উত্তরাধুনিক হয়ে ওঠা নৈর্ব্যক্তিক নিরাসক্ততা, নির্বাণ বা মোক্ষ লাভের পথ হতে পারে না। তবে উত্তরাধুনিকটার নিদর্শন হিসেবে আমার সামনে যা এসেছে তার অধিকাংশই নিরাসক্ত দৃশ্যপট বর্ণনা আর কার্যকারণবিহীন। কিছু একটা ঘটছে- ঘটেছে এবং তার বর্ণনা চলছে- বিদ্রুপ শ্লেষ রঙ্গ খুঁজে পাওয়া যায় তবে সেখানে দার্শণিক নির্লিপ্তি আছে।
তারা শংকরের রুপসি বিহঙ্গীনি সে অর্থে উত্তর আধুনিক কিংবা আধুনিক গল্প না এ দুটোর মাঝামাঝি কোনো এক গল্প- বলা যায় এটা উত্তর পশ্চিম কিংবা উত্তরপূর্ব গল্প। সেখানে বিহঙ্গীনি এক সাধুবাবাকে খুন করে- এবং তার ফাঁসীর আদেশ হয়- এখানেই গল্পের শুরু- তার রূপের বিবরণ ছড়িয়ে যায় জেলখানায়- এবং সবাই একটা বিহঙ্গীনিকাতর জীবনযাপন করতে থাকে- আজ এ ঘটলো তার জীবনে কাল ও কথা বললো- এমন সব ঘটনার ভেতরেই গল্পের বিস্তার- এরপর বর্ণনায় বর্ণনায় ঘটনা উম্মোচিত হতে থাকে- এবং অবশেষে বিহঙ্গীনির সিদ্ধান্তে অটল থাকতে হয় পাঠককেও- কোনো উপযুক্ত কারণ খুঁঝে পাওয়া যায় এ খুনের- অকারণেই এ হত্যা সংগঠিত হয়েছে বিহঙ্গীনির দ্বারা- এবং ফাঁসীর আগ মুহূর্তে গল্প শেষ হয়-
ধারাবাহিক তারাশংকর পড়ে একটাই প্রশ্ন মাথায় এসেছে- কখনও তারাশংকরের জীবনি পেলে এটা যাচাই করতে হবে- আমার অনুমাণ তারাশংকরের নিজের কিংবা তার ঘনিষ্ঠ কারো অবহেলায় একটা শিশুর মৃত্যু হয়েছে- এই শিশুর সাথে তারাশংকরের সম্পর্ক কি তাও নিশ্চিত না আমি- তবে তারাশংকরের ভেতরে গভীর একটা অপরাধবোধ কাজ করে-
তবে আজকের লেখা আসলে একটা উত্তরাধুনিক নভেলিকা বিষয়ে- লেখিকা বাংলাদেশের বিখ্যাত প্রবাসী কন্যা- আমার মনে হয় সে সৃজনশীল লেখা সম্পর্কিত কোনো প্রশিক্ষণও নিয়েছে- এবং এই প্রশিক্ষণের কোনো সুফল নিশ্চয়ই আছে-
মনিকা আলী- তিনি অনুভুতিশীলতায় অনন্য কিংবা তার অনুভব বাঙময়ী পায়ুপথ বিদ্যমান। সেটা বিভিন্ন সামাজিক অনুভবে আকার পরিবর্তন করে- ছোটো হয় বড় হয়- অনেকটা চুইংগাম চিবানোর মতোই সংকুচিত ও প্রসারিত হয় পায়ুপথ। অনুভূতিশীলতার চরমে পৌঁছে গিয়ে বিভিন্ন রকম শাররীক স্মৃতি বিশ্লেষণ করে আমাকে সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয় যে আমি যথেষ্ট সংবেদনশীল নই- অনুভুতিশীল হয়ে না উঠতে পারার ব্যর্থতায় আমি মুষড়ে পড়ি না- আমার সকল ইন্দ্রিয় এখন কার্যক্ষম হওয়া সত্ত্বেও বাঙময় পায়ুপথ নেই যা অনুভূতির প্রচণ্ডতায় চুইংগাম চিবায়।
উপন্যাসের প্রথম দৃশ্য একটি ক্যাফেতে- সেখানে অনেক মানুষ থাকে- অনেক রকম সামাজিক সম্পর্ক স্থাপিত প্রতিস্থাপিত হয়- এবং এক্যুইরিয়ামের মাছের সারিবদ্ধ মুখ যেরকম সংকুচিত প্রসারিত হয় তেমন ভাবেই সম্ভবত এসব অনুভুতিশীল- সংবেদনশীল পায়ুপথ প্রসারিত সংকুচিত হয় হতে থাকে- ভালোবাসা- হতাশা- লোভ- যন্ত্রনা সকল অনুভবে চুইংগাম চিবায়- তবে এত কিছু ঘটে গেলেও এই সংবেদনশীলতা সর্বসমক্ষে প্রকাশিত হয় না- এখনও সে জায়গাটুকু কাপড়ে ঢেকে রাখার রীতি প্রচলিত।
সেখানে এক লেখাক উপস্থিত -যিনি তার লেখার জন্যই সেখানে এসেছেন- তিনিই এ উপন্যাসের নায়ক- তিনি লিখছেন নতুন লেখা- এখানে এসেই শুরু করেছেন- এবং এখান থেকেই লেখাটা শেষ করে চলে যান-
এই লেখালেখির বাইরে তিনি মধ্যবয়সী এক নারীর সাথে সঙ্গম করেন এবং অবসাদ সময়ে তার মেয়েকেও কল্পনা করেন শয্যাসঙ্গী হিসেবে- তিনি শরিয়তী বেশরিয়তী সকল পন্থায় গমন করেন।
লেখিকা নিষ্ঠুর- সে সব উত্তপ্ত আবেগঘন বর্ণনা তিনি দেন নি- নিতান্ত চা কফি খাওয়ার মতোই বলেছেন- তারা মিলিত হলো- কাজটা শেষ হয়ে গেলো- অবশেষে লেখক ফিরে গেলেন, আমার গল্প ফুরোলো নটে গাছটি মুড়োলো-
এই একটা বিষয়েই বিদেশী উপন্যাসের সাথে বাংলা উপন্যাসের পার্থক্য- বাংলাদেশে মোস্তফা মীরে ইশ্বরের ঘ্রাণ বাদ দিলে আর কোনো উপন্যাস নেই যেখানে নায়ক নারীতে নারীতে গমন করে- এবং এর বাইরে যা কিছু অনুভব সবই এই সঙ্গম ঘিরেই বেড়ে ওঠে পরিপুষ্ঠ হয়। তবে আমার মনে হয় এখানেই আমাদের সামাজিক সংস্কৃতির বিষয়টা স্পষ্ট হয়- আমি এখটা ফরাসী উপন্যাস পড়েছিলাম অবশ্য ইংরেজিতে- সেখানে নায়িকা পুরুষ থেকে অন্য পুরুষে যায়- ঠিক আমাদের ভাষায় তাকে ছিনাল বলা যায় না- বেশ্যাও বলা যায় না- কারণ সে পয়সার লোভে এসব করে না- এসব করে ঠিক কোন শুন্যতা থেকে তাও প্রকাশিত হতে থাকে-
তবে তাকে পুরুষ লোলুপ এক মাদী বাঘের সাথে তুলনা করা যায় সে শিকারের লোভে তক্কে তক্কে থাকে কখনও একটা পুরুষের বীর্যপান করবে সে।
এখানের যৌনতা তেমন উগ্র না তবে মূল ইংরেজিতে পড়ার সৌভাগ্য হয় নি- অবশ্য পড়লেও হয়তো সমালোচনা লেখার সাহস পেতাম না- ইংরেজ তোষণে আমাদের জিহ্বা সব সময়ই লালা ঝড়ায়।অতিশয় জঘন্য অনুবাদে উপন্যাসের গল্পটা অনন্ত অনুসরণ করা যায়- এই অবিরাম চোদাচুদির ফাঁকে গল্পটা কোথায় খসে পড়লো তাও বুঝলাম না- কেনো এই বিষয়টা সবাইকে জানানো প্রয়োজন এটাও বুঝে উঠতে পারলাম না-
অনুবাদের জঘন্য মান এ জন্য দায়ী আগি বিশ্বাস করি না- যদিও বাংলাদেশের অনুবাদ সাহিত্যের মান বর্তমানে এমন পড়েছে যে সেটা সৃজনশীলতাবিহীন কোনো অমানুষ না কম্পিউটার সম্পন্ন করেছে এটা বুঝে উঠা কঠিন।
যাই হোক অতিশয় জঘন্য এবং অখাদ্য এই উপন্যাস পড়ে এই মহিলাকে নিয়ে অহেতুক বাড়াবাড়ির জন্য বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোকে শাপশাপান্ত করেও মনে হয় না ঝাল মিটবে-
এই সময় নষ্ট হয়ে যাওয়ার যন্ত্রনার খানিকটা উপশম হতো যদি লেখিকা এবং অনুবাদকের চেহারার উপরে প্রচন্ড বেগে মুত্রত্যাগ করতে পারতাম- আপাতত তেমন বেগ চাপে নি- বেগ চাপলে আর দুজনকে হাতের সামনে পেলে তখন অন্তত যন্ত্রনা উপশমের একটা পথ পাওয়া যাবে- আপাতত সুযোগের অপেক্ষায় আইজুদ্দিন।
তারা শংকরের রুপসি বিহঙ্গীনি সে অর্থে উত্তর আধুনিক কিংবা আধুনিক গল্প না এ দুটোর মাঝামাঝি কোনো এক গল্প- বলা যায় এটা উত্তর পশ্চিম কিংবা উত্তরপূর্ব গল্প। সেখানে বিহঙ্গীনি এক সাধুবাবাকে খুন করে- এবং তার ফাঁসীর আদেশ হয়- এখানেই গল্পের শুরু- তার রূপের বিবরণ ছড়িয়ে যায় জেলখানায়- এবং সবাই একটা বিহঙ্গীনিকাতর জীবনযাপন করতে থাকে- আজ এ ঘটলো তার জীবনে কাল ও কথা বললো- এমন সব ঘটনার ভেতরেই গল্পের বিস্তার- এরপর বর্ণনায় বর্ণনায় ঘটনা উম্মোচিত হতে থাকে- এবং অবশেষে বিহঙ্গীনির সিদ্ধান্তে অটল থাকতে হয় পাঠককেও- কোনো উপযুক্ত কারণ খুঁঝে পাওয়া যায় এ খুনের- অকারণেই এ হত্যা সংগঠিত হয়েছে বিহঙ্গীনির দ্বারা- এবং ফাঁসীর আগ মুহূর্তে গল্প শেষ হয়-
ধারাবাহিক তারাশংকর পড়ে একটাই প্রশ্ন মাথায় এসেছে- কখনও তারাশংকরের জীবনি পেলে এটা যাচাই করতে হবে- আমার অনুমাণ তারাশংকরের নিজের কিংবা তার ঘনিষ্ঠ কারো অবহেলায় একটা শিশুর মৃত্যু হয়েছে- এই শিশুর সাথে তারাশংকরের সম্পর্ক কি তাও নিশ্চিত না আমি- তবে তারাশংকরের ভেতরে গভীর একটা অপরাধবোধ কাজ করে-
তবে আজকের লেখা আসলে একটা উত্তরাধুনিক নভেলিকা বিষয়ে- লেখিকা বাংলাদেশের বিখ্যাত প্রবাসী কন্যা- আমার মনে হয় সে সৃজনশীল লেখা সম্পর্কিত কোনো প্রশিক্ষণও নিয়েছে- এবং এই প্রশিক্ষণের কোনো সুফল নিশ্চয়ই আছে-
মনিকা আলী- তিনি অনুভুতিশীলতায় অনন্য কিংবা তার অনুভব বাঙময়ী পায়ুপথ বিদ্যমান। সেটা বিভিন্ন সামাজিক অনুভবে আকার পরিবর্তন করে- ছোটো হয় বড় হয়- অনেকটা চুইংগাম চিবানোর মতোই সংকুচিত ও প্রসারিত হয় পায়ুপথ। অনুভূতিশীলতার চরমে পৌঁছে গিয়ে বিভিন্ন রকম শাররীক স্মৃতি বিশ্লেষণ করে আমাকে সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয় যে আমি যথেষ্ট সংবেদনশীল নই- অনুভুতিশীল হয়ে না উঠতে পারার ব্যর্থতায় আমি মুষড়ে পড়ি না- আমার সকল ইন্দ্রিয় এখন কার্যক্ষম হওয়া সত্ত্বেও বাঙময় পায়ুপথ নেই যা অনুভূতির প্রচণ্ডতায় চুইংগাম চিবায়।
উপন্যাসের প্রথম দৃশ্য একটি ক্যাফেতে- সেখানে অনেক মানুষ থাকে- অনেক রকম সামাজিক সম্পর্ক স্থাপিত প্রতিস্থাপিত হয়- এবং এক্যুইরিয়ামের মাছের সারিবদ্ধ মুখ যেরকম সংকুচিত প্রসারিত হয় তেমন ভাবেই সম্ভবত এসব অনুভুতিশীল- সংবেদনশীল পায়ুপথ প্রসারিত সংকুচিত হয় হতে থাকে- ভালোবাসা- হতাশা- লোভ- যন্ত্রনা সকল অনুভবে চুইংগাম চিবায়- তবে এত কিছু ঘটে গেলেও এই সংবেদনশীলতা সর্বসমক্ষে প্রকাশিত হয় না- এখনও সে জায়গাটুকু কাপড়ে ঢেকে রাখার রীতি প্রচলিত।
সেখানে এক লেখাক উপস্থিত -যিনি তার লেখার জন্যই সেখানে এসেছেন- তিনিই এ উপন্যাসের নায়ক- তিনি লিখছেন নতুন লেখা- এখানে এসেই শুরু করেছেন- এবং এখান থেকেই লেখাটা শেষ করে চলে যান-
এই লেখালেখির বাইরে তিনি মধ্যবয়সী এক নারীর সাথে সঙ্গম করেন এবং অবসাদ সময়ে তার মেয়েকেও কল্পনা করেন শয্যাসঙ্গী হিসেবে- তিনি শরিয়তী বেশরিয়তী সকল পন্থায় গমন করেন।
লেখিকা নিষ্ঠুর- সে সব উত্তপ্ত আবেগঘন বর্ণনা তিনি দেন নি- নিতান্ত চা কফি খাওয়ার মতোই বলেছেন- তারা মিলিত হলো- কাজটা শেষ হয়ে গেলো- অবশেষে লেখক ফিরে গেলেন, আমার গল্প ফুরোলো নটে গাছটি মুড়োলো-
এই একটা বিষয়েই বিদেশী উপন্যাসের সাথে বাংলা উপন্যাসের পার্থক্য- বাংলাদেশে মোস্তফা মীরে ইশ্বরের ঘ্রাণ বাদ দিলে আর কোনো উপন্যাস নেই যেখানে নায়ক নারীতে নারীতে গমন করে- এবং এর বাইরে যা কিছু অনুভব সবই এই সঙ্গম ঘিরেই বেড়ে ওঠে পরিপুষ্ঠ হয়। তবে আমার মনে হয় এখানেই আমাদের সামাজিক সংস্কৃতির বিষয়টা স্পষ্ট হয়- আমি এখটা ফরাসী উপন্যাস পড়েছিলাম অবশ্য ইংরেজিতে- সেখানে নায়িকা পুরুষ থেকে অন্য পুরুষে যায়- ঠিক আমাদের ভাষায় তাকে ছিনাল বলা যায় না- বেশ্যাও বলা যায় না- কারণ সে পয়সার লোভে এসব করে না- এসব করে ঠিক কোন শুন্যতা থেকে তাও প্রকাশিত হতে থাকে-
তবে তাকে পুরুষ লোলুপ এক মাদী বাঘের সাথে তুলনা করা যায় সে শিকারের লোভে তক্কে তক্কে থাকে কখনও একটা পুরুষের বীর্যপান করবে সে।
এখানের যৌনতা তেমন উগ্র না তবে মূল ইংরেজিতে পড়ার সৌভাগ্য হয় নি- অবশ্য পড়লেও হয়তো সমালোচনা লেখার সাহস পেতাম না- ইংরেজ তোষণে আমাদের জিহ্বা সব সময়ই লালা ঝড়ায়।অতিশয় জঘন্য অনুবাদে উপন্যাসের গল্পটা অনন্ত অনুসরণ করা যায়- এই অবিরাম চোদাচুদির ফাঁকে গল্পটা কোথায় খসে পড়লো তাও বুঝলাম না- কেনো এই বিষয়টা সবাইকে জানানো প্রয়োজন এটাও বুঝে উঠতে পারলাম না-
অনুবাদের জঘন্য মান এ জন্য দায়ী আগি বিশ্বাস করি না- যদিও বাংলাদেশের অনুবাদ সাহিত্যের মান বর্তমানে এমন পড়েছে যে সেটা সৃজনশীলতাবিহীন কোনো অমানুষ না কম্পিউটার সম্পন্ন করেছে এটা বুঝে উঠা কঠিন।
যাই হোক অতিশয় জঘন্য এবং অখাদ্য এই উপন্যাস পড়ে এই মহিলাকে নিয়ে অহেতুক বাড়াবাড়ির জন্য বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোকে শাপশাপান্ত করেও মনে হয় না ঝাল মিটবে-
এই সময় নষ্ট হয়ে যাওয়ার যন্ত্রনার খানিকটা উপশম হতো যদি লেখিকা এবং অনুবাদকের চেহারার উপরে প্রচন্ড বেগে মুত্রত্যাগ করতে পারতাম- আপাতত তেমন বেগ চাপে নি- বেগ চাপলে আর দুজনকে হাতের সামনে পেলে তখন অন্তত যন্ত্রনা উপশমের একটা পথ পাওয়া যাবে- আপাতত সুযোগের অপেক্ষায় আইজুদ্দিন।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০
১. ০৩ রা মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩৬
আড্ডাবাজ বলেছেন: প্প্বগ্গপ্প্বজ্জ প্প্বগ্গপ্প্বজ্জ!!!!!!
আড্ডাবাজ বলেছেন: প্প্বগ্গপ্প্বজ্জ প্প্বগ্গপ্প্বজ্জ!!!!!!২. ০৩ রা মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩৯
কৌশিক বলেছেন: ব্রিকলেন তো না। এটার নাম কি?
কৌশিক বলেছেন: ব্রিকলেন তো না। এটার নাম কি?৩. ০৩ রা মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫১
দি মাঙ্কি বলেছেন: ছাক্কা ৫ !
দি মাঙ্কি বলেছেন: ছাক্কা ৫ ! ৪. ০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
পথিক!!!!!!! বলেছেন: মনিকা মেটাম রাসেল ভাই কি যেন দেবে বলল..নিতে আসবেন নাকি ....কাছাকাছিই তো থাকা হয় মনে হয়
পথিক!!!!!!! বলেছেন: মনিকা মেটাম রাসেল ভাই কি যেন দেবে বলল..নিতে আসবেন নাকি ....কাছাকাছিই তো থাকা হয় মনে হয়৫. ০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩০
আরিফ জেবতিক বলেছেন: জোশ।(তবে আপনার সমালোচনা পড়ে আমারও উপন্যাসটি পড়ে সময় নষ্ট করতে ইচ্ছা হচ্ছে।)
আরিফ জেবতিক বলেছেন: জোশ।(তবে আপনার সমালোচনা পড়ে আমারও উপন্যাসটি পড়ে সময় নষ্ট করতে ইচ্ছা হচ্ছে।)
