মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১০

হুদাই

আমি প্রতি দিন নতুন করে প্রেমে পড়ি মামুন রশীদের। তিনি নি:সন্দেহে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় ভাঁড়। আমার প্রাত্যহিক বিনোদনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় হলো রাত 12টার পরে প্রচারিত বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রদানের সময়টুকু। সেখানে বিশিষ্টজনেরা তাদের উপলব্ধি জানান, আমি আঁখিজলে ভাসি, আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠি,কখনও মাটিতে গড়িয়ে পড়ি অসহায়। তবে মামুন রশীদ সাহেব হাসির ডিনামাইট।

তার অবলীলায় বলে যা্ওয়া কথাগুলোর অর্থ সম্পর্কে বোধহয় তার কোনো পূর্বানুমান নেই। কিংবা তাকে কথা বলতেই হবে এমন কোনো প্রেষণা অনুভব করেন তিনি. আমার সামনে মাইক্রোফোন, আমাকে কিছু বলতেই হবে, বাংলাদেশ আমার কথা শুনতে চায়.আমাকেই ডাকছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সরকার লঞ্চ ডুবার পর কালো ছাগল উপঢৌকন দ্ওেয়া শুরু করল্ওে তিনি সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে এখন্ও বিভিন্ন চ্যানেলে বক্তিমে দিয়ে যাচ্ছেন। 21শে ফেব্রুয়রী রাতে উটকো যন্ত্রনার মতো চ্যানেলগুলো মাথা ঘামাচ্ছিল সর্বস্তরে বাংলাভাষার ব্যবহার নিয়ে। সেখান্ওে উপস্থিত ছিলেন তিনি। কললেন, কেনো বললেন এখন্ও নিশ্চিত নই আমি, না্ওমি ক্যাম্পবেল এবং তার প্রেমিকের ভাষার ভিন্নতার কথা, বললেন, ভোগকে দ্ওেয়া সাাটকারে না্ওমি বলেছে, দে স্পীক ইন দি ল্যাংগুয়েজ ্ওফ লাভ, তারা ভালোবাসার ভাষায় কথা বলে. আন্তর্জাতিক ব্যবসায় এখন একটা ল্যাংগুয়েজ ্ওফ লাভ আছে।

আমার বিনীত অনুরোধ আগামী 21শে পদক বিতরনের সময় বাংলা ভাষায় তার অবদানের কথা বিবেচনা করে তাকে যেনো সাহিত্যে পদক দ্ওেয়া হয়। এ বছর বিচারপতি হাবিবুর রহমানকে দ্ওেয়া হয়েছে এটা, যদি্ও কতিপয় অখাদ্য মাইলব্যপী কবিতা ছাড়া কার প্রকাশিত অন্য রচনাগুলোর শিল্পমান এত বেশী নয় যে তাকে এটা দ্ওেয়া যায়, তবে প্রতিযোগিতায় মামুন মিয়া যোজন ব্যবধানে এগিয়ে।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

  • ১৫ টি মন্তব্য
  • ৩৩৭ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:০৯
২. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:১৪
৩. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:১৪
৪. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:১৯
শাওন বলেছেন: মামুন রশীদের কাজ কি ?? টো টো করে বেড়ায় নাকি ??
৫. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:২৩
৬. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৩২
অতিথি বলেছেন: তাকে মন্ত্রী করা হোক।
যোগাযোগ অথবা নৌ পরিবহন ...নিদেন পক্ষে অর্থ মন্ত্রনালয়।
৭. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:১৬
রবিনহুড় বলেছেন: এটা খুবই মজার ব্যাপার, ইদানিং বিভিন্ন স্যাটালাইট চ্যানলে রাতের বেলায় টক শোর নামে রাজনৈতিক আলোচনার আসর বসে। এই সব আসরে সাধারনত অরাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গই মূল বক্তা হয়ে যান... সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব মামুনুর রশিদ যদি রাজনীতি নিয়ে বক্তব্য দেয়া শুরূ করে তা হলে অবস্থা টা কি দারাল? তাহলে তো সাংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা কি রাজনৈতিক নেতারা করবে? অনুষ্ঠানের প্রযোযক রা কি এইটা বুঝেন না .."যার কাজ তারই সাজে, আনারীর লাঠি বাজে"? দেশে কি রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করার মত কোন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব নেই.... নাকি মামুনুর রশিদ এর মত রাজনীতি আর কেও বুঝে না?
আর ম. রশিদ সাহেব ও এই ধরনের অফার পেয়ে বসে থাকথে পারেন না... এইটা বুঝা দরকার যে বিষয়ে আমি বিশেষঙ্গ নয় সে বিষয়ে আমাকে বক্তব্য দেয়া উচিত না...
৮. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:০৪
অতিথি বলেছেন: রাসেলের মামুন রশিদ এবং মামুনুর রশিদ নিশ্চয়ই এক ব্যক্তি নন।
একজন ব্যাংকার ও একজন নাট্যব্যক্তিত্ব।
৯. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:০৯
অতিথি বলেছেন: রাসেলের মামুন রশিদ ও রবিনহুডের মামুনুর রশিদ নিশ্চয়ই এক ব্যক্তি না।
একজন ব্যাংকার ও একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।
১১. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:৩৫
অতিথি বলেছেন: মামুন রশীদ ব্যাংকার।
যাই হোক আমার কথা এই বিষয়ে একটাই। ব্লগের ইমোটিকোন নিমর্াতা ROFL না বানানোতে সব সময় সঠিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাইতেছে না।
১২. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১:৫৬
শুভ বলেছেন: রসেল ডত্তু,
হাসি ভাল জিনিস- শাইস্ত(!) ভাল হয়।
ফাও হইলো, নড়বড়ে দাঁত থাকলে খুলে আসবে, ডেন্টিসকে পয়সা দিতে হবে না।

হুঁ, প্রায়শ আমাদের সেলিব্রেটিদের উঁচুমার্গের কথা শুনে, এঁদের মনন দেখে আমি ঠান্ডা শ্বাস ফেলি, এক্ষণ মনে পড়ছে যেটা:
তারানা হালিম একদিন টিভিতে বলছেন, বিএনপির আমলে শিশু ধর্ষণ বেড়ে গেছে, আওয়ামী আমলে এটা ছিল না।

ভাত খেতে খেতে টিভি দেখছিলাম। হাসতে হাসতে শ্বাসনালীতে ভাত আটকে আমার মরমর অবস্থা- হায়, তখন মরলে আজ আর বাঁচতাম না।
হে হে হে, মরি নাই, আমি মরি নাই- অকাট্য প্রমাণ এখনও ব্লগিং করছি
১৩. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ রাত ১০:৩৪
হযবরল বলেছেন: মামুন রশিদ লোকটি কে ? কেন সে টিভি স্ক্রিনে বসে থাকে ?
১৪. ০২ রা মার্চ, ২০০৭ রাত ১১:০৫
অতিথি বলেছেন: উহা আমারো পরোশনো... কে, এবং কেন?
ডটু জবাব চাই!!
১৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:০৫
হাসিব বলেছেন: সুমন চৌ: আমিও সেই কারনে চুপ আছি ।
হযবরল, ধুগো : ওই লোক যদি ব্যাংকার মামুন রশীদ হয় তাহলে উনার পরিচয় হলো উনি বাংলাদেশের সিটিএনএ ব্যাংকের সিইও । জাবির অর্থনীতির গ্রাজুয়েট ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন