই অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করবে। আমাদের গলদতো গোড়াতে। আমাদের শিক্ষায় নৈতিকতা নাই, দেশ প্রেম নাই। সবকিছুর দোষ আপনি নামাজের উপর চাপিয়ে দিলেন কেন?
তারা দেশ প্রেমিক নয়
তারা সৎ নয়
তারা শিক্ষিত নয়
এই দোষগুলির উপরে চলে এলো নামাজ?
১৪. ২৪ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
অতিথি বলেছেন: নামাজের সময়টা বাতিল করবে? তাহলে কারো অধিকারে হস্তক্ষেপ হবে না?
হাউ এবাউট:
1. নামাজের জন্য 15 মিনিট সময় বেধে দেয়া, এর বেশি লাগার কথা না, লাগলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
2. যারা নামাজ পড়বে তারা এই 15/20 মিনিট পরে পুষিয়ে দিবে।

এই অবস্থায় নিশ্চিত হবে নামাজের কথা বলে কেউ ফাঁকি দিচ্ছে না। আমাদের দেশের মানুষের ফাঁকিবাজি/ দুনর্ীতি এতেই খতম হয়ে যাবে? বাহ, দারুণ তো!
১৫. ২৪ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
মদন বলেছেন: আপনি বোধহয় সরকারী অফিস সম্পর্কে খুব কম জানেনন।
আমি এরকম লোককেও দেখেছি অফিস আওয়ারে বাইরে ঘুরে আর ওভারটাইমের সময় চেয়ারে পাওয়া যায়।
আর নামাজের টাইম বলে অফিসে কিছু নাই থাকে লাঞ্চ আওয়ার।
আর অজুহাতের কথা বলছেন?
বললাম না দুর্জনের ছলের অভাব হয়না। দুপুরে খাবার নাম করে ফাকি দিবে। বিকেলে টি ব্রেকের কথা বলে ফাকি দিবে।
আপনি ফাকি বন্ধের উপায় বলতে পারেন কিন্তু নামাজের অজুহাতে ফাকি দেয় বলে কি নামাজ পড়া যাবেনা? যারা অপরাধ করে তারা তো করেই কিন্তু যারা ধর্মপ্রান তারা কি নামাজ পড়বেনা?
১৬. ২৫ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
অতিথি বলেছেন: যারা ধর্মপ্রাণ তাদের সাইনবোর্ড ঝুলায়া নামাজ পড়তে দেখিনি আমি-তারা নিজেদের দায়িত্বে অফিসের সাথেই জায়গা করে নামাজ পড়ে ফেলে।
আর আপনার মানুষের সম্পর্কে ধারনাটা সঠিক না।
ধার্মিক তাও সত্যিকারের-এই বাংলাদেশে যেই কয়জনা আছে তাদের জন্য ব্যাতিক্রম করার কোনো প্রয়োজন নেই।
যারা ফাঁকিদেয় তারা যদি এই শক্ত আইন দেখে টাহলে অন্য কোনো অজুহাতে ফাঁকি দেওয়ার আগে 2 বার ভাববে।