sep 2006 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
sep 2006 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

আবসার্ড গল্প

কোথাও নিশ্চয় ভুল হচ্ছে আপনার, দেখেন তো সামনের বাস্কে আছে কি না?
আরে ভাই সব খানেই খুঁজলাম, কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না, আমি তো ভেবেছিলাম এটাই সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা, এখানেও হানা দেবে এমনটা আশা করি নি।
ফখরুল সাহেবের ঝুলে পড়া চোয়াল দেখে ইস্কান্দার মৃধা এসে পাশে দাঁড়ান, নতুন এনেছিলেন না পুরোনো?
পুরোনো তবে আমার প্রিয় ছিলো, অনেক দিনের সঙ্গি ওটা আমার এখানে এভাবে চুরি যাবে কখনই ভাবি নি আমি।
সান্তনার কথা বলে কেউ কেউ ভীষন রকম চুঁ চুঁ শব্দও করলো, তবে অন্য সবার চেহারায় সেই অভিব্যাক্তি ছিলো তা নিতান্তই সিদ্ধান্তবাচক, এমন বেকুব হালায় নাইলে এমনটা হয় না, বেকুবের কামই ফান্দে পড়া, ওরে আরও 2ডা ডলা দিয়া গেলো না ক্যান, এমন অভিব্যাক্তির সামনে ফখরুল সাহেবের দুঃখও চুপসে যায়, তিনি ঝোলা মুখ নিয়ে ফিরে আসেন ঘরে।
তবে হারানো জুতার চেয়ে বেশী দুঃখ প্রাণে বাজে সেই জুতার সুখতলায় লুকিয়ে রাখা নকশার জন্য। অপাত্রে পড়লো কি হয় এটার চিন্তায় তার ভ্রু কুঁচকে যায়। ফখরুল সাহেব নকশাটা হাত ছাড়া করতে চান নি বলেই পুরানো জুতার সুখতলায় লুকিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন মসজিদে, সেখানেও চোরের উৎপাত। তবে চোর বেছে বেছে তার জুতাই চুরি করলো ক্যানো? অন্য সবার জুতা চুরি গেলো না, তাহলে কি ওরা এই নকশার কথা জেনে গেছে?
তার নকশা হাত ছাড়া হওয়ার খবর তৎক্ষনাত জানানোর কথা, তিনি খানিকটা সময় নিবেন ভাবলেন, হারিয়ে যখন গিয়েছে, কেউ তো ঘড়ি ধরে হিসাব করবে না কখন রিপোর্ট করেছেন, জোহরের ওয়াক্তকে আসরের ওয়াক্ত বললেও ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না।
ইসকান্দার মৃধা লজ্জিত বোধ করছেন এই নিয়ে গত মাস থেকে প্রায় 40 জোড়া জুতা চুরি গেছে, তার বাবার প্রতিষ্ঠিত মসজিদ, তিনি অডিশন দিয়ে ইমাম বাছাই করেছেন, তাদের পারিবারিক মসজিদের সুনাম ধুলায় মিলিয়ে যাচ্ছে এই চোরের কারনে, তবে কি এইটা তোবারক মিঞার কাজ? বিশ্বাস নাই, শিংগাবাবার মাজারের পাশের মসজিদে লোক যাওয়া কমিয়ে দিয়েছে নতুন ইমাম আসার পর, এই ইমামের পিছনে নামাজ পড়লে নাকি মুসল্লিদের দিলে ঠান্ডা হাওয়া বয়ে যায়। মানে খাস রহমত আছে এই মসজিদের উপর। কিন্তু তোবারক মিঞার তাবিজের ব্যাবসা বন্ধ হয়ে গেছে, ইসকান্দার মৃধা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এই চোরকে শায়েস্তা তিনি করবেনই করবেন।
ফখরূল সাহেব আসরের ওয়াক্তের খানিক আগে এসেছেন, এসে সামনে একটা কোনায় বসে আছে, আসলে বসে নেই তিনি গভীর ভাবে সবাইকে পর্যবেক্ষন করছেন, ঐ যে সামনে থুতনিতে সামান্য দাড়ি, চোখের কোনে ধূর্ততা, ঐটাও হতে পারে, ওর চেহারায় একটা চোর চোর ভাব আছে, সরাসরি চোখের দিকে তাকাচ্ছে না, তাকালেই দৃষ্টি সরিয়ে নিচ্ছে।
কিংবা পিছনের চাপদাড়িওয়ালাও হতে পারে, যেভাবে গেটের সবার দিকে তাকাচ্ছে, ষন্ডা মতো লোক, তার উপরে এই বিকালে বিশাল জোব্বা পরে আছে, ওই জোব্বার নীচে সমস্ত জুতার দোকান নিয়ে যাওয়া যাবে, কারো বিন্দুমাত্র সন্দেহও হবে না। কে জানে হয়তো এখনও ঐ বেটা মতলব ভাজতেছে কোনো, যা দিনকাল পড়ছে, এমন কি দেয়ালকেও বিশ্বাস করা যায় না।
তবে সন্দেহ গাঢ় হয় সামনের তালি দেওয়া শীর্ণ লোকটাকে দেখে, হাড়ে হাভাতে এই লোকের চুরির স্বাভাব থাকতে বাধ্য, তিনি ঠিক করলেন যদি এই ব্যাটাই চুরি করে থাকে তাহলে তার কাছে এই নকশার গুরুত্ব নেই। তাকে সামান্য কিছু উৎকোচ দিয়ে নকশাটা উদ্ধার করতে হবে।
কালো চশমা পড়া লোকটা সামনে এসে দাঁড়ালো অকারনে, পোশাক তেমন কোনো আলাদা বিশেষত্ব নেই তবে তার দাঁড়ানোর ভঙ্গির কাঠিন্য দেখেই অনুমান করা যায় এই লোক সিক্রেট সার্ভিসের সদস্য, হয়তো গোপন গোয়েন্দা সংস্থার, তার সামনেই এসে দাঁড়ালো কেনো, তবে কি হেড কোয়াটারে এই খবর চলে গেছে। আঁতকে উঠেন তিনি, হৃদকম্পন দ্্রুত হয়, বুকটা ধরাস ধরাস করছে, মুখ ফ্যাকশে হয়ে গেছে তিনি বুঝতে পেরেছেন তবে এখন তার শাররীক ঘটনাগুলোর উপর তার নিয়ন্ত্রন নেই কোনো। তার মনে হলো তার খুব পেচ্ছাপ চেপেছে, যদি এই মুহূর্তেই সেটা খালাস করা না হয় তাহলে একটা কেলেংকারি হয়ে যাবে।
আচমকা বেজে উঠে সাথের মোবাইল, চমকে লাফিয়ে উঠেন ফখরুল সাহেব, অথচ সেই কালো চশমা মানুষটার বিন্দুমাত্র ভাবান্তর হয় না, কঠোর মুখে তাকিয়ে আছে তার দিকে। মোবাইলটা বন্ধ করে বুকে জমানো সাহসের অবশিষ্টাংশ দিয়ে প্রশ্ন করলেন তিনি কালো চশমা কে, আপনি কি আমাকে খুঁজছেন? কালো চশমার চেহারাটা কুঞ্চিৎ হয়, হাতটা সামান্য উপরে উঠে, ফখরুল সাহেব অবশ্য চিন্তা করেন নকশাটার জন্য তাকে মসজিদে গুলি করবে না, কিংবা করতেও পারে, এই শালার আর্মিদের বিশ্বাস নাই, হয়তো হ্যান্ডকাফ বের করে তাকে বাঁধবে, কালো চশমার হাত উঠে চশমাটা সরিয়ে ফেলে, সেখানে চোখ পড়ায় ফখরূল সাহেব চমকে উঠে আবারও ধীরে ধীরে শান্ত হন, এক জোড়া পাথরের চোখ তাকে আমন্ত্রন জানায়।
আসরের নামাজের পর তিনি সেই শীর্নাকায় তালি দেওয়া কুর্তা পরা মানুষটাকে গিয়ে বলেন ভাই আপনি কি আমার সাথে একটু আমার বাসায় যাবেন?
লোকটার আশ্চর্য চোখ দেখে তিনি

( আসলে অন্ধকার ঘরে কালো বিড়াল খোঁজাটা সম্মিলিত বোধ আর সেটাকে খুঁজে পেয়েছি বলে দাবি করা হচ্ছে কমুনিজম)

( মানুষের কথাই মানুষের দাঁতকে ভেতরে ঢুকে যেতে বাধা দেয়, কথার চাপেই দাঁত সোজা থাকে, তবে বেশী বাচালদের কথার চাপে দাঁত বাহিরের দিকে বেঁকে যায় ওদের এযট্রোভার্ট বলে, যারা কথা কম বলে তাদের দাঁত এ জন্য ভেতর দিকে বাঁকা।)
(আমি মুতবো,কথাটা শোনা মাত্রই দিব্যজ্ঞানী কড়া চোখে তাকায় আজমল মিয়ার দিকে, সরি একটু পেশাব করবো,
এত করে বলছি পানিতে নামার আগে ঠিক মতো হালকা হয়ে আসবা, এই খানে পানির 80 ফিট নীচে এসে আমি পেচ্ছাব করবো এইটা ক্যামোন আব্দার, অজু নষ্ট হয়ে যাবে আমার)

অন্তর্বাসের গল্প

দলবদ্ধ ভাবে কিংবা সামাজিক ভাবে কথা বলার সময় সব কিছু বলা যায় না। পরিবেশ মানুষের ভাষাকে নিয়ন্ত্রন করে, আমি বন্ধুদের সাথে যে ভাষায় কথা বলি নিশ্চিত ভাবে সে ভাষায় শিশুদের সাথে কথা বলি না। আর সামাজিক ভাবে আমি কথা প্রায় না বলার চেষ্টা করি,তবে মনে যা আসে তা বলতে না পারার জন্য পরিবেশটাকেই প্রধান বাধা মনে হয়, আমি ছেলে খারাপ, তাই হিন্দি নায়িকাদের শাররিক কাঠামো দেখি আর মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলি, নায়িকার কাঠামো যত ভালো হয় দীর্ঘ শ্বাস তত দীর্ঘ হয়, অনেক সময় দীর্ঘ দীর্ঘ শ্বাসও ফেলি। আজও দেখছিলাম একটা অনুষ্ঠানম নাচের অনুষ্ঠান হবে কিছু একটা ক্লোজ আপ ওয়ানের মতোই 10 প্রতিযোগীর নাচ দর্শকের ভোট, সেখানে মাশাল্লাহ ভরাট ভরভরন্ত মেয়েরা এসেছে, সাথে যারা আছে তাদের সামনে ঠিকমতো প্রশংসা করতে পারছিলাম না, ঐ যে পরিবেশ আমার কণ্ঠরোধ করে। সেখানে বসেই মনে পড়লো কথা গুলো।

আমার এক বন্ধু কাজ করতো রেডিমেড কাপড়ের দোকানে, সেখানে মেয়েদের অন্তর্বাস থেকে শুরু করে বোরখা পর্যন্ত পাওয়া যেতো। তার গভীর পর্যবেক্ষণ ছিলো, বাংলাদেশে 32 এবং 34 সাইজের অন্তর্বাস বেশী বিক্রি হয়। এটা একটা গড় হিসাব সে হিসাব ধরলে বলা যায় বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই ঠিক বিজ্ঞাপনের মডেল হওয়ার মতো শাররীক কাঠামোর অধিকারি নয়।


বাংলাদেশ এখন মেয়েদের এই সব অন্তর্বাসের পৃথক দোকান হয়েছে, সেখানে মেয়েরা এসব কিনে, আমার শহরেও এসব দোকান হয়েছিলো একটা, শহরের সবচেয়ে ব্যাস্ত রাস্তায় একটা কোনায়, আমি কলেজ যাওয়া উপলক্ষে সে রাস্তার নিয়মিত যাত্রি। সেখানে হুট করে এমন একটা দোকান হলো, সেখানে বিভিন্ন মাপের অন্তর্বাস ঝুলছে, কাঁচুলী ঝুলছে, ব্লাউজ ঝুলছে, ওসব ঝুললে সমস্যা ছিলো না, সমস্যা হখো তখন যখন সেসবকে জীবন্ত দেখানোর প্রয়াশে ভেতরে মালমশলা ঢুকানো হলো। বিষয়টা বিব্রতকর সারি সারি মাপ ঝুলানো দেখলে আমার বৈজ্ঞানিক মন ব্যাস্ত হয়ে যায়। ওজন মাপার যন্ত্র দেখলে যেমন মানুষ ওজন মাপিয়ে নেয়, স্কে ল দেখলেই যেমন পরিমাপের ইচ্ছা জাগে তেমন নির্দোষ বৈজ্ঞানিকতার জন্য সমতুল খোঁজা এই যা।

তবে ডিসপ্লের কাঁচুলী, ব্লাউজ এতে কিছু মনে না করলেও জীবন্ত মেয়েরা বেশ বিরক্ত হয় আমার বৈজ্ঞানিক গবেষনায়। সে সময় একটা গল্প শুনলাম, বক্তা আমার খুব কাছের বন্ধু, তাদের স্টেশনারী দোকানের ঘটনা।
তার মামার দোকানে সে মাঝে মাঝে সহায়তার জন্য বসে, সেখানে তার মামার এক বন্ধু এসেছে, তার বৌয়ের জন্য অন্তর্বাস কিনতে, এসেই বললো সবচেয়ে বড় কোন মাপটা আছে,
38-
এর চেয়ে বড় হয় না?
আছে- 40-
এর চেয়ে বড়- 42
তার চেয়ে?
প্রশ্নের এই পর্যায়ে তার মামা ক্যাশ থেকে টাকা বের করে তার বন্ধুর হাতে তুলে দিয়ে বললো, ভাই এর চেয়ে বড় হইলে আমি নিরুপায়, তুমি বাজার থেইক্যা গামছা কিন্যা নিয়া যাও।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৫৮ টি মন্তব্য
  • ৬২১ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৫
২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:২০
অতিথি বলেছেন: অন্তর্বাস মানে কি ব্রা! তাইলে প্যান্টিরে কি বলে? পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজের একটি হচ্ছে এসব কেনা!

ভরভরন্ত মেয়েদের নাচানাচির ঐ অনুষ্ঠানটা আমারও ভাল লাগে! বিজ্ঞাপনের মডেল হওয়ার জন্য কত সাইজ লাগে?
৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:২৭
অতিথি বলেছেন: নীচের অংশ নিয়ে কথা বললে এখানে প্রাপ্তবয়স্ক সার্টিফিকেট লাগাইতে হবে।
তবে মডেলিংয়ের জন্য আদর্শ মাপ হইতাছে 36 24 38
35 25 37 ও হয়, কিন্তু 35 37 34 হইলে সেইটা হইবো না।
৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৩২
অতিথি বলেছেন: তার মানে বুবস 35 বা 36 হতে হবে! আচ্ছা দেইখা (না ধইরা) কি বোঝা যায় কোনটা 35/36?

24 কি কোমর (এটার ইংরেজী কি?)

38 - এটা কোন জায়গা?
৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৩৩
অতিথি বলেছেন: এইটা তো জানি না, কোনটারে কি কয়, চেস্ট, হিপ ব্যাক এমনটাও হইতে পারে।
ধইরা কি বুঝা যায়? এইটার মাপ অনেক জটিল ভাইটি, হাতে ধইরা বুঝা যাওয়ার কথা না।
৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২৪
৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২৬
অতিথি বলেছেন: নাহ মিয়া, সাইজ মাপে পিঠ দিয়া, সামনের জিনিষের কোনো হাত নাই সাইজে।
৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২৮
অরূপ বলেছেন: রাসেল ভাই মডেল নিয়া কি মাপ দিলেন?
এফটিভিতে যাদের দেখা যাইতো তারা তো সব প্রেইরীর সমতল ভূমি!
১০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২৯
অনিক বলেছেন: কোমর হলো Waist ।
সোনার খাঁদ পরখ করার মতো ফিগার মাপার জহুরীও থাকতে পারে। Playboy Magazine এর হিউ হেফনার নাকি দেখেই বলে দিতে পারেন, না ধরেই কার সাইজ কত। থুব কম উনিশ বিশ হয়। ভাল মতো দেখার সুযোগ পেলে বাঙালীরা পারবে না আমি সেটা বিশ্বাস করিনা। একবার সুযোগ দিয়েই দেখুক অন্তর্বাসের অন্তরনিহিত সকল তথ্যই ফাঁস হয়ে যাবে।
১১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩০
অতিথি বলেছেন: ওরা সবাই কি বেস্ট মডেল, এইটা হইতাছে পোষাকের জন্য সুইটেবল মাপ, ছেলেদের যেমন পোশাকের মাপের জন্য মডেল করলে চেহারা দেখে না দেখে কাঁধের মাপ সেইরম আর কি।
১২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩১
অরূপ বলেছেন: রাসেল ভাই
আসলে তখন মাইন্ড খাইছে। এখন নিজেরে একটু বালেগ বানানোর ধান্দা করতেছে!
ফিজিক্স পড়তে গিয়া সব উলট পালট!
১৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৬
অতিথি বলেছেন: যাউকগা, আমি যেইটা পড়ছিলাম সেইটার হিসাবে কই,
পিঠের মাপ নিয়া ঐটারে 2 গুন করতে হয়, যা আসে সেইটা বেজোর হইলে 1 যোগ কইরা জোড় করতে হয়, আর জোড় হইলে ঐটাই মাপ।
এর পর আসে এ বি সি ডি ই এফ জি এইচ হিসাব।
ধইরা হয়তো এ বি সি ডি কইতে পারবা কিন্তু...............
১৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৫
অতিথি বলেছেন: হাতের তালু ভেঙ্কটরাঘবনের মতো হইলে অনেকের প্রতি অবিচার হইবো ।
১৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৯
অতিথি বলেছেন: তবে হাতের মধ্যে ধরা গেলে সেটা মডেল সাইজ নহে। এক হাত এবং আরেকহাতের অর্ধেক দিয়ে ধরাটা বোধহয় 36 হবে।
১৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫৭
১৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫৯
অতিথি বলেছেন: এক্ষেত্রে বার্গার মনে হয় যথার্থ হবে! কেন্টুকি!
১৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:০০
১৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:২২
অতিথি বলেছেন: আমার এক সহপাঠিনি একবার নিজের সহ তার অন্য তিন বান্ধবীর বর্ণনা দিছিলো এইভাবে :
''আমার 36 , X এর 42 (কইস না), Y এর নাই আর Z এর একটু ''

তো যথারীতি হলে ফিরা আমি কোটেশন ঝাড়লাম । তারপর থিকা আমাগো কোড-ল্যাঙ্গুয়েজ হইয়া গেল ''...নাই আর একটু''
২০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩১
উৎস বলেছেন: হাতের তালুর মধ্যে জ্যান্ত কবুতর ধরার মজাই আলাদা, 42 - 44 যাওয়ার মতো নীচে নামতে চাই না। এজন্য এফটিভি-ই সই।
২১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৩
অতিথি বলেছেন: একবার পড়ছিলাম কার যেনো ল্যাপ ডান্স নাক ভাইঙা গেছিলো ধাককায়,সেই থেইকা আর ঐ দিকে যাই না। তাহলে আন্দাজটা ঠিক করন যাইতো।
২২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৪
২৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৯
পথিক!!!!!!! বলেছেন: এক বান্ধবীব্জ্বর জিগাইলাম কত.........কয়না ...কয়ইনা ....কইলইনা......
পব্জ্বর বললাম আমার হাত 18 ইঞ্চি , দুই হাত ব্জ্বমব্জ্বল মাপব্জ্বল হব্জ্ববনা।.............
ভয় পাইছিল আমর হাত অসুব্জগ্দদর হয়ব্জ্বতা তাই...................বব্জ্বল দিছিল ......দুই হাব্জ্বতর ব্জ্বযাগফব্জ্বলর সমান।
২৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪০
পথিক!!!!!!! বলেছেন: এক বান্ধবীব্জ্বর জিগাইলাম কত.........কয়না ...কয়ইনা ....কইলইনা......
পব্জ্বর বললাম আমার হাত 18 ইঞ্চি , দুই হাত ব্জ্বমব্জ্বল মাপব্জ্বল হব্জ্ববনা।.............
ভয় পাইছিল আমর হাত অসুব্জগ্দদর হয়ব্জ্বতা তাই...................বব্জ্বল দিছিল ......দুই হাব্জ্বতর ব্জ্বযাগফব্জ্বলর সমান।
২৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪১
অতিথি বলেছেন: তার সাথে দেখা নাই বহুকাল...শুনলাম আমার এক বন্ধুরে সীল মাইরা ঘরে নিছে ...
২৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৪
২৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৪
নাজিরুল হক বলেছেন: ভাইজানের মাথায় এই বিষয়টা হঠাৎ করেই এল নাকি কোন কারন আছে?
২৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৫
অতিথি বলেছেন: কইলাম তো নাচ দেইখা ভাবটা মাথায় আইলো, নাচের সাথে ঝাঁকাঝাঁকিও ছিলো। তবে টেকসই জিনিষ।
২৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৯
অতিথি বলেছেন: টেকসই আর টাইট বা উন্নত বিষয়টাতে কিন্তু গোজামিল আছে। যা ব্রাতে টানটান তা কিন্তু অনেকটাই ঝোলানো। দেখতে হবে নিরাভরন! তবে একদম টাইট হইলে ভাব মাথায় আইবোই!
৩০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫২
অতিথি বলেছেন: সেইটাই...আসল কথা হইলো ভিতরে কি আছে...অন্ত:সারপূর্ণ কিনা
৩১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৩
অতিথি বলেছেন: আমি খোলসের কথা কই পাবলিক নাড়কোল ভাইঙা শাঁস পর্যন্ত যায় গা।
৩২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৫
অতিথি বলেছেন: কোরকের আবরণ টুটি মাধবী প্রথম চিনিল আপনারে
- বুড়েন্দ্রনাথ
৩৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৬
অতিথি বলেছেন: একবার পাশাপাশি রুমে আমি ও আমার কলিগ। সাভার বিসিডিএম। তার সাইজ মনে হতো আমার 38ই হবে। কয়েকজন মিলে তার রুমে আড্ডা মারছিলাম। বিড়ি ফুকার সময় বললো বারান্দায় যাও। বারান্দায় গিয়ে দেখলাম দুতিনটা ব্রা সাজানো। সবচেয়ে আশ্চর্য হলো প্রত্যেকটার বারগারের জায়গাটাতে মনে হলো দুতিন ইঞ্চি এক্সট্রা আবরণ। ব্রা উলটিয়ে রোদ দেয়াতে দেখতে পেলাম।

ভেতরে ঢুকে আবার তাকে ভাল করে দেখলাম। না - সেই ঠিকই 38!
৩৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৭
অতিথি বলেছেন: এইটা কি স্বমেহন? প্রোফাইল আপডেট দিছি হালকা।
৩৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৮
৩৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০১
৩৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০২
৩৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
৩৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
৪০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:১২
অতিথি বলেছেন: অনুমান সিদ্ধ তপস্যাতে সত্য বলে কল্পনাতে অবরোহন .....
৪৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৪
মাশীদ বলেছেন: রাসেল ভাই, পিঠের মাপ নিয়ে সেটা 2 দিয়ে গুণ করলে বেজোড় আসবে ক্যামনে?
৪৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩২
রাগ ইমন বলেছেন: মাশীদ,

এই এতক্ষণে একটা বুদ্ধি সম্পন্ন মন্তব্য পড়লো!!!!

মাশীদ বইন, অন্তর বাঁশ নিয়ে লিখলে কি রোযা মাকরুহ হয়? ভাবনার বিষয়!!!
৪৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৫
৪৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪১
মাশীদ বলেছেন: তাও কথা, মুড়িওয়ালা ভাই। গুড পয়েন্ট। অন্তরবাস নিয়ে লেখায় আপনার প্রাণবন্ত ও সুচিন্তিত মন্তব্য দেখে চিন্তায় পড়ে গেলাম।
৪৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৬
মুড়িওয়ালা বলেছেন: হায় হায় হায়! এই ব্যাপারে আমার একদম আইডিয়া নাই, বিশ্বাস করেন।
৪৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫০
৫০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৯
মাশীদ বলেছেন: বিশ্বাস করলাম না। ফুই চেং আর ওয়ে হং এর জন্য মায়া লাগছে।

রাগ ইমনাপু, ইউরিয়া মিশানো মুড়ি কি-না!
৫১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
মুড়িওয়ালা বলেছেন: এগুলা সব মন্দ লোকের দুষ্টু কথা, এই গরীবের কুনই দুষ নাই।
৫২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১৪
মাশীদ বলেছেন: কে মন্দ? কে দুষ্টু?
দুষ নাই তবে দোষ আছে :-)
হি হি হি !

কেমনাছেন?
৫৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৫
অতিথি বলেছেন: সবগুলারে দক্ষিনদিকের পুষ্করিণীর হানি দিয়া গোসল দেওন লাগবো দেহি।

রোযা রমযানের দিন এইসব কি?
৫৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৫
মুড়িওয়ালা বলেছেন: কষ্টে আছি আইজউদ্দিন। কিংকং জীবনটা ফানাফানা কইরা ফালাইল, চড়কিবাজী আর থামে না। ঈদ যে কই কাটামু, আল্লাহই জানে।
৫৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:১৬
হিমু বলেছেন: একটা "কবিতা" লিখি।

তোমাকে ইতিউতি দেখে

আড়চোখে চেয়ে থেকে থেকে
শৈশব থেকে আমি পাঠ নিই
সংখ্যা, অক্ষরে
ছত্রিশে এসে আমি ঠেকে গেছি বেশ কিছু দিন
দৃষ্টি তাই নত
কিঞ্চিৎ, আবার আমি আটত্রিশ শিখে ফেলি
এ বি সি ডি সব শিখলাম
তোমাকে, তোমার তিন খালাকেও
দেখে দেখে
পাঠ করি
রমজানে শুকনা গলা
টের পাই ঠিক
আমি স্তন্যপায়ী প্রাণী।
৫৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:১৯
অতিথি বলেছেন: মুড়িম্যান আর যাই করেণ মোড়ের কোনার দোকানডার দিকে যাইয়েন না কইলাম!
৫৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৪
৫৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৮:০১