সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

আহসান কবিরের উপর হামলার প্রতিবাদে।

আজকে একটা খবর শুনে মনটা বিষন্ন হলো, অনেক কিছু করার পরিকল্পনা নিয়ে এসেছিলাম, হয়তো তার কিছুটা করবোও, তবে খানিকটা সময় নিরবতার তুলে রাখি সেই আহসান কবিরের জন্য।
আহসান কবিরের সাথে হঠাৎ করেই কয় দিন আগে পরিচয় হলো, তখনই সে একটা বড় ধাককা সামলে এসেছে। তার অসুস্থতার কারনেই তাকে ডাক্তার সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছিলো। তবে তার ইচ্ছা ছিলো তার নিজস্ব পেশায় ফিরে যাওয়ার। তার চা- সিগারেট খাওয়া নিষিদ্ধ এসব নিয়েও কথা হচ্ছিলো। কথা হচ্ছিলো তার যাওয়া না যাওয়া নিয়ে। আমার দেশ নামক দৈনিকে তার কি কাজ তাও আমি জানি না।
যাই হোক সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকলে হয়তো তার জন্যই ভালো হতো।তার কর্মক্ষেত্র থেকে ফেরার পথে কোনো অজ্ঞাত সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসী দল তার উপরে হামলা করেছে।
লেখকের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে মায়া কান্নার অবসর কি আসলে আছে? যেকোনো সাধারন নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান করতে অক্ষম রাষ্ট্র তবুও একজন পরিচিত লেখক এবং একজন সাংবাদিককে নিরাপত্তা দেবে রাষ্ট্র এমনটাই প্রত্যাশা থাকে, তারাই দেশের বিবেক বলেই তাদের কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে রাষ্ট্র নিরত করবে এমন অমূলক প্রত্যাশাও থাকে।
তবে কারো কাছে বিচারের দাবী নিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই আসলে এখন, রাষ্ট্র যখন নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে বিব্রত তখন আহসান কবিরের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায় রাষ্ট্রের কাঁধে চাপিয়ে তাকে আরও বেশী বিব্রত করতে নারাজ এখন আমি।
উপদেষ্টারা হাঁচলে পাদলে যেভাবে সাংবাদিক দল ঝাপিয়ে পড়ে তাদের উপরে যেভাবে শামসুর রহমানের মৃতু্যর পর অশালীন ভাবে তার মৃতু্য পরবর্তি মাতম সরাসরি প্রচারিত হয়েছিলো বিভিন্ন চ্যানেল নিউজে তেমন তা আহসান কবিরের ব্যাপারে হয় নি, আসলে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে খুব বেশী মিডিয়া আনুকল্য পেতে হলে পকেটের জোর কিংবা অন্য কিছুর জোর থাকতে হয়।


সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৫৩




  • ১২ টি মন্তব্য
  • ২৭০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:০২
আপন তারিক বলেছেন: আসলেই কষ্ট হচ্ছে। যেদিন দুর্ঘটনা ঘটলো, সেদিন রাতেই ওনার সঙ্গে দেখা! একটা ধাক্কা সামলে উঠার আগের আগেই আরেকটা আঘাত পেলো। এই হামলাটা পরিকল্পিত মনে হচ্ছে। উনার সাথে টাকা ছিল, সেসব নাকি নেই নি।
11টা সেলাই নিতে হয়েছে উনাকে। শমরিতা হাসপাতালে বেচারা কাতরাচ্ছেন!
কষ্ট হচ্ছে আমারো।
২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:০৪
৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:২৯
৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪
অতিথি বলেছেন: টাকা আর নেতাদের সাথে লিংক না থাকলে অথবা কোন দলে যোগদান না করলে আসলেই কিছু করার নেই ।
Actually we are useless ---.
৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৫৬
অতিথি বলেছেন: কি আর কমু ! আমাগো আসলে ওয়েস্টার্ন ছবির মতো কোমরে মাল লইয়া ঘোরার দিন আইসা পড়তাছে ।
৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:২২
অতিথি বলেছেন: কাল সারারাত বিভিন্ন চ্যানেলে খোঁজ নিয়েছি। কারওয়ান বাজারের কোন সন্ত্রাসী গোষ্টি এই হামলায় জড়িত নয়।


এ ব্যাপারে আমি একটু পরে একটা আলাদা পোস্ট দেব।
৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:২৯
৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৭
আলভী বলেছেন: আহসান কবীর আমার কলেজের বড় ভাই। এত রসিক এবং একই সাথে এত কমপ্রোমাইজ না করা মানুষ - আম আর দেখেনি। আই রেসপেক্ট হিম।
৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৪৩
অতিথি বলেছেন: নো মাহবুব সুমন। গার্মেন্টস চালাতে গেলে এই কিছুদির আগেও মাস্তানদের সাথে যোগাযোগ রাখা লাগতো।


কাছাকাছি এলাকায় আমার ফ্যাক্টরি আছে।
১০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১৫
শুভ বলেছেন: মানব বনাম দানব...
একজন মানুষের ভেতর নাকি ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকে মানব, দানব; পাশাপাশি।
দুজনই মারামারিতে ওস্তাদ- কে কার আগে বেরিয়ে আসবে!
প্রায়শ অবলীলায় মানুষকে ছাড়িয়ে যায় দানব।


কলম বনাম চাপাতি...
কেউ কলম দিয়ে কাগজে অাঁকাজোঁকা করে- কেউ চাপাতি দিয়ে জ্যান্ত মানব শরীরে।


এসব এখন আমাদের গা সওয়া হয়ে গেছে- এ দেশে এখন কেজী দরে মানুষের প্রাণ বিক্রি হয়...।


কষ্টটা বেশী হচ্ছে, বহুল প্রচারিক এক দৈনিকে আজ পড়লাম, ভেতরের পাতায়, খবরটা হেলাফেলা করে, কবীরের উপর...। খুব মনোযোগ দিয়ে না পড়লে জানা যাবে না, এই মানুষটা আহসান কবীর।
অথচ এই দৈনিকে আহসান কবীর দীর্ঘ সময় লেখালেখি করেছেন।
আমি নিজেই নিজের মুখে থুথু দেই...।

১১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৫
আপন তারিক বলেছেন: হু, আমিও দেখলাম একটি পত্রিকায় আহসান কবিরের নাম লেখা হয়েছে আহসান হাবিব।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন