ভার্চুয়াল জগত মানুষের ভেতরের সব কল্পনাপ্রবনতা, তার ভেতরের গোপন ইচ্ছা সবই পুরন করতে সাহায্য করে। যেহেতু বাস্তব পরিচয়ের কোনো সুযোগ নেই তাই তারা যেকোনো চরিত্রে অভিনয় করতে পারে। এবং এই চরিত্রগুলো তার কল্পনাপ্রবনতায় বাস্তব। যদি এটাকে কেউ কোনো রকম মানসিক ব্যাধি বলে তাহলে এটা সীমিত অর্থে তেমনই একটা মানসিক ব্যাধি। মালটিপল পার্সোনালিটি সিনড্রম আমাদের অনেকের ভেতরেই আছে।
ভার্চুয়াল জগত এই প্রবনতাকে বাড়াচ্ছে নাকি এই ব্যাধির প্রকোপ থেকে রক্ষা করছে মানুষকে এটাও একটা বিবেচনার বিষয়। হয়তো এই বিকল্প জীবনযাপনের চর্চা তার ভেতরের এই ব্যাধির ডালপালা মেলতে দেয় না, টাকে অস্থির, কিংবা স্থবির করে দেয় না। অনেকেরই কয়েকটা আই ডি আছে। কয়েকটা আই ডিটে ভিন্ন ভিন্ন সুরে কথা বলার প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত সবার নজরে পড়ে কারন মানুষের মৌলিক ভাবনার জায়গাটায় ভিন্নতা কম। 10টা চরিত্রে অভিনয় করে যাওয়া কঠিন। 10টা মানুষ 10 ভাবে কথা বলবে, 10 রকমের মুদ্্রাদোষ থাকবে, এইসব আয়ত্ব করা এবং চর্চা করার জন্য এই খানে বিভিন্ন আই ডি তে লেখা খুবই ভালো একটা বিষয়। তবে সচেতন হয়ে লিখতে হয়।
রুবেল একটা কাজ করছে। মিথিলা নামক একটা চরিত্র তৈরি করেছে। এটা তার কোন একটা চাহিদা পূরন করেছে। হয়তো কৈশোরের মৃতু্য বিষয়ক মোহগ্রস্থতার জায়গাটা সে নিজের মৃতু্যসংবাদ দিয়ে পানসে করতে চায় নি। তার প্রেমিকার মৃতু্য কিংবা তার বান্ধবির মৃতু্য দিয়ে এই মৃতু্য বিষয়ক মাতম উপলব্ধি করতে চেয়েছিলো।
ব্লগের পাতা থেকে ওটাকে আরও স্পষ্ট আকার দেওয়ার জন্য সে মিথিলার নামে বিভিন্ন ব্লগারের সাথে কথা বলেছে। কোনোটাই খারাপ কাজ না। বরং চরিত্রটা স্থাপন করার জন্য এসব করা উচিত ছিলো। চরিত্র দাঁড়া হয়েছে, খুবই সুন্দর দাঁড়া হয়েছে, মানুষের ভেতরটা নাড়া দিয়েছে, অনেক দিন পর নোটিশবোর্ড একটা পোষ্টকে স্টিকি করেছিলো বিজ্ঞাপনী পোষ্ট বাদ দিয়ে- এই সাফল্যের জন্য রুবেলকে সাধুবাদ।
সবাই যারা প্রতারিত মনে করছে নিজেদের তাদের কাতারে আমিও কোনো না কোনো ভাবে পড়ি। তবে আমি নিজেকে প্রতারিত ভাবছি না, ভাবছি এই যে আমাদের ভেতরের কোমলতার জায়গাটা এইটা এতটা স্বচ্ছ বলেই আমরা এখনও পরস্পর মিলেমিশে থাকতে পারি। অনুভব করতে পারি মৃতু্যর শুন্যতাকে। রুবেল কেনো করেছিলো এই কাজ তা জানি না তবে তার এই কাজের সুবাদে আমাদের ভেতরের কোমল জায়গাটা প্রকাশিত হলো। এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
ভার্চুয়াল জগত এই প্রবনতাকে বাড়াচ্ছে নাকি এই ব্যাধির প্রকোপ থেকে রক্ষা করছে মানুষকে এটাও একটা বিবেচনার বিষয়। হয়তো এই বিকল্প জীবনযাপনের চর্চা তার ভেতরের এই ব্যাধির ডালপালা মেলতে দেয় না, টাকে অস্থির, কিংবা স্থবির করে দেয় না। অনেকেরই কয়েকটা আই ডি আছে। কয়েকটা আই ডিটে ভিন্ন ভিন্ন সুরে কথা বলার প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত সবার নজরে পড়ে কারন মানুষের মৌলিক ভাবনার জায়গাটায় ভিন্নতা কম। 10টা চরিত্রে অভিনয় করে যাওয়া কঠিন। 10টা মানুষ 10 ভাবে কথা বলবে, 10 রকমের মুদ্্রাদোষ থাকবে, এইসব আয়ত্ব করা এবং চর্চা করার জন্য এই খানে বিভিন্ন আই ডি তে লেখা খুবই ভালো একটা বিষয়। তবে সচেতন হয়ে লিখতে হয়।
রুবেল একটা কাজ করছে। মিথিলা নামক একটা চরিত্র তৈরি করেছে। এটা তার কোন একটা চাহিদা পূরন করেছে। হয়তো কৈশোরের মৃতু্য বিষয়ক মোহগ্রস্থতার জায়গাটা সে নিজের মৃতু্যসংবাদ দিয়ে পানসে করতে চায় নি। তার প্রেমিকার মৃতু্য কিংবা তার বান্ধবির মৃতু্য দিয়ে এই মৃতু্য বিষয়ক মাতম উপলব্ধি করতে চেয়েছিলো।
ব্লগের পাতা থেকে ওটাকে আরও স্পষ্ট আকার দেওয়ার জন্য সে মিথিলার নামে বিভিন্ন ব্লগারের সাথে কথা বলেছে। কোনোটাই খারাপ কাজ না। বরং চরিত্রটা স্থাপন করার জন্য এসব করা উচিত ছিলো। চরিত্র দাঁড়া হয়েছে, খুবই সুন্দর দাঁড়া হয়েছে, মানুষের ভেতরটা নাড়া দিয়েছে, অনেক দিন পর নোটিশবোর্ড একটা পোষ্টকে স্টিকি করেছিলো বিজ্ঞাপনী পোষ্ট বাদ দিয়ে- এই সাফল্যের জন্য রুবেলকে সাধুবাদ।
সবাই যারা প্রতারিত মনে করছে নিজেদের তাদের কাতারে আমিও কোনো না কোনো ভাবে পড়ি। তবে আমি নিজেকে প্রতারিত ভাবছি না, ভাবছি এই যে আমাদের ভেতরের কোমলতার জায়গাটা এইটা এতটা স্বচ্ছ বলেই আমরা এখনও পরস্পর মিলেমিশে থাকতে পারি। অনুভব করতে পারি মৃতু্যর শুন্যতাকে। রুবেল কেনো করেছিলো এই কাজ তা জানি না তবে তার এই কাজের সুবাদে আমাদের ভেতরের কোমল জায়গাটা প্রকাশিত হলো। এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৩৩
অতিথি বলেছেন: তাই ভাবি।
অতিথি বলেছেন: তাই ভাবি। ৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪০
অতিথি বলেছেন: আমি আরো এককাঠি সরেস। প্রতারনা তো নয়ই বরং মনে হচ্ছে এটা আসলে একধরণের অর্জন।
অতিথি বলেছেন: আমি আরো এককাঠি সরেস। প্রতারনা তো নয়ই বরং মনে হচ্ছে এটা আসলে একধরণের অর্জন। ৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪৯
অতিথি বলেছেন: এই অস্থির সময়ে মৃতু্যর কথা শুনা কেমন একটা অভ্যাস হয়ে গিয়েছিলো। তবুও ব্লগের কারো মৃতু্য সংবাদে কিছুটা হলেও দুঃখ পেয়েছিলাম। নিজের ভিতর আবেগ এখনো অবশিষ্ট আছে ভেবে ভালো লাগলো। আর এই ভালো লাগিয়ে দেয়ার কৃতিত্ব রুবেলের..>
অতিথি বলেছেন: এই অস্থির সময়ে মৃতু্যর কথা শুনা কেমন একটা অভ্যাস হয়ে গিয়েছিলো। তবুও ব্লগের কারো মৃতু্য সংবাদে কিছুটা হলেও দুঃখ পেয়েছিলাম। নিজের ভিতর আবেগ এখনো অবশিষ্ট আছে ভেবে ভালো লাগলো। আর এই ভালো লাগিয়ে দেয়ার কৃতিত্ব রুবেলের..> ৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৫৪
ঝরা পাতা বলেছেন: দারুন বলেছেন। এখনো আবেগের আকাশে খেলা করে অদ্ভুত নীল মেঘ।
ঝরা পাতা বলেছেন: দারুন বলেছেন। এখনো আবেগের আকাশে খেলা করে অদ্ভুত নীল মেঘ। ৯. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:১৪
অতিথি বলেছেন: রুবেল তো একটা বাচ্চা ছেলে এবং বোকা । বোকা বলেই তার যুক্তির ফাঁদে সহজেই তাকে ধরা গেলো ।
আরো অনেক সেয়ানা কি এই ধরনের খেলা খেলেননি? নোটিশবোর্ড তা হলে তাদের পরিচয় ও প্রকাশ করুক ।
অতিথি বলেছেন: রুবেল তো একটা বাচ্চা ছেলে এবং বোকা । বোকা বলেই তার যুক্তির ফাঁদে সহজেই তাকে ধরা গেলো ।আরো অনেক সেয়ানা কি এই ধরনের খেলা খেলেননি? নোটিশবোর্ড তা হলে তাদের পরিচয় ও প্রকাশ করুক ।
১৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:২৫
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: রাসেল ভাই
কি বলবো ? খুঁজে পাচ্ছি না ।
অনেক ভালো লাগলো , মনের কথাগুলো বলে দিলেন ।
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: রাসেল ভাই কি বলবো ? খুঁজে পাচ্ছি না ।
অনেক ভালো লাগলো , মনের কথাগুলো বলে দিলেন ।
১৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪১
নজমুল আলবাব বলেছেন: দেওয়ার হইলে দিবেন। এত জিগানোর কী হইল কৌশিক ভাই?
এইখানে কয়জনে জনমতামত লইয়া পোস্টায়?
নজমুল আলবাব বলেছেন: দেওয়ার হইলে দিবেন। এত জিগানোর কী হইল কৌশিক ভাই?এইখানে কয়জনে জনমতামত লইয়া পোস্টায়?

