সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

সারিয়ার জন্মদিন ও অন্যান্য---

এই যুগে নির্বান আদৌ সম্ভবপর কি না এই নিয়ে আলোচনা চলতে পারে তবে এর আগে প্রস্থানের যাবতীয় উপকরন সংগ্রহ করা প্রয়োজন।
একবিংশ শতাব্দি আমাদের কারো মাথা থেকে খাবলা দিয়ে তুলে নিয়েছে চুল, কারো চোখে কালো রংয়ের পট্টি বেধে দিয়েছে- আমাদের কৈশোরিক আদর্শবাদ, আমাদের যৌবনের সংগ্রাম চেতনার মুখে ঝাঁটা মেরে আমরা এখন কর্পোরেটের সেবা করি-আমরা নির্ণয় করতে পারি উপাত্ত থেকে জ্ঞান লভিতে পারি অন্তত একটা সাধু চেষ্টা বিদ্যমান থাকে সর্বদাই।
তবে শুক্রবার সকালে যখন ঘুম ভাঙলো বন্ধুর ফোনে তখন আমি প্রায় ঘুমকাতর, এখানে এসে প্রতি বিষু্যদ বার সন্ধ্যা থেকে রাত ক্রিকেট খেলি- বন্ধুর উঠানে বাতি জ্বেলে ক্রিকেট খেলা শেষে ক্লান্ত হয়ে বাসা ফিরি।অবশ্য বাসা ফিরেই ঘুমানো হয় না, অনেক রকম নিয়ম কানুন আছে, আর অনেক দিন বাংলা উপন্যাস পড়াও হচ্ছে না তাই এই অবসরে কিছু বাংলা উপন্যাসের গুষ্টি উদ্ধার করার চেষ্টা করছি।
তাই স্বভাবতই যখন ফোনটা আসলো তখন মনে প্রানে বিছানায় থাকার ইচ্ছা থাকলেও আমাদের কর্পোরেট ব্যাস্ততার গল্প জেনেই আমাকে ঘুমের চাদর সরিয়ে উঠতে হয়। চোখে মুখে পানি দিয়েই রাস্তায় নামতে হয়। গন্তব্য পলাশী।
যাওয়ার পথে আশু অবরোধ উপলক্ষে রাস্তার জ্যাম ধুলা এইসব হজম করতেও হয়। আসলে আমাদের হাতে যখন সময়ের টানাটানি- তখনই রাস্তায় বেহুদা একটা বাস আড়াআড়ি থেমে থাকে, তার পেছনে জমবে যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক সব যানবাহনের ভীড়, এবং অতঃপর মন কষাকষি, গালাগালি চলতে থাকবে, এবং সাপের মতো শীতকালীন আলস্য ছেড়ে সেই বাস ড্রাইভারের যখন নড়ার মর্জি হবে তখন অন্য কোথাও অন্য একটা বাস আড়াআড়ি দাঁড়িয়ে থাকবে রাস্তা আটকে- এইসব মলিন দিনলিপির গল্প ঢাকাবাসী জানে। আমিও জানতাম তবে এই শুক্রবার সকালেও এইসব নাটক মঞ্চস্থ হবে এমনটা ধারনা করি নি।
হাতে সময় খুবই অল্প মাত্র 2 ঘন্টা থাকবে বন্ধু, এর ভেতরেই কুশল সংবাদ, পুরোনো স্মৃতিচারন, নতুন ঘটনা, সব কিছুর সারসংক্ষেপ জেনে নিতে হবে। এবং বাসের কল্যানে এইসময় টুকু করে যাচ্ছে- মুখ খুলে গালি দেওয়ার মতো অবস্থাও নেই, গুলিস্তান ভয়ংকর জায়গা- দলবেঁধে
হেলপার কখন বাসের জানলা দিয়ে টেনে তুলে ছুড়ে ফেলে দিবে বিস্বাস নেই- পরিস্থিতি তেমন হলে আমরাও খালি হাতে মানুষ পিটিয়ে মেরে ফেলতে পারি। আমরাও কয়েক শত গাড়ী জ্বালাতে পারি। গাড়ীর সাথে গাড়ীর আরোহিকেও জ্বালিয়ে ফেলতে পারি- এইসবদৃশ্যও মঞ্চস্থ হয়েছে আগেই-
অবশেষে এইসব পিছে ফেলে যখন উপস্থিত হলাম তখন নির্ধারিত সময়ের থেকে পুরো 30 মিনিট হাওয়া। শহীদ মিনারের সামনের চায়ের দোকানে বসে বাঙ্গালী মনস্তত্ব নিয়ে আলোচনা এর বাইরে তার সংসার নিয়ে আলোচনা, অতঃপর অন্য এক বন্ধুর জন্য অপেক্ষা, এর পর কার্জন হল। এর পর তার মেয়ের নাম জানা, আনুশকা অরুনিমা- ভালো হয়েছে নামটা যদিও ডাক নাম সংক্ষিপ্ত হওয়ার একটা রীতি আছে- আনুশকাকে আনু ডাকা যায়- কিংবা অন্য কিছু কিন্তু আনুশকা ডাকতে আমার আপত্তি আছে- এইসব কথায় বন্ধু কিছু মনে করে না, আমরা অবশেষে দেখলাম ঘড়িতে 11টা বাজছে- তাই তাকে বিদায় দিয়ে দায় সারি।
এরপর আবার আড্ডা- এভাবেই দিনটা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে বাসায় ফিরে আবারও একই রকম ভাবে খেলা। শুক্রবারেও আমরা ক্রিকেট খেলি রাত 11টা পর্যন্ত।
গত কাল দিনটাও তেমন ভাবেই শুরু হয়েছিলো- এর মাঝে পিয়াল ভাইয়ের ফোন আসলো- সন্ধ্যা 6টায় কোনো কাজ না থাকলে তার সাথে যেতে হবে- এর পর আসলো সারিয়ার ফোন- তার জন্মদিনে যাওয়ার দাওয়াত পেলাম। কপাল ভালো- এখন পর্যন্ত কেউ দাওয়াত দেয় নি- বললাম পিয়াল ভঈয়ের সাথে যাচ্ছি- অতঃএব আমার সন্ধ্যায় একটা বাইরে থাকার উপলক্ষ্য তৈরি হয়- যদিও প্রতিজ্ঞা করেছিলাম এই 2 দিন কাটাবো ছেলের সঙ্গে- সেটা পালন করা সম্ভব হলো না।
এরই মাঝে দেখলাম রাইসু দাওয়াত দিয়ে বসেছে- সে মাহবুব মোর্শেদ, জামাল ভাস্কর থাকবে শাহবাগ- আমকেও যেতে বলেছিলো- আমি সামান্য ভয়ে ভয়ে ছিলাম, মাহবুব মোর্শেদ যেভাবে কবিতা বিষয়ে আমার প্রাথমিক জ্ঞান নিয়ে আলোচনা করলো এবং যেহেতু সে এই বিষয়ে প্রফেসর মানুষ, এর সাথে রাইসুযোগ হলে আমার ভবিষ্যত - কিংবা কবিতার ভবিষ্যত খুব একটা উন্নত হবে বলে মনে হয় না- এমনও হতে পারে তারা দু জন শাহবাগের সামনে ব্ল্যাকবোর্ড নিয়ে আমাকে কবিটাবিষয়ক জ্ঞান দেওয়া শুরু করতে পারে- এই বয়সে যেকোনো রকম জ্ঞান লাভে আমার স্পষ্ট বিরাগ দেখা যাচ্ছে- পিয়াল ভাইকে নিয়ে রওনা দিলাম সারিয়ার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে- সেটাতে একটাই প্রাপ্তি হতে পারে -প্রাপ্তিকে দেখা। দেখার ইচ্ছা ছিলো- যাওয়ার ইচ্ছা ছিলো তবে আমার ইদানিং পরিচিত মহল বাড়ানোর কোনো আগ্রহ নেই, সামাজিকতার আগ্রহ কমতে কমতে শুন্যের কোঠায় নেমেছে- তাই যত আগ্রহ নিয়ে এসেছিলাম ততটা আগ্রহ নিয়ে প্রাপ্তিকে দেখতে যাওয়া হয় নি।
সারিয়ার ওখানে যেতে যেতে মনে হয় কোনো রকমে দেখা সাক্ষাত সামাজিকতা সেরে পিয়াল ভাইয়ের সাথে শাহবাগে কবিতার ক্লাশ করতে আসবো আমাদের কবিতার প্রফেসর মাহবুব মোর্শেদের কাছে।
অবরোধ বলেই হয়তো রাস্তা ফাঁকা, রিকশা গদাইলস্করি চালে চলছে- যেহেতু আমরা কেউই চিনি না আদতে কোথায় হচ্ছে অনুষ্ঠান তাই অনিশ্চয়তা নিয়েই রওনা দিতে হয়। অবশেষে সদাশয় পুলিশ সাহেবের কাছে একটা নিশ্চিত অবস্থান জানতে পারি- রাওয়া ক্লাব জাহাঙ্গির গেটের কাছে কোনো এক জায়গায়- সেখানে গিয়ে রাস্তা পার হলাম- এবং রাস্তার ওপারে গিয়ে উপলব্ধি করলাম এই রাস্তা পার হওয়ার সময় আমার মানিব্যাগ কোথাও পড়ে গেছে- অতএব হারানো ম্যানি ব্যাগ খোঁজার চেষ্টা শুরু হলো। বেশ কয়েক বার রাস্তা দিয়ে হেঁটে হেঁটে মাঝের ব্যারিকেডে সতর্ক চোখ রাখা, তৃতীয় বারের চেষ্টায় খুঁজে পেলাম পড়ে যাওয়া ম্যানি ব্যাগ- সেটা নিয়ে অবশেষে আনন্দ বলে এক রেঁস্তোরায় ঢুকলাম- অনেক রকম চেষ্টা করে যদিও আভিজাত্য আনার একটা চেষ্টা করেছে তবে ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন সেই আভিজাত্যকে দারিদ্্রের উপহাস করেছে- জঘন্য ইন্টেরিয়রসমেত সেই রেঁস্তোরা আমার ঘাড়ে চেপে বসলো- বাংলাদেশ খেলছিলো- ভালোই খেলছিলো- নাফিস দিব্যি পিটাচ্ছিলো জিম্বাবুইয়ান বোলারদের- দেখে প্র ীত হচ্ছিলাম- এর মাঝেই কৌশিক আসলো- এবং কৌশিককে ফোন দিলো ভাস্কর সাহেব- কৌশিক সামাজিক মানুষ- সবার সাথেই হাসি মুখে আন্তরিকতা নিয়ে কথা বলতে পারে-আমাদের পেটে ছুঁচোর ডন- কোনো একটা কিছু খেতেই হবে- অভ্যাগতদের আসার কোনো সময় নেই- যদিও বলা ছিলো 6টা- তবে সবাই আসতে আসতে দেখা গেলো ঘড়িতে বাজে 8টা। এর পর সামান্য মোমবাতি জ্বালানো-কেক কাটা- এইসব দেখে হাততালি দিয়ে যখন খাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি তখন আবার ভাস্করের ফোন- যাচ্ছি- যাবো বলে দায় সারলো কৌশিক।
বাংলাদেশের মেয়েদের ব্লাউজ- সায়া সমেত শাড়ী পড়ার প্রথা আর বাংলাদেশের জন্মদিনের প্রথার সূচনা 120 বছর আগের কোনো সময়ে- অবশ্য এটা এখন খুবই প্রচলিত প্রথা হয়ে গেছে- সবাই জন্মদিন পালন করটে চায়, বাংলাদেশের হিন্ডি সিরিয়ালের দৌরাত্ব যেমন বিয়ের অনুষ্ঠানকে একটা ভিন্ন রূপ দিয়েছে তেমন ভাবেই জন্মদিনকেও বৈশিষ্ঠমন্ডিত করেছে- হিন্দি সিরিয়ালের যন্ত্রনায় আমাদের লোকজ সংস্কৃতি সংস্কার প্রায় নাজুক অবস্থায় আছে, একই রকম লাগে যখন দেখি রাগ ইমন হিন্দিতে বাতচিত করে টেলিফোনে- আমার গা শিরশির করলেও কিছু বলার নেই- একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে আলোচনা- ভাষা শহীদ নিয়ে বাগাড়ম্বর করলেও আমাদের চেতনা এখনও মোগলাই আমলে গিয়ে আটকে আছে- আমরা তখন ফার্সি ভাষা চর্চা করতাম- এর পর যখন হিন্দি ভাষার চর্চা শুরু হলো বাঙালী মুসলমানেরা একটা রাজনৈতিক দল খাড়া করে ফেললো, সেই মুসলিম লীগ পরবর্তিতে পাকিস্তান আন্দোলন করলো- এই ধারার বিপরীতে কেউ যদি অভব্যের মতো হিন্দিতে বাতচিত করে তবে সেটা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, কেউ যদি ইচ্ছা করে পাছার কাপড় তুলে ঘুরে বেরায় তাকে কোনো সদুপদেশ দেওয়া ভালো কোনো কাজ না- আমাদের মুসলিম জাতিয়তাবাদী চেতনা যা কিনা আমাদের সমপ্রদায়িক করে তুলেছে একই রকম ভাবেই হিন্দি সংস্কৃতির আগ্রাসনও আমাদের বিপন্ন করে ফেলছে-
খাওয়ার এসেছে, পেটের ক্ষুধা তখন চরম-এর মাঝে হিন্দি সিরিয়ালের ন্যাকামি শুরু হলো- একজন মধ্যবয়স্কা রমনী- জানি না কে সে- ন্যাকা স্বরে বললেন সারিয়াকে জন্মদিনের উইশ করো-বাংলা শব্দটাও সুন্দর- জন্মদিনের শুভাশিষ শব্দটা মোটেও খারাপ না বরং আমার কাছে অনেক শ্রুতিমধুর মনে হয়- এর পরও যখন এমন একটা প্রস্তাব গৃহীত হয় তখন সবাই খাওয়ার প্লেটের দিকে উদ্যত হাত নামিয়ে চিন্তিত হয়- কি বলা যায়- আসলে শুভাশীষ কি এমন ভাবে প্রকাশ্য জনসভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে উচ্চারিত হতে হবে- মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কের- পরিচয়ের মাত্র অনুসারে এসব প্রার্থনা উচ্চারিত হতে পারে- তবে হিন্দি সিরিয়ালে দেখেছি এমনটাই করে, জন্মদিনের কেক কাটার পর সবাই একে একে বিভিন্ন বানী দেয়- আমাদেরও তাই করতে হবে- এমন প্রথায় আমার বিব্রত হওয়ার কারন হলো- আমি সারিয়াকে চিনি কিংবা দেখেছি যতটুকু সময় সেই টুকু সময়ের পরিচয়ে ঠিক কি আশীর্বাদ তার প্রাপ্য এটাও জানা নেই।
খাওয়ার মাঝে কোনো ঘটনা নেই তেমন- এর মাঝেই এলো ভাস্করের ফোন- বেচারা একা একা শাহবাগে বসে আছে, সেজে গুঁজে- ঘড়িতে বাজে 8টা 30। আমরা খাবো- খাওয়া শেষ করে যদি রওনা দেইও তাহলেও 9টার আগে শুরু করতে পারবো না। আর পৌঁছাতে পৌঁছাতে 10টা বাজবে- কৌশিক সে সময়টুকু দিতে পারবে না- তার ঘরে বৌ আছে- বৌএর সাথে বাড়াবাড়ি করার সাহস স্বামীদের কম থাকে।
এই দিকে পিছনে গান বাজছে- কিরম কিরম- মনে হলো একাকী ভাস্কর শাহবাগের মাইনক্যা চিপায় পড়ে গান গাইছে- আজ কিরম কিরম লাগে আমার কিরম কিরম লাগে- বইয়া আছি শাহবাগে পইড়া বিষম ফাঁদে আমার কিরম কিরম লাগে-
খাওয়া শেষ হওয়ার পর একটা সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আব্দারও থাকে যথারীতি- গান গাইবে- কে গান গাইবে এই নিয়ে ঠেলাঠেলি চলছে-অভাগা আমার ঘাড়ে একটা কোপ পড়লো - আমি না কি কোনো এক সময় কথা দিয়েছিলাম গান গাইবো- যদিও সামাজিক পরিবেশে গালি দেওয়ার প্রথাটা এখনও তেমন ভাবে রপ্ত করতে পারি নি তাই এইসব অযাচিত ন্যাকামির জবাবে আমার আশ্চর্য মুখভঙ্গি করেই থেকে থাকতে হয়।
কৌশিক বেশ জোড় গলায় বললো সে গান গাইবে- সে গান গাইলে আর থামবে না, - কেউ থামাতে পারবে না তাকে-
মনে হলো পুরোনো মেইল ট্রেনের যুগে কৌশিকের গান হবে ইন্টারসিটি ট্রেন- কোনো লোকাল স্টেশনে থামবে না- চলবেই চলবে - তবে সব ট্রেনকেই মাঝ পথে থামানো যায় চেইন টেনে- হয়তো কৌশিকের ইন্টারসিটি ট্রেনের মতো গানও থামানো সম্ভব কৌশিকের চেইন টেনে ধরে- সমস্যা একটাই- কৌশিকের পরিধেয় একটা চেইন আছে- সেটা টেনে অবশ্যই কৌশিককে থামানো সম্ভব। তবে কথা হলো একবার শুরু করার পর সেই চেইন টানবে কে- বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধার সমস্যা সব সময়ই ভিন্ন ভিন্ন রূপে সামনে চলে আসে।

কালপুরুষ তখন কোনো এক উপলক্ষে ব্লগে করা তার কোনো এক মন্তব্যের কথা বলবে ঠিক করেছে- তাই সে শুরু করলো- আজকে পাগলা দাশুকে নিয়ে একটা মন্তব্য দিয়েছি- ও একটা মন্তব্য করেছিলো-

মাঝ থেকে একটা প্রশ্ন আসে- কে?
কালপুরুষ আবার নতুন করে বলেন- পাগলা দাশু- ও আমার ব্লগে একটা মন্তব্য-
আবারও প্রশ্ন আসে - কে?
কালপুরুষ আবারও সংশোধন করে শুরু করে- পাগলা দাশু- ও আমার
এবার প্রশ্ন স্পষ্ট- কে? ও আপনি, জাহাঙ্গির গেটের সামনে চলে আসেন।
আমরা সম্পূর্ন ঘটনা উপলব্ধি করি এইবার।
আদতে সেই ব্যাক্তি মোবাইলে কারো সাথে কথা বলছিলেন।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৭৩ টি মন্তব্য
  • ৬৪৮ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫১
অতিথি বলেছেন: হাহাহা... শেষে আইসা 'কে আর পাগলা দাশু' প্রসঙ্গটায় না হাইসা পারলাম না।

হা...হা...

৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১৮
৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১৯
অতিথি বলেছেন: হাসতেই আছি হাসতেই আছি। তবে যারা দীর্ঘ লেখাটা পড়তে আপত্তি আছে তাদের সুবিধার জন্য কয়েকটা পয়েন্ট যেটা ধরে ঝগড়া করতে চাইবেন তা এখানেই সংক্ষেপে দিয়ে দেই

1. রাগ ইমন হিন্দিতে কথা বলেছে

2. অপরিচিতা ভদ্রমহিলা জন্মদিনের উইশ করতে বলেছে, শুভাশিষ নয়
3. ভাস্করকে নিয়ে গাণ রচণা করা হয়েছে!
৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:২০
অতিথি বলেছেন: নাহ মিয়া- ভালো থাকার অবস্থা নাই- মেজাজ বহুত খারাপ- এর পরেও চেষ্টা করতেছি খারাপ সময়কে উপভোগ করার।
৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩২
৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৪
অতিথি বলেছেন: বাল- এখন পর্যন্ত ডিপার্টমেন্টের নবাগতাদের দেখতে পারলাম না- শুনলাম কে একজন নাকি লাক্স ফটোসুন্দরি আছে- ওরেও দেখার ইচ্ছা আছিলো। হইলো না- আর ও কিছু কাজ জইম্যা আছে- ইয়াজুদ্দি ঢ্যামনাটা সব গোলমাল পাকাইয়া দিতাছে।
৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৪
অতিথি বলেছেন: আমার মন্তব্যে গাণ বানানটা ভুল হইছে। এইটা ইচ্ছাকৃত নয়, ভুল স্বীকার করছি জাইনা শুইনা। আরো বানান ভুল থাকতে পারে। সেজন্য কোন ক্ষমা প্রার্থণা করছি না আপাতত।
১০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৮
১১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৭
১২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৯
১৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০০
রাগ ইমন বলেছেন: হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা ..........হাসতেই আছি, হাসতেই আছি !!!!

রাসেল, এতদিনে বুঝলাম, ত্রিভুজ নিয়ে আপনার এত উৎসাহের হেতু!!!


আদতে, ত্রিভূজ আর আপনার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নাই!!


না বুঝলে রাতে ডিটেইলস বুঝায় দিবোনে! আপাতত হেসে নেই, অনেক দিন এই হেন নির্মল কমেডি দেখি নাই ।



হা হা হা হা হা হা হা
১৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
১৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৯
অতিথি বলেছেন: গানটা পোস্ট কইরা দিতে পারেন কৌশিক...শুনতে না পারলেও দেখতাম।
১৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১২
১৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৯
অতিথি বলেছেন: উপলব্ধির কথা রাতেই বুঝাইতে হয়, দিনের আলোতে এইসব উপলব্ধির সস্তারূপ প্রকাশিত হইয়া যায়।
১৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৩
১৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০১
২০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৭
২১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৮
অতিথি বলেছেন: ক্যামোন? প্রায়ই বলতে ঠিক কি বুঝাইলেন বুঝি নাই? উপলব্ধির বিষয়টা সম্পর্কে আমার ভাষ্য আমার উপলব্ধির মতোই। একটা ধোঁয়াশা রাইখা দেওয়া ভালো- য্যামতে ধর্মের ব্যাবসার আড়ালে কিছু ছলছুতা থাকে সেইরকম আর কি।
২২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৩
২৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৩
অতিথি বলেছেন: আমারে তো কখনই বুঝায় নাই- কিভাবে বলি তার কথা, সে কখন বুঝাইতে সাচ্ছন্দ্য বোধ হরে এইটা কিভাবে বলি।
২৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৪
অতিথি বলেছেন: কৌশিক শাহবাগের আশেপাশেই আছি- আইলে ফোনাইয়ো।
২৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৮
অতিথি বলেছেন: এই পোস্টের লিংক অহনই লিপিরে ফরোয়ার্ড করতেছি।
২৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৯
২৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪১
২৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:১৬
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: আমি বোকা মানুষ , তাই আনন্দ সব সময় নির্মল ভাবে গ্রহণ করি -- এর মধ্যে ন্যাকামি , পাগলামি , ছাগলামি বিশ্লেষণ করিনা ।

যাই হোক , লেখাটা পড়ে বুঝলাম যে আমি রাসেল ভাইয়ের একটা মূল্যবান সন্ধ্যা অতিশয় মূল্যহীন একটা উপলক্ষে নষ্ট করলাম ।


আন্তরিক ভাবে দুঃখিত !!
২৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:২৪
অতিথি বলেছেন: সারিয়া কিন্তু মাইন্ড খাইছে। রয়েসয়ে...

সুখ সহ্য কেস না। ভবিষ্যতে ঝাড়ুপেটার চাইতে বর্তমানে গালমন্দ খাওন বেটার - এই নীতিতে...
৩০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:২৭
৩১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৩০
৩২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৩১
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: চোরা
মাইন্ড খাই নাই
স্বাস্থ্যের যে অবস্থা , খাওয়া দাওয়া ছাড়নের চিন্তায় আছি
৩৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৩৩
অতিথি বলেছেন: হা হা হা! জটিল কমেন্ট।
খাওয়া-দাওয়া ছাড়নডা অবশ্য কামের কথা না। জাস্ট ফ্যাট অ্যাভয়েড করলে হয়। সাথে কার্বোহাইড্রেট কমায়া। হালকা-পাতলা বেয়াম দেওন যায়।
৩৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৫০
কালপুরুষ বলেছেন: আমি যে কত বোকা সেটা রাসেলের এই লেখা পড়লে অনেকেই বুঝবে। কত কিছুই যে খেয়াল করিনা। আর কবে শিখবো? বয়সতো শেষের দিকে।
৩৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:০১
রাগ ইমন বলেছেন: ব্লগ যে কত রকমের শিশুদের দুষ্টুমি করার জায়গা!!!!

এখানে যারা লাঠালাঠি , কাটাকুটি, ফাটাফাটি করে, তারাই আজিজ মার্কেটে বসে গলাগলি করা চা, চাপ, লুচি খায়।


রুবেল ভাই [ সুলতান-ছফা পাঠশালার অধ্যক্ষ ] এর সাথে দেখা করতে গিয়ে টের পেলাম। ব্লগার - সব কটা বিরাট ভন্ড !!!


বাকি ব্লগাররা হামলায় পড়ে মারামারিতে যোগ দেয় আর জল ঘোলা করনেওয়ালা ব্লগাররা মজা করে সেই সব পড়ে আর আজিজে বসে হাসাহাসি করে!!!


ভাই ও বোনেরা, আপনারা খামাখা ধোকা খায়েন না। তলে তলে সবারই আসলে সবার সাথে খাতির।


অফিসের পরে সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত জম্পেশ আড্ডা হলো। কে কি বুঝে নাই , কার মন্তব্য কত "হট" ছিল, এই সব আর মাঝে মাঝে এটাসেটা আলাপ।


দেখা হলো, রাসেল, পিয়াল, জামাল, মওসুম, কৌশিক, রাইসু আর রাগ ইমনের।


তবে , রুবেলের সাথে দেখা আর কথা বলার অভিজ্ঞতাটা একমাত্র মনে রাখার মত!
৩৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:০৩
৩৭. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২৬
অতিথি বলেছেন: সারিয়া মাইন্ড খাওয়ার কিছু নাই। জন্মদিনের আনন্দ বিষয়টাতে আমারও আপত্তি নাই- আপত্তি অন্ধ অনুকরনের- তোমার জন্মদিন উপলক্ষে জানা হইলো হিন্দি সিরিয়াল আমাদের আচরনকে কতটা প্রভাবিত করতেছে।
এর আগে এক বিয়েতে গিয়ে দেখলাম হিন্দি ছবির এই শাড়ী এই গান এই খেলা খেলতে হবে এই ভাবে সবাই মুক্তকচ্ছ হয়ে গেলে সেটা ভালো কিছু না।
৩৮. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৪
হযবরল বলেছেন: শালার পাবলিক কিছুক্ষণ বাদে বাদে আজিজ আজিজ করতাছে , রাগে আমার গা জ্বইলা যাইতাছে ।
৩৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৩
৪০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৪
৪১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৩৪
৪২. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
৪৩. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০১
রাগ ইমন বলেছেন: জি , অঃরঃপিঃ, সাহেবান। আপনি আমি দুজনেই সত্যটা জানি। কিন্তু পিয়াল নামে একজন ব্লগার ভয়ানক হুমকি দিয়েছেন, ব্লগের বাইরের ঘটনা যেন ব্লগে না আসে। তাই আমি নাচার!!!! আমি চুনোপুটি ব্লগার, সেলিব্রিটিরা হুমকি ধামকি দিলে খুব ভয় পাই!!!

একবার একজনের সাথে হিন্দিতে কথা বলতে [ যার সাথে মাত্র কিছুক্ষণ আগে জীবনে প্রথম দেখা হয়েছে , যাকে একবারও জিজ্ঞাসা করা হয়নি "কনটেক্সট " কি ছিল, কেন হিন্দিতে কথা বলা হলো, যার বাংলা ভাষার প্রতি অনুভূতি সম্পর্কে রাসেলের কিছুই জানার কথা না ] শুনেই " ইয়াআআআআআআআলি " বলে চিৎকার দিয়ে যদি " হিন্দ ী সিরিয়ালের কু প্রভাবে দুষ্ট " , বাংলার ভাষা আন্দোলন ভুলে গেসে, পাছার কাপড় তুলে চলার মতই অশালীন একটা কাজ - "হিন্দিতে কথা বলা" করে বেড়ায় ধরনের " অন্ধ , অযৌক্তিক, কুরুচিপূর্ণ , সম্পূর্ণ ফালতু " একটা গপ্পো রাসেলের মত সত্যবাদী ব্লগার ফেঁদে বসতে পারে................... আমার ও তো ইচ্ছা হইতে পারে ................ খন্ডিত সত্য গল্প বলার।


পারে না?


রাসেল যখন আমারে " হিন্দিবাজ" বলে , আপনে কই থাকেন সাহেবান? যতদূর জানি, হিন্দি ক্লাসিক গানের অতুলনীয় কালেকশান, গান শোনা এবং গাইতে পারার মত গুনী ব্লগার এই ব্লগে "পিয়াল"।তারে তো হিন্দি বাত তো বাত, গানও গাইতে শুনসি [ কি বিশ্র ী বাংলা বিরোধী কাজ কারবার!!!!] ইংরেজির কথা তো টানতেই চাই না। তাইলে আবার আমার ভয়ানক প্রিয় ব্লগার "সুমন চৌধুরী " রেও ধরে টান দিতে হবে!!! সেইটা আমি জীবনেও করবো না!


রাসেল কি অ্যামেরিকায় বাংলা বলে? বৃটিশ বেনিয়া লুইচ্চার জাত, যারা শোষন, ধর্ষন, হত্যা , লুট ইত্যাদি ইত্যাদি করসে এই দেশে 200 বছর ধরে , তাদের ভাষায় কথা বলতে রাসেলের গা শির শির করে না?



আমি কত খানি খাঁটি বাংলাভাষী , এইটা মাপার গজ ফিতা রাসেল পাইলো কই? কয়দিন চিনে আমারে?


হা হা হা হা হা হা ।


কইলে তো আরও কত কিসুই কওন যায়!


কিন্তু , আমার মাথা এত খারাপ হয় নাই যে এই সব তুলফা ব্যাপার নিয়া আজাইরা প্যাঁচাল এবং ক্যাঁচাল করুম।


আর, এই সব শিশুতোষ ফালতু আচরন নিয়ে মাথা ঘামাই না বলেই , পোস্ট টা পড়ার পরের দিনই রাসেলের সাথে আজিজে দাড়ায় গল্প করা আর হাসাহাসি করতে আমার বাঁধে নাই।


বাচ্চারা তো কত কিছুই করে। সব ধরতে নাই। আমি যখন বাইরে দেখা করি, ব্লগকে সত্যিই ব্লগেই রেখে যাই।


আমি সব তথ্য দেই নাই, খন্ডিত সত্য দিয়েছি, এটা সত্য । তবে এই কথা কেউ বলতে পারবে না [ যেটা আমার বেলায় অত্যন্ত অবিবেচকের মত করা হয়েছে] যে আমি কারো মিথ্যা বদনাম করেছি।


রাসেল যা লিখেছে , আমি ঠাট্টা হিসেবেই নিয়েছি। আমি তাঁর "অদ্ভুতুম কৌতুক বোধের " অনুসারী নই । রাসেল ব্ল্যাক কমেডি করে মজা পায়, আমি পাই না। কিন্তু বিপরীত মতের এবং পথের মানুষকে ধারনের " কারো কারো কাছে ভীষন অপরিচিত " গুনটা আমার বেশ ভালো ভাবেই আছে।


এই একটা জায়গায় রাসেলের আর ত্রিভুজের মধ্যে আসলেও কোন পার্থক্য নাই !!!!!! দুইটাই সমান শিশু!


এখন এই মন্তব্যকে রাসেল "ঠান্ডা" মাথায় ধারন করতে পারে কিনা দেখা যাক!!! ( ক্লোজআপহাসি)
৪৪. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৮
রাগ ইমন বলেছেন: জি , অঃরঃপিঃ, সাহেবান। আপনি আমি দুজনেই সত্যটা জানি। কিন্তু পিয়াল নামে একজন ব্লগার ভয়ানক হুমকি দিয়েছেন, ব্লগের বাইরের ঘটনা যেন ব্লগে না আসে। তাই আমি নাচার!!!! আমি চুনোপুটি ব্লগার, সেলিব্রিটিরা হুমকি ধামকি দিলে খুব ভয় পাই!!!

একবার একজনের সাথে হিন্দিতে কথা বলতে [ যার সাথে মাত্র কিছুক্ষণ আগে জীবনে প্রথম দেখা হয়েছে , যাকে একবারও জিজ্ঞাসা করা হয়নি "কনটেক্সট " কি ছিল, কেন হিন্দিতে কথা বলা হলো, যার বাংলা ভাষার প্রতি অনুভূতি সম্পর্কে রাসেলের কিছুই জানার কথা না ] শুনেই " ইয়াআআআআআআআলি " বলে চিৎকার দিয়ে যদি " হিন্দ ী সিরিয়ালের কু প্রভাবে দুষ্ট " , বাংলার ভাষা আন্দোলন ভুলে গেসে, পাছার কাপড় তুলে চলার মতই অশালীন একটা কাজ - "হিন্দিতে কথা বলা" করে বেড়ায় ধরনের " অন্ধ , অযৌক্তিক, কুরুচিপূর্ণ , সম্পূর্ণ ফালতু " একটা গপ্পো রাসেলের মত সত্যবাদী ব্লগার ফেঁদে বসতে পারে................... আমার ও তো ইচ্ছা হইতে পারে ................ খন্ডিত সত্য গল্প বলার।


পারে না?


রাসেল যখন আমারে " হিন্দিবাজ" বলে , আপনে কই থাকেন সাহেবান? যতদূর জানি, হিন্দি ক্লাসিক গানের অতুলনীয় কালেকশান, গান শোনা এবং গাইতে পারার মত গুনী ব্লগার এই ব্লগে "পিয়াল"।তারে তো হিন্দি বাত তো বাত, গানও গাইতে শুনসি [ কি বিশ্র ী বাংলা বিরোধী কাজ কারবার!!!!] ইংরেজির কথা তো টানতেই চাই না। তাইলে আবার আমার ভয়ানক প্রিয় ব্লগার "সুমন চৌধুরী " রেও ধরে টান দিতে হবে!!! সেইটা আমি জীবনেও করবো না!


রাসেল কি অ্যামেরিকায় বাংলা বলে? বৃটিশ বেনিয়া লুইচ্চার জাত, যারা শোষন, ধর্ষন, হত্যা , লুট ইত্যাদি ইত্যাদি করসে এই দেশে 200 বছর ধরে , তাদের ভাষায় কথা বলতে রাসেলের গা শির শির করে না?



আমি কত খানি খাঁটি বাংলাভাষী , এইটা মাপার গজ ফিতা রাসেল পাইলো কই? কয়দিন চিনে আমারে?


হা হা হা হা হা হা ।


কইলে তো আরও কত কিসুই কওন যায়!


কিন্তু , আমার মাথা এত খারাপ হয় নাই যে এই সব তুলফা ব্যাপার নিয়া আজাইরা প্যাঁচাল এবং ক্যাঁচাল করুম।


আর, এই সব শিশুতোষ ফালতু আচরন নিয়ে মাথা ঘামাই না বলেই , পোস্ট টা পড়ার পরের দিনই রাসেলের সাথে আজিজে দাড়ায় গল্প করা আর হাসাহাসি করতে আমার বাঁধে নাই।


বাচ্চারা তো কত কিছুই করে। সব ধরতে নাই। আমি যখন বাইরে দেখা করি, ব্লগকে সত্যিই ব্লগেই রেখে যাই।


আমি সব তথ্য দেই নাই, খন্ডিত সত্য দিয়েছি, এটা সত্য । তবে এই কথা কেউ বলতে পারবে না [ যেটা আমার বেলায় অত্যন্ত অবিবেচকের মত করা হয়েছে] যে আমি কারো মিথ্যা বদনাম করেছি।


রাসেল যা লিখেছে , আমি ঠাট্টা হিসেবেই নিয়েছি। আমি তাঁর "অদ্ভুতুম কৌতুক বোধের " অনুসারী নই । রাসেল ব্ল্যাক কমেডি করে মজা পায়, আমি পাই না। কিন্তু বিপরীত মতের এবং পথের মানুষকে ধারনের " কারো কারো কাছে ভীষন অপরিচিত " গুনটা আমার বেশ ভালো ভাবেই আছে।


এই একটা জায়গায় রাসেলের আর ত্রিভুজের মধ্যে আসলেও কোন পার্থক্য নাই !!!!!! দুইটাই সমান শিশু!


এখন এই মন্তব্যকে রাসেল "ঠান্ডা" মাথায় ধারন করতে পারে কিনা দেখা যাক!!! ( ক্লোজআপহাসি)





এই মন্তব্য পড়ে রাসেলের "বিরোধী" পক্ষের উল্লসিত হওয়ার কিছু নাই। আমি রাসেলরে "ব্লগের বাইরে" অপছন্দ করি না। তবে , আউল ফাউল কথা কইলে কাউরে স্বজন প্রীতি দএখাইতে আমি রাজি না! আমার বন্ধুরা আমার সবচেয়ে কড়া সমালোচনার শিকার!
৪৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৯
৪৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১১
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: রাসেল ভাই ,
যে বিষয়টি কে আপনি হিন্দি সিরিয়ালের অনুকরণ ভাবছেন এবং যাকে ভাবছেন , তিনি আদতে বাংলার একজন খুব ভালো লেখিকা , যার হিন্দি সিরিয়াল দেখার মত সময় , মানসিকতা , ইচ্ছা কোনটাই নেই ।

তিনি যা করেছিলেন সেটা নিছক শিশু শুলভ একটা আনন্দের প্রয়াস ।


আপনার ছেলের নাম তো ' এরিক ' তাই না ? ( নিশ্চিত নই , ইমনের মুখে শুনেছি )

ওর জন্য আদর রইলো ।
৪৭. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১৭
রাগ ইমন বলেছেন: মাইর খাওয়ার ব্যবস্থা আর কি !!! মর্কট, এরিক না, ঋক!!! কানের মাথা খাইসে!!!
৫০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:২২
৫১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:২৫
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: আমার কান রাসেলের মত এত সার্প না
( সার্প এর বাংলা কি ধারালো ? )

আমি কানে একটু কম শুনি
৫২. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:২৯
রাগ ইমন বলেছেন: আমারই ভুল সারিয়া, আরেক টু ভাল করে বলা উচিৎ ছিল, দোষ তোমার না। দোষই বা বলছি কেন!!!! বৈদিক যুগের মন্ত্র না তুমি গাও , না আমি!
৫৩. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩০
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: আমি কি বলেছি " ঋক " ইংরেজী শব্দ ?
চারিদিকে এত জটিলতা কেন ?

ইমন , একটা মানুষ যদি ব্লগ এর ভিতরে এবং বাইরে এক রকম না হয় , তাহলে তার কোন স্বত্তাটা তোমার কাছে সত্য ?

যদি ব্লগের বাইরের মানুষটা সত্যি হয় , তবে ভেতরের মানুষটা নিশ্চই মিথ্যা ? অথবা ঠিক তার উলেটা ?
৫৪. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩১
৫৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩২
রাগ ইমন বলেছেন: মফিজ, আমার বিদ্যালয়ে বাংলায় জ্ঞানী শিক্ষক লাগবে! আয়া পড়েন! আজকাল বৈদিক যুগের গুরু পাওয়া বড় মুশকিল!!! আপনেরে বড্ড প্রয়োজন!
৫৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪০
রাগ ইমন বলেছেন: সারিয়া, শতকরা 100% নিজেকে নিয়ে এখানে কেউ লিখে না। আমি দুটোকে আলাদাই রাখি। তুমি যতটা প্রকাশিত , সে রকম আর কেউ নয়।

ক্ষমা চাইছি তোমার কাছে!!!


আমার কথা যদি জানতে চাও, আমার মাপকাঠি ভিন্ন ।আমি মানুষের ভিন্ন ভিন্ন রুপ দেখে অভ্যস্ত, দুঃখ কম পাই। অবাক একেবারেই হই না! কখনো কখনো আমি ভীষন নির্লিপ্ত দর্শক!


মন খারাপ কোরো না। আমি লজ্জিত এবং ভীষন ভাবে দুঃখিত , আমি সত্যিই বুঝিনি তোমাকে এভাবে কষ্ট পেতে হবে।


দায়, লজ্জা এবং অনুতাপ-- পুরোটাই আমার ।
৫৭. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪৫
৫৮. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪৮
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: রাসেল ভাই ,
আগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি ।
লেখার সময় " ট্রেন " কে " রেলগাড়ি " লিখতে পারেননি , কারণ ট্রেন কে ট্রেন বলায় আমরা অভ্যস্থ । তেমনি করেই হয়তো সেই ভদ্রমহিলা জন্মদিনের ' উইশ' কথাটা ব্যবহার করেছিলেন ।

অভ্যাস বইল্লা কথা , কি আর করবেন কন ?


কাউকে শুভ কামনা করতে হলে যে অনেক আগে থেকে পরিচিত হতে হয় জানতাম না । আমি আপনার বন্ধু না হতে পারি , শত্রু নিশ্চই নই ?


চেনা - অচেনা সবাইকেই তো

" আসসালামু আলাইকুম" বলতে পারি , তাই না ?
৫৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৫২
রাগ ইমন বলেছেন: যোগ্যতা অনুসারে বেতন, ঠকাবো না। যোগ্যতা প্রমান করবেন, বেতন নিবেন! নিয়ম কানুন কড়া, পারবেন সামলাইতে?

পারলে, আমারে সিভি ইমেইল কইরা দেন।
৬১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৫৪
অতিথি বলেছেন: হেহে, পোস্টিংটা ফ্যানটাস্টিক হইছে...

আছেন তো শুখে ঢাকার বুকে।

হেবি মাস্তি হইতাছে না সবার
৬২. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৫৭
আমার নাম মফিজ বলেছেন: সামলানো ব্যাপার না আফা। তয় ইকটু আভাস দিলে বালো হইত না! একটা বল পার্ক ফিগার কন না!
৬৩. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:০৪
টিয়াবাম বলেছেন: এই গোপু "মাস্তি" কইল রে........পাছার কাপড় উইঠা গেল রে....(ক্লোজআপহাসি)
৬৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:১০
অতিথি বলেছেন: জোরসে বল!!! দু:খিত সারিয়া উপস্থিত থাকতে পারিনি বলে।
৬৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৫২
৬৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫১
অতিথি বলেছেন: সারিয়া একজন লেখিকার যে বাংলা ভাষায় লিখে তার ভাষা চর্চার দায় সব চেয়ে বেশী। আমার কাছে তাই মনে হয়, তবে সবাই নিজস্ব দায়িত্ব পালন করতে অপরাগ, সমস্যা এখানে।
আমি এখনও বিশ্বাস করি হিন্দি সিরিয়ালের সংস্কৃতি বাংলাদেশের সংস্কৃতির তুলনায় মোটেও উন্নত না। তাই যখন এই দুর্বল সংস্কৃতি বাংলাদেশের মানুষের মনঃস্তত্ত্বে প্রভাব ফেলছে তখন তাদের সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলকে প্রশ্ন করি, তাদের সাংস্কৃতিক দুর্বলতাকে ঘৃনা করি। এটা আমার অবস্থান।
৬৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: ইমন যারা বাংলা বুঝে তাদের সাথে আমি বাংলায় কথা বলতেই পছন্দ করি, যদিও এখনও সম্পূর্ণ সফল না এর পরও অযথা ইংরেজি ঢুকিয়ে ভারিককি বাড়ানোর চেষ্টাও করি না। তবে সচেতন ভাবে কারো সাথে হিন্দিতে কথা বলা যে বাংলা বুঝে সেই 2 পক্ষকেই আমার ইতর মনে হয়।
সাংস্কৃতিক গর্ব বা একগুঁয়েমি যেটাই বলো এটাকে আমার নিন্দনীয় মনে হয় না। হিন্দি গান শুনা, হিন্দি ছবি দেখা, এইসব বিষয়ে বিধি নিষেধের পক্ষপাতি আমি না। তবে কেউ হিন্দি বা ইংরেজি গান শুনলেই পরিত্যাজ্য এমন ছাগল ধাঁচের যুক্তির বিস্তার অবাক করেছে।
পরিপ্রেক্ষিত বুঝতে হবে, তুমি যার সাথে হিন্দিতে কথা বলছিলে সে মানব সন্তান যে বাংলা বুঝে এটা জেনেই তোমার আচরনকে নিন্দনীয় বলছি। তুমি মনমোহন সিংয়ের সাথে হিন্দিতে আলাপ করো আপত্তি নেই। তুমি জিয়াং দংয়ের সাথে চীনা ভাষায় কথা বলো। ব্লেয়ারকে ইংরেজির পাঠ দাও এসব আপত্তিকর না। ইতরামি বলি অপ্রয়োজনে অশোভন ভাবে ভিন্ন ভাষার সচেতন ব্যাবহারকে। এটা সহবত জ্ঞানের পরিপন্থি।
তবে তুমি একা এই দোষে অভিযুক্ত এমনও না, অনেক কুতুবই এই কাজ করে। অনেকেই বাক্যে ইংরেজি ব্যাবহার করছে, অনেক সময়ই ইংরেজি বিশেষনের যোগ্য বাংলাটা থাকে না। তবে বেশীর ভাগ সময়ই এটা আমাদের মাতৃভাষা চর্চার অনীহা।
এখানেই ভাষার প্রতি দায়বদ্ধতা- একুশের চেতনা শব্দগুলো আসে। এঁড়ে তর্ক পছন্দ করছি না, করিও না আসলে, সংস্কৃতি চর্চা করা কিংবা না করার দায় ব্যাক্তির নিজের। তুমি যেই সংস্কৃতির চর্চা করছো সেটা আমার কাছে নিন্দনীয় হলে আমি ত্রিভূজ হয়ে যাবো এমনটা যদি তোমার বিশ্বাস হয় তাহলে আমি নাচার।
৬৯. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:২৫
অতিথি বলেছেন: কোন কারন ছাড়া ভিন্ন ভাষায় কথোপকথন চালানোর ইচ্ছাটা কেবল আমি দুজন বাংলাদেশীর মধ্যেই দেখেছি। যেখানে দ্্বিতীয় প্রজন্মের অন্য দেশীয়রা প্রবাসে থেকেও নিজের ভাষাটা বেশ ভালো করেই রপ্ত করে সেখানে বাংলাদেশীরা কেনো জানি না বিদেশী ভাষার সাথে বাংলাটা জট পাকিয়ে এক গুবলেট মার্কা ভাষার সৃষ্টি করে।

একটু গোড়ায় দেখলে হয়তো তার কারনটা ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। আমরা অনেকেই প্রাত্যহিক কথাবার্তায় বিদেশি কোন ভাষাকে টেনে নিয়ে আসি যা কিনা নিজের ভাষার প্রতি খুব অবচেতন ভাবেই একটা অবহেলা প্রকাশ করে।


অতি সমপ্রতি "হিন্দি সিরিয়াল" গুলোর অনুকরণে আমাদের দেশের বাড়িগুলোতে আসবাব ওঠে, জানালার কাপড় বদলায়, বদলায় পড়নের বসনও! এমনকি পরিবর্তন আসে কথা বলার ঢঙেও। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, এটা নিয়ে কাউ কাউ করারও কিছু নেই। "সারভাইভাল অফ দ্যা ফিটেষ্ট" এর কারনেই এটা হচ্ছে। শক্তিশালী একটা সংস্কৃতি ধ্বংস হচ্ছে আমাদের নিজেদেরই কারনে।


গান শোনা, গাওয়া, দেখা -সবগুলোকেই সাংস্কৃতির আদান-প্রদান (কালচারাল এক্সচেঞ্জ) ধরা যায় যেটা দোষের কিছু না। কিন্ত তাতে প্রভাবিত হয়ে ফালতু অনুকরণ করাটা দোষের বৈ কি!
৭০. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৫
অনিক বলেছেন: সিরিয়াস টক। ধুত্তুরি ইংলিশ কয়া ফালাইলাম। কত সুন্দর বাংলা শব্দ থাকতে কিনা siri-ass এর লগে খাট্টা চুকা (বাংলায় টক) লাগায়া কি সব কইতাছি।

ওহ যা কইতেছিলাম। জটিল আলোচনা। (খাঁটি বাংলা)।
৭১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৮
অতিথি বলেছেন: কৌশিকের পোস্টের সূত্রে এখানে এসে উঁকি দিয়েছিলাম। রাসেলের জমাট লেখা পড়লাম। মন্তব্যগুলোও বেশ জমেছিলো। ব্লগে আসলে এইরকম একটা পরিবেশই আমি খুঁজি। এরকম কথাবার্তা নিয়ে কানাকানি মুখামুখি আমার ভালোই লাগে।

হিন্দি-ইংরেজির অহেতুক দৌরাত্ম্যে রাসেলের কিঞ্চিত ধাক্কা খাওয়া বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দু'টি উদাহরণ উল্লেখ করতে চাই। (ভেবেছিলাম এ নিয়ে আলাদা একটা পোস্ট দেবো। বাদ দিলাম।)


1. লন্ডন যখন প্রথম আসি তখন শুনতাম এখানকার বাঙালিরা দু:খ প্রকাশ করার জন্য বলেন, "ভাই, স্যরি আছি"। দু'-চারজনের মুখে শোনার পর খটকা লাগলো কথাটা কানে বাজে কেন? স্যরি, শব্দটা দু:খিত-র চেয়ে বেশিই ব্যবহৃত হতে শুনি। তবু কেন খটকা লাগছে। পরে আবিষ্কার করলাম, শুধু স্যরি বলছে না মানুষ, বলছে, 'স্যরি আছি"।

বুঝতে দেরি হয় না ইংরেজি ব্যবহারটির বাংলা অনুবাদ করা হচ্ছে বাক্যটিতে। আই এ্যাম স্যরি থেকে আমি স্যরি আছি। "এ্যাম/ইজ/আর" গুলো বাংলায় এভাবে আমরা ব্যবহার করি না। আমরা বলি না আমি হই একটি মানুষ। তেমনি স্যরি আছিটাও স্বাভাবিক বাংলা নয়। আমরা বলি স্যরি, বা দু:খিত।

2. ক্লোজআপ-ওয়ান অনুষ্ঠান দেখছিলাম। উপস্থাপক এসএমএস করার জন্য দর্শকদের উৎসাহ দিয়ে বলছেন, "ভোট করুন" "ভোট করুন"। খটকা লাগলো আমি ভোট দিতেই অভ্যস্ত ছিলাম। তবে কি আজকাল লোকে ভোট করছেও?
৭৩. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৫৪
পাগলা দাশু বলেছেন: দাশুর পেন্নাম আমাকে স্মরণ করেছেন।
কষ্ট হতে পারে কিন্তু এটাই সত্যি দাদা, হামপটি ডামপটি স্যাট অন এ ওয়ান এসে , হাঁসজারু এবং বকচ্ছপদের সরিয়ে দিয়েছে। ভাষার ব্যবহারেও সেই একই কথা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন