ঘটনা 1
বহুজাতিক কোম্পানির সুসজ্জিত অফিস। সবাইকেই বেশ সুবেশী হয়ে অফিসের ড্রেসকোড মেনে ঢুকতে হয়। অফিসের ড্রেস কোডে যেই সুটেড বুটেড অবস্থার কথা বলা আছে তাতে পাঞ্জাবি পাজামা বা শেরওয়ানি নেই। অফিসটা বহুজাতিক, এবং যেহেতু মুল অফিসটা বিলাতে তাই তাদের ড্রেস কোডের ধারনাটার মধ্যে এই জাব্বা জোব্বা নেই- জনৈক ধর্মপ্রান মুসলিম যিনি প্রচন্ড রকম ভাবে ধর্মপালন করেন, সুন্নাহ, ফরজ, নফল ওয়াজিব সবই পালনের চেষ্টা করেন। তিনি ঝোলা দাড়ি রেখে পাঞ্জাবি পড়ে অফিস করার অনুমতি প্রার্থনা করলেন, প্রার্থনা করলেন যেনো তাকে জোব্বা পড়ে অফিসে কাজ করার অধিকার দেওয়া হয়। অফিস রাজী হয় নাই- রাজি হওয়ার মতো কোনো কারন দেখে নাই-
ভদ্্রলোক মামলা ঠুকে দিলেন, ধর্মিয় বিভাজনের কারনে তাকে হেনেস্থা করা হচ্ছে- তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে তিনি ধর্মপ্রাণ বলে-
কথা হলো এই প্রথম ঘটনায় আপনার কাকে দোষি মনে হয়?
যারা পড়বেন তারা তাদের বিবেচনা মতো উত্তর দিবেন।
ঘটনা 2
প্রাইভেট ফার্ম। কর্মচারীর সংখ্যা কম, তবে অফিসের মালিক ভালো। কর্মচারীদের বাড়তি কাজ করান না। ঘড়ি ধরে 5 টার সময় সবাই ইচ্ছা করলেই বাড়ী যেতে পারে। কাউকে বসিয়ে রেখে জোড় করে কাজ করান না তিনি, তার 9টা -5টা অফিসের সময় তিনি তা পালন করেন।
মাসের প্রথম সপ্তাহে সবাইকে বেতন দেন- আদর্শ মালিক , তবে তিনি নিয়মানুবর্তি, তার একটাই কথা অফিসে যতক্ষন থাকবেন অফিসের কাজ করবেন। এইটুকু সময় আপনারা আমার কর্মচারি। এইখানে আপনাদের কাজ করার জন্য আমি পারিশ্রমিক দেই,এবং এই একটা জায়গায় আপনাদের সহায়তা এবং সততা দাবি করি আমি। আপনাদের যদি এই অফিসের নিয়ম পছন্দ না হয় আপনারা চলে যেতে পারেন।
অফিসে শোভন পোশাক পড়ে আসবেন আর যেটুকু সময় অফিসে থাকবেন অফিসের কাজ করবেন। 12টা থেকে 1টা লাঞ্চের সময় সে সময় আপনার লাঞ্চ করবেন নিজের মতো সময় কাটাবেন- সমস্যা বাধালো গুটিকয় ধার্মিক মানুষ। তাদের দাবি হলো যেহেতু তাদের জোহরের নামাজ পরতে হয় তাই তাদের জন্য 1 থেকে 2টা পর্যন্ত লাঞ্চ আওয়ার করতে হবে।
মালিক নীতিবান, তিনি রাজি হন নাই। আবারও মামলা- মামলায় অভিযোগ ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে-
প্রথম কারন জোহরের নামাজের ওয়াক্তের সময় তারা নামাজ পড়তে পারেন না।
2য় কারন তাদের এই নিয়মে আপত্তি ছিলো না যদি অফিসে একটা প্রার্থনা কক্ষ থাকতো।
তারা বিকল্প হিসেবে বলেছিলেন অফিসের ভেতরে আলাদা একটা প্রার্থনায় জায়গা তৈরির জন্য। মালিক তাদের বলেছেন অফিস কাজ করার জায়গা ধর্মপালনের জায়গা না। এই ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে বলে তারা সুবিচার চান। মালিকের কথাটার মধ্যে কোনো ভুল কি কেউ খুঁজে পেয়েছেন?
এই যে ধর্মপালনের নামে নৈরাজ্য এটাকে আবেগ দিয়ে বিচার করার কোনো প্রয়োজন কি আছে। এই 2টা ঘটনায় কি মানুষের ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমনাদের মনে হয়। মনে হলে কেনো মনে হয় একটু যুক্তি দিয়ে বোঝান। না মনে হলে কেনো হয় নাই তাও যুক্তি দিয়ে বোঝান
এইটা একটা ঘটনা- হয়তো বাস্তব না, কিন্তু এই যে অফিসের নিয়ম কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা বা অফিস যে কাজের জায়গা এই বিষয়টাতে েঅহেতুক ধর্মের গোঁজামিল দিয়ে অনৈতিক সুবিধা দাবি করাটা উচিত কি অনুচিত।
বাংলাদেশের সরকারি অফিসের চালচিত্র এমনই, সেখানে মানুষজন 12টার দিকে লাঞ্চ ব্রেকে যায় 3টায় ফিরে আসে।
প্রতিটা সরকারি অফিসে আলাদা করে নামাজের জায়গা বানানো আছে-
কিন্তু প্রতিটা অফিসে কোনো মন্দির গীর্যা বা প্যাগোডা নেই- এবং এই সব অমুসলিম মানুষেরা বা যারা ধর্মপালন করেন না তাদের উপর অফিস টাইমে বাড়তি চাপ পড়ে- কারন তাদের ধার্মিকদের ধর্মপালনের জের টানতে হয়- এখন যদি বাংলাদেশ সরকার এইটা নিয়ম করে যে অফিসের নিয়মাবলীতে যা যা বলা আছে তা পালন করতে হবে- লাঞ্চ ব্রেক যদি 1টা থেকে 2টা হয় তাহলে সেই টুকু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ থাকবে আর যদি 12টা 1টা হয় তাহলে সেইটুকু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ থাকবে।
আসরের নামাজ পড়ার বিরতি নেই কোনো।
সরকারি অফিসে কোনো মসজিদ থাকবে না। কোনো ধর্মপালনের জায়গা থাকবে না- এই শুভ পরিবর্তনগুলো কে কিভাবে গ্রহন করবে।
বহুজাতিক কোম্পানির সুসজ্জিত অফিস। সবাইকেই বেশ সুবেশী হয়ে অফিসের ড্রেসকোড মেনে ঢুকতে হয়। অফিসের ড্রেস কোডে যেই সুটেড বুটেড অবস্থার কথা বলা আছে তাতে পাঞ্জাবি পাজামা বা শেরওয়ানি নেই। অফিসটা বহুজাতিক, এবং যেহেতু মুল অফিসটা বিলাতে তাই তাদের ড্রেস কোডের ধারনাটার মধ্যে এই জাব্বা জোব্বা নেই- জনৈক ধর্মপ্রান মুসলিম যিনি প্রচন্ড রকম ভাবে ধর্মপালন করেন, সুন্নাহ, ফরজ, নফল ওয়াজিব সবই পালনের চেষ্টা করেন। তিনি ঝোলা দাড়ি রেখে পাঞ্জাবি পড়ে অফিস করার অনুমতি প্রার্থনা করলেন, প্রার্থনা করলেন যেনো তাকে জোব্বা পড়ে অফিসে কাজ করার অধিকার দেওয়া হয়। অফিস রাজী হয় নাই- রাজি হওয়ার মতো কোনো কারন দেখে নাই-
ভদ্্রলোক মামলা ঠুকে দিলেন, ধর্মিয় বিভাজনের কারনে তাকে হেনেস্থা করা হচ্ছে- তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে তিনি ধর্মপ্রাণ বলে-
কথা হলো এই প্রথম ঘটনায় আপনার কাকে দোষি মনে হয়?
যারা পড়বেন তারা তাদের বিবেচনা মতো উত্তর দিবেন।
ঘটনা 2
প্রাইভেট ফার্ম। কর্মচারীর সংখ্যা কম, তবে অফিসের মালিক ভালো। কর্মচারীদের বাড়তি কাজ করান না। ঘড়ি ধরে 5 টার সময় সবাই ইচ্ছা করলেই বাড়ী যেতে পারে। কাউকে বসিয়ে রেখে জোড় করে কাজ করান না তিনি, তার 9টা -5টা অফিসের সময় তিনি তা পালন করেন।
মাসের প্রথম সপ্তাহে সবাইকে বেতন দেন- আদর্শ মালিক , তবে তিনি নিয়মানুবর্তি, তার একটাই কথা অফিসে যতক্ষন থাকবেন অফিসের কাজ করবেন। এইটুকু সময় আপনারা আমার কর্মচারি। এইখানে আপনাদের কাজ করার জন্য আমি পারিশ্রমিক দেই,এবং এই একটা জায়গায় আপনাদের সহায়তা এবং সততা দাবি করি আমি। আপনাদের যদি এই অফিসের নিয়ম পছন্দ না হয় আপনারা চলে যেতে পারেন।
অফিসে শোভন পোশাক পড়ে আসবেন আর যেটুকু সময় অফিসে থাকবেন অফিসের কাজ করবেন। 12টা থেকে 1টা লাঞ্চের সময় সে সময় আপনার লাঞ্চ করবেন নিজের মতো সময় কাটাবেন- সমস্যা বাধালো গুটিকয় ধার্মিক মানুষ। তাদের দাবি হলো যেহেতু তাদের জোহরের নামাজ পরতে হয় তাই তাদের জন্য 1 থেকে 2টা পর্যন্ত লাঞ্চ আওয়ার করতে হবে।
মালিক নীতিবান, তিনি রাজি হন নাই। আবারও মামলা- মামলায় অভিযোগ ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে-
প্রথম কারন জোহরের নামাজের ওয়াক্তের সময় তারা নামাজ পড়তে পারেন না।
2য় কারন তাদের এই নিয়মে আপত্তি ছিলো না যদি অফিসে একটা প্রার্থনা কক্ষ থাকতো।
তারা বিকল্প হিসেবে বলেছিলেন অফিসের ভেতরে আলাদা একটা প্রার্থনায় জায়গা তৈরির জন্য। মালিক তাদের বলেছেন অফিস কাজ করার জায়গা ধর্মপালনের জায়গা না। এই ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে বলে তারা সুবিচার চান। মালিকের কথাটার মধ্যে কোনো ভুল কি কেউ খুঁজে পেয়েছেন?
এই যে ধর্মপালনের নামে নৈরাজ্য এটাকে আবেগ দিয়ে বিচার করার কোনো প্রয়োজন কি আছে। এই 2টা ঘটনায় কি মানুষের ধর্মপালনের অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমনাদের মনে হয়। মনে হলে কেনো মনে হয় একটু যুক্তি দিয়ে বোঝান। না মনে হলে কেনো হয় নাই তাও যুক্তি দিয়ে বোঝান
এইটা একটা ঘটনা- হয়তো বাস্তব না, কিন্তু এই যে অফিসের নিয়ম কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা বা অফিস যে কাজের জায়গা এই বিষয়টাতে েঅহেতুক ধর্মের গোঁজামিল দিয়ে অনৈতিক সুবিধা দাবি করাটা উচিত কি অনুচিত।
বাংলাদেশের সরকারি অফিসের চালচিত্র এমনই, সেখানে মানুষজন 12টার দিকে লাঞ্চ ব্রেকে যায় 3টায় ফিরে আসে।
প্রতিটা সরকারি অফিসে আলাদা করে নামাজের জায়গা বানানো আছে-
কিন্তু প্রতিটা অফিসে কোনো মন্দির গীর্যা বা প্যাগোডা নেই- এবং এই সব অমুসলিম মানুষেরা বা যারা ধর্মপালন করেন না তাদের উপর অফিস টাইমে বাড়তি চাপ পড়ে- কারন তাদের ধার্মিকদের ধর্মপালনের জের টানতে হয়- এখন যদি বাংলাদেশ সরকার এইটা নিয়ম করে যে অফিসের নিয়মাবলীতে যা যা বলা আছে তা পালন করতে হবে- লাঞ্চ ব্রেক যদি 1টা থেকে 2টা হয় তাহলে সেই টুকু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ থাকবে আর যদি 12টা 1টা হয় তাহলে সেইটুকু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ থাকবে।
আসরের নামাজ পড়ার বিরতি নেই কোনো।
সরকারি অফিসে কোনো মসজিদ থাকবে না। কোনো ধর্মপালনের জায়গা থাকবে না- এই শুভ পরিবর্তনগুলো কে কিভাবে গ্রহন করবে।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৮
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
২. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: ধর্মপ্রান ভদ্রলোকরা (দুটো অফিসেরই) যখন চাকুরী নিয়েছিলেন, তখন কি তাদেরকে ওখানকার নিয়ম সম্পর্কে জানানো হয়েছিল ? ধরুন আমি যখন আমার অফিসে যোগ দিই, তখন ওখানকার চলাফেরার নিয়ম জানিয়ে হতে কাগজ ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল। আমাকে তাতে সই করতে হয়েছে ও তা পালন করতে বাধ্য।
এমন কোন কিছু শর্ত দিয়েছিলেন কি মালিকপক্ষ? নাহলে আমার মতে এ কর্মচারীরা মামলা করার অধিকার রাখেন বলে আমার মনে হয়। তবে বলে নিচ্ছি, আমি আইনজ্ঞ নই।
অতিথি বলেছেন: ধর্মপ্রান ভদ্রলোকরা (দুটো অফিসেরই) যখন চাকুরী নিয়েছিলেন, তখন কি তাদেরকে ওখানকার নিয়ম সম্পর্কে জানানো হয়েছিল ? ধরুন আমি যখন আমার অফিসে যোগ দিই, তখন ওখানকার চলাফেরার নিয়ম জানিয়ে হতে কাগজ ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল। আমাকে তাতে সই করতে হয়েছে ও তা পালন করতে বাধ্য।এমন কোন কিছু শর্ত দিয়েছিলেন কি মালিকপক্ষ? নাহলে আমার মতে এ কর্মচারীরা মামলা করার অধিকার রাখেন বলে আমার মনে হয়। তবে বলে নিচ্ছি, আমি আইনজ্ঞ নই।
৩. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: প্রথম:
ওই ভদ্রলোক যেভাবে পোশাক পড়তে চান তার সাথে আমার আপত্তি থাকত। "শোভন" মনে হত না। শিখরা যেভাবে দাড়ি রাখে অনেক সময়ই অফিসে একটু আউট অফ প্লেস মনে হতে পারে। কিন্তু ধর্মীয় অধিকার একটা গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। যদি এই কোম্পানী সেই অধিকার দিতে না পারে, তাহলে প্রথমেই পরিষ্কার বলে দেয়া উচিৎ, এই ড্রেস কোড ফলো করতে হবে, ধর্ম ফর্ম মানব না। কিন্তু মানবাধিকারের বুলি মুখে বলে পরে মানা হবে না এইটা হবে না।
2. আমি কোন কারণ দেখি না কেন লাঞ্চ টাইমেই অফিসের মুসলি্লরা নামাজ পড়তে পারবে না, বা পরে উসুল তুলে দিতে পারবে না খরচকৃত সময়ের। অবশ্যই দুই পক্ষকে রিজনেবল হতে হবে। একেবারেই এগ্রিমেন্টে পৌছানো সম্ভব না হলে অন্য চাকরি তো আছেই।
অতিথি বলেছেন: প্রথম:ওই ভদ্রলোক যেভাবে পোশাক পড়তে চান তার সাথে আমার আপত্তি থাকত। "শোভন" মনে হত না। শিখরা যেভাবে দাড়ি রাখে অনেক সময়ই অফিসে একটু আউট অফ প্লেস মনে হতে পারে। কিন্তু ধর্মীয় অধিকার একটা গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। যদি এই কোম্পানী সেই অধিকার দিতে না পারে, তাহলে প্রথমেই পরিষ্কার বলে দেয়া উচিৎ, এই ড্রেস কোড ফলো করতে হবে, ধর্ম ফর্ম মানব না। কিন্তু মানবাধিকারের বুলি মুখে বলে পরে মানা হবে না এইটা হবে না।
2. আমি কোন কারণ দেখি না কেন লাঞ্চ টাইমেই অফিসের মুসলি্লরা নামাজ পড়তে পারবে না, বা পরে উসুল তুলে দিতে পারবে না খরচকৃত সময়ের। অবশ্যই দুই পক্ষকে রিজনেবল হতে হবে। একেবারেই এগ্রিমেন্টে পৌছানো সম্ভব না হলে অন্য চাকরি তো আছেই।
৪. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
অবারিত বলেছেন: 1>অফিসটিতে যেহেতু কোড ড্রেস আছে সেহেতু সে অফিস জুববা মানতে নাই পারেন। এটা তাদের ব্যপার।ধমের ব্যপারে যদি সে ব্যক্তির ডিটারমিনাশন থাকে তবে সে অন্য কোথাও যেতে পারে। কেও ত তাকে ধম পালনে নিষধ করেনি।(যদি চাকুরি দেয়ার সময় পোশাকের কথা বলা হয়ে থাকে।)
না বলা হয়ে থাকে তবে সে মামলা করতে পারে।কারন তাকে বলা হয়নি।
2>এখানেও একই ব্যপার, নামাজে সমসসা হলে জব বাদ দিয়ে দিবে।বা মালিকের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটা সমাধানে আসতে হবে । তবে আমি জতটুকু জানি জ 12-30 টা তেই যোহর নামাজ পরা যায়।
অবারিত বলেছেন: 1>অফিসটিতে যেহেতু কোড ড্রেস আছে সেহেতু সে অফিস জুববা মানতে নাই পারেন। এটা তাদের ব্যপার।ধমের ব্যপারে যদি সে ব্যক্তির ডিটারমিনাশন থাকে তবে সে অন্য কোথাও যেতে পারে। কেও ত তাকে ধম পালনে নিষধ করেনি।(যদি চাকুরি দেয়ার সময় পোশাকের কথা বলা হয়ে থাকে।) না বলা হয়ে থাকে তবে সে মামলা করতে পারে।কারন তাকে বলা হয়নি।
2>এখানেও একই ব্যপার, নামাজে সমসসা হলে জব বাদ দিয়ে দিবে।বা মালিকের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটা সমাধানে আসতে হবে । তবে আমি জতটুকু জানি জ 12-30 টা তেই যোহর নামাজ পরা যায়।
৬. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
অতিথি বলেছেন: অবারিত হাদিস অনুযায়ি ঠিক 12টা 12টা 30এর আশে পাশে জোহর পড়ার নিয়ম নাই।
জোহর পড়তে হবে সূর্যপশ্চিমাকাশে খানিকটা ঢলে পড়লে। বাংলাদেশে 12টা 12টা 30এ সূর্য থাকে মাথার উপরে।
যদি বিশ্বাস না হয় এর পর 12টার দিকে আকাশের দিকে তাকায়া দেইখেন।
অতিথি বলেছেন: অবারিত হাদিস অনুযায়ি ঠিক 12টা 12টা 30এর আশে পাশে জোহর পড়ার নিয়ম নাই।জোহর পড়তে হবে সূর্যপশ্চিমাকাশে খানিকটা ঢলে পড়লে। বাংলাদেশে 12টা 12টা 30এ সূর্য থাকে মাথার উপরে।
যদি বিশ্বাস না হয় এর পর 12টার দিকে আকাশের দিকে তাকায়া দেইখেন।
৭. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
অতিথি বলেছেন: সরাসরি কোনো উত্তর নেই এ প্রশ্ন দু'টির।
কোন দেশের অফিস, কি ধরনের অফিস, কিরকম বেতন দেয়, কি ধরনের কাজ করতে হয়, কি রকম যোগ্যতা লাগে সেখানে কাজ করতে, কর্মীর সংখ্যা কত, মালিক কে ও তার উদ্দেশ্য কি, এসবের উপর নির্ভর করবে সেখানে কিরকম আইন-কানুন হবে।
কর্মচারির কাছ থেকে কাজ আদায়ের জন্য কর্মচারিকে সন্তুষ্ট রাখার একটা দায়ও আছে কতর্ৃপক্ষের। সুতরাং কতর্ৃপক্ষ তার সুবিধা-অসুবিধা বুঝেই সুতা ঢিলা দিবে বা টাইট দেবে।
সুতরাং প্রশ্নের উত্তর case by case আলাদা হবে।
অতিথি বলেছেন: সরাসরি কোনো উত্তর নেই এ প্রশ্ন দু'টির। কোন দেশের অফিস, কি ধরনের অফিস, কিরকম বেতন দেয়, কি ধরনের কাজ করতে হয়, কি রকম যোগ্যতা লাগে সেখানে কাজ করতে, কর্মীর সংখ্যা কত, মালিক কে ও তার উদ্দেশ্য কি, এসবের উপর নির্ভর করবে সেখানে কিরকম আইন-কানুন হবে।
কর্মচারির কাছ থেকে কাজ আদায়ের জন্য কর্মচারিকে সন্তুষ্ট রাখার একটা দায়ও আছে কতর্ৃপক্ষের। সুতরাং কতর্ৃপক্ষ তার সুবিধা-অসুবিধা বুঝেই সুতা ঢিলা দিবে বা টাইট দেবে।
সুতরাং প্রশ্নের উত্তর case by case আলাদা হবে।
৮. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: এক এক দেশে এক এক সময়!
নামাজের ব্যপারে ফ্লেক্সিবিলিটি কম না, জোহর আসর মিলিয়ে পড়ার সুযোগও আছে। নির্ভর করে পালনের সদিচ্ছার উপর। মানিয়ে চলার ইচ্ছার উপর।
অতিথি বলেছেন: এক এক দেশে এক এক সময়!নামাজের ব্যপারে ফ্লেক্সিবিলিটি কম না, জোহর আসর মিলিয়ে পড়ার সুযোগও আছে। নির্ভর করে পালনের সদিচ্ছার উপর। মানিয়ে চলার ইচ্ছার উপর।
৯. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: তীরন্দাজের কমেন্টা ফলো করলে দুইটা প্রশ্নের ই উত্তর খানিকটা পাওয়া যায়।
যখন চাকুরীতে ঢুকে কেউ, তখন অবশ্যই স্বাক্ষর করা থাকে বিভিন্ন নিয়ম কানুন মেনে চলার। এবং আমি যতদূর জানি, স্বাক্ষর করার আগে হিউম্যান রিসোর্স থেকে জিজ্ঞেস ও করা হয়, "আপনি সন্তুষ্ট কিনা, কিংবা কিছু বলার আছে কিনা"।
কিছু বলার থাকলে তখনই বলেন, হয় 'হাই' নয়তো 'বাই'। সব মেনে নিয়ে সাইন করে পরে ক্যাচাল করা তো কোন সত্যিকার ধার্মিকের কাজ না!
অতিথি বলেছেন: তীরন্দাজের কমেন্টা ফলো করলে দুইটা প্রশ্নের ই উত্তর খানিকটা পাওয়া যায়।যখন চাকুরীতে ঢুকে কেউ, তখন অবশ্যই স্বাক্ষর করা থাকে বিভিন্ন নিয়ম কানুন মেনে চলার। এবং আমি যতদূর জানি, স্বাক্ষর করার আগে হিউম্যান রিসোর্স থেকে জিজ্ঞেস ও করা হয়, "আপনি সন্তুষ্ট কিনা, কিংবা কিছু বলার আছে কিনা"।
কিছু বলার থাকলে তখনই বলেন, হয় 'হাই' নয়তো 'বাই'। সব মেনে নিয়ে সাইন করে পরে ক্যাচাল করা তো কোন সত্যিকার ধার্মিকের কাজ না!
১০. ২২ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
অবারিত বলেছেন: ঃ-)
12-30 টার পর সূয কিসুটা ঢলে পরে রাসেল। অনেক মাওলানাও একথা বলেন।ঠিক আমি নাহয় দেখে নেব কাল।
অবারিত বলেছেন: ঃ-) 12-30 টার পর সূয কিসুটা ঢলে পরে রাসেল। অনেক মাওলানাও একথা বলেন।ঠিক আমি নাহয় দেখে নেব কাল।
১১. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: কেউ শেষ প্রশ্নটার ুত্তর দিলো না। যদি আমাদের দেশের এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে হয় তাহলে সরকারী অফিসের কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে।
আমার অভিজ্ঞতা কম- শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রনালয় এবং 2টা শিক্ষাবোর্ডে ঘোরার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি- সেখানে মানুষজন স্বেচ্ছাচারী। যাদের যখন ইচ্ছা কাজ ছেড়ে বেড়িয়ে যাচ্ছে এবং নামাজ পড়ার অজুহাতে কাজ ফাঁকি দিচ্ছে- বোধ হয় সরকারী আইন করে এই নামাজজনিত দূর্ন ীতি সামাল দেওয়ার সময় এসেছে- শক্ত না হলে কোনো মতেই আসলে নিয়ন্ত্রন সম্ভব নয় স্বেচ্ছাচারিতা- একজনের কাজে অমনোযোগিতা অন্য সবাইকে হতোদ্যম করে।
অতিথি বলেছেন: কেউ শেষ প্রশ্নটার ুত্তর দিলো না। যদি আমাদের দেশের এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে হয় তাহলে সরকারী অফিসের কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে।আমার অভিজ্ঞতা কম- শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রনালয় এবং 2টা শিক্ষাবোর্ডে ঘোরার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি- সেখানে মানুষজন স্বেচ্ছাচারী। যাদের যখন ইচ্ছা কাজ ছেড়ে বেড়িয়ে যাচ্ছে এবং নামাজ পড়ার অজুহাতে কাজ ফাঁকি দিচ্ছে- বোধ হয় সরকারী আইন করে এই নামাজজনিত দূর্ন ীতি সামাল দেওয়ার সময় এসেছে- শক্ত না হলে কোনো মতেই আসলে নিয়ন্ত্রন সম্ভব নয় স্বেচ্ছাচারিতা- একজনের কাজে অমনোযোগিতা অন্য সবাইকে হতোদ্যম করে।
১২. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: ছলটা নামাজের, অসৎ কার্য করার পেছনে ধর্মের অজুহাত দেওয়া-
আমি নামাজের বিপক্ষে বলি নাই বলছি সরকারি অফিসে এই সুযোগটা বন্ধ করার কথা।
প্রথম কারনটা হলো এইটা ধর্মিয় কাজ বিধায় এইটার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোটা কঠিন- তাই কেউ নামাজের অজুহাতে ফাঁকি দিলে তাকে দোষারোপ করতে চায় না কেউ ইশ্বরকে নাখোশ করার ভয়ে। এবং এই নামাজ পড়ার অজুহাত দিয়ে অনেকেই ফাঁকি শুরু করে এবং এই প্রবনতার ফলে সবাই ফাঁকির সুযোগ পায়- যদি নামাজের অজুহাত বাতিল ঘোষণা করা হয় তাহলে আর কিসের অজুহাতে ফাঁকি দিবে বলেন?? অন্য কোনো সময়ক্ষয় করা অজুহাত তো নাই।
অতিথি বলেছেন: ছলটা নামাজের, অসৎ কার্য করার পেছনে ধর্মের অজুহাত দেওয়া-আমি নামাজের বিপক্ষে বলি নাই বলছি সরকারি অফিসে এই সুযোগটা বন্ধ করার কথা।
প্রথম কারনটা হলো এইটা ধর্মিয় কাজ বিধায় এইটার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোটা কঠিন- তাই কেউ নামাজের অজুহাতে ফাঁকি দিলে তাকে দোষারোপ করতে চায় না কেউ ইশ্বরকে নাখোশ করার ভয়ে। এবং এই নামাজ পড়ার অজুহাত দিয়ে অনেকেই ফাঁকি শুরু করে এবং এই প্রবনতার ফলে সবাই ফাঁকির সুযোগ পায়- যদি নামাজের অজুহাত বাতিল ঘোষণা করা হয় তাহলে আর কিসের অজুহাতে ফাঁকি দিবে বলেন?? অন্য কোনো সময়ক্ষয় করা অজুহাত তো নাই।
১৩. ২৪ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
মদন বলেছেন: রাসেল
ঠিক নামাজ পড়ার অজুহাতে কাজ ফাকি দিচ্ছে এটা বোধহয় ঠিকনা। দুর্জনের ছলের অভাব হয়না। তারা যেকোন বিষয়কেই অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করবে। আমাদের গলদতো গোড়াতে। আমাদের শিক্ষায় নৈতিকতা নাই, দেশ প্রেম নাই। সবকিছুর দোষ আপনি নামাজের উপর চাপিয়ে দিলেন কেন?
তারা দেশ প্রেমিক নয়
তারা সৎ নয়
তারা শিক্ষিত নয়
এই দোষগুলির উপরে চলে এলো নামাজ?
মদন বলেছেন: রাসেলঠিক নামাজ পড়ার অজুহাতে কাজ ফাকি দিচ্ছে এটা বোধহয় ঠিকনা। দুর্জনের ছলের অভাব হয়না। তারা যেকোন বিষয়কেই অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করবে। আমাদের গলদতো গোড়াতে। আমাদের শিক্ষায় নৈতিকতা নাই, দেশ প্রেম নাই। সবকিছুর দোষ আপনি নামাজের উপর চাপিয়ে দিলেন কেন?
তারা দেশ প্রেমিক নয়
তারা সৎ নয়
তারা শিক্ষিত নয়
এই দোষগুলির উপরে চলে এলো নামাজ?
১৪. ২৪ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
অতিথি বলেছেন: নামাজের সময়টা বাতিল করবে? তাহলে কারো অধিকারে হস্তক্ষেপ হবে না?
হাউ এবাউট:
1. নামাজের জন্য 15 মিনিট সময় বেধে দেয়া, এর বেশি লাগার কথা না, লাগলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
2. যারা নামাজ পড়বে তারা এই 15/20 মিনিট পরে পুষিয়ে দিবে।
এই অবস্থায় নিশ্চিত হবে নামাজের কথা বলে কেউ ফাঁকি দিচ্ছে না। আমাদের দেশের মানুষের ফাঁকিবাজি/ দুনর্ীতি এতেই খতম হয়ে যাবে? বাহ, দারুণ তো!
অতিথি বলেছেন: নামাজের সময়টা বাতিল করবে? তাহলে কারো অধিকারে হস্তক্ষেপ হবে না?হাউ এবাউট:
1. নামাজের জন্য 15 মিনিট সময় বেধে দেয়া, এর বেশি লাগার কথা না, লাগলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
2. যারা নামাজ পড়বে তারা এই 15/20 মিনিট পরে পুষিয়ে দিবে।
এই অবস্থায় নিশ্চিত হবে নামাজের কথা বলে কেউ ফাঁকি দিচ্ছে না। আমাদের দেশের মানুষের ফাঁকিবাজি/ দুনর্ীতি এতেই খতম হয়ে যাবে? বাহ, দারুণ তো!
১৫. ২৪ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
মদন বলেছেন: আপনি বোধহয় সরকারী অফিস সম্পর্কে খুব কম জানেনন।
আমি এরকম লোককেও দেখেছি অফিস আওয়ারে বাইরে ঘুরে আর ওভারটাইমের সময় চেয়ারে পাওয়া যায়।
আর নামাজের টাইম বলে অফিসে কিছু নাই থাকে লাঞ্চ আওয়ার।
আর অজুহাতের কথা বলছেন?
বললাম না দুর্জনের ছলের অভাব হয়না। দুপুরে খাবার নাম করে ফাকি দিবে। বিকেলে টি ব্রেকের কথা বলে ফাকি দিবে।
আপনি ফাকি বন্ধের উপায় বলতে পারেন কিন্তু নামাজের অজুহাতে ফাকি দেয় বলে কি নামাজ পড়া যাবেনা? যারা অপরাধ করে তারা তো করেই কিন্তু যারা ধর্মপ্রান তারা কি নামাজ পড়বেনা?
মদন বলেছেন: আপনি বোধহয় সরকারী অফিস সম্পর্কে খুব কম জানেনন।আমি এরকম লোককেও দেখেছি অফিস আওয়ারে বাইরে ঘুরে আর ওভারটাইমের সময় চেয়ারে পাওয়া যায়।
আর নামাজের টাইম বলে অফিসে কিছু নাই থাকে লাঞ্চ আওয়ার।
আর অজুহাতের কথা বলছেন?
বললাম না দুর্জনের ছলের অভাব হয়না। দুপুরে খাবার নাম করে ফাকি দিবে। বিকেলে টি ব্রেকের কথা বলে ফাকি দিবে।
আপনি ফাকি বন্ধের উপায় বলতে পারেন কিন্তু নামাজের অজুহাতে ফাকি দেয় বলে কি নামাজ পড়া যাবেনা? যারা অপরাধ করে তারা তো করেই কিন্তু যারা ধর্মপ্রান তারা কি নামাজ পড়বেনা?
১৬. ২৫ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
অতিথি বলেছেন: যারা ধর্মপ্রাণ তাদের সাইনবোর্ড ঝুলায়া নামাজ পড়তে দেখিনি আমি-তারা নিজেদের দায়িত্বে অফিসের সাথেই জায়গা করে নামাজ পড়ে ফেলে।
আর আপনার মানুষের সম্পর্কে ধারনাটা সঠিক না।
ধার্মিক তাও সত্যিকারের-এই বাংলাদেশে যেই কয়জনা আছে তাদের জন্য ব্যাতিক্রম করার কোনো প্রয়োজন নেই।
যারা ফাঁকিদেয় তারা যদি এই শক্ত আইন দেখে টাহলে অন্য কোনো অজুহাতে ফাঁকি দেওয়ার আগে 2 বার ভাববে।
অতিথি বলেছেন: যারা ধর্মপ্রাণ তাদের সাইনবোর্ড ঝুলায়া নামাজ পড়তে দেখিনি আমি-তারা নিজেদের দায়িত্বে অফিসের সাথেই জায়গা করে নামাজ পড়ে ফেলে। আর আপনার মানুষের সম্পর্কে ধারনাটা সঠিক না।
ধার্মিক তাও সত্যিকারের-এই বাংলাদেশে যেই কয়জনা আছে তাদের জন্য ব্যাতিক্রম করার কোনো প্রয়োজন নেই।
যারা ফাঁকিদেয় তারা যদি এই শক্ত আইন দেখে টাহলে অন্য কোনো অজুহাতে ফাঁকি দেওয়ার আগে 2 বার ভাববে।


এখানে মালিকের সাথে মিচুয়ালের মাধ্যমে নামাজের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। মালিক যদি রাজি না হয় তাইলে যেখানে গেলে নামাজের ব্যবস্থা করা যাবে সেখানে যাওয়া ভাল।
এটা আমার মত।