সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

চটির অদ্যোপান্ত - কিংবা যৌনতা বিষয়ক আলাপন

ফ্রেন্ডসের একটা ডায়লোগ ছিলো " আই ফেক মাই অর্গাজম"- মানুষের যৌনহতাশা বা সঙ্গীনিকে তৃপ্ত করতে ব্যর্থ হওয়ার ধারনাটার বেশ ব্যাবসায়িক শক্তি আছে। কিংবা যৌনতার পণ্যায়ন ঘটার পর থেকেই মানুষের ভেতরে একটা বিকল্প সংবাদ পৌঁছে যাচ্ছে কি না এটাও বিবেচনা করা যায় এখানে। কোনো এক দিন দুপুরে এপার্টমেন্টে বসে ছিলাম, হঠাৎ শুনলাম বিকট শীৎকার, গা শিউরে উঠার মতো প্রাণপন শীৎকারের উৎস সন্ধান করার নাগরিক অসভ্যতা করতে ইচ্ছা হলো না। তবে মানুষের ভেতরে সঙ্গমে কাঁদার বাসনাও কাজ করে তাই শাহবাগের মাঝে একটা লিপি ডিশ যৌনশক্তিবর্ধক ওষুধালয়ের দরজায় লেখা বিজ্ঞপনে চোখ আটকে যায়। রমনে রমনী নয় নরগন সেরা -প্রমান করিবো আমি শাকমধু দ্্বারা। বাংলাদেশের মানুষের প্রধান সমস্যা আসলে পুরুষত্বহীনতা এমনটাই আমার বিশ্বাস। ফার্মগেটের সামনের মজমা থেকে শুরু করে গুলিস্তানের বাসের ধোঁয়ার ভীড়েও একই বিষয়ে নিয়ে বানিজ্য চলছে। বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানী উত্থানসহায়ক ভায়াগ্রা তৈরি করেছেন। এমন কি শিশ্নের আকার বর্ধণের নানাবিধ রঙ্গিন বিজ্ঞাপনের জগতে এসে মনে হয় এখন সবচেয়ে বড় বানিজ্য যৌনতার বানিজ্য।
মানুষ যৌনতা উপভোগ করে, সন্তান উৎপাদন নিমিত্তে উপগত হওয়ার বিবর্তনবাদী ধারনা এখন বিবর্তিত হয়ে উপভোগ্য তাই উপগত হই এখানে উপস্থিত হয়েছে।
অনাকাংক্ষিত গর্ভধারন থেকে নিরত থাকতে বিভিন্ন নিরোধ ব্যাবস্থার বিপনন চলছে। যদি মানুষের একমাত্র লক্ষ্য হতো অনাকাংক্ষিত গর্ভধারন রোধ করা তবে সাইকেলের টিউব লাগিয়েই মানুষ সঙ্গম করতো, তবে সঙ্গম থেকে মানুষের ভিন্ন প্রত্যাশাও আছে। তাই তারা সঙ্গমজনিত সুখের দাবীতে বিভিন্ন উন্নত মানের নিরোধ ব্যাবহার করে। কোনোটা উত্থান দীর্ঘস্থায়ী করে, কোনোটা সঙ্গমসুখ বাড়ায়, কোনোটা একেবারেই প্রাকৃতিক আস্বাদন দেয়। আমি হঠাৎ একবার একটা জরিপে অংশগ্রহনের অনুরোধ পেয়েছিলাম, কোনো একটা নিরোধ কোম্পানির জরিপ। তারা আদের প্রশ্নে মানুষের নিরোধজনিত প্রত্যাশার বিভিন্ন আঙ্গিক নির্ধারন করেছিলো বলেই এখন নিরোধকে সামান্য রাবারের দস্তনা মনে হয় না। তবে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটা ছিলো শিশ্নের আকার সমন্ধিত। তাদের মতে বাজারে এখন যে মাপকে প্রামান্য ধরে নিরোধ বানানো হয় তা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়, কারো ছোট হয় কারো ঢলঢলে হয়ে যায়, এই সমস্যানিরসনকল্পে তারা সবার শিশ্নের আকার জানতে চাইছে- তাদের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তারা এমন একটা মাপের নিরোধ বানাবে যা" ওয়ান সাইজ ফিটস অল, মিটস এভরি ওয়ানস নিড" হিসেবে বাজারে আসবে এবং তারা বাজার দখল করতে পারবে। মর্ণিং আফটার পিল, নিয়মিত পিল এমন অনেক জন্মনিয়ন্ত্রনের পিল আছে বাজারে। যদিও অভিযোগ আছে এসব কোম্পানি তৃতীয় বিশ্বের নারীদের গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করছে তাদের এসব নিরিক্ষায়। তাই বাংলাদেশে যে পিল পাওয়া যায় 20 টাকায় তার দাম আমেরিকার বাজারে 28 ডলার।
তবে নিরোধ জনিত যৌন্য পণ্যায়নের বাইরেও যৌনলীলা বিষয়ক বিভিন্ন স্থিরচিত্র এবং চলচিত্রের দর্শকচাহিদা আছে। বিভিন্ন রকম পরিভাষার আড়ালে আসলে তা মোটামুটি সবার বিকৃত এবং সুরুচি সম্পন্ন যৌনচাহিদা পুরন করে। "যারে দেখলে যোনা দাঁড়ায় না তার লগে প্রেম হয় না" এমন বৈপ্লবিক ধারণাসম্বলিত বন্ধুর বক্তব্য প্রামান্য না ধরেও বলা যায় যৌনকামনা উদ্্রেক করে এমন যৌনআবেদনময়ী ছবিই বাজারে বিক্রি হবে। তবে সকল মানুষের যৌনকামনা তার নিজস্ব নির্মান। প্রতিটা মানুষই তার নিজস্ব যৌনচাহিদা পূরন করে এমন মেয়েদের দেখলেই কামনাগ্রস্ত হয়। এর নির্দিষ্ট শ্রেণীগত চেতনাও আছে।
বিবর্তনবাদী ধারনায় পুরুষ যৌনউত্তেজক ভাবে উর্বরা মেয়েদের। এবং যেসব মেয়ের পুরুষ্টু ঠোঁট এবং সুডৌল চিবুক তা আসলে তাদের উর্বরতার পরিচায়ক- এমন মেয়েদের মোটামুটি সাধারন মানুষ যৌনদেবী ভাবে। আর মেয়েদের যৌনকামনা অনেকটা তার ডিম্বানুচক্রের সাথে সম্পর্কিত। এটা একটা 4 সপ্তাহের চক্র। যখন ডিম্বানু পরিপুষ্ঠ এবং তা আগামি 2 দিনের ভেতরে জরায়ু চলে আসার একটা সম্ভবনা তৈরি হয় তখন উগ্র পুরুষালী চেহারার মানুষকে দেখলে মেয়রা কামনাগ্রস্থ হয়। আবার এই চক্রের শেষ ভাগে যখন ডিম্বানু জরায়ুতে আসার সময় হতে আরও 2 থেকে 3 সপ্তাহ বাকী তখন কোমল সহৃদয় পুরুষদের প্রতি যৌনআকর্ষণ বোধ করে মেয়েরা। স্রাব শুরু হওয়ার পরবর্তি 2 সপ্তাহ তার পুরুষালী চেহারার পুরুষকে কাম্য বোধ হতে থাকে এবং শেষ 2 সপ্তাহে তাদের পক্ষপাতিত্ব কোমল চেহারার পুরুষদের প্রতি। তবে মানুষের সামগ্রিক সামাজিক অভিজ্ঞতাও কাংক্ষিত যৌনসঙ্গি বাছাইয়ে ভুমিকা রাখে। এমন সব মানসিক এবং শাররীক কারনে প্রতিটা মানুষের নিজস্ব যৌনতার দেবীর শরীর এবং মানসিকতার পার্থক্য চলে আসে। হুমায়ুন আজাদের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রিকশাওয়ালা শ্রেনীর নাগরিকেরা চর্বিদার মাংসল মেয়েদের যৌনদেবী ভাবে।তাই বাংলা সিনেমার নায়িকাদের দর্শকচাহিদা পুরনের জন্য এমন বিকট আকার ধারন করতে হয়। তবে সকল বাঙালীই যে স্থুল শরীর দেখলেই যৌনকামনাগ্রস্থ হয়ে যায় এমন না। তাই মাধুরী কিংবা বিপাশা কিংবা জিনাত আমান কিংবা এমন অনেক নাম ও চেহারার মানুষের যৌনাবেদন নিয়ে প্রতিযোগিতা চলে। তাদের ছবির বানিজ্য এসব কারনেও বাড়ে কমে। এমন কারনেই চলচিত্রেও চরিত্রগুলোর শাররীক আকার, চেহারার ভঙ্গি বিভিন্ন রকম হয়। সবার সকল যৌনচাহিদা পুরনের দায় নিয়ে চলছে যৌনতার বানিজ্য। আমার নিজস্ব ধারনায় বিকৃত যৌনতা এবং শোভন যৌনতার ছবিও আছে। আমি স্বভাবতই আমার কাছে যা বিকৃত মনে হয় সেসব যৌনতার ক্রেতা নই তবে সবার চাহিদা পুরনের জন্য সেসবের বানিজ্যিক গুরুত্ব অস্বিকার করতে পারি না। মর্ষকামের ভয়ংকর চিত্রায়নের একটা ছবি আছে - এইট মিলিমিটার- যেখানে বিকৃত মর্ষকাম ছিলো একজনকে অত্যাচার করে মেরে ফেলার দৃশ্য দেখে যৌনপরিতৃপ্তি পাওয়া। কিছু মানুষ ধর্ষণাকাঙ্খি। তাই ধর্ষণদৃশ্যের চিত্রায়ন ঘটে।মানুষ বয়স্ক মহিলাদের দেখে যৌনকামনা বোধ করে, তাই তাদের সাথে সঙ্গমের সবাকচিত্রায়ন আছে। যেহেতু সবাই সব রকমের যৌনতার চাহিদা পুরন করতে পারবে না তাই সবার পরিতৃপ্তির বিকল্প হিসেবে সে চাহিদা পুরিত হচ্ছে এমন ছবি পাওয়া যাবে বাজারে। মোদ্দা কথা হলো মানুষ যত ভাবে যত প্রকারে নিজেকে সঙ্গমলিপ্ত দেখতে চায় সেসব দৃশ্যের স্থির এবং চলমান চিত্র সে পাবে বাজারে। যৌনতার পণ্যায়ন এমন মাত্রায় ঘটেছে।
এবং এই চলচিত্রই হয়তো আমাদের ভেতরে যৌনঅক্ষমতার ধারনাও ঢুকিয়ে দেয় অগোচরে। যেমন মাত্রার শীৎকার ছবিতে শুনে অভ্যস্ত সেই একই মাত্রার শীৎকার নিজের বিছানায় না শুনলে নিজেকে পরিতৃপ্তি দানে অক্ষম এমন বিষন্নতাগ্রস্থতায় আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যাও কম নয়।
হঠাৎ মনে হচ্ছে আসলে কোনো পুরুষই নিজস্ব যৌনসক্ষমতা বিষয়ে ঠিক নিশ্চিত নয়।সবাই কোনো না কোনো ভাবে নিজেকে দুর্বল ভাবে তাই ঢাকা শহরের রাস্তায় মজমা জমে, জোঁকের তেল, মৃগনাভী, বাঘের বীচি, মলম, হালুয়া, কামাখ্যার শেকড়, শ্র ীপুরের ট্যাবলেট, মঘা ইউনানীর মালিশ আর সেবনযোগ্য পানীয় সব কিছুই ভালো ব্যাবসা করছে। এখন ভায়াগ্রা তৈরি হয়েছে, বিভিন্ন যোগাসন যৌনশক্তিবর্ধক এমন মত প্রচলিত হওয়ার পর সেই সব যোগাসন চর্চা করা পুরুষের সংখ্যাও বেড়েছে।
এবং কেউ নিজের শিশ্নের আকার নিয়েও তৃপ্ত নয়, তাই আকার বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন শল্য চিকিৎসা এবং যন্ত্র ব্যাবহারের হুজুগও তৈরি হয়েছে। তবে সঙ্গিনি তৃপ্তি দিতে না পারার এই মানসিক ও শাররীক আক্ষেপের 95% না কি মানসিক। তবুও যৌনতার পণ্যায়নে আবারও সেই উক্তিতে ফিরে আসি- আই ফেক মাই অর্গাজম।


সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০




  • ৪৩ টি মন্তব্য
  • ৯১৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫২
অতিথি বলেছেন: আই ফেক মাই অর্গাজমের উপরে টিকে আছে বৃহদাংশ দলিল সমৃদ্ধ নর-নারী সম্পর্ক, এটা আমি নিশ্চিত, অন্য আরো অনেক কারণ জরিত বলে। তবে বিষয়টা তাৎপর্যপূর্ণ। চমৎকার একটা লেখা। দারূণ বিশ্লেষণ।
২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৭
৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৯
৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:০০
অতিথি বলেছেন: ভায়াগ্রার আগে শ্রীপুরের বড়ি টেস্ট করা উত্তম।


পড়লাম। ঝড়ের বেগে। একবার ডর্মে আমার পাশের রুমে 2 মাসের জন্য এক ইন্ডিয়ান পোলার লগে এক চাইনিজ মাইয়া ছিলো। ওয়ালও খুব বেশি সাউন্ডপ্রুফ ছিলো না। দিন আর রাত নাই...
৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:০৫
অতিথি বলেছেন: একটা কৌতুক বলি। একবার একটা ছেলে ফার্মেসীতে গিয়ে 4টা ভায়াগ্রা চাইল। ফার্মেসিস্ট তো অবাক, চারটে! ছেলেটে বললো, আগামীকাল আমার বার্থডেতে চারটে গার্লফ্রেন্ডকে ইনভাইট করেছি, সবাইকে স্যাটিসফাই করতে হবে, সেজন্য চারটেই লাগবে। দোকানদার ভায়াগ্রা দেয়ার পরে অনুরোধ করে বললো, পরশু একটু আমাকে জানিয়ে যেও কোন সমস্যা হলো কিনা!


তারপর এক সপ্তাহ পরে ছেলেটির সাথে দোকানদারের দেখা। ছেলেটির ডান হাত বেন্ডিজ করা। উদগ্রীব ফার্মেসিস্ট জানতে চাইলো কি ব্যাপার, সেদিন কি হলো, হাত ভাংগলো কিভাবে।


ছেলেটি বললো, আমি তো চারটে ভায়াগ্রা খেয়ে অপেক্ষা করছিলাম গার্লফ্রেন্ডদের জন্য। কিন্তু সবাই ডেট মিস করেছে। তারপরে হাত দিয়ে সারতে গিয়ে এ অবস্থা।
৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:০৫
আলভী বলেছেন: আই ফেক মাই অর্গাজম - ডায়লগটা কার যেন ছিল - মনিকা?


জটিল পোস্ট - অনেক জ্ঞান অর্জন করলাম।
৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
১০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:১৫
অতিথি বলেছেন: সম্ভবত মনিকাই। ডায়লগটা শুনেছি। কোন পর্বে সেটা মনে পড়ছে না।
১১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:১৬
১২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:২৪
১৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৪
সাখাওয়াৎ বলেছেন: আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সংস্কৃতি।বাঙ্গালী সংস্কৃতিতে যৌনতা ততটা উন্মুক্ত নয় যতটা ইউরোপে,তার সাথে শিক্ষাটাও।যার ফলে মলম,শেকর-বাকর,তেল আরো কত কি..... ।যাই হোক, খুব ভালো হইছে।
১৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৬
অতিথি বলেছেন: চোর কথা শেষ কর । দিন্নেই রাত্নেই ..তার্পর্কি?
১৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৯
১৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৪২
১৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৭
যীশূ বলেছেন: আসলে যৌনতা বিষয়টা অন্যান্য অনুভুতির মতই মানষিক। তাই একে কোন পরিমান দিয়ে নির্দিষ্ট করা যায় না বলেই এই অতৃপ্তি। তার উপর আছে প্রচুর ভুল ধারনা। যা হোক লেখাটা ভালো লেগেছে।
১৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৭
অতিথি বলেছেন: দ্যাশে গিয়া ফারোমগেট আর গুলিস্তানে ঘুরতাছেন মিয়া? হের লাইগাই তো কই, আপনের পাত্তা নাই ক্যান?


লেখা জটিল হইছে, কারণ বিষয়টাই জটিল।
২০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮
অতিথি বলেছেন: সম্পূর্ণটা পড়লাম । তবে কিছু বুঝলেও,
কি রকম মন্তব্য করব তা ধরতে পারছি না ।
২১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৩৩
লাল মিয়া বলেছেন: বিজ্ঞাপন গুলা কিন্তু সেরম ! যেমন...একটা ছিল.. এই বটিকা সেবনে ৬৪ বছরের বৃদ্ধকে ২৪ বছরের যুবার নছায় বলশালী করিবে...দিনে ৪-৫আর সং্গমেও লিং্গ টলিবেনা..স্ত্রীলোক মন্তচমগ্ধের ন্যায় পায়ে পায়ে ঘুরিবে..
২২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৩৩
২৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৪৫
অতিথি বলেছেন: বদ্দা, তারপর আর কইয়েন না। হালায় খালি শীৎকার শুনি। চোরায় মোটামুটি ভদ্্রলোক হইলেও ওই শীৎকার শুইনা মাথা ঠিক রাখতে পারে নাই। ওয়ালে টাক দিতাম। থামতো। আবার 5 মিনিটের মধ্যে...2ডা মাস বহুৎ খতরনক গেছে। হালার পুত আর চাঙ্কু মাইয়া আবার বেজায় ভালো বিহেভ করতো। সামনা-সামনি তাই কিছু কইতাম না।


তো, দেখা গেলো আমাদের থালা-বাটি-চামচ-গ্লাস কমতেছে। রান্না করতে গিয়া পাতিল খুঁইজা পাই না। কারণ আবিষ্কৃত হলো ওরা যাওয়ার পর। সব জিনিসপত্র নিজেগো রুমে নিয়া রাখছে আর লাগালাগিতে এতোই বিজি ছিলো যে, ওইগুলা ওয়াশ করার মতো টাইম বের করতে পারে নাই।
২৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫০
২৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০২
হযবরল বলেছেন: ওভারব্রীজের নীচের ব্যবসাদারদের পেটে লাথি মারলেন।
১৮, ২৩ না কি ২৮ এটার একটা তুলনামূলক আলোচনা শুরু করবার কথা।
২৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:২০
অতিথি বলেছেন: বিশ্বে যৌনতার ব্যবসা সবচে প্রফিটেবল; অহন এক এক দেশে এক এক ভাবে হয়। আমাদের দেশের অওকাত ঐ মঘা ইঊনানী তেই।
২৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১
অতিথি বলেছেন: ভালোই লাগলো। মানসিক ভাবেই কিছু লোক নিজেকে পরিপূর্ন মনে করে না।
আমি প্রবাসী, প্রবাসে এক সময় আমার এক ফার্মসিষ্ট বন্ধুর কল্যানে মাঝে মাঝে ওর ফার্মাসিতে বসতাম। গল্প গুজবের সময় কিছু লোক আসত যারা নিজেদের সামর্থবান মনে করতো না।
ফার্মসিষ্ট তার ব্যবসার জন্য এ ঔষধ ও ঔষধ দিয়ে পকেট কাটতো। আর বলতো, দেখ কি বোকা। আসলে ওদের সমস্যা হচ্ছে মনে। কারন অনেক দিন যাবৎ স্বাভাবিক জীবনের স্বাধ থেকে দুরে থাকলে এমনিতেই মনে হয়, আমি আর আগের মতো নেই। এবং এটা এক সময় ওরা বিশ্বাস করতে শুরু করে। আর তাতেই ফার্মসিষ্টের পকেট গরম।।।
২৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৯
হারাধন বলেছেন: ধনেশ পাখীর তৈল ভায়াগ্রার চেয়ে পাওয়ারফুল। আমি হারাধন আমি জানি।
২৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৮
অতিথি বলেছেন: যৌনশক্তিবর্ধক নানারকম ব্যায়ামের জন্য !@@!264720 লিংকটা দেখতে পারেন।
৩০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৬
হারাধন বলেছেন: Sex is like candy, you never can have enough and you can always feel you can do better. It is a hunger issue and obviously that keeps us going
৩১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৬
হারাধন বলেছেন: Sex is like candy, you never can have enough and you can always feel you can do better. It is a hunger issue and obviously that keeps us going
৩২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৮
৩৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
৩৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩১
৩৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৪
৩৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৯
৩৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪০
হযবরল বলেছেন: তা আর বলতে , একেবারে সব রীতিনীতি ভেঙ্গে, উঠেপড়ে
৩৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪১
৩৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪১
৪০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
৪১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
৪২. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯
৪৩. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:১১

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন