সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

হুদাহুদাই গালাগালি করলাম

জনাব ইউনুস শিখিয়েছিলেন কিভাবে গরুর চামড়া ছিলে সে গরুর দুধ দোয়াতে হয়, এবং এর পর সেই চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে গরুর পায়ে পড়িয়ে দিয়ে বলতে হয় গরু সভ্য ও স্বচ্ছল হয়েছে। এবার কুরবানীতে অনেক দিন পর পশুপ্রেমিকসংঘ দেখলাম, পশুর কষ্টে ন্যাংটা হয়ে ছবি তোলা বিদিশী সিনেমাস্টার না, পশুপ্রেমে বাংলাদেশি মানুষরাও এগিয়ে আছে, কুরবানী নামক বর্বর প্রথার বিরুদ্ধে কথা বলছেন তারা- তারা কি সব নিরামিষ খাদ্যে বিশ্বাসী, তারা কি ডিম খান? তারা কি মাঝে মাঝে মুরগি খান? তারা কি গরু খাসী এসব স্পর্শ করেন?
তারা কি বাঘের মতো নখর লুকিয়ে এরপর সাধু নিরামিষি হয়েছেন নাকি অযথা একটা কথা বলে ফেললেন।
কুরবানী বর্বর, এভাবে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে গরু জবাই দেওয়ার দৃশ্যটা সবার কাছে গ্রহনযোগ্য মনে নাও হতে পারে তবে মৃতু্য আসলে মৃতু্যই, ভ্রুন হত্যা হতে পারে বলে যেমন কেউ ডিম খাওয়া বাদ দিবে না তেমন শুধুমাত্র বর্বরতার দোহাই দিয়া কুরবানীকে অগ্রহনযোগ্য প্রমানের চেষ্টাটা হাস্যকর হয়ে উঠবে।
কুরবানী বিষয়টার সাথে উপাসনাভিত্তিক যে আদর্শ সেটা এখন নেই- ওটা বাদ দিয়ে যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তার বিরোধিতা করতে পারি আমি কিন্তু কাবাব-চাপ- কাটলেট, ক্রাম চপ খাওয়া আমি কোনো মতেই পশুহত্যার বিরোধী না। ডিম বিষয়টা আমার পছন্দ না তাই বলে কেউ ডিম খেলে আমার আপত্তি নেই- তবে নিজে মাংসাশী হয়ে কুরবানীর গরু জবাইকে বর্বর বলার ভন্ডামিটা এখনও ঠিক মেনে নিতে পারছি না।
ইউনুস ভাইকে নিয়ে একজনের চমৎকার একটা মন্তব্য ছিলো- গরিবের হোগার তেল বের করে সেই তেল গরীবের হোগায় মেখে গরীবের হোগা মারা ইউনুস নোবেল পাইছে- এইটাতে পাছার কাপড় তুলে লাফানোর কি আছে? তেমন ভাবেই বলা যায় একজন মাংসাশী হুট করে পেটার সদস্য হয়েছে-কুরবানী বর্বর বলছে এইটা নিয়া মাতামাতির কি আছে?
গরু কেনা হচ্ছে, সবাই পারছে না, কুরবানীর বাজার চড়া, সাংঘাতিক দাম, গরু কেনা হচ্ছে, গরুর মাংসের জল্পনা চলছে, বাজার থেকে মাগনস কিনলে সস্তা পড়তো কি না এমন আলোচনাও প্রবল যখন তখন একজনকে বললাম- কি রে কিছু কিনলি না? বললো সংগতি নাই, আমরা গরীবের পোলাপাইন, কথাটা শুনিস নাই-
গরীবের পোলাপাইন কম্বলে বসে
হোগা কুটকুট করে মিটিমিটি হাসে
আমার হইলো ঐ অবস্থা, রাস্তা দিয়া যেই গরুই যায় দাম জিগাই আর বলি ইশ লাভ করছেন। ইশ ঠকে গেছেন।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ১৯ টি মন্তব্য
  • ৪০৪ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
অতিথি বলেছেন: ভেজিটেবল কুরবানি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হইবো এখন থাইক্যা।
"বিরাট শাক-শব্জির হাট" থাইকা ইয়া ঢুশমা সাইজের পেঁয়াজ, আলু, পটল, গাজর, মূলা, শশা কিন্যা আইনা ঐগুলারে কুরবানী দেওয়ার রেওয়াজ করতে হইবো।

কেডা জানে, হয়তো তখন পরিবেশবাদীরা হাউকাউ শুরু করবো, উৎসবের নামে "আলু হত্যা" মানি না, মানবো না।


হালায় আজব চিড়িয়া আমরা!
৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৪
অতিথি বলেছেন: আপনার লেখা পড়লে মনে হয়, দুনিয়ার বেবাক জনগন ভোন্দাচোদা, আর আপনি হইলেন গিয়া জ্ঞানের রাজা সক্রেটিস। যা হউক এইডাও একটা ক্রেডিট আপনার।
৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৭
অতিথি বলেছেন: কিলিয়ে শোয়ানো, শুইয়ে কিলানোর মধ্যে যদি তফাৎ থাকে, তাহলে মাংশ খাওয়া ও এই হত্যাজজ্ঞের মাঝেও তফাৎ থাকবে।

হাগতে গেলে দরজা বন্ধ করি বলে কেউ দাবী করেনা যে, হাগাহাগিই বন্ধ করে দেওয়া দরকার...।
৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৩৩
অতিথি বলেছেন: কোনো গরুর দাম জিগাতে মিস করতেছিনা। এখন পর্যন্ত অনেক হলো। গুনে পারা যাবেনা।
৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:০৮
৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:১৬
৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:২৯
সুর বাংলা বলেছেন: [রং=মৎববহ][গাঢ়]ঈদ মুবারক[/গাঢ়] [/রং] [গাঢ়] ও [/গাঢ়][রং=ৎবফ][গাঢ়] Happy New Year 2007[/গাঢ়] [/রং]
১০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৩৮
রাগ ইমন বলেছেন: গরু বর্ডার পারের পাস পায় নাই।পোর্ট ও পার হইতে পারে নাই।বেঁচে গেল!

ঈদ আর ইংরেজী নববর্ষের শুভকামনা !

ভালো থাকুন! ভালোবাসায় থাকুন!
১১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৩৪
অতিথি বলেছেন: ইস একটা গরুর দামও জিগাইতে পারলামনা!!!

সবাইকে ঈদ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা।
১২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০৩
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: কোরবানী এখন বানিজ্যিক পন্যের বিজ্ঞাপনের মত ।
প্রচারেই প্র-সা-র
১৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০৬
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: কোরবানী এখন পন্যের বানিজ্যিক বিজ্ঞাপনের মত ব্যাপার
১৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:২৮
অতিথি বলেছেন: 2য় নাম ভাই কথাটা সত্য, দুইন্যাতে বেকুব পাবলিক বেশী, আমি কি এইটা কইতে পারি না তয় বেকুব বেকুবি করলে বুঝতে পারি এই যা।
১৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৩
অতিথি বলেছেন: অই মিয়া খাড়ান ঃ আপনে কাচ্চি আর ইস্পেশাল হালিম কবে রাইন্ধা খাওয়াইবেন তাই কন।
১৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৯
অতিথি বলেছেন: তীরন্দাজ হত্যা করার উদ্দেশ্য কিন্তু ভক্ষন, যে ভাবেই কা হোক সেই ভক্ষণনিমিত্তে হত্যার ভয়াবহতা পশুটার ক্ষেত্রে একই রকম, তাকে নিহত হতে হবে সমীকরণ এটাই- আপনি যদি একসাথে 1000 হত্যা সমর্থন না করেন তাহলে আলাদা আলাদা করে 1000 হত্যা সমর্থনের কারনটা কি?
কুরবানীতে বেশী কইরা গোহত্যা হইতেছে এইটার জন্য একটা নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক চক্রও সচল হইতেছে, অনেকগুলা মানুষ পশুমৃতু্যর সুবাদে কিছু কামাই করতেছে, এইটাও একটা বাস্তবতা, মৃতু্য নিয়ে অনেক ধরনের ব্যবসাই প্রচলিত, গরীবকে তিলতিল করে মেরে ফেলার ক্ষুদ্্র ঋণের ব্যবসাও একধরনের মৃদুমৃতু্যর তরিকা।
কুরবানীর নামে গো হত্যাযজ্ঞ বিষয়টাকে অসমর্থনের জায়গাটা বুঝি নি বলেই এত কিছু বললাম,
১৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৪৪
১৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৫
অতিথি বলেছেন: রাসেল,
আপনার স্পষ্টবাদিতাকে সন্মান করি।
এখানে গো হত্যাজজ্ঞকে অসমর্থনের চেয়ে, এর পেছনের যুক্তি, সৌন্দর্য, রুচি, প্রয়োজনীয়তা ও পরিবেশের প্রশ্নটি আমাকে ভাবায় বেশী।
আমার কাছে সকাল বেলা ইমাম সাহেবের ছুড়ি হাতে রক্তাক্ত চেহারা, রাস্তাঘাটে রক্তের নদী, এদিক সেদিক ছড়িয়ে থাকা নারীভুড়ি ও দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশ ভয়ংকর রুচিহীন মনে হয়। আমরা শিশদেরকে এসব থেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টা কেন করি?

মৃত্যু নিয়ে যেসব ব্যাবসা, তাকে আপনি নীতিগতভাবে সমর্থন করেন বলে আমার মনে হয়না।
১৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:০৯
অতিথি বলেছেন: মাংসাশী হওয়াতে কিছু দোষের নেই । কিন্তু দেখা উচিত যে পশুদের মারা হচ্ছে তারা যাতে বেশী যন্ত্রনা না পায় । এবং কোন পশুর সামনে কোন পশুকে মারা উচিত নয় । কোরবানি বা বলির মূল অর্থ হচ্ছে কোন পশুকে হত্যা করা নয় । নিজেদের মনের ভিতরে যে পাশবিক বৃত্তিগুলো আছে তাকে হত্যা করা ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন