মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১০

দেশ মাতা সহস্রযোনী তবু পায়ুকামী সুশীল সমাজ

গরু মেরে জুতা দান কিংবা জুতা মেরে গরু দান দুটোই অর্থবহ। কারো বড় আকারের তি করে ুদ্র তিপুরণ নির্দেশ করে প্রথমটা অন্যটা নির্দেশ করে কাউকে অসম্মানিত করে পুনঃসম্মান দানের প্রক্রিয়াকে। হিমুর প্রিয় একটা প্রবাদ হলো হোগা মেরে টিসু্য দান। এটা বহুমাত্রিক প্রবাদ।

সুশীল সমাজের ভেতরেও এখন আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন রকম রাজনৈতিক সংশ্রব আছে সুশীল সমাজের মানুষের ভেতরে। রাজনৈতিক দলের প্রতি ন্যাস্ত কলমচি আছেন অনেক।

সাম্প্রতিক দূর্নীতির 420 জনের তালিকায় এদের অনেকের নাম উঠে আসলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে এমন

দুর্নীতিবাজের তালিকার 4200 জনের ভেতরে সমস্ত সুশীল সমাজ এঁটে যাবে এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
যদি দুদক শীর্ষ 4200 জন দুর্নীতিবাজের তালিকা করে তবে ইউনুস সাহেবের নাগরিক শক্তিতে যোগদানের মতো নিষ্কলংক মানুষ পাওয়া যাবে না। তবে পঁচা শামুকে পা কেটে হাজতবাস করছেন যারা তাদের স্থান দিতে 3000 ছোটো অপরাধীদের জেল জীবন শেষ হওয়ার আনন্দে আনন্দিত আমি।

" এসেছে নতুন পাপী তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান" নতুন পাপীর প্রতি আইন উপদেষ্টার আহ্বান।

এঁড়ে যখন অত্যাধিক উত্তেজিত হয়ে হাল চষা বাদ দিয়ে আশে পাশের বকনার দিকে ধেয়ে যায় তখন অভিজ্ঞ কৃষক বীচিতে রশি বেধে বশ করে বেয়ারা এঁড়েকে। তৃতীয় দফা জরুরি আইন প্রবর্তিত হওয়ায় ইউনুস সাহেবের বীচিতে রশি বান্ধা হলো বোধ হয়। ঘরোয়া রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ায় বিমান বন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে কোনো রাজনৈতিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন নি তিনি।

তার দৃঢ় বিশ্বাস , রাজনীতিতে আসার খবরে দেশবাসী উদ্বাহু নৃত্য করছে- তবে সব সামলে তিনি জরুরী অবস্থা শেষ হলে নির্বাচনে নামতেও পারেন। তার প্রতি ওয়ার্ডে 20 জন কর্মি বাহিনী গঠনের উচ্চাভিলাষ ছেড়ে আপাতত প্রতি উপজেলায় 20 জন কিংবা প্রতি জেলায় 20 জন করমি বাহিনী গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করা উচিত।

বাংলাদেশে একদা মাথা পিছু ঋণের পরিমাণ ছিলো 5000 টাকা। গরিবেরা আনন্দে ছিলো- সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে গৃহীত ফেরত যোগ্য সহায়তার কোনো সুফল তারা না পেলেও তাদের সম্মিলিত খাতক উপাধি পেতে হতো না।

সেই সব উন্নয়ন বাজেটের যেটুকু অংশ প্রকৃত উন্নয়নে ব্যয় হতো তার সুফলও পেতো না তারা তবে সুশীল সমাজ উপকৃত হতো। অনেকেই অনেক প্রকারে উপকৃত হন- কারো ছেলে মেয়ে সমস্ত শিাজীবন কাটায় বৈদেশে, কারো বৈদেশ বাড়ী থাকে কারো বৈদেশে নারী থাকে, কেউ যান বৈদেশে শপিং এ কেউ যান বৈদেশ ফাকিং এ।

অর্থাগমন বন্ধ্যাগমনের মতো নিস্ফলা নয়। বরং উপকারী- টাকা বহুপ্রজ, টাকা টাকার ঘর্ষণে আরও টাকা জন্ম লয়-

ইউনুস বিভিন্ন সভা সেমিনারে উপস্থিত থাকছেন, টাকে সম্মাননা দিতে যারা পিছিয়ে পড়েছে তারাও উপল পেলেই তাকে সম্মাননা দিচ্ছেন, তাকে সম্মান দিয়ে তারা ধন্য হচ্ছেন। ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা বাংলাদেশের ধন গর্বে ফুলে উঠেছে আজ।

ুদ্র ঋণ বিতরণ করছে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে স্বচ্ছল করছে এমন কার্যক্রম চালানো এন জিওর সংখ্যা কম না। তারা কয়েক দিন আগে সম্মানিত হলেন। প্রধান অতিথি ইউনুস বললেন আমরা প্রতিটা গরীব পরিবারকে অন্তত 5000 টাকার ঋণজালে বেধে ফেলার প্রক্রিয়ায় সাফল্যেরদ্বারপ্রান্তে উপস্থিত। একটু খাটলেই শতভাগ দরিদ্র পরিবারের সকলেই 5000 টাকা ঋণ গ্রহীতা হয়ে উঠবেন। এই ল্য বাস্তবায়নে মাত্র 2 থেকে 3 বছর লাগবে।

শুনে আশ্বস্ত হলাম, একধরনের সাম্যবাদ অন্তত প্রতিষ্ঠিত হলো। আমাদের অধিকাংশ দরিদ্র জনগন কোনো সুফল না পেলেও আগে 5000 টাকা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ঘুরছিলো এখন 5000 টাকা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ফেরার হয়েছেন তারা। এখানেই সালমান এফ রহমানের সাথে কোনো ভেদ নেই কৃষক আফজল মিয়ার। সবাই 5000 টাকা ঋণের বোঝায় নু্যজ্ব।

পোঁদ মেরে জ্ঞান দান প্রক্রিয়াটা শুরু করেছিলো বিশ্ব ব্যাংক। সে সাফলয়ে আগ্রহী হয়ে এসেছে এডিবি। আর 1984 তে রাজশাহী কৃষি ব্যাংক অর্থ সহায়তা দিয়েছিলো কৃষকদের। সেই সহায়তার জন্য ফেরার প্রায় 1000 পরিবার। তাদের জমি জব্দ করার উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি ব্যাংক । ইতিমধ্যেই কয়েক জনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে ঋণ শুধতে না পারার ব্যার্থতায়।

আইনের চোখ অন্ধ। নির্মম সত্য কথাটা বারংবার প্রমাণিত হয়। প্রতিটা সড়ক থেকে উৎপ্তি হয় হকারেরা , ু্দ্র পুঁজির ব্যবসায়ীরা। আইনের অন্ধ বুলডেজার টান্ডব চালায় বস্তিতে- নদী উপকূল অবমুক্ত হয়। রেল লাইনের পাশে মাথা গুঁজে পড়ে থাকা মানুষগুলো গৃহহীন হয়।
আইনের আন্তঃংর ছুটতেই থাকে। ইঞ্জিন রুমে সিটি বাজায় ফখরুদ্দিন, সিটি বাজায় মইন উদ দৌলা, সিটি বাজায় তপন চৌধুরী, সিটি বাজায় গীতিআরা সাফিয়া চৌধুরী, সিটি বাজায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। আর রেল লাইনের দুই পাশে মাতম শুরু হয়।

প্রশাসনের কেন্দ্রিকরণ মনোরমা ঢাকার হোগার বাঁশ হয়ে গেছে- তিলোত্তমা ঢাকা গড়ছি আমরা- হলি ডে মার্কেট হচ্ছে চারপাশে- সপ্তাহে 1 দিন ফুটপাতে পসরা বসবে- বিকি কিনি হবে-

হপ্তায় সাত দিন ঝাঁপ তুলে বসে থাকতাম- ইদানিং উচ্ছেদের কালে খেতে পাই না- পেটে গ্যাস হয়- বিশ্ব ব্যাংকের সোনার ছেলের তত্ত্বাবদাঃনে আছি ইদানিং- গ্যাসের কথা শুনে নড়ে চড়ে বসে বহুজাতিক তেল কোম্পানি- বাংলাদেশের সহস্র যোনী দিয়ে অনবরত গ্যাস উদগীরণ হতে থাকে- শুধু ভুমি না দেশের নাগরিকও গ্যাস সম্ভবা- এত এত বিনিয়োগ নিয়ে আসছে বৈদেশিক কোম্পানি আর বাঞ্চোৎ জনগন প্রতিরোধ করে- শালার জনগন চামারের চামার, পেট ভর্তি গ্যাস নিয়ে শুকনা মুখে বসে আছে- সব খাঙ্কির পুটের হোগায় গ্যাসের পাইপ লাগাও।

নিশ্চয়ই অপচয় কারী শয়তানের ভাই- ইশ্বর এবং ভূ ইশ্বর আমেরিকা অপচয় পছন্দ করেন না। জরুরী অবস্থা নিঃসন্দেহে ভালো। মুখ খুললেই েিধ পেতো- এখন মুখে কুলুপ আঁটা পাছায় পাইপ- যা উৎপাদন করছি সরাসরি চলে যাচ্ছে শেভ্রনের পেটে।

ডিসেন্ট্রালাইজেশন উপকারী পন্থা- উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো বলছে- অবৈধ স্থাপনা ও বস্তি উচ্ছেদে উন্মূল ঢাকার 25 ল মানুষ- তিলোত্তমা ঢাকার ফুটপাত নষ্ট হচ্ছে- বাবুরা প্রাতঃভ্রমনে গেলে বিষ্ঠার গন্ধে মনঃুন্ন হন। উন্নয়নের রঙ্গীন চশমা পড়ে হাঁটেন ফুটপাতে- পুরীষরঞ্জিত হলে পাদুকা স্বপ্নভঙ্গ হয়।

সৈন্দযর্্য বর্ধন হবে শহরের। ফুটপাতে ফরীব থাকবে না কোনও- পরিবেশবাদী জনগন নিশ্চিত- কোনো দুষণ না থাকলে ঢাকা আমার প্রাণের শহর।

এইসব উন্মূল মানুষ কোথায় যাবে?

ডিসেন্ট্রালাইজেশন করো- নবযোনী উৎপন্ন হলে সে যোনীতে আহার্য খুঁজে নেবে- অথবা লাইগেশন করো দরিদ্রের- নতুন দরিদ্র জন্মাবে না।
স্থানীয় উন্নয়নের জন্য বিকেন্দ্রিকরণ প্রয়োজন, স্থানীয় সরকার প্রয়োজন- সকল অঙ্গ সুদৃঢ় হলে দেশ দৌড়াবে- একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে- ইনফরমেশন হাইওয়ে- কম্পিউটার বুস্ট- গার্মেন্টস সেক্টর আর ইপিজেড- সব সেক্টরেই উন্নয়ন ঘটছে
তবে হার্ট দুর্বল হলে ভায়াগ্রা নিষিদ্ধ- সকল অঙ্গের দৃঢ়তা কামনায় যদি ভায়াগ্রা খায় দেশটা তবে লাল নীল হলুদ সবুজ দেখতে থাকি দুই চোখে
দেশমাতা শস্রযোনী তবু পায়ুকামী সুশীল সমাজ- টিসু্য দেওয়ার ভদ্রতাটুকুও করবে না পোঁদ মেরে জ্ঞান দিয়ে বলবে যাও উন্নয়নগর্ভ হও।
তোমাদের গর্ভেই লালিত পালিত হবে ভবিষ্যত বাংলাদেশ- এক ফোটা বীযর্্যও যেনো ছলকে না পড়ে- এই বীয্যর্েই জন্মাবে এমন ছেলে যে একুশ শতকের মিলেনিয়াম চ্যালেঞ্জ জয়ী হবে।
প্রতি শনিবার কোনো এক বদ্ধ ক েহাত মেরে বালতি ভরছেন উপদেষ্টারা- সাম্প্রতিক জলপাই শাসনে আমরা টিকে থাকবো কি না জানি না তবে তাদের সবার সুসাস্থ্য কামনা করি এই ণে।অতি ব্যবহারে যেনো জীর্ণ না হয়ে যান তারা- যেনো তাদের চোখের কোনে কালি না জমে, যেনো তাদের সোনার বদনে কোনো কালিমা না লাগে- যেনো কোনো রকম ধাতুদৌর্বল্য দেখা না দেয় তাদের-
আমরা প্রার্থনা করতে থাকি যেনো তারা আমাদের উন্নয়ন গর্ভ করে তুলতে পারে।
জলপাই শাসনের পটভুমিতে চলা এই নতুন বেসামরিক সরকার আমাদের জুতা মেরে গুরু দান করছেন, গরু মেরে জুতা দান করছেন, এবং অবশেষে পোঁদ মেরে জ্ঞান দান করছেন। শিকেরা দ্বিতীয় পিতা, আমরা পিতৃহন্তা হতে চাই না। তাই তাদের সকলের দীর্ঘ জীবন কামনা করি যেনো আজীবন তারা আমাদের চুদে যেতে পারেন।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

  • ৪ টি মন্তব্য
  • ৩৩৯ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১:৫১
অতিথি বলেছেন: ড. ইউনুসের নোবেলটা আসলে আমার বন্ধুর পাওয়ার দরকার ছিল। গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে যখন অতোটা মাতামাতি শোনা যেতো না (অন্তত আমি ও আমার বন্ধু শুনিনি) তখন আমার বন্ধু ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকতর্ৃক প্রাপ্ত সুফল ভালোভাবেই চিন্তা করেছিল। পরে জেনেছিলাম অনেকেই তা করত। পাড়ার গরীব ছেলেটিকে তিনশটাকা দিয়ে ফ্ল্যাক্স কিনে দিয়েছিল চা বিক্রি করার জন্য। শর্ত ছিল প্রতিদিন 20 টাকা করে দিতে হবে যতোদিন ফ্ল্যাক্সের দাম শোধ না করতে পারে। বেচারা গরীব ছেলেটি কোনোদিনই আর তিনশ টাকা একসঙ্গে করতে পারেনি। তবে আমার বন্ধুটা উদার ছিল। 5/6 মাস পরেই অবশ্য ফ্ল্যাক্সের টাকাটা মাফ করে দিয়েছিল। প্রতিদিন বিশটাকা পাওয়ায় বন্ধুর দাম আমাদের কাছে বেড়ে গিয়েছিল। এরকম নিয়মিত উপার্জন (কোনো কষ্ট ছাড়াই) বন্ধুকে আমাদের কাছে ঈর্ষণীয় করে ছেড়েছিল।
২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮
অতিথি বলেছেন: দারুণ বিশ্লেষণ ..
আপনার নিজস্ব শব্দচয়নের স্টাইল আর স্বকীয়তা কে ধরে রেখে - অসাধারণ সব বাক্য ।

তবে বাস্তব কথা হলো -রাজনীতি তে কী হয় - মধ্যবিত্তের কিছু যায় আসে না এখন - সব শালা কাপুরুষ।

বীর্যহীন মধ্যবিত্ত এখন রাত-বিরাতে মুঠোফোনে মিনিট 30 পয়সার রেটে বিপরীত লিঙ্গের সাথে কথামেহনে ব্যস্ত ।

সুবিধাবাদী বাঙালি স্বপ্ন দ্যাখে অন্যের হোগা মেরে শর্টকাটে কেমনে টুপাইস কামানো যায় - সেইখানে বাধা পড়লে তখন অবশ্য বেঁকে বসে ।

অন্যের হোগা মারায় বাধা না দিলে সব সরকারই ঠিক - ইউনুস আসুক আর মফিজ - কিসসু যায় আসে না ।
৩. ১৩ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:১৩
৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:৪১
অতিথি বলেছেন: Welcome back!!! ধন্যবাদ রসালো লেখা উপহার দেওয়ার জন্য। ঐ আরেকট ঠোংগা লাগাও, লেখার রস সব পড়ে যাচ্ছে...

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন