আমি কোনো সুস্থ মানুষকে হিজাব পড়তে দেখি নি বাংলাদেশে, আমার পরিচিত যে কয়জন হিজাব পড়ে তারা পারিবারিক ভাবেই জামাতে ইসলামির রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে ঘুরছে, ওদের আপনি সুস্থ বলতে পারেন না ।
মতাহিরের আশে পাশের মেসগুলোতে যান দেখবেন শিবিরের ক্যাডার ঘুরঘুর করছে, ওদের অনেকের শ্বশুর বাড়ী ওখানে, আর এ পাশে সাহেব বাজার আর বোয়ালিয়ার মাঝে যে কয়টা মেস পাবেন সব খানেই শিবিরে ভর্তি,রাজশাহী কলেজের মাঠ থেকে শাহ মখদুম, পুঠিয়া ,মোহনপুর ,পাবা, সব মসজিদেই শিবিরের দাওয়াত চলছে এ অবস্থায় আপনি ইউনুস সাহেবের মৃতু্য নিয়ে কথা বলতে বলছেন আমাকে? খোলামেলা কথা বলার কোনো পরিস্থিতি রেখেছে ওরা? দেখেন একটা কথা বিবেচনা করে, চট্টগ্রামের পর এখানেই শিবিরের হাতে হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠেই দেশের সবচেয়ে বড় গনকবর কিন্তু ওদের লাশের উপর দাড়িয়েই এরা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছে, 34 বছর শেষে এখনও আজিজ ভাই এখানে শিক্ষকদের সভায় নিজের মতামত দিতে কুণ্ঠিত , এই পরিস্থিতিতে আমার মতো একজন মানুষ এর বিরুদ্ধে কথা বলবে কিভাবে ভাবলেন আপনি?
তবুও কিছু একটা বলবেন না আপনি, আপনার সহকর্মি সম্পর্কেই বলেন না হয়, রাজনীতি বাদ দিয়ে বলেন, আমার চেষ্টা বোধ হয় সফল হবে না।
আমি বগুড়া থেকে করতোয়ার হয়ে রিপোর্টিংএ এসেছিলাম, উঠেছি এক পরিচিত শিক্ষকের বাসায়, তার কথাতেই এই হিকমত সাহেবের কাছে আসা, ইউনুস সাহেবের পাশের বাসায় থাকতেন তিনি, এখন সে বাসা ছেড়ে গেছেন বোয়ালিয়ায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর, উদ্ভিদ বিজ্ঞানের শিক্ষকদের মধ্যে বেশ কিছু মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে, তাদের সাক্ষাৎকার নিবো ঠিক করি, কে কোন অবস্থান থেকে এটাকে দেখছেন। এটাকি রাজনৈতিক হত্যাকান্ড নাকি এটা নিছক ক্ষমতার দন্দ্ব, নাকি সবাই যেভাবে প্রচার করছে এটা কি তেমন বড় মাপের কোনো পরিকল্পিত নিধনের নীল নক্সা?
আমি রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, 4 বছরের কোর্স শেষ করেছি 8 বছরে, মাঝে প্রায় এক বছর বন্ধ ছিলো শিবির মৈত্রি- দল বিরোধে, এর পর যতবার খুলেছে কখনও শিবির-লীগ, কখনও মৈতরি -শিবির- কখনও দল-শিবির, সব সময় বিপক্ষে শিবিরের অবস্থান।
এখনও তাই,কতৃপক্ষ একটা একাডেমিক রুটিন তৈরি করেছিলেন, সেটাকে কাঁচকলা দেখিয়ে দিব্যি শিবির নিজের মতো চলছে, ইচ্ছা করলেই হরতাল ডাকছে, ইচ্ছা করলেই গাড়ি বন্ধ রাখছে, ওদের পেশীশক্তি প্রদর্শনের মত্ততায় সাধারন ছাত্ররা বিরক্ত হলেও প্রতিবাদী হতে পারে না, সাধারন মানুষের মতোই কখনই ফোঁস করে উঠে না, বরং আপোষ করতে থাকে ক্রমাগত।
এবং শঙ্কিত পরিজন ব্যাকুল হয়ে থাকে দুরে,
( বিশাল সমস্যা হইতেছে লিখতে, পড়ে লিখবো )
মতাহিরের আশে পাশের মেসগুলোতে যান দেখবেন শিবিরের ক্যাডার ঘুরঘুর করছে, ওদের অনেকের শ্বশুর বাড়ী ওখানে, আর এ পাশে সাহেব বাজার আর বোয়ালিয়ার মাঝে যে কয়টা মেস পাবেন সব খানেই শিবিরে ভর্তি,রাজশাহী কলেজের মাঠ থেকে শাহ মখদুম, পুঠিয়া ,মোহনপুর ,পাবা, সব মসজিদেই শিবিরের দাওয়াত চলছে এ অবস্থায় আপনি ইউনুস সাহেবের মৃতু্য নিয়ে কথা বলতে বলছেন আমাকে? খোলামেলা কথা বলার কোনো পরিস্থিতি রেখেছে ওরা? দেখেন একটা কথা বিবেচনা করে, চট্টগ্রামের পর এখানেই শিবিরের হাতে হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠেই দেশের সবচেয়ে বড় গনকবর কিন্তু ওদের লাশের উপর দাড়িয়েই এরা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছে, 34 বছর শেষে এখনও আজিজ ভাই এখানে শিক্ষকদের সভায় নিজের মতামত দিতে কুণ্ঠিত , এই পরিস্থিতিতে আমার মতো একজন মানুষ এর বিরুদ্ধে কথা বলবে কিভাবে ভাবলেন আপনি?
তবুও কিছু একটা বলবেন না আপনি, আপনার সহকর্মি সম্পর্কেই বলেন না হয়, রাজনীতি বাদ দিয়ে বলেন, আমার চেষ্টা বোধ হয় সফল হবে না।
আমি বগুড়া থেকে করতোয়ার হয়ে রিপোর্টিংএ এসেছিলাম, উঠেছি এক পরিচিত শিক্ষকের বাসায়, তার কথাতেই এই হিকমত সাহেবের কাছে আসা, ইউনুস সাহেবের পাশের বাসায় থাকতেন তিনি, এখন সে বাসা ছেড়ে গেছেন বোয়ালিয়ায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর, উদ্ভিদ বিজ্ঞানের শিক্ষকদের মধ্যে বেশ কিছু মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে, তাদের সাক্ষাৎকার নিবো ঠিক করি, কে কোন অবস্থান থেকে এটাকে দেখছেন। এটাকি রাজনৈতিক হত্যাকান্ড নাকি এটা নিছক ক্ষমতার দন্দ্ব, নাকি সবাই যেভাবে প্রচার করছে এটা কি তেমন বড় মাপের কোনো পরিকল্পিত নিধনের নীল নক্সা?
আমি রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, 4 বছরের কোর্স শেষ করেছি 8 বছরে, মাঝে প্রায় এক বছর বন্ধ ছিলো শিবির মৈত্রি- দল বিরোধে, এর পর যতবার খুলেছে কখনও শিবির-লীগ, কখনও মৈতরি -শিবির- কখনও দল-শিবির, সব সময় বিপক্ষে শিবিরের অবস্থান।
এখনও তাই,কতৃপক্ষ একটা একাডেমিক রুটিন তৈরি করেছিলেন, সেটাকে কাঁচকলা দেখিয়ে দিব্যি শিবির নিজের মতো চলছে, ইচ্ছা করলেই হরতাল ডাকছে, ইচ্ছা করলেই গাড়ি বন্ধ রাখছে, ওদের পেশীশক্তি প্রদর্শনের মত্ততায় সাধারন ছাত্ররা বিরক্ত হলেও প্রতিবাদী হতে পারে না, সাধারন মানুষের মতোই কখনই ফোঁস করে উঠে না, বরং আপোষ করতে থাকে ক্রমাগত।
এবং শঙ্কিত পরিজন ব্যাকুল হয়ে থাকে দুরে,
( বিশাল সমস্যা হইতেছে লিখতে, পড়ে লিখবো )
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪
শুভ বলেছেন: এ
শুভ বলেছেন: এ ২. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
অতিথি বলেছেন: দু:খ হচ্ছে আপনার জন্য রাসেল সাহেব। দেখলেন এক মহিলাকে হিজাব পড়তে, তাও মাথায় টাক।
আমার সবচেয়ে প্রিয় বান্ধবীর বাবা ঘাদানীর। সে হিজাব পড়ে, নিজে বুঝে শুনে, মা হিজাবের কাছ দিয়েও যায় না। বাবা মার সাথে প্রথম প্রথম অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছে, কারন... (আপনার জানা উচিত)
অতিথি বলেছেন: দু:খ হচ্ছে আপনার জন্য রাসেল সাহেব। দেখলেন এক মহিলাকে হিজাব পড়তে, তাও মাথায় টাক। আমার সবচেয়ে প্রিয় বান্ধবীর বাবা ঘাদানীর। সে হিজাব পড়ে, নিজে বুঝে শুনে, মা হিজাবের কাছ দিয়েও যায় না। বাবা মার সাথে প্রথম প্রথম অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছে, কারন... (আপনার জানা উচিত)
৩. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
অতিথি বলেছেন: বুঝলাম না... রাসেল হিজাবের পিছু নিয়েছে কেনো...? কোন অতীত সুখস্মৃতি...? উহু... ব্যাটায় বহুত ফাজিল...
হিজাবের মহত্ব এত লম্বা... ? তারপরও শেষ করতে পারে নাই... লেখার জটিলতার কারনে... রাসেল পদ্যগুলো তোমার ভালাইতো ছিল... হঠাৎ ঈশ্বরচন্দ্রের লিষ্টি ধরাইয়া দিতাছো ক্যালা... ?
তোমার অবগতির জন্য কইতাছি... চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী... দুই জায়গাই আমি ভালো চিনি... অন্তত এটা বলতে পারুম... প্রথম জায়গার মহিলারা বোরখা পরিধান করেন... হিজাব ঐ অঞ্চলে অতটা জনপ্রিয় নয়...
হিজাব পড়লেই যে মানুষ ভেজাইল্যা হয় তোমার মুখে প্রথম শুনলাম। তোমাকে তুমি বলতে আমার বাঁধতাছে না... বয়স তোমার যতই হোক.. চিন্তায় চেতনায় তোমাকে আমার সম বয়সী মনে অইতাছে... যাউকগা... যা বলছিলাম... হিজাবের কথা... হাসিমুখ ভাই কোন একটা পোষ্টে কমেন্ট করেছেন... যে যে সব মহিলারা হিজাব পরিধান করে... তারা সেটাকে নারীদের সম্মানতার প্রতীক মনে করে... বাকী যারা হিজাব পড়েন না... তাদেরকে তারা অপমানিত করছে... বুঝলাম না তিনি কোন অর্থে কথাগুলো বলেছেন... আমার কথা হচ্ছে... তিনি কি টানবাজার, ইংলিশ রোড, চন্দ্রিমার প্রাক্তন ফ্যাশন ডিজাইনারদের পোষাকের প্রস্তাব করবেন নাতে?
এখানেতো কেউ বলছে না... যে, সবার হিজাব পড়া বাধ্যতামূলক করা হোক। অন্তত বাংলাদেশে এটা নিয়ে তেমন উচ্চ বাচ্য নাই... তবে, কেন এই ব্লগে এই ক্যানসার...? কেউ কি বলেছে... হিজাব পড়তেই হবে।
অতিথি বলেছেন: বুঝলাম না... রাসেল হিজাবের পিছু নিয়েছে কেনো...? কোন অতীত সুখস্মৃতি...? উহু... ব্যাটায় বহুত ফাজিল...হিজাবের মহত্ব এত লম্বা... ? তারপরও শেষ করতে পারে নাই... লেখার জটিলতার কারনে... রাসেল পদ্যগুলো তোমার ভালাইতো ছিল... হঠাৎ ঈশ্বরচন্দ্রের লিষ্টি ধরাইয়া দিতাছো ক্যালা... ?
তোমার অবগতির জন্য কইতাছি... চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী... দুই জায়গাই আমি ভালো চিনি... অন্তত এটা বলতে পারুম... প্রথম জায়গার মহিলারা বোরখা পরিধান করেন... হিজাব ঐ অঞ্চলে অতটা জনপ্রিয় নয়...
হিজাব পড়লেই যে মানুষ ভেজাইল্যা হয় তোমার মুখে প্রথম শুনলাম। তোমাকে তুমি বলতে আমার বাঁধতাছে না... বয়স তোমার যতই হোক.. চিন্তায় চেতনায় তোমাকে আমার সম বয়সী মনে অইতাছে... যাউকগা... যা বলছিলাম... হিজাবের কথা... হাসিমুখ ভাই কোন একটা পোষ্টে কমেন্ট করেছেন... যে যে সব মহিলারা হিজাব পরিধান করে... তারা সেটাকে নারীদের সম্মানতার প্রতীক মনে করে... বাকী যারা হিজাব পড়েন না... তাদেরকে তারা অপমানিত করছে... বুঝলাম না তিনি কোন অর্থে কথাগুলো বলেছেন... আমার কথা হচ্ছে... তিনি কি টানবাজার, ইংলিশ রোড, চন্দ্রিমার প্রাক্তন ফ্যাশন ডিজাইনারদের পোষাকের প্রস্তাব করবেন নাতে?
এখানেতো কেউ বলছে না... যে, সবার হিজাব পড়া বাধ্যতামূলক করা হোক। অন্তত বাংলাদেশে এটা নিয়ে তেমন উচ্চ বাচ্য নাই... তবে, কেন এই ব্লগে এই ক্যানসার...? কেউ কি বলেছে... হিজাব পড়তেই হবে।
৪. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
অতিথি বলেছেন: তেলাপোকা সাহেব, আপনি রাজশাহী চিনেন ভালো কথা, আপনার জ্ঞান অনেক বেশী তাও বুঝলাম কিন্তু হিজাব গিয়া আপনের কোথায় গুতা দিলো? রাজশাহী আপনে চিনেন এটা অতীব আনন্দের সংবাদ, ঐ খানে যারা হিজাব পড়ে ঘুরে সেই সব মেয়ের বাবারা জামাত করে কি না এইটার খোঁজ লাগান কষ্ট কইরা, আর আপনে আমাকে আব্বা কইলেও কিছু যায় আসে না, কইলাম না আপনের জন্য আমি লিখতেছি না, আপনের জন্য লিখলে সস্তা সস্তা প্রেমের কাহিনী লিখতাম, একটু আদিরস মাখায়া, একটু ব্যাকুলতা মাখাইয়া, অনেক মেয়ের সাথে ইহকালিয় ফস্টিনস্টির সুযোগ রাখতাম নায়কের জীিবনে যেনো আমপান মনস্তত্ত্বের সাথে যায়, সেইটা করার সুযোগ পাইলে সস্তা প্রেমের হাহাকার লিখুম নে পরে, আপনে গিয়া বাল ছিড়ে আতি বান্ধেন।
know your limit and limitation,
অতিথি বলেছেন: তেলাপোকা সাহেব, আপনি রাজশাহী চিনেন ভালো কথা, আপনার জ্ঞান অনেক বেশী তাও বুঝলাম কিন্তু হিজাব গিয়া আপনের কোথায় গুতা দিলো? রাজশাহী আপনে চিনেন এটা অতীব আনন্দের সংবাদ, ঐ খানে যারা হিজাব পড়ে ঘুরে সেই সব মেয়ের বাবারা জামাত করে কি না এইটার খোঁজ লাগান কষ্ট কইরা, আর আপনে আমাকে আব্বা কইলেও কিছু যায় আসে না, কইলাম না আপনের জন্য আমি লিখতেছি না, আপনের জন্য লিখলে সস্তা সস্তা প্রেমের কাহিনী লিখতাম, একটু আদিরস মাখায়া, একটু ব্যাকুলতা মাখাইয়া, অনেক মেয়ের সাথে ইহকালিয় ফস্টিনস্টির সুযোগ রাখতাম নায়কের জীিবনে যেনো আমপান মনস্তত্ত্বের সাথে যায়, সেইটা করার সুযোগ পাইলে সস্তা প্রেমের হাহাকার লিখুম নে পরে, আপনে গিয়া বাল ছিড়ে আতি বান্ধেন।know your limit and limitation,
৫. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
অতিথি বলেছেন: তোমাদের সমস্যাটা বুঝলাম না আস্ত খাস্তা মেয়ে, তোমার পাছায় মরিচ লাগাই নি আমি, অযথা চাটতে এলে কেনো? তোমার চাটার জন্য আমি লিখছি না, আর আমার গল্পের চরিত্র কি বিশ্বাস করবে এবং কি বলবে এটা তোমার মর্জি মতো চলবে কেনো? যাও **য়া মুড়ি খাও।
অতিথি বলেছেন: তোমাদের সমস্যাটা বুঝলাম না আস্ত খাস্তা মেয়ে, তোমার পাছায় মরিচ লাগাই নি আমি, অযথা চাটতে এলে কেনো? তোমার চাটার জন্য আমি লিখছি না, আর আমার গল্পের চরিত্র কি বিশ্বাস করবে এবং কি বলবে এটা তোমার মর্জি মতো চলবে কেনো? যাও **য়া মুড়ি খাও। ৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১২:০৪
অতিথি বলেছেন: শুভ ভাই, লন আমি আর আপনি উক্ত স্যারের সাথে গলা মিলাইয়া আন্দোলনে নাইমা পড়ি, "সকল পুরুষ বোরখা পরিধান করুন, ইজ্জ্বত বাঁচান".... তাইলে যদি খানিক শীতল এপি শরবতের পরশ পাওন যায়, যা দিনকাল পড়ছে।
অতিথি বলেছেন: শুভ ভাই, লন আমি আর আপনি উক্ত স্যারের সাথে গলা মিলাইয়া আন্দোলনে নাইমা পড়ি, "সকল পুরুষ বোরখা পরিধান করুন, ইজ্জ্বত বাঁচান".... তাইলে যদি খানিক শীতল এপি শরবতের পরশ পাওন যায়, যা দিনকাল পড়ছে। ৭. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৩:০৪
অতিথি বলেছেন: তেলাপোকা, আস্ত মেয়ে তার এক মন্তব্যে বলেছে হিজাব পড়লে সম্ভ্রান্ত লাগে, সে কিন্তু বলে নাই এটা তার ব্যাক্তগত ভাষ্য শুধু, সে একটা সাধারনকৃত মন্তব্য করেছে।আমি এর উত্তর ও দিয়েছিলাম।সে তো তা বলতে পারে না। বাকি রা হাটে মাঠের মানুষ(তোমার এই মন্তব্যে তো মনে হেেচ্ছ আরও বজে জায়গার!!!) এটা সে জানল কি করে?তার মতবাদ বড় বলে(তার নিজের কাছে)অন্যকে তো সে ছোট করতে পারে না।
রাসেল যা বলেছে সে ঠিক বলে নাই। আস্তমেয়ে (তোমার নেংটা কালের বান্ধবী)যা বলেছে তা কি ঠিক?তখন তোমার এই প্রতিবাদ কোথায় ছিল?? বান্ধবী বলে?!!!!
আমার ধরনা তোমার আরও অনেক বান্ধবী আছে যারা হিজাব পড়ে না, তারা কি? কোথায় তাদের বাস?তারা কি পড়ে থাকে একটু জানাও।
অতিথি বলেছেন: তেলাপোকা, আস্ত মেয়ে তার এক মন্তব্যে বলেছে হিজাব পড়লে সম্ভ্রান্ত লাগে, সে কিন্তু বলে নাই এটা তার ব্যাক্তগত ভাষ্য শুধু, সে একটা সাধারনকৃত মন্তব্য করেছে।আমি এর উত্তর ও দিয়েছিলাম।সে তো তা বলতে পারে না। বাকি রা হাটে মাঠের মানুষ(তোমার এই মন্তব্যে তো মনে হেেচ্ছ আরও বজে জায়গার!!!) এটা সে জানল কি করে?তার মতবাদ বড় বলে(তার নিজের কাছে)অন্যকে তো সে ছোট করতে পারে না।রাসেল যা বলেছে সে ঠিক বলে নাই। আস্তমেয়ে (তোমার নেংটা কালের বান্ধবী)যা বলেছে তা কি ঠিক?তখন তোমার এই প্রতিবাদ কোথায় ছিল?? বান্ধবী বলে?!!!!
আমার ধরনা তোমার আরও অনেক বান্ধবী আছে যারা হিজাব পড়ে না, তারা কি? কোথায় তাদের বাস?তারা কি পড়ে থাকে একটু জানাও।
৮. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: রাসেল...
তুই আমার বাপ হইতে যাবি ক্যালা... তোর বাপ দু-চারটা বলে আমারও যে থাকতে হবে এমনতো কথা না।
তোমাদের যা কালচার... আটি বাঁধার অভ্যেস তো থাকবেই... মাওলানরা নাকি আত্মহত্যা করার জন্য আ-কাটা বা...? রাইখা দেয়... তোরও নিশ্চয় আছে... সেটা এখানে প্রকাশ না করলেওতো হইতো।
আমার লিমিটেশন আমি জানি। তোদেরটা তোরা জান।
সস্তা দরের প্রেম কাহিনী লেখারও একটা যোগ্যতা লাগে। নিজ পরিবার থেকে যে কালচার/ আদব কায়দা/ কথা বলার শালীনতা দেখে বড় হইছ... সেগুলো দিয়া অন্তত চটি বই লেখা চলে... প্রেম কাহিনী নয়।
স্বরহীন,
আস্তমেয়ে আমার বান্ধবী কিংবা ন্যাংটা কালের বন্ধুবলে নয়... একটা স্বাভাবিক বিচার বুদ্ধি দিয়ে উপলব্ধি করছি... আস্তমেয়ের কল্যানে...হিজাব বিরোধী আন্দোলন কইরা আপনারা হুদা হুদাই নিজেদের সময় অপচয় করতাছেন.... ব্লগবগানি ছাড়া এর কোনো পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া পাবেন না।
অতিথি বলেছেন: রাসেল...তুই আমার বাপ হইতে যাবি ক্যালা... তোর বাপ দু-চারটা বলে আমারও যে থাকতে হবে এমনতো কথা না।
তোমাদের যা কালচার... আটি বাঁধার অভ্যেস তো থাকবেই... মাওলানরা নাকি আত্মহত্যা করার জন্য আ-কাটা বা...? রাইখা দেয়... তোরও নিশ্চয় আছে... সেটা এখানে প্রকাশ না করলেওতো হইতো।
আমার লিমিটেশন আমি জানি। তোদেরটা তোরা জান।
সস্তা দরের প্রেম কাহিনী লেখারও একটা যোগ্যতা লাগে। নিজ পরিবার থেকে যে কালচার/ আদব কায়দা/ কথা বলার শালীনতা দেখে বড় হইছ... সেগুলো দিয়া অন্তত চটি বই লেখা চলে... প্রেম কাহিনী নয়।
স্বরহীন,
আস্তমেয়ে আমার বান্ধবী কিংবা ন্যাংটা কালের বন্ধুবলে নয়... একটা স্বাভাবিক বিচার বুদ্ধি দিয়ে উপলব্ধি করছি... আস্তমেয়ের কল্যানে...হিজাব বিরোধী আন্দোলন কইরা আপনারা হুদা হুদাই নিজেদের সময় অপচয় করতাছেন.... ব্লগবগানি ছাড়া এর কোনো পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া পাবেন না।
৯. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৫:০৪
অতিথি বলেছেন: হিজাব বা পর্দার কথা ব্লগে কি করে আসলো তা তুমি জান। তুমি নিয়ামিত পাঠক।এটা নিয়ে বিতর্ক চলছে, সে সময় সেই মেয়ে এসে তাদের সাথে সামিল হয়। তাকে কেউ টেনে আনে নি, বা তার জন্য এই আলোচনা শুরু হয় নি। অন্য কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না, সবাই মেনে নিয়েছে যে যার যেটা ভাল লাগে করবে, পড়বে।কিন্তু আস্ত মেয়ের মাথা থেকে এটা যায় নাই, সে জানে না, কোথায় তর্কের বিরতি দিতে হয়, কোথায় আর মন্তব্য করতে হয় না।সে তার মত প্রতিসঠার ব্যপারে বদ্ধপরিকর। কিছু টা ঘার তেরা ও বলা যায়।এখানে যা হাচ্ছে সব টাই সময় অপচয়। আর এই কথাটা মেয়ে কে বল্লে ভাল হয়।
তার কথায় কেউ কিছু করবে না। এখানে যারা লিখে বা পড়ে, তারা লিখতে পড়তে জানে, ন্যূনতম একটা শিক্ষাগত যুগ্যতা তাদের আছে।
স্বাভাবিক বিচার বুদ্ধিটা বন্ধুর জন্য ও একটু ব্যায় কর।
আর তুমার সব বান্ধবীরা ো হিজাব পড়ে মনে হয়।
তোমার লিখয়,(নেংটা কালের বান্ধবী )হবে, বন্ধুনা।
১০. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: হিজাব বা পর্দার কথা ব্লগে কি করে আসলো তা তুমি জান। তুমি নিয়ামিত পাঠক।এটা নিয়ে বিতর্ক চলছে, সে সময় সেই মেয়ে এসে তাদের সাথে সামিল হয়। তাকে কেউ টেনে আনে নি, বা তার জন্য এই আলোচনা শুরু হয় নি। অন্য কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না, সবাই মেনে নিয়েছে যে যার যেটা ভাল লাগে করবে, পড়বে।কিন্তু আস্ত মেয়ের মাথা থেকে এটা যায় নাই, সে জানে না, কোথায় তর্কের বিরতি দিতে হয়, কোথায় আর মন্তব্য করতে হয় না।সে তার মত প্রতিসঠার ব্যপারে বদ্ধপরিকর। কিছু টা ঘার তেরা ও বলা যায়।এখানে যা হাচ্ছে সব টাই সময় অপচয়। আর এই কথাটা মেয়ে কে বল্লে ভাল হয়। তার কথায় কেউ কিছু করবে না। এখানে যারা লিখে বা পড়ে, তারা লিখতে পড়তে জানে, ন্যূনতম একটা শিক্ষাগত যুগ্যতা তাদের আছে।
স্বাভাবিক বিচার বুদ্ধিটা বন্ধুর জন্য ও একটু ব্যায় কর।
আর তুমার সব বান্ধবীরা ো হিজাব পড়ে মনে হয়।
তোমার লিখয়,(নেংটা কালের বান্ধবী )হবে, বন্ধুনা।
অতিথি বলেছেন: আমি তাকে বন্ধু নামেই সম্বোধন করি। আমার কোনো বান্ধবীই হিজাব পড়ে না। তারা 100% শালীন, এবং 100% উচ্ছ্বল।
হিজাব নিয়ে আস্তমেয়ের তর্কে কোনো অশালীন বিষয় বস্তু ছিল না। হিজাব বিরোধীদের মেক্সিমামদের মাঝে অশালীন ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে। যারা শালীনতা চর্চা করে না, তাদের হিজাব পড়া উচিৎ। অন্তত এটার জন্য পড়া উচিৎ যে, হিজাব পড়লে কিছুটা শালীনতা লাভ করা যায়।
পৃথিবীর সবচেয়ে মিষ্টি জিনিস হচ্ছে- মানুষের মুখের কথা/ ভাষা/ ব্যবহার। সেটাই এই সাইটের হিজাব বিরোধী কয়েকজন বিশিষ্ট ব্লগার ব্যতিত বাকীরা অবমাননা করছে...

