রুবেলের সাথে আমার পরিচয় জাহাঙ্গির ভাইয়ের চায়ের দোকানে- আমরা পাশাপাশি বসে চা-সিগারেট টানতাম- এবং তখন আমাদের ভেতরে বামপন্থি আবহ জমজমাট। আমরা যখন সায়েন্স ক্যাফেতে বসে ব্র ীজ কিংবা টুয়েন্টি নাইন নিয়ে ব্যাস্ত, তখন সোহেল আর সাগর নব্য বামপন্থার বানী শিখাতো সবাইকে।
রুবেল তখনও ছিলো- আমরা বেহুদা তর্ক করতাম- অনেক কিছু নিয়েই- আফগানিস্তানে তালেবান রাজত্ব শুরু হলে সেখানের সামাজিক অবস্থার কি রকম পরিবর্তন হতে পারে এই নিয়ে হাইপোথেটিক্যাল আলোচনাও করা হতো- আর এর সাথে ছিলো কবিতার আলোচনা- আমাদের কয়েক বন্ধু কবিতাও লিখতো- একজন আবৃতি করতে পারতো- এসবের সাথে বামপন্থার কোনো বিরোধ ছিলো না- যেহেতু ক্লাশ করার কোনো দায় ছিলো না- শুধুমাত্র এই একটা কারনে অন্য যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় বাদ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পছন্দ করেছিলাম, যেনো জীবনে অন্তত ক্লাশের আশেপাশে নিজের ইচ্ছায় গতায়ত করতে পারি।
এইসব সময়ের মাঝেই জাহাঙ্গির নগরে কোনোএক আন্দোলনের ডাক আসলো- আমরাও বাসে চেপে আন্দোলনে চলে গেলাম- এমনই সময়ে কিংবা এর খানিক আগে পরে যৌন নিপিড়ন বিরোধি আন্দোলন দানা বাঁধলো। অবশ্য আমাদের ঘনিষ্ট বন্ধু রকিব জড়িত ছিলো বলেই রুবেলের সাথে ঠিকমতো পরিচয় হলো। ও কিংবা ওরা তখন প্রপদ করছে- প্রগতির পরিব্রাজক দল।শব্দটারও একটা আলাদা ভাব চককর আছে।
সেই আন্দোলনের সুবাদে আমিও দেখলাম কিভাবে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলেরা সংগ্রামের বিরোধি পক্ষ হতে পারে- যদিও বামপন্থার রাজনৈতিক দলগুলো এই আন্দোলনকে সমর্থন করতে পারতো তবে কোনো এক গেঁড়ো ছোলো, তাদের ধারনা ছিলো এই আন্দোলনকে পরিনতি দিতে পারে কোনো সংগঠিত রাজনৈতিক শক্তি- ছাত্র ইউনিয়ন সব সময়ই ভদ্্র ছেলেদের দল, তারা বিচ্ছিন্ন ভাবে এই আন্দোলনে সাধারন ছাত্রদের ব্যানারে সংগঠিত ছিলো তবে সমস্যা বাঁধালো ছাত্রফ্রন্ট। আমার বামপন্থি বন্ধুরা যেহেতু ছাত্রফ্রন্ট ছিলো তাই তারা কোনো ভাবেই সাধারন ছাত্রের ব্যানারে আন্দোলন বা মিছিল করতে রাজি না- আমার গায়ে তেমন ভাবে রাজনৈতিক দলের তকমা লাগে নাই বলেই আমি সহজেই মিছিলে কয়েক পা হাঁটতে পেরেছি- এই আন্দোলনের সাথে কিংবা একটা পর্যায়ে সাফল্য আসার পরও রুবেলের সাথে যোগাযোগ ছিলো। যোগাযোগটা তেমন নিয়মিত ছিলো না- রুবেল নিজেই খুব ব্যাস্ত- ও কোন সংগঠনের অংশ আমি জানি না- তবে আমরা বিভিন্ন আলাদা জায়গায় আড্ডা দিতাম বলেই হয়তো জাহাঙ্গির ভাইয়ের দোকানের পাশের সিঁড়িতে দেখা না হলে কথা হতো না।
মাঝে অনেক দিন কেটে গেছে- সেদিন শাহবাগে দেখা হলো রুবেলের সাথে- অনেক রকম ছোটোখাটো কথা হলো- এবং যদিও ইচ্ছা ছিলো না তবে দীর্ঘ দিনের পরিচয়ে অন্যায্য হলেও বললাম কি রে কি করিস তুই? কোনো বাঁধা চাকরি না ব্যাবসা না সার্বক্ষনিক রাজনীতি।
বললো আহমেদ ছফার স্কুলটার দায়িত্ব নিছি। আহমেদ ছফা নব্বই দশকের মাঝামাঝি সোহওয়ার্দির টোকাই কাম ছিন্নমূল কাম পথকলি কাম যেকোনো এন জি ও ভিত্তিক শব্দাবলী দিয়ে নির্দিষ্ট শিশুদের জন্য একটা স্কুল খুলেছিলেন- বাংলাদেশের অবস্থা বিচারে আহমেদ ছফার মৃতু্যর পর এই স্কুল টিকবে এমন ধারনা আমার ছিলো না- বললাম তোর সাহস আছে- এমন অকালে তুই যা করতেছিস সেটা অবশ্যই শ্রদ্ধা যোগ্য- তবে স্কুলটা কোথায় -
সে স্কুলটাকে সামান্য বৃহৎ পরিসরে নিয়ে যেতে পেরেচে- প্রাথমিক শিক্ষার পর সেটা এখন জুনিয়র হাই স্কুল হয়েছে- এখন সেখানে 8ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা দেওয়া হয়।
এর মাঝে সে জানালো সে বিয়ে করেছে- বললাম বৌ কই? বললো পাশেই কোথাও আছে- ভালো লাগলো আমার।
বললাম রান্না করিস বাসায় না কি হোটেলের খাওয়ার খাচ্ছিস।
উত্তরটা মজার লাগলো। বললো যেদিন পকেটে টাকা থাকে হোটেলের খাওয়ার কেনার সেদিন হোটেল থেকে খাওয়ার কিনি নাতো সামনের দোকান থেকে একটু চাল একটু ডিম একটু ডাল কিনে রান্না করি।
যাই হোক আসলে অসস্তিকর প্রশ্নটা করতে না চাইলেও করে ফেললাম। স্কুলটা কোথায় নিয়ে গেছিস- ফান্ডিং কিভাবে আসে?
জনসেবা কিংবা আদর্শিক কোনো কাজ এখন শুধু আন্তরিকতায় সম্ভব হয় না। সম্পন্নও হয় না- ট্যাকের জোড় লাগে। বললো তেমন কোনো ফিক্স ফান্ডিং নেই- যখন যেখানে যেভাবে ময়ানেজ করা যায় সেভাবেই ম্যানেজ করে জোড়াতালি দিয়ে চালাচ্ছি। ইচ্ছা আছে এটাকে আদর্শ বিদ্যালয় বানাবো।
তার একটা শিক্ষা ব্যাবস্থার আদর্শ সামনে আছে- আমরা শিক্ষা আন্দোলনের মিছিলে পাশাপাশি হেঁটেছি- তবে বিস্তারিত জানতে পারি নি- আমাদের ঘড়ির টিকটিক জানান দিচ্ছিলো আমাদের যার যার গন্তব্যে ফিরে যেতে হবে- তার স্ত্র ীর সাথে পরিচিত হয়েই আমাকে বাসায় ছুটতে হলো- বলা হলো না
সালাম কমরেড- আমাদের কারোই এমন আদর্শের সাথে জীবন যাপনের সাহস হলো না। আমরা সবাই যুদ্ধ থেকে সমাজ বদলের চেষ্টা থেকে পিছু সরে এখন কর্পোরেটের সেবায় মগ্ন, তোর মতো সাহসী কিছু মানুষ আমাদের মানসিক সান্তনা কিংবা শুভবোধের রূপায়ক হয়ে থাকবে-
(যদি কেউ কখনও এমন শুভবোধের তাড়নায় উদ্্বুদ্ধ হয়ে এসব শিশুদের পরিপূর্ন শিক্ষিত হয়ে উঠার পথে সহায়তা করতে চান তাহলে ওর সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ থাকলো। অবশ্য ও আজিজ মার্কেটের কোনো এক দোকান নাম "নতুন কথা" সেখানে বিকেল কিংবা সন্ধ্যার পর বসে- সেখানেই যোগাযোগ করতে হবে।)
রুবেল তখনও ছিলো- আমরা বেহুদা তর্ক করতাম- অনেক কিছু নিয়েই- আফগানিস্তানে তালেবান রাজত্ব শুরু হলে সেখানের সামাজিক অবস্থার কি রকম পরিবর্তন হতে পারে এই নিয়ে হাইপোথেটিক্যাল আলোচনাও করা হতো- আর এর সাথে ছিলো কবিতার আলোচনা- আমাদের কয়েক বন্ধু কবিতাও লিখতো- একজন আবৃতি করতে পারতো- এসবের সাথে বামপন্থার কোনো বিরোধ ছিলো না- যেহেতু ক্লাশ করার কোনো দায় ছিলো না- শুধুমাত্র এই একটা কারনে অন্য যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় বাদ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পছন্দ করেছিলাম, যেনো জীবনে অন্তত ক্লাশের আশেপাশে নিজের ইচ্ছায় গতায়ত করতে পারি।
এইসব সময়ের মাঝেই জাহাঙ্গির নগরে কোনোএক আন্দোলনের ডাক আসলো- আমরাও বাসে চেপে আন্দোলনে চলে গেলাম- এমনই সময়ে কিংবা এর খানিক আগে পরে যৌন নিপিড়ন বিরোধি আন্দোলন দানা বাঁধলো। অবশ্য আমাদের ঘনিষ্ট বন্ধু রকিব জড়িত ছিলো বলেই রুবেলের সাথে ঠিকমতো পরিচয় হলো। ও কিংবা ওরা তখন প্রপদ করছে- প্রগতির পরিব্রাজক দল।শব্দটারও একটা আলাদা ভাব চককর আছে।
সেই আন্দোলনের সুবাদে আমিও দেখলাম কিভাবে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলেরা সংগ্রামের বিরোধি পক্ষ হতে পারে- যদিও বামপন্থার রাজনৈতিক দলগুলো এই আন্দোলনকে সমর্থন করতে পারতো তবে কোনো এক গেঁড়ো ছোলো, তাদের ধারনা ছিলো এই আন্দোলনকে পরিনতি দিতে পারে কোনো সংগঠিত রাজনৈতিক শক্তি- ছাত্র ইউনিয়ন সব সময়ই ভদ্্র ছেলেদের দল, তারা বিচ্ছিন্ন ভাবে এই আন্দোলনে সাধারন ছাত্রদের ব্যানারে সংগঠিত ছিলো তবে সমস্যা বাঁধালো ছাত্রফ্রন্ট। আমার বামপন্থি বন্ধুরা যেহেতু ছাত্রফ্রন্ট ছিলো তাই তারা কোনো ভাবেই সাধারন ছাত্রের ব্যানারে আন্দোলন বা মিছিল করতে রাজি না- আমার গায়ে তেমন ভাবে রাজনৈতিক দলের তকমা লাগে নাই বলেই আমি সহজেই মিছিলে কয়েক পা হাঁটতে পেরেছি- এই আন্দোলনের সাথে কিংবা একটা পর্যায়ে সাফল্য আসার পরও রুবেলের সাথে যোগাযোগ ছিলো। যোগাযোগটা তেমন নিয়মিত ছিলো না- রুবেল নিজেই খুব ব্যাস্ত- ও কোন সংগঠনের অংশ আমি জানি না- তবে আমরা বিভিন্ন আলাদা জায়গায় আড্ডা দিতাম বলেই হয়তো জাহাঙ্গির ভাইয়ের দোকানের পাশের সিঁড়িতে দেখা না হলে কথা হতো না।
মাঝে অনেক দিন কেটে গেছে- সেদিন শাহবাগে দেখা হলো রুবেলের সাথে- অনেক রকম ছোটোখাটো কথা হলো- এবং যদিও ইচ্ছা ছিলো না তবে দীর্ঘ দিনের পরিচয়ে অন্যায্য হলেও বললাম কি রে কি করিস তুই? কোনো বাঁধা চাকরি না ব্যাবসা না সার্বক্ষনিক রাজনীতি।
বললো আহমেদ ছফার স্কুলটার দায়িত্ব নিছি। আহমেদ ছফা নব্বই দশকের মাঝামাঝি সোহওয়ার্দির টোকাই কাম ছিন্নমূল কাম পথকলি কাম যেকোনো এন জি ও ভিত্তিক শব্দাবলী দিয়ে নির্দিষ্ট শিশুদের জন্য একটা স্কুল খুলেছিলেন- বাংলাদেশের অবস্থা বিচারে আহমেদ ছফার মৃতু্যর পর এই স্কুল টিকবে এমন ধারনা আমার ছিলো না- বললাম তোর সাহস আছে- এমন অকালে তুই যা করতেছিস সেটা অবশ্যই শ্রদ্ধা যোগ্য- তবে স্কুলটা কোথায় -
সে স্কুলটাকে সামান্য বৃহৎ পরিসরে নিয়ে যেতে পেরেচে- প্রাথমিক শিক্ষার পর সেটা এখন জুনিয়র হাই স্কুল হয়েছে- এখন সেখানে 8ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা দেওয়া হয়।
এর মাঝে সে জানালো সে বিয়ে করেছে- বললাম বৌ কই? বললো পাশেই কোথাও আছে- ভালো লাগলো আমার।
বললাম রান্না করিস বাসায় না কি হোটেলের খাওয়ার খাচ্ছিস।
উত্তরটা মজার লাগলো। বললো যেদিন পকেটে টাকা থাকে হোটেলের খাওয়ার কেনার সেদিন হোটেল থেকে খাওয়ার কিনি নাতো সামনের দোকান থেকে একটু চাল একটু ডিম একটু ডাল কিনে রান্না করি।
যাই হোক আসলে অসস্তিকর প্রশ্নটা করতে না চাইলেও করে ফেললাম। স্কুলটা কোথায় নিয়ে গেছিস- ফান্ডিং কিভাবে আসে?
জনসেবা কিংবা আদর্শিক কোনো কাজ এখন শুধু আন্তরিকতায় সম্ভব হয় না। সম্পন্নও হয় না- ট্যাকের জোড় লাগে। বললো তেমন কোনো ফিক্স ফান্ডিং নেই- যখন যেখানে যেভাবে ময়ানেজ করা যায় সেভাবেই ম্যানেজ করে জোড়াতালি দিয়ে চালাচ্ছি। ইচ্ছা আছে এটাকে আদর্শ বিদ্যালয় বানাবো।
তার একটা শিক্ষা ব্যাবস্থার আদর্শ সামনে আছে- আমরা শিক্ষা আন্দোলনের মিছিলে পাশাপাশি হেঁটেছি- তবে বিস্তারিত জানতে পারি নি- আমাদের ঘড়ির টিকটিক জানান দিচ্ছিলো আমাদের যার যার গন্তব্যে ফিরে যেতে হবে- তার স্ত্র ীর সাথে পরিচিত হয়েই আমাকে বাসায় ছুটতে হলো- বলা হলো না
সালাম কমরেড- আমাদের কারোই এমন আদর্শের সাথে জীবন যাপনের সাহস হলো না। আমরা সবাই যুদ্ধ থেকে সমাজ বদলের চেষ্টা থেকে পিছু সরে এখন কর্পোরেটের সেবায় মগ্ন, তোর মতো সাহসী কিছু মানুষ আমাদের মানসিক সান্তনা কিংবা শুভবোধের রূপায়ক হয়ে থাকবে-
(যদি কেউ কখনও এমন শুভবোধের তাড়নায় উদ্্বুদ্ধ হয়ে এসব শিশুদের পরিপূর্ন শিক্ষিত হয়ে উঠার পথে সহায়তা করতে চান তাহলে ওর সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ থাকলো। অবশ্য ও আজিজ মার্কেটের কোনো এক দোকান নাম "নতুন কথা" সেখানে বিকেল কিংবা সন্ধ্যার পর বসে- সেখানেই যোগাযোগ করতে হবে।)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৪৭
অতিথি বলেছেন: ইন্টারভিডার অফিসে দেখি শীঘ্রই যাব। ফোন নম্বরটা হারিয়ে ফেলেছি। একদিন কিছু ছবি তুলতে যাব, স্টিল এন্ড ভিডিও। কোন এক শনিবার সময় করতে পারলে ঘন্টাখানেকের মধ্যে কাজগুলো করা সম্ভব।
অতিথি বলেছেন: ইন্টারভিডার অফিসে দেখি শীঘ্রই যাব। ফোন নম্বরটা হারিয়ে ফেলেছি। একদিন কিছু ছবি তুলতে যাব, স্টিল এন্ড ভিডিও। কোন এক শনিবার সময় করতে পারলে ঘন্টাখানেকের মধ্যে কাজগুলো করা সম্ভব। ২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৫৭
অতিথি বলেছেন: ইন্টারনেটে কি নাই! ফোন নম্বর পেয়েছি, এখন মিঃ প্রদীপের সাথে কথা বলছি এখন, রুবেলে ভিশনের সাথে মিলে যাচ্ছে একদম।
অতিথি বলেছেন: ইন্টারনেটে কি নাই! ফোন নম্বর পেয়েছি, এখন মিঃ প্রদীপের সাথে কথা বলছি এখন, রুবেলে ভিশনের সাথে মিলে যাচ্ছে একদম। ৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৯
হাসিব বলেছেন: ছাত্রফ্রন্টের রকিবের বন্ধু আপনি?....হমমম...
হাসিব বলেছেন: ছাত্রফ্রন্টের রকিবের বন্ধু আপনি?....হমমম... ৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১৯
রাগ ইমন বলেছেন: রাসেল ভাই,
স্পেসিফিক কোন খবর নেই, তবে কিছু ব্যবস্থা হচ্ছে!
রাগ ইমন বলেছেন: রাসেল ভাই, স্পেসিফিক কোন খবর নেই, তবে কিছু ব্যবস্থা হচ্ছে!
৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৭
অতিথি বলেছেন: সামান্য সংশোধন, দোকানের নাম "নতুন পাঠ" আজিজ কো অপারেটিভ মার্কেটের 120 নম্বর দোকান।
আমার কাছেও রুবেলের নাম্বার নাই কোনো, থাকলে ভালো হইতো।
অতিথি বলেছেন: সামান্য সংশোধন, দোকানের নাম "নতুন পাঠ" আজিজ কো অপারেটিভ মার্কেটের 120 নম্বর দোকান।আমার কাছেও রুবেলের নাম্বার নাই কোনো, থাকলে ভালো হইতো।
৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৭
হাসিব বলেছেন: আমার যদ্দুর মনে পড়ে 120 নাম্বারটা ছাত্র ফেডারেশনের । সাকি ভাই, আনু ভাইরে পাওয়া যাইতো ওইখানে । নাকি ভুল বললাম ?
হাসিব বলেছেন: আমার যদ্দুর মনে পড়ে 120 নাম্বারটা ছাত্র ফেডারেশনের । সাকি ভাই, আনু ভাইরে পাওয়া যাইতো ওইখানে । নাকি ভুল বললাম ? ৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫১
হাসিব বলেছেন: মারুফ, এ্যানি, নয়ন, মৌমিতা এরাও আসতো ওইখানে মনে পড়ে ।
হাসিব বলেছেন: মারুফ, এ্যানি, নয়ন, মৌমিতা এরাও আসতো ওইখানে মনে পড়ে । ৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: আমার বন্ধুদের লিস্টিও খারাপ না দেখছি।
এ্যানি, নয়ন আমারও বন্ধু, হাসিব।
রাসেল, রুবেলের কথা বলে মনে করিয়ে দিলেন নচিকেতার বন্ধুকে নিয়ে গানের কথাটি। আর সালাম ভাইকে। মাস্টার্স পাশ করে ইউনিভার্সিটি ছেড়ে যাওয়ার একবছর পর হলে এসেছিলেন। জিজ্ঞেস করলাম কি করছেন। তার উত্তরে জানালেন একটি টেক্সটাইল মিলে শ্রমিকের চাকরি নিয়েছেন। তার শ্রেণীসংগ্রাম বহুৎ মস্করা করতাম, যখন জানলাম ভাবীসহ সালাম ভাই শ্রমিকদের কলোনীতে থাকেন তখন থেকে তার সামনে আর যাইনি।
অতিথি বলেছেন: আমার বন্ধুদের লিস্টিও খারাপ না দেখছি।এ্যানি, নয়ন আমারও বন্ধু, হাসিব।
রাসেল, রুবেলের কথা বলে মনে করিয়ে দিলেন নচিকেতার বন্ধুকে নিয়ে গানের কথাটি। আর সালাম ভাইকে। মাস্টার্স পাশ করে ইউনিভার্সিটি ছেড়ে যাওয়ার একবছর পর হলে এসেছিলেন। জিজ্ঞেস করলাম কি করছেন। তার উত্তরে জানালেন একটি টেক্সটাইল মিলে শ্রমিকের চাকরি নিয়েছেন। তার শ্রেণীসংগ্রাম বহুৎ মস্করা করতাম, যখন জানলাম ভাবীসহ সালাম ভাই শ্রমিকদের কলোনীতে থাকেন তখন থেকে তার সামনে আর যাইনি।
৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০৭
অতিথি বলেছেন: হবে হয়তো- কখনও রুবেলকে জিজ্ঞাসা করা হয় নি ও কোন বিশেষ দল থেকে বামপন্থাকে সমর্থন করে-ভালোই আছে- অনেকেই বসে- তবে সবাইকে আমি চিনিও না- আমার পরিচিতের গন্ডি সীমিত- তবে রাকিব কখনই ছাত্রফ্রন্টে ছিলো না- ও কোনো দলেই ছিলো না- প্রপদে যুক্ত ছিলো ওরা অনেকেই- ছাত্র ফেডারেশনের অনেকের সাথেই ওর যোগাযোগ ছিলো প্রপদ সূত্রে- হতে পারে আমার সাথে যোগাযোগ থাকার পরবর্তি সময়ে হয়তো তার রাজনৈতিক দলীয় একটা পরিচয় হয়েছিলো-
অতিথি বলেছেন: হবে হয়তো- কখনও রুবেলকে জিজ্ঞাসা করা হয় নি ও কোন বিশেষ দল থেকে বামপন্থাকে সমর্থন করে-ভালোই আছে- অনেকেই বসে- তবে সবাইকে আমি চিনিও না- আমার পরিচিতের গন্ডি সীমিত- তবে রাকিব কখনই ছাত্রফ্রন্টে ছিলো না- ও কোনো দলেই ছিলো না- প্রপদে যুক্ত ছিলো ওরা অনেকেই- ছাত্র ফেডারেশনের অনেকের সাথেই ওর যোগাযোগ ছিলো প্রপদ সূত্রে- হতে পারে আমার সাথে যোগাযোগ থাকার পরবর্তি সময়ে হয়তো তার রাজনৈতিক দলীয় একটা পরিচয় হয়েছিলো- ১০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১০
অতিথি বলেছেন: বিগ সি- এই রকম কিছু আদর্শবাদী মানুষের জন্যই টিমটিমে হলেও বামপন্থার ধারাটা টিকে আছে- আমাদের সচেতন উন্নাসিকতার মূলে নিয়ত চড় থাপ্পড়ের মতো ই একএকটা মুখ সামনে আসতে থাকে। আমরা আমাদের পরাজয়ের ব্যার্থতা স্বার্থপরতা নিয়ে ছোটো হয়ে থাকি।
অতিথি বলেছেন: বিগ সি- এই রকম কিছু আদর্শবাদী মানুষের জন্যই টিমটিমে হলেও বামপন্থার ধারাটা টিকে আছে- আমাদের সচেতন উন্নাসিকতার মূলে নিয়ত চড় থাপ্পড়ের মতো ই একএকটা মুখ সামনে আসতে থাকে। আমরা আমাদের পরাজয়ের ব্যার্থতা স্বার্থপরতা নিয়ে ছোটো হয়ে থাকি। ১১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২০
অতিথি বলেছেন: আপনে মিয়া আসলেই মানুষ হইবেন না।
লেখার মাঝে ফাঁক রাখলে কী পয়সা দাবী করে কেউ?
অতিথি বলেছেন: আপনে মিয়া আসলেই মানুষ হইবেন না। লেখার মাঝে ফাঁক রাখলে কী পয়সা দাবী করে কেউ?
১২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৩
অতিথি বলেছেন: ব্যাটা আমি ফাঁক রাখি ঠিকই কিন্তু ক্যান যানি দ্যাখায় না। আমি নিয়মিত এন্টার চাইপা যাই- এর পর এক টোকায় হইবো না বুঝছি- 2 বার বাড়ি দিতে হইবো।
সমস্যা কমছে?
অতিথি বলেছেন: ব্যাটা আমি ফাঁক রাখি ঠিকই কিন্তু ক্যান যানি দ্যাখায় না। আমি নিয়মিত এন্টার চাইপা যাই- এর পর এক টোকায় হইবো না বুঝছি- 2 বার বাড়ি দিতে হইবো।সমস্যা কমছে?
১৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৭
হাসিব বলেছেন: রাসেল : আমি ভেবেছিলাম আপনি ছাত্রফ্রন্টের জাবি সভাপতি (নাকি সাধারন সম্পাদক?) রাকিবের কথা বলছিলেন ।
শোহেল মোতাহির : পৃথিবীটা আমরা যতটা বড় ভাবি আসলে ততটা বড় না । আগামী বছর লন্ডন যাবার ইচ্ছা । সম্ভব হলে দেখা হবে ।
হাসিব বলেছেন: রাসেল : আমি ভেবেছিলাম আপনি ছাত্রফ্রন্টের জাবি সভাপতি (নাকি সাধারন সম্পাদক?) রাকিবের কথা বলছিলেন ।শোহেল মোতাহির : পৃথিবীটা আমরা যতটা বড় ভাবি আসলে ততটা বড় না । আগামী বছর লন্ডন যাবার ইচ্ছা । সম্ভব হলে দেখা হবে ।
১৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩১
অতিথি বলেছেন: সেভাবে পরিচয় হয় নি জাহাঙ্গির নগরের লোকজনের সাথে- অনেকের মুখ চিনি-
আমার মতো গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো পাবলিক আসলে সিরিয়াস হইতে পারে না কোনো কিছুতেই।
অতিথি বলেছেন: সেভাবে পরিচয় হয় নি জাহাঙ্গির নগরের লোকজনের সাথে- অনেকের মুখ চিনি-আমার মতো গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো পাবলিক আসলে সিরিয়াস হইতে পারে না কোনো কিছুতেই।
১৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৬
অতিথি বলেছেন: নাহ্, আমি একেবারে শিখরে উইঠ্যা গেছি।
আজকে সকালে আরেকটা নতুন যোগ হইছে। আমি বুঝতাছি না, কী হইতাছে এইসব?
অতিথি বলেছেন: নাহ্, আমি একেবারে শিখরে উইঠ্যা গেছি।আজকে সকালে আরেকটা নতুন যোগ হইছে। আমি বুঝতাছি না, কী হইতাছে এইসব?
১৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৯
অতিথি বলেছেন: একদিক দিয়া উপরে যাওয়াটাই উন্নতির লক্ষন, শরীর ঠিক হইছে?
অতিথি বলেছেন: একদিক দিয়া উপরে যাওয়াটাই উন্নতির লক্ষন, শরীর ঠিক হইছে? ১৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪২
অতিথি বলেছেন: হ, তয় পুরা না।
অতিথি বলেছেন: হ, তয় পুরা না। ১৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৩
অতিথি বলেছেন: পোলা কী কয়?
অতিথি বলেছেন: পোলা কী কয়? ১৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৬
অতিথি বলেছেন: যত লোকের নাম কওয়া হইছে তাগো সবাইরে চিনি ।
অতিথি বলেছেন: যত লোকের নাম কওয়া হইছে তাগো সবাইরে চিনি । ২০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৭
অতিথি বলেছেন: রকিব ভাই কি আপনের বন্ধু নাকি হাসিব? সে জাবি ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ছিলো।
শোহেইল ভাই আপনেও এ্যানি, নয়নের বন্ধু? তাইলে তো এইখানে খালি আমরা আর মামারাই আছি!!
মারুফ মনে হয় না এখন আর নতুন পাঠে যায়...তয় ওর ছোট ভাইটা ঐ খানের সংগঠক। আর এ্যানি আমার কলিগ হয় ছয় মাসের লেইগা। তয় শুনছি অর নাকি ভালো চাকরী হইয়া গেছে । নয়ন এখনো নয়নতারায় আছে...ঐ প্রতিষ্ঠান আর আমি যেইখানে চাকরী করি দুইটার মালিক এক।@ হাসিব
অতিথি বলেছেন: রকিব ভাই কি আপনের বন্ধু নাকি হাসিব? সে জাবি ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ছিলো। শোহেইল ভাই আপনেও এ্যানি, নয়নের বন্ধু? তাইলে তো এইখানে খালি আমরা আর মামারাই আছি!!
মারুফ মনে হয় না এখন আর নতুন পাঠে যায়...তয় ওর ছোট ভাইটা ঐ খানের সংগঠক। আর এ্যানি আমার কলিগ হয় ছয় মাসের লেইগা। তয় শুনছি অর নাকি ভালো চাকরী হইয়া গেছে । নয়ন এখনো নয়নতারায় আছে...ঐ প্রতিষ্ঠান আর আমি যেইখানে চাকরী করি দুইটার মালিক এক।@ হাসিব
২১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৮
অতিথি বলেছেন: রুবেলের ই-মেইল দিও তো থাকলে ...
অতিথি বলেছেন: রুবেলের ই-মেইল দিও তো থাকলে ... ২২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫১
অতিথি বলেছেন: ওরে কমু নে-
অতিথি বলেছেন: ওরে কমু নে- ২৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫২
অতিথি বলেছেন: তুমি তো ছাত্র ফেডারেশন করতা সুমন, এগো তো চিনবাই!
অতিথি বলেছেন: তুমি তো ছাত্র ফেডারেশন করতা সুমন, এগো তো চিনবাই! ২৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫২
অতিথি বলেছেন: ভাস্করদা,
মারুফ ভাই আর যায় না মানে? ঘটনা কি?
অতিথি বলেছেন: ভাস্করদা,মারুফ ভাই আর যায় না মানে? ঘটনা কি?
২৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৭
অতিথি বলেছেন: সুমন যাই গা। ওরে তোমার কথা কমু নে, কিংবা ওর ই মেইল এড্রেস পাইলেও জানামু নে।
আপাতত উঠলাম।
অতিথি বলেছেন: সুমন যাই গা। ওরে তোমার কথা কমু নে, কিংবা ওর ই মেইল এড্রেস পাইলেও জানামু নে।আপাতত উঠলাম।
২৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৭
অতিথি বলেছেন: auf wiedersehen !
অতিথি বলেছেন: auf wiedersehen ! ২৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৯
অতিথি বলেছেন: আমি ঠিক জানি না। তয় সমর্থন প্রত্যাহার করে নাই আন্দোলনের এইটুক জানি।
অতিথি বলেছেন: আমি ঠিক জানি না। তয় সমর্থন প্রত্যাহার করে নাই আন্দোলনের এইটুক জানি। ২৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:০১
অতিথি বলেছেন: হুম ।
অতিথি বলেছেন: হুম । ২৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:২৯
হাসিব বলেছেন: - রকিব ভাই ঠিক আমার বন্ধু না ।বলা যায় মুরুবি্ব স্থানীয় । আমি, রকিব ভাই দু'জনেই মতিঝিল মডেল স্কুলে পড়তাম । উনি আমার তিন কি চার বছরের সিনিয়ার । আমার বড় ভাইয়ের বন্ধু তিনি ।
- মারুফ এখন যায় না মানে কি? সে একাই যায় না নাকি লগে আরো অনেকে আছে ? ফেডারেশনের ভাঙ্গনের কথা শুনতে শুনতে বিরক্ত আমি ।
- যেই কারনে আমি এখনও এই ব্লগ গুতাই সেইটা হলো এখানে মাঝে মাঝে পুরনো দিনের সঙ্গীসাথীদের খোজ খবর পাওয়া যায় । জামাল ভাস্কর সুমন চৌধুরীর সাথে কোনদিন দেখা হয় নাই । কিন্তু বুঝি যে আমরা এক সময় একই ধরনের চিন্তা করতাম । হয়তো এখনও করি ।
হাসিব বলেছেন: - রকিব ভাই ঠিক আমার বন্ধু না ।বলা যায় মুরুবি্ব স্থানীয় । আমি, রকিব ভাই দু'জনেই মতিঝিল মডেল স্কুলে পড়তাম । উনি আমার তিন কি চার বছরের সিনিয়ার । আমার বড় ভাইয়ের বন্ধু তিনি । - মারুফ এখন যায় না মানে কি? সে একাই যায় না নাকি লগে আরো অনেকে আছে ? ফেডারেশনের ভাঙ্গনের কথা শুনতে শুনতে বিরক্ত আমি ।
- যেই কারনে আমি এখনও এই ব্লগ গুতাই সেইটা হলো এখানে মাঝে মাঝে পুরনো দিনের সঙ্গীসাথীদের খোজ খবর পাওয়া যায় । জামাল ভাস্কর সুমন চৌধুরীর সাথে কোনদিন দেখা হয় নাই । কিন্তু বুঝি যে আমরা এক সময় একই ধরনের চিন্তা করতাম । হয়তো এখনও করি ।
৩০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৫৭
অতিথি বলেছেন: এই পোস্টটা আমি মাত্র পড়লাম। জামাল ভাস্কর কি কারনে আপনার ওপর এত ক্ষেপছে তার একটা হিন্টস পাওয়া গেল।
রুবেল ভাইয়ের সাথে আপনার তাইলে দেখা হইছে? দুপুরের পর মধুর অলস আড্ডা..
আমি, আ হা রুবেল, ফিরোজ ভাই, সোহেল পারভেজ... মিস করি।
অতিথি বলেছেন: এই পোস্টটা আমি মাত্র পড়লাম। জামাল ভাস্কর কি কারনে আপনার ওপর এত ক্ষেপছে তার একটা হিন্টস পাওয়া গেল। রুবেল ভাইয়ের সাথে আপনার তাইলে দেখা হইছে? দুপুরের পর মধুর অলস আড্ডা..
আমি, আ হা রুবেল, ফিরোজ ভাই, সোহেল পারভেজ... মিস করি।
৩১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৪
হাসিব বলেছেন: বাকী ভাইও কি ফেডারেশন করতেন নাকি?
হাসিব বলেছেন: বাকী ভাইও কি ফেডারেশন করতেন নাকি? ৩২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪
অতিথি বলেছেন: বাকী বিল্লাহ হুদাই প্যাচ লাগাইয়েন না। খেপাখেপির কোন ব্যাপার এইখানে ঘটে নাই। রাসেলের মন্তব্য নিয়া আমি পোস্ট মারছি আমার কিছু প্রশ্ন সমেত।
আপনের এই আচরন আমার টিপিক্যাল ছাত্র ইউনিয়নি টাইপ মনে হইতাছে।
অতিথি বলেছেন: বাকী বিল্লাহ হুদাই প্যাচ লাগাইয়েন না। খেপাখেপির কোন ব্যাপার এইখানে ঘটে নাই। রাসেলের মন্তব্য নিয়া আমি পোস্ট মারছি আমার কিছু প্রশ্ন সমেত। আপনের এই আচরন আমার টিপিক্যাল ছাত্র ইউনিয়নি টাইপ মনে হইতাছে।
৩৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:০২
অতিথি বলেছেন: আমি আবার মনে করলাম এই রুবেল কি আমি ??? ;-)
অতিথি বলেছেন: আমি আবার মনে করলাম এই রুবেল কি আমি ??? ;-) ৩৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:১২
রাগ ইমন বলেছেন: রুবেলের সাথে দেখা আর কথা বলার অভিজ্ঞতাটানে দাগ কেটে আছে! দারুন মানুষ!
কথা বার্তা অনেক এগিয়ে গেলো। মনে হয় কিছু করতে পারবো!!
সবচেয়ে মজা লেগেছে, আমাদের চিন্তাভাবনার মিল গুলো। উনি যে স্বপ্ন দেখছেন,সেই রকম স্কুল করার কথা , পরিকল্পনা আমি করেছি আমার বাবার সাথে বসে। আর আমার মায়ের সাথে মিলে কাজের ছেলে - মেয়ে বা তাদের বাচচাদের নিয়ে স্কুল এখন একটা চালাচ্ছি।
আমার চাকরীর কাজটাও স্কুলের বাচচাদের নিয়ে। রুবেল ভাই যা বলতে চাইছিলো, আমি স্বরে অ শুনেই চন্দ্রবিন্দু বুঝে নিচ্ছিলাম! সব মিলিয়ে একটি চরম সফল সাক্ষাৎ !
সবাই দোয়া রেখেন!
রাগ ইমন বলেছেন: রুবেলের সাথে দেখা আর কথা বলার অভিজ্ঞতাটানে দাগ কেটে আছে! দারুন মানুষ!কথা বার্তা অনেক এগিয়ে গেলো। মনে হয় কিছু করতে পারবো!!
সবচেয়ে মজা লেগেছে, আমাদের চিন্তাভাবনার মিল গুলো। উনি যে স্বপ্ন দেখছেন,সেই রকম স্কুল করার কথা , পরিকল্পনা আমি করেছি আমার বাবার সাথে বসে। আর আমার মায়ের সাথে মিলে কাজের ছেলে - মেয়ে বা তাদের বাচচাদের নিয়ে স্কুল এখন একটা চালাচ্ছি।
আমার চাকরীর কাজটাও স্কুলের বাচচাদের নিয়ে। রুবেল ভাই যা বলতে চাইছিলো, আমি স্বরে অ শুনেই চন্দ্রবিন্দু বুঝে নিচ্ছিলাম! সব মিলিয়ে একটি চরম সফল সাক্ষাৎ !
সবাই দোয়া রেখেন!
৩৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২৭
হযবরল বলেছেন: আপনার শইল কেমুন ? একটা মেইল দিয়েন । বোম্বাগড়ের রাজার মত ঢাকায় গ্যাঁট হয়া বসছেন ?
হযবরল বলেছেন: আপনার শইল কেমুন ? একটা মেইল দিয়েন । বোম্বাগড়ের রাজার মত ঢাকায় গ্যাঁট হয়া বসছেন ? ৩৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১০
অতিথি বলেছেন: অনেকটা সে রকমই, নড়বো কি আজিজ ইয়াজুদ্দি মিল্যা হাতে হারিকেন ধরায়া দিছে।
অতিথি বলেছেন: অনেকটা সে রকমই, নড়বো কি আজিজ ইয়াজুদ্দি মিল্যা হাতে হারিকেন ধরায়া দিছে। ৩৭. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ২:৩৩
অতিথি বলেছেন:
--------ত্রিভূজ 'আব' এর ছদ্মনামে এই পোষ্টটি ফ্লাডিং দিয়ে মুছবার চেষ্টা করছে ...
মুমিনগন সফল হয়েছে
যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে
তবে তাদের স্ত্রী কিংবা মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না
অতঃপর কেউ এদর ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমা লংঘনকারী হবে।
(((((((((((( সূরা আল মূমিনুন / আয়াত 1-7))))))))))))))))))))))
আয়াত সংখ্যা ঃ 50
হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগনকে হালাল করেছি, যাদের আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদের হালাল করেছি যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নী, ফফাতো ভগ্নী, খালাতো ভগ্নী, খালাতো ভগ্নীকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নবীর কাছে নিজেকে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য অন্য কারো জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দুর করার জন্য। মুমিনগনের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু।
আয়াত সংখ্যা ঃ 52
এরপর আপনার জন্য আর কোন নারী আপনার জন্য হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য কোন স্ত্রী গ্রহন করাও হালাল নয় যদিও তাদের রুপ লাবন্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন।
আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ দৃষ্টি রাখেন।
(((((((((((( সূরা আল আহ্যাব))))))))))))))))))))
অতিথি বলেছেন: --------ত্রিভূজ 'আব' এর ছদ্মনামে এই পোষ্টটি ফ্লাডিং দিয়ে মুছবার চেষ্টা করছে ...
মুমিনগন সফল হয়েছে
যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে
তবে তাদের স্ত্রী কিংবা মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না
অতঃপর কেউ এদর ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমা লংঘনকারী হবে।
(((((((((((( সূরা আল মূমিনুন / আয়াত 1-7))))))))))))))))))))))
আয়াত সংখ্যা ঃ 50
হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগনকে হালাল করেছি, যাদের আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদের হালাল করেছি যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নী, ফফাতো ভগ্নী, খালাতো ভগ্নী, খালাতো ভগ্নীকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নবীর কাছে নিজেকে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য অন্য কারো জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দুর করার জন্য। মুমিনগনের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু।
আয়াত সংখ্যা ঃ 52
এরপর আপনার জন্য আর কোন নারী আপনার জন্য হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য কোন স্ত্রী গ্রহন করাও হালাল নয় যদিও তাদের রুপ লাবন্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন।
আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ দৃষ্টি রাখেন।
(((((((((((( সূরা আল আহ্যাব))))))))))))))))))))
৩৮. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:২১
অতিথি বলেছেন: শাপলুর হাতে ম্যাগাজিন পাঠাইছিলো ? পাই নাই
রুবেলরে মেইল কতর্াছি এখনই...
অতিথি বলেছেন: শাপলুর হাতে ম্যাগাজিন পাঠাইছিলো ? পাই নাই
রুবেলরে মেইল কতর্াছি এখনই... 
