মেনে নেওয়াটাই দস্তুর বোধ হয়, তাই নির্জ ীব মানুষের মতো মেনে নিচ্ছি এই স্বেচ্ছাগৃহবাস, কিছুই হচ্ছে না,কোনো পরিবর্তন হওয়ার সম্ভবনাও দেখা যাচ্ছে না, বরং সার্বক্ষণিক একটা অসহায়ত্ব ঘিরে ধরে আছে আমাকে। অস্থির হওয়া উচিত কিনা বুঝছি না, ঔচিত্য বোধের সীমারেখা কোথায় টানতে হবে তাও জানি না, শুধু অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের ভ্যাপসা গরমে সিদ্ধ হতে হতে আমাদের দিনযাপনের কোনো হিসাব আজকাল মিলতে চায় না মোটেও।
মানুষ মানুষের মতোই আপোষকামি, শেখ হাসিনার গোয়ার্তুমিকে সমর্থন করার কোনো আগ্রহ না থাকলেই আজিজের বেহায়ামিতে শেখ হাসিনার কার্যকলাপের সমর্থন করতে ইচ্ছা হয়, মান্নান ভূঁইয়ার দৃঢ় কণ্ঠ আমাকে তেমন ভাবে উদ্দিপ্ত করছে না, তার সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই, শুধু মাত্র তার অনুগত একজনের হাতে হেনেস্থা হওয়ার স্মৃতিব্যাতিত, সে সময়টাতেও এইসব মানুষকে এড়িয়ে যাওয়ার সামজিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছিলাম, সে কারনেই একেবারে অপরিচিত একটা এলাকায় গিয়ে তার বড় বড় কথার প্রতিবাদে কিছু বলা হয় নি আমার।
সেই ছেলেটাকেও ক্ষমা করে দিলাম অনায়াসে, বাংলাদেশের রাজনীতি অনেককে অনেক ভবাে কলুষিত করেছে, ইসলামের নামের অযথা হানাহানি দেখে অনেকের ইসলামি হৃদয় আতংকিত হয় না, তাদের আদর্শ ইসলামি শাসনের জন্য হয়তো এমন হানাহানির প্রয়োজন আছে, প্রয়োজন আছে গুলি ছোড়ার, প্রয়োজন আছে রাজনৈতিক হত্যার,কিংবা আমাদের বাঙ্গালি কাফির রক্ত দিয়ে দেশকে ধুয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে।
তবে দেশটা থমকে আছে, মোটামুটি বিচ্ছিন্ন সবগুলো শহর সবগুলো শহর থেকে, এই আপাতঅচলাবস্থার নিরসন হবে কবে আমি জানি না। আজিজের পদত্যাগে সমাধান হবে হয়তো আওয়ামি লীগ অবরোধ উঠিয়ে নিবে, তার স্থলাভিষিক্ত হবেন যেই জন, সেই জন কি ভোটার তালিকা সংশোধন করতে পারবেন? এই যে 15 থেকে 17 বছর বয়েসী এতগুলো ভুয়া ভোটার টালিকাভুক্ত হয়েছে তাদের কি হবে? তেমন ভাবে কি ভোটার তালিকা সংশোধন সম্ভব? হয়তো বি এন পি চাইছেই এমনটা। তারা এমন একটা অবস্থানে নিয়ে গিয়ে ছাড়বে যে তখন আলোচনা অর্থহীন, বি এন পি মানবে, আজিজকে কানে ধরে বের করে দেওয়াটাও হাসিমুখে সমর্থন করবে তবে আরও 1 মাস পরে, এই 1 মাসের হিসাব কে দিবে? ইয়াজুদ্দিন যদি মেনেই নেন এই দাবি তাহলেও তাকে একটা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সেই তো মল খসালি তবে কেনো লোক হাসালি। আজিজকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার সময় ইয়াজুদ্দিন কি যুক্তি দেখাবেন? গ্রহন যোগ্য না বিধায় তাকে পদত্যাগে বাধ্য করলাম। আজিজ যে গ্রহনযোগ্য কেউ না, তিনি নিজেও যে গ্রহনযোগ্য কেউ না এই সত্য দিবালোকের মতো তার কাছে স্পষ্ট হওয়ার কথা, তিনি চাইলেই এই অচলাবস্থা কাটানোর সব উদ্যোগ নিতে পারতেন, ব্যাবসায়ীরা যে প্রচেষ্টা নিয়েছেন তাতে হয়তো রাষ্ট্রপতি বাধ্য হবেন আজিজকে পদত্যাগ করাতে, তখন সবাইকে এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে হবে তাকে কেনো তিনি অযথা দলের লোকের পুটকি চেটে বাকি সব মানুষের ভোগান্তির কারন হলেন।
মানুষ মানুষের মতোই আপোষকামি, শেখ হাসিনার গোয়ার্তুমিকে সমর্থন করার কোনো আগ্রহ না থাকলেই আজিজের বেহায়ামিতে শেখ হাসিনার কার্যকলাপের সমর্থন করতে ইচ্ছা হয়, মান্নান ভূঁইয়ার দৃঢ় কণ্ঠ আমাকে তেমন ভাবে উদ্দিপ্ত করছে না, তার সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই, শুধু মাত্র তার অনুগত একজনের হাতে হেনেস্থা হওয়ার স্মৃতিব্যাতিত, সে সময়টাতেও এইসব মানুষকে এড়িয়ে যাওয়ার সামজিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছিলাম, সে কারনেই একেবারে অপরিচিত একটা এলাকায় গিয়ে তার বড় বড় কথার প্রতিবাদে কিছু বলা হয় নি আমার।
সেই ছেলেটাকেও ক্ষমা করে দিলাম অনায়াসে, বাংলাদেশের রাজনীতি অনেককে অনেক ভবাে কলুষিত করেছে, ইসলামের নামের অযথা হানাহানি দেখে অনেকের ইসলামি হৃদয় আতংকিত হয় না, তাদের আদর্শ ইসলামি শাসনের জন্য হয়তো এমন হানাহানির প্রয়োজন আছে, প্রয়োজন আছে গুলি ছোড়ার, প্রয়োজন আছে রাজনৈতিক হত্যার,কিংবা আমাদের বাঙ্গালি কাফির রক্ত দিয়ে দেশকে ধুয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে।
তবে দেশটা থমকে আছে, মোটামুটি বিচ্ছিন্ন সবগুলো শহর সবগুলো শহর থেকে, এই আপাতঅচলাবস্থার নিরসন হবে কবে আমি জানি না। আজিজের পদত্যাগে সমাধান হবে হয়তো আওয়ামি লীগ অবরোধ উঠিয়ে নিবে, তার স্থলাভিষিক্ত হবেন যেই জন, সেই জন কি ভোটার তালিকা সংশোধন করতে পারবেন? এই যে 15 থেকে 17 বছর বয়েসী এতগুলো ভুয়া ভোটার টালিকাভুক্ত হয়েছে তাদের কি হবে? তেমন ভাবে কি ভোটার তালিকা সংশোধন সম্ভব? হয়তো বি এন পি চাইছেই এমনটা। তারা এমন একটা অবস্থানে নিয়ে গিয়ে ছাড়বে যে তখন আলোচনা অর্থহীন, বি এন পি মানবে, আজিজকে কানে ধরে বের করে দেওয়াটাও হাসিমুখে সমর্থন করবে তবে আরও 1 মাস পরে, এই 1 মাসের হিসাব কে দিবে? ইয়াজুদ্দিন যদি মেনেই নেন এই দাবি তাহলেও তাকে একটা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সেই তো মল খসালি তবে কেনো লোক হাসালি। আজিজকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার সময় ইয়াজুদ্দিন কি যুক্তি দেখাবেন? গ্রহন যোগ্য না বিধায় তাকে পদত্যাগে বাধ্য করলাম। আজিজ যে গ্রহনযোগ্য কেউ না, তিনি নিজেও যে গ্রহনযোগ্য কেউ না এই সত্য দিবালোকের মতো তার কাছে স্পষ্ট হওয়ার কথা, তিনি চাইলেই এই অচলাবস্থা কাটানোর সব উদ্যোগ নিতে পারতেন, ব্যাবসায়ীরা যে প্রচেষ্টা নিয়েছেন তাতে হয়তো রাষ্ট্রপতি বাধ্য হবেন আজিজকে পদত্যাগ করাতে, তখন সবাইকে এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে হবে তাকে কেনো তিনি অযথা দলের লোকের পুটকি চেটে বাকি সব মানুষের ভোগান্তির কারন হলেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫২
সাদিক আলম বলেছেন: ত্রিভূত দেখি মাথায় থেকেই গেলই না আপনার !!! কিছুতেই যায় না ..........!!!
সাদিক আলম বলেছেন: ত্রিভূত দেখি মাথায় থেকেই গেলই না আপনার !!! কিছুতেই যায় না ..........!!! ২. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৭
অতিথি বলেছেন: কেমতে যাইবো? আমার অনেকগুলা জায়গায় যাওয়ার কথা, এই অবরোধের টাইমে ঘরে বইয়া আছি আর বাল ছিড়তাছি, কাজের কাজ কিছু হইতাছে না, মাঝখান থেইক্যা টাইম নষ্ট হইতাছে।
অতিথি বলেছেন: কেমতে যাইবো? আমার অনেকগুলা জায়গায় যাওয়ার কথা, এই অবরোধের টাইমে ঘরে বইয়া আছি আর বাল ছিড়তাছি, কাজের কাজ কিছু হইতাছে না, মাঝখান থেইক্যা টাইম নষ্ট হইতাছে। ৩. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৫২
রাগ ইমন বলেছেন: রাসেল ভাই, ঠিক এই ব্যাপারটাই কেন জানি প্ল্যান মনে হচ্ছে। যাবে, সময় শেষ করে। কিন্তু ভোটার তালিকা ঠিক না হলে, গেলেই কি আর না গেলেই কি?
আর সুষ্ঠু নির্বাচন তো শুধু ভোটার লিস্ট দিয়ে হবে না। আরও যে সব দলীয়করন করে রাখা আছে, সে গুলো কি হবে?
শেষ পর্যন্ত একটা প্রহসনের নির্বাচনই পাচ্ছি!!!
আর যেই জিতুক, জন গন লুজার, তাই না?
আমার ভয় লাগছে দুর্ভিক্ষ লাগিয়ে একটা ম্যাসাকার না বাধিয়ে বসে। সামনে বড় খারাপ দিন আসছে!
রাগ ইমন বলেছেন: রাসেল ভাই, ঠিক এই ব্যাপারটাই কেন জানি প্ল্যান মনে হচ্ছে। যাবে, সময় শেষ করে। কিন্তু ভোটার তালিকা ঠিক না হলে, গেলেই কি আর না গেলেই কি? আর সুষ্ঠু নির্বাচন তো শুধু ভোটার লিস্ট দিয়ে হবে না। আরও যে সব দলীয়করন করে রাখা আছে, সে গুলো কি হবে?
শেষ পর্যন্ত একটা প্রহসনের নির্বাচনই পাচ্ছি!!!
আর যেই জিতুক, জন গন লুজার, তাই না?
আমার ভয় লাগছে দুর্ভিক্ষ লাগিয়ে একটা ম্যাসাকার না বাধিয়ে বসে। সামনে বড় খারাপ দিন আসছে!

