একটু অন্যরকম"এর সাথে আমার পরিচয় 97এর শেষের দিকে, আমাদের এক বন্ধু মারুফ সিদ্ধেশ্বরি ছেড়ে শান্তি নগর বাজারের পেছনে চলে যাওয়ার পর, তার সাথেই প্রথম যাওয়া সেই দোকানে, চায়ের দোকান বলতে যা বোঝায় আদতেই তাই এটা তবে বাহারে অনন্য, দোকানের সামনে গাছের গুড়ি, খড়ের ছাউনি দিয়ে সাজানো দোকানের চারপাশে বিমুর্ত সব ভাস্কর্যের মতো জিনিষপত্র রাখা,ভালোলাগা ভালোবাসাটা তাৎক্ষনিক হয়ে যায়, এর পরে বিভিন্ন সময় সেখানে যাওয়া হয়েছে, ছেদ পড়লো মারুফ শান্তিনগর ছেড়ে যাওয়ায়, আমারও শান্তি নগর আসলাম 2002এর প্রথম দিকে, তখন নতুন উদ্যমে আবার শুরুএই ভালোবাসার, তবে তখন শহর বড় হচ্ছে, মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে উপরের দিকে, আমাদের ইসলাম গ্রুপ অনেক জায়গা কিনেছিলো এই শান্তি ন গর সিদ্ধেশ্বরি এলাকায়, তারা সেখানে একের পর এক 10 তলা 12 তলা দালান হাকাচ্ছে, এরই কাঁটা ছেড়ায় একটু অন্য রকম কাটা পড়লো, সেই খড়ের ছাউনি নেই, গাছের গুড়ি নেই, তবে দোকানটা আছে, দোকানের গাণজাখোর চাচা মিয়া আছে, আছে আরও নানা রকম চরিত্র যারা এই দোকানের সাথে কোনো না কোনো ভাবে জড়িত, আমার মতোপ্রেম ভাব নিয়ে কিংবা বিদ্্বেষ নিয়ে, সেখানেই আমাদের সাপ্তাহিক আড্ডার একটা বড় সময় কাটতো, কার্জন হলে জাহাঙ্গির ভাইয়ের দোকান, শান্তিনগরে একটু অন্যরকম, আনার কলির পেছনে একটা চায়ের দোকান ছিলো সেখানে সকালে বসে চা সিগারেট, এইসব চা সিগারেটের জন্য অনেক রকম জায়গায় গিয়ে বসা হয়েছে,
সব কিছুই শেষ হয়, ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন, আজ আসলাম, এসে দেখলাম সব উধাও, পৃথিবীর নিয়মটাই এরকম।
ঢাকা শহর বড় শহর, নিয়মিত বাড়ছে, আমার ভালোলাগার জায়গাগুলো খুন হচ্ছে প্রতিদিন, আনার কলির পেছনের সেই দোকান খুঁজতে গিয়ে দেখলাম উন্নয়নের স্রোতে সেটাও ভেসে গেছে, সেটার উলটা পাশে একটা ছাপড়া হোটেল ছিলো, 1 টাকার সমুচা পাওয়া যেতো 2002-2003 সালেওম আর সমুচার স্বাদও ভালো ছিলো, সেটাও হারিয়ে গেছে উন্নয়নের জোয়ারে, তাই আপাতত কোনো অতীত আড্ডার জায়গায় যাওয়ার আগ্রহ পাচ্ছি না।
ঢাকা শহরের সেলুন, মানে আমার মতো হতদরিদ্্রের চুল দাড়ি ফেলানোর জায়গা, ক্রমশ সংকুচিত, বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, গত 3 দিন সিদ্ধেশ্বরীর যে গলিতে আমি থাকি তার আশে পাশে ঘুরলাম, পেলাম না, আজ আসলাম শান্তিন গরের আগের আড্ডার জায়গায় ওখানে আগে 5টা সেলুন ছিলো, তবে তার 3টা নিহত, 1টার রিনোভেশন চলছে, অন্যটাতে কারিগর একজন, তার হাতের কাজ শেষ হবে 1 ঘন্টা বাদে, দেখি চেষ্টা করে কি হয়।
সব কিছুই শেষ হয়, ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন, আজ আসলাম, এসে দেখলাম সব উধাও, পৃথিবীর নিয়মটাই এরকম।
ঢাকা শহর বড় শহর, নিয়মিত বাড়ছে, আমার ভালোলাগার জায়গাগুলো খুন হচ্ছে প্রতিদিন, আনার কলির পেছনের সেই দোকান খুঁজতে গিয়ে দেখলাম উন্নয়নের স্রোতে সেটাও ভেসে গেছে, সেটার উলটা পাশে একটা ছাপড়া হোটেল ছিলো, 1 টাকার সমুচা পাওয়া যেতো 2002-2003 সালেওম আর সমুচার স্বাদও ভালো ছিলো, সেটাও হারিয়ে গেছে উন্নয়নের জোয়ারে, তাই আপাতত কোনো অতীত আড্ডার জায়গায় যাওয়ার আগ্রহ পাচ্ছি না।
ঢাকা শহরের সেলুন, মানে আমার মতো হতদরিদ্্রের চুল দাড়ি ফেলানোর জায়গা, ক্রমশ সংকুচিত, বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, গত 3 দিন সিদ্ধেশ্বরীর যে গলিতে আমি থাকি তার আশে পাশে ঘুরলাম, পেলাম না, আজ আসলাম শান্তিন গরের আগের আড্ডার জায়গায় ওখানে আগে 5টা সেলুন ছিলো, তবে তার 3টা নিহত, 1টার রিনোভেশন চলছে, অন্যটাতে কারিগর একজন, তার হাতের কাজ শেষ হবে 1 ঘন্টা বাদে, দেখি চেষ্টা করে কি হয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:০২
অতিথি বলেছেন: শুধু চুল হলে ঠিক আছে।
অতিথি বলেছেন: শুধু চুল হলে ঠিক আছে। ২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:০৩
তিমুর বলেছেন: নগর ঘন হইতেসে, কলেবর বাড়তেসে না । কী আর করা যাইবো ।
তিমুর বলেছেন: নগর ঘন হইতেসে, কলেবর বাড়তেসে না । কী আর করা যাইবো । ৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:১৩
অতিথি বলেছেন: 2020এ কি হইব তাইলে.......উন্নয়নের জোয়ারে তো দেশে কোন মানুষ থাকব না....সবাই আমরা ভাইসা জামু.
অতিথি বলেছেন: 2020এ কি হইব তাইলে.......উন্নয়নের জোয়ারে তো দেশে কোন মানুষ থাকব না....সবাই আমরা ভাইসা জামু. ৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫১
অতিথি বলেছেন: সুন্দর স্মৃতিকথন, সাবলীল গদ্য।
অতিথি বলেছেন: সুন্দর স্মৃতিকথন, সাবলীল গদ্য। ৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৫৯
অতিথি বলেছেন: এহন থাইকা যেইখানেই যাইবেন লগে পেপসির বোতল রাখবেন। কোন ঝাটকা পাইলেই এক ঢক মাইরা দিবেন। অখন জিগান, এত কিছু থাকতে পেপসি ক্যা?...... জিগান না মিয়া!
অতিথি বলেছেন: এহন থাইকা যেইখানেই যাইবেন লগে পেপসির বোতল রাখবেন। কোন ঝাটকা পাইলেই এক ঢক মাইরা দিবেন। অখন জিগান, এত কিছু থাকতে পেপসি ক্যা?...... জিগান না মিয়া! ৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১৪
অতিথি বলেছেন: ক্যা!
অতিথি বলেছেন: ক্যা! ৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪০
ঝরা পাতা বলেছেন: প্রতিদিন খুন হয় প্রিয় স্বপ্ন প্রিয় শহরের বুকে। আর কিছু ঠিক না থাকুক বুড়িগঙ্গা কিংবা কর্ণফুলীর বুকে ঢেউ ঠিক থাকবে তো! নাকি তাও চলে যাবে দখলদারদের কবলে।
ঝরা পাতা বলেছেন: প্রতিদিন খুন হয় প্রিয় স্বপ্ন প্রিয় শহরের বুকে। আর কিছু ঠিক না থাকুক বুড়িগঙ্গা কিংবা কর্ণফুলীর বুকে ঢেউ ঠিক থাকবে তো! নাকি তাও চলে যাবে দখলদারদের কবলে। ৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৫০
হযবরল বলেছেন: আনারকলির পিছনে ওভারব্রিজ মতন জিনিসটার নীচে দোকানটার চপ দারুণ। আমি এই কয়দিন আগরও তো খাইয়া আসলাম।
আপনি কেমন আছেন ? ঢাকা শহররে তো অস্থির কইরা ফেললেন আপনি গিয়া ।
হযবরল বলেছেন: আনারকলির পিছনে ওভারব্রিজ মতন জিনিসটার নীচে দোকানটার চপ দারুণ। আমি এই কয়দিন আগরও তো খাইয়া আসলাম। আপনি কেমন আছেন ? ঢাকা শহররে তো অস্থির কইরা ফেললেন আপনি গিয়া ।
৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৫৬
অতিথি বলেছেন: সেলুন বাড়লে পাবলিক দাড়ি কাইটা কাফির হইয়া যাইবো - আপনে এইডা চাইলেও চাইতে পারেন; কিন্তু দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ তা চায় না।
তয় আমগো এলাকায় অহনো মোড়ে মোড়ে সেলুন। সামনের টার্মে ইনশা-মওদুদী সব কন্টোরোলে নিয়া আসুম।
অতিথি বলেছেন: সেলুন বাড়লে পাবলিক দাড়ি কাইটা কাফির হইয়া যাইবো - আপনে এইডা চাইলেও চাইতে পারেন; কিন্তু দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ তা চায় না।তয় আমগো এলাকায় অহনো মোড়ে মোড়ে সেলুন। সামনের টার্মে ইনশা-মওদুদী সব কন্টোরোলে নিয়া আসুম।
১০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৩২
অতিথি বলেছেন:
অতিথি বলেছেন: ১১. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:১০
অতিথি বলেছেন: মেইল চেক করেন!!!
অন্যরকম আর নাই!!!
অতিথি বলেছেন: মেইল চেক করেন!!!অন্যরকম আর নাই!!!
১২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৪
অতিথি বলেছেন: রাসেলের বাংলাদেশ বেড়ান্তি ভালো হোক।
এই পর্যন্ত কেমন লাগতাছে?
অতিথি বলেছেন: রাসেলের বাংলাদেশ বেড়ান্তি ভালো হোক। এই পর্যন্ত কেমন লাগতাছে?
১৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩৪
অতিথি বলেছেন: না অন্যরকম অনেক আগেই নাই হইয়া গেছে।
অতিথি বলেছেন: না অন্যরকম অনেক আগেই নাই হইয়া গেছে। ১৪. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৪৭
অতিথি বলেছেন: অই মিয়া আমারে পরোশন করেণ না ক্যা?
অতিথি বলেছেন: অই মিয়া আমারে পরোশন করেণ না ক্যা? ১৫. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৬
অতিথি বলেছেন: ভুল হয়া গেছে, পেপসি ক্যালা?
অতিথি বলেছেন: ভুল হয়া গেছে, পেপসি ক্যালা? 
