মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১০

সাময়িক পোস্ট

২০০৭ পর্যন্ত শেষ করলাম।

আপনি কপি করলে ২০০৮ থেকে শুরু করবেন।

আপনার আগের কয়েকটা পোস্টের ফন্টের সাইজ ঠিক করে দিলাম। ফন্টের সাইজ দেবেন, 'Large' নইলে অনেক কম্পিউটারে এতো ছোট দেখাবে কেউ পড়তে পারবে না।

আর নীচে Labels:-এ দেখবেন ২০০৮ -এর ট্যাগ আছে। ২০০৮ সালের লেখা কপি করলে প্রত্যেকটার জন্য এটায় ২০০৮ করে দেবেন। বছর অনুযায়ী লেখা থাকলে সুবিধা।

সীমার নানাবিধ রূপান্তর (খসরা-)

সীমারা আমাদের কাছাকাছি থাকে, আমরা নিয়মিত তাদের দেখি, আমাদের সামনেই তাদের নানারকম রুপান্তর ঘটে যায়, আমরা কোনো কোনো রুপান্তরে সক্রিয় অংশগ্রহন করি, কোনোটাকে ঘৃনা করি, কোনোটাকে সাধুবাদ জানাই, তবে একটা সত্য কখনই অস্বীকার করা যায় না, পণ্যবাদী সভ্যতায় সব মানুষই একে একে পণ্যে পরিণত হয় এবং তাদের গায়ে নানরকম মূল্য তালিকা থাকে, তবে পণ্যায়নে সক্রিয় অংশগ্রহন না থাকলেও সীমারা সব সময়ই নিরীক্ষায় উপাত্ত- পরিসংখ্যানে তাদের গণ এবং গণ মানেই আসলে উপেক্ষিত এবং নাগরিক গণনার বাইরের মানুষ- আমরা আদতে যাদের মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ভালোবাসি কিংবা আমরা যাদের মানুষ বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি পণ্যায়িত হইবার পূর্বে সীমারা কখনই সেই পরিসংখ্যাণের অংশ নয়।

পণ্যায়িত হবার নানান কৌশল কিংবা সীমাদের নানাবিধ রূপান্তরের সরল গল্প বিবৃত করবার একটা প্রচেষ্টা এখানে আছে- তবে এই সীমা আদতে গণের একটা সাধারণ অংশ-

আমাদের সীমা বেড়ে উঠছে-

সীমার জন্মের সাথে সাথে তার মূল্যে ঋণাত্বক চিহ্ন পরে, বাবা বিমর্ষ মুখে ভাবছেন ছেলে হলেই ভালো হতো, শ্যামলা মেয়ে পার করতে ভালোই পয়সা গচ্চা দিতে হবে- বাবার ব্যালেন্স শীটে সীমার নামের পাশে ক্রেডিট লেখা হয় ২০ হাজার।

সীমার শৈশবের স্কুলে অবৈতনিক শিক্ষা, প্রাইমারী লেভেলের বই সব ফ্রি, ধীরে ধীরে সীমার ব্যালেন্স শীটে ডেবিটের অঙ্ক লেখা হয়, ১২ ক্লাশ পর্যন্ত বাৎসরিক ১২০০ টাকা, সব মিলিয়ে ৮৪০০ - ক্লাশের বইয়ের দাম আর শিক্ষকের ট্যুইশন ফি দিয়ে আবারও ক্রেডিটে লেখা হয় ১০ হাজার, শিক্ষকের ডেবিটে অঙ্গক যোগ হতে থাকে, সীমা গান শিখে, সীমা নাচতে চায়, সীমার সামনে অনেক বাধা,
স্কুলে যাওয়ার পথে সীমাকে উত্ত্যক্ত করে উঠতি ছোকরা, সীমা প্রতিবাদী যৌবনের ধ্বস্তাধ্বস্তির উপলক্ষ্য হয়ে যায়- সীমাকে ভালোবাসা জানাতে একান্তে পেতে নানারকম প্রতিযোগিতার পরে সীমার ব্যলেন্স শীটে লেখা হয়- প্রেম একবার এসেছিলো জীবনে,

সীমা হয়তো স্কুলের গন্ডী পেরুতে পারবে না- সীমা হয়তো আল ধরে যাবে বাবার খাবার হাতে- হয়তো রহিম ,করিম জগৎ শ্যামল বাঁশী শোনাবে, তবে সীমার ব্যলেন্স শীটে লেখা হবেই হবে প্রেম একবার এসেছিলো জীবনে-

সীমা কিশোরী তরুনী হবে- অবধারিত- সীমা গ্রাম ছেড়ে শহরেও আসবে হয়তো- সীমার কর্মী হাতের মূল্য বেড়ে যায়- সীমা পরনির্ভরশীল থেকে স্বনির্ভর সীমা হয়ে উঠে- তার হাতের মূল্য মাসপ্রতি ১৬০০ টাকা, আর উপরি সুপারভাইজার আর তত্ত্বাবধায়কের উপরি ভালোবাসা আর লাঞ্ছনা-

সীমা একই সাথে বামপন্থী দিদিদের বিপ্লবী সচেতন শ্রমিক, সীমা মালিকের একান্ত দাসানুদাস, সীমার গোপন কান্না আর অপুষ্টির গল্প আরও বড় সামাজিক আন্দোলনের হাতিয়ার, সীমা রাজনৈতিক পণ্য, একটা ইস্যু, গার্মেন্ট শ্রমিকের বেতন বাড়ান, সীমা গার্মেন্ট ভাঙচুরের উপলক্ষ্য- সীমাকে নির্যাতন করে সুপারভাইজার, সীমা মিছিলের শ্লোগান, সীমাকে অবিধ বরখাস্ত করলো কেনো মালিক পক্ষ জবাব চাই-

সীমা জন্মনিয়ন্ত্রন আপার উপাত্ত আর ব্যালেন্স শীটের নগদ- আজ ২ পাতা ফেমিকন নিয়েছে-

সীমা বিবাহিত, স্বামীর ব্যালেন্স শীটে জমা হলো ৫০০০ নগদ আর একটা রিকশা,

সীমা বাড়তি উপার্জনের ছুতা- সীমা বাড়ি ভাড়া দেওয়ার মালিক- কামাই নাই এই মাসেরটা শোধ দিয়া দে আগামি মাসে নগদ ফেরত দিমু- শালী দিয়া দে, টাকা চাইলেই খ্যাচখ্যাচ খ্যাচখ্যাচ-

সীমার চোখের পানি আর বিলাপ, সীমার স্বনির্ভতার লড়াই, সীমার বিচ্ছিন্নতা, সীমার নির্যাতন, নানারকম এনজিও দিদিমনিদের নানারকম তথ্য উপাত্তের খাতায় নগদে জমা হচ্ছে- সীমা বিভিন্ন ভাবে রূপান্তরিত হচ্ছে- শ্রমিক, নির্যাতিত, স্বাবলম্বী ,মাতা, কন্যা, স্ত্রী, অপুষ্ট নারী, অপুষ্ট মাতা, বরখাস্ত শ্রমিক, সামাজিক নিগৃহের শিকার, সীমা জামাই ছাড়লে সে বস্তির মেয়েদের বিয়ে টিকে না, সীমা জামাইকে আঁকড়ে ধরলে বস্তির মেয়েরা স্বাধীন হতে ভয় পায়। নির্যাতন সহ্য করেও সংসার করে,

সীমার শেষ বিলাপ হয় ঝড়ে বাড়ি উপড়ে গেলে, সীমার বিলাপ আর চোখের পানি যায় ১২টা টিভয় চ্যানেলে, কেউ বলে ফেক- পুরাটাই মিডিয়া ক্যু, আসলে এমনটা ঘটে নি, রাজনৈতিক দলের ভেতরে সংঘর্ষ চলে মোটামুটি, ওটা আমাদের দুঃস্থ নারী শ্রমিক কল্যান সমিতির কর্মী, ওটা মিথ্যা বানোয়াট- ফটোগ্রাফিক জোচ্চুরি, সরকারের ভাবমুর্তি নষ্টের চক্রান্ত- আসলে ও নিজেই ঘড়ে ভেঙে সরকারের নামে দুর্নাম ছড়াতে চায়-

সীমার ভিডিও ফুটেজ জমা হয় ইউ টিউবে-

সীমার আহাজারি আর সীমার চোখের জল বৈদেশিক সাহায্য টেনে আনে

সীমার ত্রান নেওয়া বিধ্বস্ত চেহারা হয় রাজনৈতইক বিজ্ঞাপন, এবার ত্রাণ বিনিময়ে কোনো দুর্নীতি হয় নি সাংবাদিক ভাইয়েরা দেখেন আপনারা শুধু আমাদের খারাপনিয়েই লেখেন, এই দেখেন সীমা হাতে ৫ কেজি চাল আর তেলের প্যাকেট-

সীমা আমাদের উন্নয়ন আর সততার বিজ্ঞাপন অবশেষে

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৫

  • ২ টি মন্তব্য
  • ১৮২ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৩
২. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৯

বিনিময় করবো না স্মৃতি

এই কবিতার মূল্য কত?
সিগারেট বাবদ ৩০ আর যে কাগজে লিখছি সেটা ১টাকায় কেনা।
আড্ডায় বসে ৩ কাপ চা ৯ টাকা আর তোমার সাথে দেখা করবার জন্য যখন রিকশা চেপে যাচ্ছি তখন রিকশা ভাড়া লেগেছে ৩০ টাকা।

মানসিক শ্রম আর কায়িক শ্রমের জন্য মজুরি আরও ৪০ টাকা বাড়ালেও মোটে ১১০ টাকা-
সম্পাদক কিনতে চাইছে ৫০০ টাকায়-

কি লাভ হবে কবিতা বেচলে কর্পোরেটের কাছে?

পথ , জ্যাম আর মানুষের ঘাম ঠেলে তোমার কাছে , আরও কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা আমার,
তোমার স্পর্শ লেগে আছে এ কবিতায়,
তোমার কাছে যাওয়ার আর তোমার ছায়ায় শুয়ে থাকার
১০০ দিনের গন্ধ লেগে আছে-


ভালোবাসাবাসি দিনের কখনও নিলাম হয় না

কুন্তলা,

না আমি এ কবিতা বেচবো না।


  • ১৭ টি মন্তব্য
  • ৪৪২ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৮
কালপুরুষ বলেছেন: দারুন! রাসেল অষ্ট ডট স্পেশাল। খুব ভাল লাগলো- লেখার চেয়ে লেখার ভেতরের অনুভূতিটুকু।
৫+
২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৯
৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১১
৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৯
৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৩
মনিটর বলেছেন: বস্, লেখা হইসে সেইরকম।

আপনেরে মিস করি খুব।নিয়মিত পাইলে ভাল লাগত।
৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৪
অন্যরকম বলেছেন: সামথিং ডিফারেন্ট আইডিয়া পাইলাম!
পুরা পাংখা.......৫
৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৭
রাসেল ( ........) বলেছেন: পিয়াল ভাই লিপিস্টিকটা কড়া রংএর হইছে,
একটু ম্যাট শেড লাগান মিয়া।
১০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩২
মুকুল বলেছেন: রাসেল ভাই, আপনার প্রোফাইলের একটা কথা আমার খুব পছন্দ, "অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা"


মিথ্যা বলায় আমার দক্ষতা নাই। তাছাড়া স্মরণশক্তিও কম। কি বলেছি না বলেছি ভুলে যাই। সত্য না বললে ধরা খাওয়ার চান্স বেশি। তাই পারতপক্ষে মিথ্যা বলি না। হি হি হি।
১১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০১
১৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৯
১৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৫
রাসেল ( ........) বলেছেন: মিথ্যা বলতে না পারা একটা সমস্যা- মিথ্যা সব সময়ই উৎকর্ষক- তবে একটু ঝামেলার, সব সময়ই নতুনত্ব আনতে হয় পরিবেশনায়/
১৬. ০৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
১৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

সুবিচার কি আদতেই পাবে মেয়েটি? উৎসর্গ মানবী।

আদতে অনেক দিন পর লিখছি তার কারণ মানবীকে ধন্যবাদ জানানো এবং মানবীর পোষ্ট বিষয়ে নিজস্ব মন্তব্য প্রকাশ করা।

যদিও এটা তার পোষ্টেই করা যেতো তবে এখানে আলাদা করে মন্তব্য করার বিষয়টা আমার ব্যক্তিগত অভিরুচি।

অনেকদিন আগের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে ধর্ষণের পর মৃত ভেবে ফেলে রেখে যাওয়া পোশাক শিল্পের শ্রমিকের করুণ মৃত্যু এবং প্রায় ৩ বছর পরে আদালতে মামলার বিচার শুরু হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরবার জন্য এবং এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রচার করার জন্য চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদককেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার অতিধীরগতির কারণে এমন বর্বর ঘটনার বিচার শুরু হতে এতটা সময় লেগেছে তবে আমার নিজস্ব ধারণা এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত মেয়েটার পক্ষে যাবে না। এমন ধারণার নানাবিধ কারণ থাকলে মূলত কয়েকটা স্পষ্ট কারণ আছে।

ঘটনা ঘটেছে ৩ বছর আগে, এবং বাদি মৃত, এ ঘটনার কোনো সাক্ষ্য নেই। পরোক্ষ সাক্ষ্য ছিলো যারা তারাও এখন বিচারের বিষয়ে তেমন আগ্রহী নয়।

মেয়েটার মা বাবার ঠিকানা হারিয়ে গেছে, হয়তো আইন ও সালিশ কেন্দ্রের কাছে ঠিকানা আছে তবে তারা মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে বেশী বক্তব্য দিতে নারাজ। অপরাধীদের ৩ জন জামিনে বাইরে এবং ১ জন পলাতক।

আদালতে নিসংশয়ে যদি প্রমাণিত না হয় যে অপরাধীরা ধর্ষণ করেছে এবং তারা হত্যার উদ্দেশ্যে মেয়েটাকে ফেলে রেখেছিলো গোপন স্থানে তবে আদালত বেকসুর খালাস দিয়ে দিবে কারণ অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত না হলে আদালত অপরাধীকে বেনিফিট ওফ ডাউট দিয়ে দেয়।

এখন কথা হলো ধর্ষণজনিত ডাক্তারি প্রমাণ আছে কি না?

হয়তো মেয়েটাকে নিয়ে যাওয়ার পর হাসপাতালে ডাক্তার একটা পরীক্ষা চালিয়েছিলো, সেখানে হয়তো ধর্ষণের চিহ্নও ধরা পড়েছে, তবে যে চিহ্ণ ধরা পড়েছে সেটা যে আদতেই অপরাধীদের দ্বারা সৃষ্ট এই প্রমাণ হবে কিভাবে?

বাংলাদেশের আদালতে এখনও বোধ হয় ফরেনসিক এভিডেন্স সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ার প্রথা প্রচলিত হয় নি। কিংবা যদি হয়েও থাকে ডাক্তার নিশ্চয় তার যৌনাঙ্গ থেকে বীর্য সংগ্রহ করে সেটার ডি এন এ প্রোফাইল তৈরি করে নি, যেটার ভিত্তিতে নিসংশয়ে বলা যাবে এই কয়জন মানুষ মেয়েটার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলো এবং তাদের দেহের ছাপ পাওয়া গেছে মেয়েটার শরীরে।

এখন কথা হলো মানবী যা করছে , একটা বিকল্প জনমত তৈরির চেষ্টা, যদি এটা দিয়ে বিচারক প্রভাবিত হয়, কিংবা যদি প্রচলিত জনমতের উপর ভিত্তি করে আদালত সিদ্ধান্ত দেয় তবে আদালতে বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা রাখা উচিত হবে কি?

যে বিচারক প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত দেয় তার সিন্ধান্তের গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে সব সময় একটা সংশয় থেকেই যাবে, কারণ বিচারক পদে আসীন থাকবার সময় তার নির্ভর করবার মতো বিষয়াদি হচ্ছে উপস্থাপিত তথ্য প্রমাণ ও সাক্ষ্য। এর বাইরে তার ব্যক্তিগত অনুভব যদি বিচারের রায়ে প্রতিফলিত হয় তবে সেটা অগ্রহনযোগ্য হবে আদালতে।

অবশ্য আমরা সবাই এ বিষয়ে নিশ্চিত ডেথ বেড স্টেটমেন্টে মেয়েটা ধর্ষকদের নাম বলেছে, এর উপরে ভিত্তি করে কয়েকজনকে চুড়ান্ত শাস্তি দিয়ে দেওয়া যায় হয়তো। কিংবা যদি আদালতের রায় মানবীর মনোবাঞ্ছা পুরণ না করে তবে মানবী আরও বড় একটা ক্যাম্পেইন করতে পারে - এবং জনমত গঠিত করে ধর্ষকদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারে।

আমার এর কোনোটাতেই তেমন আপত্তি নেই। তবে আমার মনে হচ্ছে এই বিচারের রায় কখনই নিসংশয়ে ধর্ষণের অপরাধটা প্রমাণ করতে পারবে না। আর মৃতের স্বামী নিজস্ব প্রয়োজনে দ্বীতিয় বিয়ে করেছে, তার মৃত স্ত্রীর বিচারের বিষয়ে আগ্রহ কমে গেছে সময়ের সাথে- সুবিচার আদতে কি পাবে মেয়েটি?



  • ১৪ টি মন্তব্য
  • ৫৭৬ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৮
মুকুল বলেছেন: দূঃখজনক হলেও আপনার চিন্তাটাই বাস্তব। আমাদের মান্ধাত্বার আমলের ব্যবস্থা সুবিচারের পথে বড় অন্তরায়। দীর্ঘসূত্রিতার কারণেও প্রমানগুলো নষ্ট হয়ে যায়।
২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১১
রাশেদ বলেছেন: নির্মম বাস্তবতা। আইনের ফাক ফোকরের অভাব নাই।
৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৩
আনন্দময় বলেছেন: মনে প্রানে চাইছি পশুগুলো সাজা পাক।
রাহেলার স্বামীর হয়ত কিছু যায় আসেনা কিন্তু আমরা কষ্ট পাচ্ছি।
মানবিকে ধন্যবাদ দেয়াটাও কম হবে।
৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০৭
নিধিরাম সর্দার বলেছেন: সময়োপযোগী পোস্ট।
ঘুণে ধরা এই দেশটার ভণ্ডামিগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর জন্যে ধন্যবাদ নিন।
৬. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৪৬
লাল দরজা বলেছেন: ভাইজান,
আইন দিয়া প্যাচাইলে ত মইরা জামু। :( একেই বুঝি বলে আইনের মারপ্যাঁচ!
আমার মনে হয় মানবীর আবেদন বিচারক কে প্রভাবিত করার চেয়ে সংস্লিষ্টদের দায়িত্বটুকুই যাতে যথাযথ ও সিরিয়াসলি পালন করা হয় সে দিকেই ইশারা দেয়। এই যে আমরা সবাই এক সঙ্গে হয়ে কিছু একটা বলতে চাইছি সেটা কেবল এই জন্যই যেন এমন একটি অমানবিক ঘটনার যেন যথাযথ বিচার হয়। কেন অবহেলার সুযোগে, সমাজে যেনো কোন ভযাবহ জীবানু ঘুরে না বেড়াতে পারে।
ক'দিন আগে ঢাকা মেডিক্যাল এর বারান্দায় শুয়ে শুয়ে বিনা চিকিত্তসায় এক বেওয়ারিশ লোক পচে গলে মরছিল। ব্যাপারটা টিভিতে সংবাদ হয়ে আসার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে লোকটির যথাযথ চিকিত্তসার জন্য এগিয়ে আসে অন্য একটি প্রাইভেট ক্লিনিক। লোকটি সম্ভবত বেচে যাবেন ভালোভাবে এ যাত্রা। অথচ তার তো সবার অলক্ষ্যে ঢাকা মেডিক্যালের ওয়াশরুমের পাশে বেওয়ারিশ মরে যাবার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়তো এখন আর সম্ভব না।
এবার ধরুন লোকটি যদি মেডিক্যালে বেওয়ারিশ মরে যেত সে জন্য হয়তো কাউকে দায়ী ও করা যেত না। কতই ত এমন ঘটনা ঘটে এ দেশে, মরণ এসেছে মরে গেছে কথাতো তেমন অপরিষ্কার নয়। তাছাড়া এ বেওয়ারিশের দায়িত্বইবা কার, শত সহস্র প্রতিকুলতায় ওখানে প্রতি দিনই ত এমন ঘটনা ঘটতে পারে। সিস্টেমে যা আছে তাই ত হবে এখানে অনিয়মের কি আছে সিট নাই পরিচয় নাই ওষুদ নাই ডি.এম.সি ইবা কি করবে! সকল নিয়ম নীতির ফাক গলেই কিন্ত মানুষটা পচে গলে বেওয়ারিশ হতে পারত। কিন্তু তা আর হতে দেয়নি, মানুষ আর মানুষের অন্যরকম চেতনা। একে আমরা মানুষের থকথকে ইমোশন-টিমোশন যে নামেই অপবাদ দেই না কেন শেষমেষ কাজেরকাজ কিছু হয় এটা ত সত্যি?
এখন ফিরে আসি মানবীর আবেদনে, ভাই রাসেল আপনি ব্যাপারটির একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। প্রকৃত আইন ত আর বিভূতি বাবুর অপু-দূর্গার ইমোশনে চলে না। চোখে কালো পট্টি বেধে, স্বাক্ষী-সবুদ দেখে শুনে যুক্তি প্রমান বিচারে এগিয়ে যায় আইনের পৃথিবী। এত মার প্যাঁচের ভেতর কৈ থেকে কে আসবে রাহেলার জন্য আর। ঠায়ঠিকানা যাদের নেই তাদের কি তবে এই ভাবে কচু বনের আড়ালে একদিক দিয়ে ধর্ষন চলবে আর এক দিক দিয়ে চলবে গলায় ছুরি। আর আইনের চোখে কালো পট্টি মেরে লেকের পচা জলে শিষ্ন ধুয়ে হলুদ দাতের হাসি হেসে বেচে থাকবে এক পাল হায়না। ঘুরে বেরাবে পাড়ায় মহল্লায় হাটে বাজারে পরবর্তী শিকার কোন রাহেলার খোজে!
আপনি মেটাদাগের ইমোশনাল মানুষদের আইনের চিকন ফাক-ফোকরের কথা গুলো দেখিয়ে দিয়ে ভালো করলেন, এখন সবাই মিলে আরো মনোযোগ দিয়ে চেষ্টা করবে এই কেইসটার যেনো বিন্দু মাত্র অবহেলা না হয়। নিরবে নিভৃতে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমানের অভাবে যেটার আশঙ্কা ছিল একশত ভাগ। এখন সম্ববত সেই বেনিফিট টা ডাউট হিসেবে থাকতে পারবেনা আর। বিচারপতি তার চোখ কান মুখ সব বন্ধ করেই নিরপেক্ষ বিচার করবেন, তার সাথে ও কারো কোন সম্পর্ক নাই। প্রচেষ্টা যেটা চলবে সেটা হচ্ছে কেউ যেন কোন ভাবে এক চুল পর্য্যন্ত অবহেলা করতে না পারে এমন হতভাগ্যদের। আমার বিশ্বাস কোথাও না কোথাও কোন না কোন ভাবে কিছু না কিছু আছেই যা দিয়ে অপরাধী'দের শাস্তি নিশ্চিত করা যেতে পারে।
ধন্যবাদ রাসেল আপনাকে, রূঢ়হ বাস্তবতা নিয়ে আপনার চিন্তশীল অন্যদৃষ্টি'র জন্য।
মানুষে বিশ্বাস হারাবোনা কোন দিন, মানুষের জয় হবেই।
লাল সালাম
৭. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩০
তুষার ০০৭ বলেছেন: হৃষ্টপুষ্ট পোস্ট।
ক্ষমতাধরদের শাজনীন হত্যা মামলারই কি গতি হল? আর হতদরিদ্রদের রাহেলা.........??
৮. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:১১
মানবী বলেছেন: "এখন কথা হলো মানবী যা করছে , একটা বিকল্প জনমত তৈরির চেষ্টা, যদি এটা দিয়ে বিচারক প্রভাবিত হয়, কিংবা যদি প্রচলিত জনমতের উপর ভিত্তি করে আদালত সিদ্ধান্ত দেয় তবে আদালতে বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা রাখা উচিত হবে কি?"- --- বক্তব্যের সাথে একমত নই, দুঃখিত। বিচারককে প্রভাবিত করার কোন উদ্দেশ্য নেই। ঘৃণ্য অপরাধ করে কতোগুলো নরকের কীট স্বাধীন ভাবে ঘুরছে। যিনি তাদের পাশবিকতার শিকার হয়ে চলে গেছেন, তিনি ছাড়াও..আরো অগুনিত নারী তাদের শিকার হতে পারে যেকোন সময়। আইন তার নিজস্ব নিয়মে চলবে। সমস্যা হলো হতদরিদ্র মানুষের জন্য সেই নিজস্ব নিয়মে আইনকে চালানোর খুব বেশি প্রয়াস চোখে পড়েনা। যেমন আপনিই বলেছেন রাহেলা'র মা ওর স্বামীর কথা। তাঁরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামেই ব্যস্ত, এই নরপশুদের বিচারে খুব বেশি উৎসাহ নেই।

এই কুলাঙ্গার গুলোর প্রাপ্য শাস্তি আইন আদালত দিবে, তবে তার আগে প্রয়োজন এদের বিশেষ করে নরপশু লিটনকে আইনের হাতে সোপর্দ করা। তাই, আমাদের এই প্রচেষ্টা..

ধন্যবাদ জানানো এবং রাহেলার কেস সম্পর্কে নিজের মতামত জানিয়ে আলাদা পোস্ট দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ রাসেল ( ........)।

নিজের পেশাগত শিক্ষা থেকে বলতে পারি, ডেথবেড স্টেটমেন্ট অত্যন্ত জোরালো একটি সাক্ষ্য। শুধুমাত্র একজন ভিকটিমের ডেথবেড স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে একাধিক মানুষের মৃত্যুদন্ড হতে পারে।
৯. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:২৬
রাসেল ( ........) বলেছেন: মানবী একটা জনমত সংগঠনের প্রচেষ্টাকে অগ্রাহ্য করবার পরেও যা বক্তব্যে স্পষ্ট হলো যে একটা পুর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত এই ঘটনায় আছে তোমার।

নরপশু লিটনের উপযুক্ত শাস্তির বন্দোবস্ত করা। যদি এমন জাজমেন্টাল হয়ে কোনো কিছু শুরু হয় তবে আমি তোমাকে কোনো আদালতে বিচারকের আসনে বসতে দেবো না। কোনো রকম পুর্বানুমান কিংবা ব্যক্তিগত আবেগের জায়গা থেকে কোনো ঘটনা যাচাই করা যায় না।

আমাদের মানবীয় অনুভুতি দিয়ে চালিত হওয়া সব ঘটনার একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে থাকা কিংবা সেখানে অনড় হয়ে যাওয়ার বদভ্যাস নিয়ে অনেক কিছুই বলা যায় তবে

তোমার ভাষ্য শুনে আমার মনে হচ্ছে নরপশু লিটনকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ একজন মানুষ জনমানসে সচেতনতা আনতে বদ্ধপরিকর।

জনমানসে সচেতনতা আনা, তাদের বিবেচনাকে প্রভাবিত করা এবং এটাকে সার্বক্ষণিক আলোচনার মধ্যে রাখা সবই ঠিক আছে তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টা আমার কিংবা তোমার কিংবা তার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সমাধান হোক তা চাই না
১০. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৬
১১. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:০৮
তুষার ০০৭ বলেছেন: হুমম, কাউকে চাকরি ফিরিয়ে দেয়ার আন্দোলন আর এটায় যে কেমন তফাত এটা আবেগে ভুলভুলাইয়া হয়ে যাচ্ছে আর কি....
১২. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:১৫
কালপুরুষ বলেছেন: সু-স্বাগতম। অনেকদিন পর! মিস করি তোমাকে ব্রাদার। কেমন আছো? পরিবার নিয়ে ভাল থাক এই দোয়া রইলো।

লেখা বরাবরের মতই ভাল, যুক্তিসম্পন্ন বক্তব্যের জোড়ালো উপস্থাপন।
১৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ আমার পোস্টে আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপনার লেখায় বাস্তবতা ফুটে উঠেছে, আর আমি লিখতে চেয়েছি আশার কথা। মতে ভিন্নতা থাকতেই পারে তবে সুন্দর বিতর্ক সেই ভিন্নতাকে ছাপিয়ে আরো সুন্দর কিছুর সন্ধান দেয়। এজন্যই বিতর্কে আসা।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ডি.এন.এ ল্যাবে তৈরি করা হয়েছে বেশ কিছু মাস যাবত তবে সেটা থেকে এখন পর্যন্ত কি কি প্রসবিত হয়েছে সেটা জানা নেই, তবে হয়েছে যে সেটা নিশ্চিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবেও ডি.এন.এ টেস্ট করার ব্যবস্থা আছে তবে সেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও গবেষনার জন্যই।
তবে পূর্নাংগ ডি.এন.এ ল্যাব বলতে যে বোঝায় সেটা এখনো নেই দেশে। বানিজ্যিক ভাবেও নেই। তবে "এগুলোর বিশ্বাষযোগ্যতার অভাবও আছে"

বাংলাদেশে ধর্ষন মামলায় কি ধরনের আলামত নেয়া হয় তা সম্পর্কে বেশ ভালো ধারনা আছে আমার। এর সুযোগ নিয়ে প্রচুর মামলায় হাতে নাতে ধরা পরা ধর্ষকও ছাড়া পেয়ে যায়।

মামলার ভবিষ্যত নিয়ে আমি কিছুটা কনফিউজড তবে আশাহত হতে পারছি না। চেষ্টা চালাচ্ছি ও ভালো কিছুর সাথে থাকার চেষ্টা করছি।
১৪. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২
রাসেল ( ........) বলেছেন: মামলার রায় হয়েছে ১৮ই ফেব্রুয়ারী ২০০৯, তবে প্রকৃত অপরাধীদের ভেতরে পলাতক ব্যক্তিটির ফাঁসির আদেশ হয়েছে, কিন্তু অন্য অপরাধীদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে, মামলার রায়ের নথি হাতে আসলে বলা যেতো কোন কারণে তাদের অব্যহতি দেওয়া হলো, লিটন একাই জোরপুর্বক ধর্ষণ করেছে এবং বাকি দুজন দাঁড়িয়ে হাত তালি দিয়েছিলো এমনও না।

এই মামলা উচ্চআদালতে যাবে না, অনেক মামলার ভবিষ্যতই এমনই অন্ধকারে থাকে। মাঝের ১৮ মাসে আমার অবস্থান বদলানোর কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না।

উল্লুকদের সাথে সহবাস ---ওড টু সামহোয়্যার ইন কতৃপক্ষ

অনেক আগে পারস্পরিক আলোচনায় একটা বিষয় উঠে এসেছিলো- সামহোয়্যার ইনের কর্তাব্যক্তিদের আচরণ তথাকথিত ইসলামপ্রেমী জঙ্গীবাদের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে- তারা ইসলামপ্রেমী আচরণ করে বেশীরভাগ সময় যেসব বিতর্কের জন্ম দেয় সেসব বিতর্কের পেছনে মডারেশন নামের একটা ভুত থাকলেও সেটা সব সময়ই প্রতিক্রিয়াশীল একটা আচরণ হিসেবেই প্রতীয়মান হয়- এবং সাইটের ডেভলপার এবং মডারেটরেরা কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ডানপন্থী এবং যদি মাত্রার কথা বলা হয় তবে সেটা উগ্র ডানপন্থী নির্বোধের আড্ডাখানা বলা যাবে-

যদিও ব্লগের কনসেপ্ট এই কল্পিত কম্যুনিটি ব্লগিংয়ের জায়গাটাতে শোভনতা কিংবা মতাদর্শিক দ্বন্দ্বের জায়গাতে এসে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অধিকাংশ সময়ই আহত করে- যদিও ধারণাগত বিচারে ব্লগ মানুষের স্বাধীন কণ্ঠস্বরকে ধারণ করার কথা তবে যখন তথাকথিত টিকিধারী পুরোহিত আর কাঠমোল্লারা সবকিছুর তত্ত্বাবধানে থাকে তখন যেকোনো মতের গলায় ছুড়ি চালাতে এরা দ্বিধা করে না-

অমনিবাসে মুহাম্মদের যে কার্টুন ছাপা হয়েছে কিংবা প্রকাশিত হয়েছে এই কার্টুন উদ্ভব হওয়ার দায়টা সবসময়ই এইসব উল্লুক ডানপন্থী জঙ্গীবাদের সমর্থকদের ঘাড়েই পড়ে- তাদের আচরণে অন্যান্য সাধারণ মুসলিম কিংবা যারা মুসলিম পরিবারে জন্মে বাবা মায়ের কারণে নামের শেষে ইসলামী পদবী নিয়ে ঘুরে তাদের জন্য ভয়ংকর একটা বাস্তবতা নিয়ে এসেছে- এবং এইসব মোহাম্মদ আহমেদ সহ তাবত মুসলিম নামসম্বলিত মানুষদের সাম্ভাব্য জঙ্গী হিসেবে দেখবার একটা সুযোগ করে দিয়েছে তারা-

এইসব উল্লুকেরা বোমা মারে- এইসব উল্লুকেরা বিভিন্ন ওয়েব সাইটে গিয়ে ন্যাংটা মেয়ের ছবি দেখে আর দাড়িতে হাত বুলায়- যেমনটা করছে আমরা পাশের বুথের মানুষটা- তার প্রায় এক বিঘত লম্বা দাড়ি আর এডাল্ট ফ্রেন্ড ফাইন্ডারের ওয়েব সাইটের এক মুষ্ঠিরও কম কাপড় পড়া মেয়েদের উন্মুক্ত বক্ষ এবং সেই সাথে নাওজুবিল্লাহ রাস্তায় হাঁটা যায় না লোকজন এরকম অশোভন ভাবে রাস্তায় পেশাপ করে সম্বলিত বক্তব্য আমাকে কোনোভাবেই সম্মানজনক কোনো ভাবমুর্তি প্রকাশে সহায়তা করে না-
এরাই যখন আমাকে আলাপচারিতায় জানায় দেশটায় মেয়েমানুষদের চলাফেরা শালীনতার বাইরে চলে যাচ্ছে- মেয়েরা বড় বেশী প্রলোভন জানাচ্ছে - এসব মোকাবেলা করবার জন্য আসলেই ইসলামীকরণের প্রয়োজন আছে- এসব সহানুভুতিশীল বক্তব্য আমাকে যেসব শব্দ উচ্চারণে বাধ্য করে সেসব শব্দ অনায়াসেই ব্যবহার করাটা যৌক্তিক এটা আমার মতামত-

যাই হোক ইসলাম প্রেমী এইসব উল্লুক যারা মুহাম্মদের নাম শুনে হাতে তসবি জপা শুরু করে এবং একই সাথে কীবোর্ডের নীচে হাত নিয়ে হস্ত মৈথুন করে এবং এরপর বাইরে বের হয়ে হারকাতুল জিহাদের সদস্য হিসাবে একটা ডায়েরী ধরিয়ে দেয় বন্ধুর হাতে এদের নিয়ে আমাদের আসলে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা উচিত এটা নির্ণয় করা কঠিন-

আমি যদিও ধর্ম পালনকারীদের যথোপযুক্ত সম্মান করতে চাই- একজন প্রণত মানুষ সে দুর্গার মুর্তির সামনে কিংবা মেরীর মুর্তির সামনে নতজানু নাকি মসজিদের উন্মুক্ত প্রান্তরে নতজানু এটা বিচার না করেই তাকে সম্মান করতে ইচ্ছা হয়- এই ভাবালুতার জায়গা থেকে আমি যখন তাদের বাইরের সমাজে দেখি- তখন একটা সত্য জেনে বড়ই ভালো লাগে- প্রকৃত ধার্মিকদের ধর্মীয় লেবাস ধরতে হয় না- বরং আমার দেখা অধিকাংশ ধর্মভীরু ভালো মানুষেরা মাথায় টুপি দিয়ে চলে না- তারা দাড়িও রাখে না- তাদের অন্তরে ধর্ম নিয়ে ঘুরে তারা- এইসব মুমিন মুত্তাকীদের দেখি আর চিন্তা করি এরা ধর্মের কারণেই হয়তো এতটা শোভন যে অন্য ধর্মের মানুষদের আহত করে না- এরা তথাকথিত মুসলিম ভাইদের দুঃখে দুখী না বরং তারা ঘরের পাশের হিন্দু বন্ধু ভারতের কোনো দাঙ্গায় আক্রান্ত হলে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়- এরাই মুসলিম জঙ্গীরা যখন ৬৩ জেলায় বোমা ফাটায় আর আদালতের বিচারককে হত্যা করে কোনো ধর্মান্ধ উল্লুক তার প্রতিবাদ করে-

তবে এই সাইটের কর্তাব্যক্তিদের অভিমত তারা হিজবুত তাহিরীর সঙ্গ দিবে- তারা গাণিতিক যুক্তির চর্চা করে- গাণিতিক যুক্তির চর্চা করা মানুষদের সামান্য যৌক্তিকতা বোধ থাকে না এমন অদ্ভুতুড়ে অবস্থা আমি দেখি নি-

যাই হোক যখন আলোচনায় কর্তাব্যক্তিদের এই ধর্মপ্রীতির কথা আলোচিত হলো- যখন মোটামুটি টাদের মডারেশনের ছুড়ির গতিবিধি দেখে ধারণা হলো এটা ক্রমশ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী জঙ্গীদলগুলোর অন লাইন ফোরামে পরিণত হতে যাচ্ছে- যখন এটা মোটামুটি নিশ্চিত হলো আসলে স্বাধীনতার সপক্ষ বিপক্ষ বিতর্কতে এদের অবস্থান প্রায়শই স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদের পক্ষে তখন একটা সাধারণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিলো-

অনেক বিতর্কের পরও সামহোয়্যার ইন ছাড়া হয় নি- এর কারণ এখানের লেখালেখির পরিবেশ না- বরং অন্য একটা দায়িত্ব বোধের জায়গা ছিলো- যদি কেউ স্বাধীনতার পক্ষের কথা না লিখে তবে বিতর্কিত এবং ভ্রান্ত ইতিহাসের চর্চায় এখানের অনেক তথ্য গ্রহন করবে এই সাইটের লেখা যারা পড়বে- তাদের বিভ্রান্ত করবার সুযোগ দেওয়া রাজনৈতিক কারণে এবং সামাজিক কারণে উচিত হবে কি না এটা নিয়ে বিতর্কের পর মোটামুটি একটা নির্বাচন ধাঁচের ঘটনাও ঘটলো-

সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মূলত পিয়ালের যুক্তিকেই গ্রহন করা হয়েছিলো- তার বক্তব্য ছিলো যদি আমরা হঠাৎ করেই মাঠ ছেড়ে চলে যাই তবে এটা ধর্মান্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে আপোষকামী মানুষদের দখলে চলে যাবে- এবং এখানে তখন এইসব উগ্র ধর্মীয় রাজনীতি চর্চাকারীরা সহজেই নিজেদের উন্মাদনা ছড়াতে পারবে-

অবশ্য এখন মনে হচ্ছে আদতে আমাদের এই যৌথ সিদ্ধান্ত এই সামহোয়্যার ইন ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তটাই সঠিক সিদ্ধান্ত হতো-

এখানে নারী নির্যাতনের নামে যখন নারীত্বের অবমাননার জন্য একজনের শাস্তি হয় তখন অন্য এক ইসলামপ্রেমীর কণ্ঠ অনেক উঁচুতে উঠে যায়- অথচ একই অপরাধে অপরাধী ছিলো সেও-

যাই হোক ক্ষমতার চর্চা এবং ক্ষমতা ব্যবহারের সহনশীলতা যেখানে নেই সেই সব উল্লুকদের সাথে পাশাপাশি লেখালেখি করতে আমার স্পষ্ট আপত্তি জানাচ্ছি-

পিয়ালের ব্যন উঠিয়ে নেওয়ার কোনো দাবী আমি জানাই না- বরং আমার রুচিত বাঁধে এমন দাবী জানাতে- উল্লুকের সাথে কোনো আলোচনা বা আপোষ সম্ভব না-

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪

  • ৪৬ টি মন্তব্য
  • ১১৪৬ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৮ জনের ভাল লেগেছে, ৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫০
অবেলা বলেছেন: রাসেলের বেন্ড চাই। সে আস্তমেয়েকে গালি দিয়েছে।
২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫২
৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩
এস্কিমো বলেছেন: এর পর আর না বলা কিছুই নেই। তবে মাঠ না ছাড়ার সিন্ধান্তটা এখনও সঠিক মনে করছি।
৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪
৫. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭
ঘোড়ার ডিম বলেছেন: জনাব চটি রাচেল, আপনের এই বিশাল (হয়ত) চটি মার্কা লেখা পড়ার ধৈর্য্য নাই। তয় প্রথমেই একটা বিরাট ভুল করসেন। সেইটা ধরায়া দেই। আপনি কইসেন=

"অনেক আগে পারস্পরিক আলোচনায় একটা বিষয় উঠে এসেছিলো- সামহোয়্যার ইনের কর্তাব্যক্তিদের আচরণ তথাকথিত ইসলামপ্রেমী জঙ্গীবাদের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে- তারা ইসলামপ্রেমী আচরণ করে বেশীরভাগ সময় যেসব বিতর্কের জন্ম দেয় সেসব বিতর্কের পেছনে মডারেশন নামের একটা ভুত থাকলেও সেটা সব সময়ই প্রতিক্রিয়াশীল একটা আচরণ হিসেবেই প্রতীয়মান হয়- এ"


এইখানো আপনেগো ভুলটা হইলো ইসলাম নিয়া যারা কথা কয় তারা আপনাগো মত চটি লেখতে পারে না বা গালি দিতে পারে না। এইখানে ঘটনা হইলো গালিবাজদের কতৃপক্ষ রিমুভ করতাসে। এখন যদি দেখা যায় যে এক শ্রেণীর লোক যারা নিজেগোরে বেশী জ্ঞানী, স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি, বিবেকবান, প্রগতিশীল মনে করে তারাই শুধু ব্যান খায়, তাইলে বুঝতে হইবো...... কি বুঝতে হইবো? নিজেই বুইঝা লন!

৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯
৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:০৪
সুমন চৌধুরী বলেছেন: আমিও আর থাকতে চাইনা। অনেকে দেখলাম আগেই ধইরা নিছে আমি যামুগা। তারাও আনন্দিত হউক।
৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:০৮
১১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৩
অবেলা বলেছেন: রাসেল আস্তমেয়েকে গালি দিয়ে নারি অবমানা করেছে। চটি রাসেলের বেন্ড চাই
১২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৭
স্বরহীন বলেছেন: সেই,আমি ও চাই, একটু পর ই এই নিয়ে পোস্ট দিতাছি
১৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৮
রাসেল ( ........) বলেছেন: এইখানে বললে হবে? একটা আলাদা পোষ্ট দিয়া- গালির নমুনা দিয়া এর পর না দাবী জানাইতে হবে- আমারে বেন্ড না কইরা ব্যান করলে আরও খুশী হবো- বেন্ড করলে কোনটা বেন্ড করতে কোনটা বেন্ড করবে একটা ভজঘটের ভিতরে পড়ে যাবো।
১৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:২৪
১৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:২৮
রাসেল ( ........) বলেছেন: যাহ বাবা অবেলা ভাইছাব দেখি সুন্নতী তরিকায় চলেন-

চলেন ভাই ব্যান খাই-
১৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৩০
অবেলা বলেছেন: বেন্ড এমনিতেও খাবা, মানে মানে পোটলা গুছিয়ে বিদায় হও। তোমার কুখাদ্য ফ্লাডিংগুলা সংগে নিও। পরে চান্স পাইবানা
১৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৩৭
রাসেল ( ........) বলেছেন: ভাইসাব একটু ভাষার বিষয়টা নিয়া সচেতনতা চাইতেছিলাম- অবেলার জায়গায় আবালের মতো বানানে লিখাটা ঠিক না-
অবমাননা- সঠিক বানান হইবো-
আর বেন্ড মানে বাঁকানো ভাইসাব- ব্যান্ড জিনিষটাও আলাদা অর্থ নিয়ে ঘুরে-
আপনে যেইটা চাইতেছেন সেইটা হইলো
ব্যান- সাময়িক নিষেধাজ্ঞা কিংবা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার চাহিদাকে বেন্ড কইরা বাঁকায়া ফেললে এট্টুসখানি খারাপ লাগে আবাল ভাইটি-
১৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪১
অবেলা বলেছেন: সপ্তমাশ্চর্য! চটি আবার আমারে ভাশার জ্ঞান দেয়। তোমার ভাশার জ্ঞান ভান্ডার লইয়া পালাও বাপ। ব্লগটা একটু শান্তিতে থাক।
২০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪২
অবাক বলেছেন: "আস্তমেয়ে বলেছে। সে মিথ্যা বলে না।"
এইটার চেয়ে বড় মিথ্যা আর কী হৈতে পারে
২১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪৪
রাসেল ( ........) বলেছেন: মজা পাইতেই আছি পাইতেই আছি পাইতেই আছি-
আবাল ভাই রসের ভিয়ানে জ্বাল দিয়ে মধুতে ভইরা দিলো সব দিক
২২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪৭
অবেলা বলেছেন: এই যে আবার গালি শুরু হইলো। কারো নাম বিকৃত করে বলা গুনাহে কবিরা
২৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:০৮
২৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
২৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:২৫
অমিত বলেছেন: অবেলা আপনে গোআর হোগা দিয়া অবেলায় বাইর হইছেন। অহন আবার ভিতরে যানগা, টাইম হয় নাই।
২৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
অবেলা বলেছেন: যারা আমাকে অকারনে গালি দিচ্ছেন আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করুন। আমীন।
২৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৫৬
হযবরল বলেছেন: রাসূল(সাঃ) এর পিন্ডি চটকায়ে ফেল্লো ট্যাঁটনা হুজুরেরা। সেমেটিক ধর্মের মধ্যে মুসলিমদের সহনশীলতার অভাব, তাদের ইমেজটাকে ধীরে ধীরে জংগী রুপ দিলো। সর্বান্তকরণে মুসলিম হবার চাইতে, 'আমি মুসলিম' বলে মুহু মুহু হুমকি আর হুংকার দেওয়াটাকেই কাজ হিসেবে নিয়েছে।

'হিন্দুরা কেন গরু খায় না?' বলে যে চিন্তার কথা বলেছে আশরাফ রহমান, সেটা অন্য কোথাও দেশে বললে পাছার চামড়া খুলে রেখে দিত ওর। যতোসব মৌলবাদী খরগোশ আসছে সামহোয়্যারে। আর পিয়াল ভাই সেইখানে শেখ মুজিবের ভাষণ পোস্ট করে।
২৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:১৫
৩০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:১৬
অলৌকীক বলেছেন: রাসূল(সাঃ) এর পিন্ডি চটকায়ে ফেল্লো ট্যাঁটনা হুজুরেরা।

অবেলা @ বেলা পইড়া যাইতাছে। আসো শুই।
৩১. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:২৫
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: হায়রে হায়! ১৪০০ বছর আগের একজন মানুষ - যার কোন ছবি নাই কোথাও, তাঁকে ইমেজ কইরা আঁকছে কোন আবালেরা, আর তোরা আবালেরা সেইটা শুনে এইসব ছবি নিয়া মাতামাতি করবি?

সত্যিই যদি রাসূলের জন্যে সম্মান থাকে মনে, তাইলে এইসব ভূয়া ছবি দেখার সমস্যাটা কোথায় - বুঝি না।
রাসূলরে ইমেজ কইরা আকঁছে, তাতে তো আমার মনের মধ্যে থাকা মহামানবের ইমেজ নষ্ট হয় নাই।কারণ আমি জানি, এইটা রাসূলের ছবি নাহ।

এইটুকুই কী যথেষ্ট না ?
কেউ তো আর বলছে না.. যে এটা রাসূল।
আর বললেও তাঁরা মিথ্যা বলছে।

মূর্খ লোকেরা, চোখ খোলো। রাসূলকে কেউ দেখেনাই - অথচ তাঁরা ছবি এঁকে ফেললো ? রাসূলের ছবি শুনেই তোমরা মূর্খরা যারা চোখ বন্ধ করে রাখো, তাঁরা চোখ বন্ধ করে ছবিটাকেই কি স্বীকৃতি দিচ্ছোনা?
বরং তোমরা চোখ খোলা রেখে হেসেই উড়িয়ে দিলেইতো ল্যাঠা চুকে যায়, নয় কি?

কারণ তাঁর কোন ছবি থাকতে পারে না।
তোমাদের বিশ্বাস কি এতোই দুর্বল?
তাহলে তোমাদের জন্যে করুণা ছাড়া আমার আর কিছুই করার নেই।
৩৩. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৮:৪৪
মুকুল বলেছেন: আজব ব্যাপার! আমি এই পোস্টে রেটিং দিতে গিয়ে দেখি
"আপনি এই পোস্টকে একবার রেটিং করেছেন"
-- বলা হয়েছে। অথচ আমি আগে রেটিং দিই নাই।
যাই হোক আনঅফিসিয়ালি ৫ দিলাম।
৩৪. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:২৮
কালপুরুষ বলেছেন: এই লেখাটা রাসেলের অনেক ভাল লেখার মধ্যে একটা। গালি ছাড়াও যে ভাল লেখা যায় তার উত্কৃষ্ট উদাহরণ এই লেখাটা। নিজস্ব মতামত যে কেউ জানাতে পারে এবং তা যদি বিশ্লেষণমূলক হয় তাতে অসুবিধা কোথায়। তবে ব্যক্তিগত আক্রমন ও কাউকে গালি দেয়ার ঘোর বিরোধি আমি। আর রাসেলের এই গালি দেয়ার ব্যাপারটা আমাকেও মাঝে মাঝে খুবই বিব্রত করে। সত্যি বলছি ভীষণ বিরক্ত হই আমি। তবে সে লিখতে জানে এবং তা খুব ভালভাবেই জানে সেই কারণেই আমার অবাক লাগে, মানতে কষ্ট সে হয় মতের মিল না হলেই কেন গালাগালির প্রশ্ন আসবে?
৩৫. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৩২
ফেলুদা বলেছেন: ফেলুদা বলেছেন :
২০০৭-০৭-২৭ ০১:৪৫:২০
ইন্টেরেস্টিং ব্যাপারটা কি জানিস তোপসে, নোটিশবোর্ড জানেই না আসলে কি হয়েছিল! যাকে ব্যান করা হয়েছে সে কিন্তু কোনো পোস্ট করেনি, প্রোফাইলে একটা কার্টুন ব্যবহার করেছিল যা সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে দিয়েছে। অথচ নোটিশ বোর্ড বলছে পোস্টের কথা। অস্থিরতা বিরাজ করার পোস্টটা কে দিয়েছে রে? ত্রিভুজ, ইবনে সালাম? কে? তারা কি ব্যান। তাহলে হয় সামহোয়ার উপরের নোটিশটা ভুল লিখেছে, নয়তো তারা জানেই না কি হয়েছিল, ততটাই জানে যতটা তাদের জানানো হয়েছে।
৩৬. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪৮
অন্যরকম বলেছেন: যুদ্ধের sound পাওয়া যাইতেেছ মনে হয়? মাল রেডি আছে..... কখন লাগবো? কার লাগবো? কন..... supply দিমু....
৩৭. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৫৮
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: "তবে সে লিখতে জানে এবং তা খুব ভালভাবেই জানে সেই কারণেই আমার অবাক লাগে, মানতে কষ্ট সে হয় মতের মিল না হলেই কেন গালাগালির প্রশ্ন আসবে? "
তয় কুকুর কামড়াইতে আইলে মুগুড়েরই দরকার হয়।
৩৮. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:০২
আপন তারিক বলেছেন: পিয়াল ভাইয়ের ব্যান উঠিয়ে নেয়ার কথা আমারো বলতে রুচিতে বাধে। এইটা আসলে জামাতে ইছলামী বাংলাদেশের ব্লগ। অমি রহমান পিয়ালরা থাকলে রাজাকারদের ছানাপোনাদের তো অনেক সমস্যা!
৩৯. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:১৫
ধ্রূপদী বলেছেন: লোলপুরিষ এখানেও গালি টেনে আনলেন। আপনার বৌমার কি খুব ব্যথা লেগেছে? সে ব্যথা আপনার মধ্যে সঞ্চারিত হল কিভাবে? টাচে, না ইন্ডাকশনে?
৪০. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৭
ঝরা পাতা বলেছেন: চলে যাবো তবু যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ,
প্রাণপণে সরাব এই পৃথিবীর জঞ্জাল।
৪১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৩:১৬
বড় ভাবী বলেছেন: ধার্মিক শিশ্ন চুষে আরাম বেশী। পবিত্র শিশ্ন হতে গলগল করে বের হওয়া পবিত্র বীর্য নরওয়েবাসী আরিলের খুব পছন্দ।
৪২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৮
স্বপ্নময় বলেছেন: সেরেছে... রেগে বৌম ঠাকুর হয়ে গেছে দেখি। রাসেল সাহেবের রাগের পিরিওডে হুজুররা কখনোই রেহাই পাইলো না... তাদের প্রতি সমবেধনা থাকলো ;) ভাগ্গিস আরিল্ড মিয়া মুসলমান পোলা না, সেটাই রক্ষে।

পাশের বুথের পাবলিকের কাজকম্ম চুরি করে দেখাটাও বেকুবের কম্ম। ভুল ধরলে প্রচুর ধরা যায়। রাসেল যে পদ্ধতিতে রাগটা ঝারলো সেটা পছন্দ হলো না। আমার মনে হয়েছে বিষয়টা আরো স্বাবলীল বিষয়বস্তুর জড়ো করে উপস্থাপন করা যেতো। অবশ্য, আমার পছন্দ অপছন্দে কিছু যায় আসে না। মতামত দিতে ইচ্ছে হলো, দিলাম।

অনেকদিন আসলে আসা হয়না এখানে। এখন এখানে আসতে অতটা ইচ্ছে হয়না। পিয়ালকে ব্যান করেছে সেটা পোষ্টটা পড়ে জানতে পারলাম। মোটামুটি মর্মাহত হলাম। এক্কেবারে পানসে হয়ে গেছে ফোরাম টা। নির্বোধ কর্তৃপক্ষের চোখ কবে ফুটবে ঈশ্বর ভালো জানেন।
৪৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৫
সাধক শঙ্কু বলেছেন: এইবার মোটামুটি একটা হাইপোথিসিস বানানো যায়।

১. একটা মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানী সুপরিকল্পিতভাবে ধর্ম-ভিত্তিক ফ্যাসীবাদরে সমর্থন দিয়া যাইতাছে। পাকিস্থানের যেই মাদ্রাসার তালিবদের দিয়া তালেবান বানানো হইছে সেগুলা ফিনান্স করছে ইউনিকল।

২. আইয়ূব-জিয়া-এরশাদের মতো মদ-সূদী কারবারের লগে খিচুড়ি কইরা নারায়ে তকবীর মিশিনোর কাজে বরাবরই মুক্তচিন্তার লেখকরা অসুবিধাজনক। সুতরাং ছাগু ছাড়া কাউরে বাক-স্বাধীনতা দেওন যাইবো না। এইটা অস্বাভাবিক কিছু না। যেই যুক্তিতে হিটলার ইন্টেলেকচুয়াল মারছে একই যুক্তিতে জামায়াতে ইসলামীর মিলিশিয়া বাহিনি আল-বদর বুদ্ধিজীবি মারছে। প্রতি ক্ষেত্রেই আলটিমেট নিয়ন্ত্রণ ছিল জলপাই মামাগো হাতে। এইবারো তাই।

৩. বাংলা প্রাচীনকাল থিকাই বিদ্রোহ উপদ্রুত এলাকা। এই সমস্ত প্রতিরোধের কেন্দ্রে কোনদিনই আল্লাহ-ভগু-গডু-শিঙাবোঙা-উগাবুগাদের কোন ইনফ্লুয়েন্স ছিল না। রাজনীতিতে ধর্ম ঢুকাইছে রাষ্ট্র। এই বিষয়ে সবচেয়ে সফল ইংরেজ। ইংরেজের বিরুদ্ধে যতগুলা আপরাইজিং হইছে তার সবই সরাসরি উপনিবেশবিরোধী ইস্যুতে। ধর্ম এইখানে ঢুকছে এই আন্দোলনগুলারে ভান্ডা করার জন্য। পাকিস্থান হইয়াও টিকতে পারে নাই কারণ বাঙ্গালীর কালচার মারফতি-মুর্শীদী দেহতত্ত্ববাদী ঘরানার। হক্কুলু কুলু কুলু ঘরানার না। কিন্তু ঐ যে স্বাধীন মতপ্রকাশের চান্স দিলেই প্রতিবাদ করে । তাতে তো মামার অসুবিধা। ধান চাইল পাতালে পাঠানো যায় না। সুতরাং একের পর এক জলপাই নামাও, লাড়ায়ণ তকবীর গো পাট্টি বানাইয়া দাও নিজ খরচে।

এই ধারাবাহিকতাই হইছে সামহোয়ারইনব্লগে। আন্তর্জাতিকভাবে মামারা এইটারে একটা বিজ্ঞাপন হিসাবে দেখাইবো। দেখাইবো যে বাংলাদেশের লেখকরা মূলত ত্রিভুজ। পাঠকরা ভোদাইচোদা। একটু বেশী বুদ্ধি হইলে এরা সুফী হয়। কিন্তু কোন অবস্থাতেই এর উপরে না। এই বিজ্ঞাপন প্রচারের আর্থিক ক্ষমতা তাগো আছে। তারা এইটা পারে। ২০০৬ এর ফেব্রুয়ারীতে মাসুদার পোস্ট ডিলিট দিয়া শুরু অমি রহমান পিয়ালরে ব্যান করা দিয়া খতম তারাবী।

ছাগুচন্দ্র! সামুব্লগ এখন তোমাগু। খুশীতে এখন জিবলা দিয়া নিজের গোয়া চাটো আর বাললুডুস বানাও।

.....................................................

এই পোস্টখান ২য়বারের মতো মুইছা দিলেন সামহোয়ারের মডুরাম। আবার দিতাছি। পুরা ব্যান না করা পর্যন্ত চলবো।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ!!




কৌশিকের মন্তব্যের জবাবে কইছিলাম :

আমি কোনজায়গায় অনপেক্ষ অবস্থানের কথা কইছি বইলা মনে পড়তাছে না। সব অবস্থানেরই নিজস্ব বক্তব্য আছে। কথা হইলো সেই বক্তব্য কি এবং সেইটা কোন পক্ষে যায়।

বাংলাদেশের মাটি থিকা পরিচালিত একটা ফোরাম/ব্লগ বা সোজা কথায় মিডিয়া প্রমাণিত বাংলাদেশবিরোধীদের পেট্রোনাইজ করলে তার বিরুদ্ধমত প্রচন্ডভাবে আঘাত করবোই। ইন্টারনেট তো লেখনের জাগা। এইখানে অক্ষর সমাবেশ দিয়াই আক্রমণ হইবো। এই বিষয়ে সদ্য ব্যান খাওয়া পিয়াল ভাই এর একটা মহাবাক্য মনে পড়তাছে

" থাকলে এমনেই থাকতে হইবো নাইলে ফুট "
৪৫. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২০
স্বপ্নময় বলেছেন: শীট, কি করলাম। পোষ্টটারই বারোটা বাজাইলাম।