রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১০

কৌতুকসংগ্রহ

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগি অংশগ্রহন করেছে।
ঠুশ করে গুলি , প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেলো।
যথারীতি শেষ হলো।
অথচ একটা নৌকার কোনো পাত্তা নেই।
ক্যামেরা খুজতে গেলো সেই হারিয়ে যাওয়া নৌকা। গিয়ে দেখে ওটা স্টার্টিং লাইনের 2 মাইল পেছনে চ লে গেছে। ঐ নৌকায় ছিলো 2 জন বাংলাদেশী আর 2 জন জামাতে ইসলামি।

---------------------------------------


এটাও একটা প্রতিযোগিতার গল্প, তবে প্রতিযোগিতা একটু ভিন্নধর্মি, একটা সুইমিং পুলে 5 জন করে প্রতিযোগি নামবে, তাদের শরীরে কোনো কাপড় থাকবে না, এবং সুইমিং পুল পার হয়ে তাদের অন্য মাথায় যেতে হবে, শর্ত একটাই গোটা শরীর ভিজবে কিন্তু গুপ্ত স্থান ভেজানো চলবে না।

প্রতিযোগিতা শুরু হলো। কেউ সাহস করে নামছে না , একটা দল দিব্য গ্যাট গ্যাট করে নেমে গেলো। সুইমিং পুল পার হয়ে ওপাশেও পৌছে গেলো। এবং ওপাশে পৌছানোর পর দেখা গেলো তাদের গুপ্ত স্থান খটখটে শুকনা।
সবাই অবাক, সাক্ষাৎকার নেওয়া হলো,
প্রতিযোগিদের নাম
মুজাহিদি, আমিনি, মোসাদ্দিকি, আজম আর নিজামি।
কি ভাবে এ কাজ করলেন?
তাদের উত্তর এটাতো সমস্যা ছিলো না, একজনের পাছায় আরেক জন এভাবে ঢুকিয়ে পার হলাম,
সাংবাদিক অবাক? আচ্ছা আপনাদের দলনেতা কে ? বলল নিজামি।
কিন্তু নিজামির সামনে তো কেউ ছিলো না তারটা শুকনা থাকলো কিভাবে?
আরে ওরটা তো ও নিজের পিছনে ভরে বসে আছে ওটা সারক্ষন ও ভাবেই থাকে।

প্রকাশ করা হয়েছে: কৌতুক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৯ টি মন্তব্য
  • ৫৬৪ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০২
২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০২
অতিথি বলেছেন: নিজামীর পিছনে কে ছিল ? সিলিন্ডারের ক্ষেত্রফলের সমষ্টি কত ?
৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০২
অতিথি বলেছেন: হুম....একটা থিসিসের শিরেনাম হতে পারে ''ফান্ডামেন্টালিজম অ্যান্ড অ্যানাল হেরিটেজ''
৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০২
৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০২
অতিথি বলেছেন: যে সবারটা মেরে যাচ্ছে তারটা মারা কারো সাধ্য নেই। তবে শয়তানের একটা গল্প আছে, ওটা মনে করলেই হবে।

ওটার শর্টকাট ভার্সন হলো

শয়তান এক দঃ্যানীর ধ্যান ভঙ্গ করবে বলে ধনুর্ভঙ্গ পন করেছে, বিভিন্ন প্রচেষ্টার পর অবশেষে একটা নারী হিসেবে ধ্যানীর মন গলাতে সক্ষম হলো। ধ্যানী উত্তেজিত হয়ে বললো আমি ধ্যান ছাড়তে রাজি তবে পশ্চাতদেশে প্রবেশাধিকার দিতে হবে, শয়তান রাজি।
কাম শেষ হওয়ার পর শয়তান বললো যাক বাচলাম, আমি ই জিতলাম অবশেষে।
ধ্যানী বললো আমার ধয়ান ভেঙ্গেছে অনেক আগে তবে ধ্যান ভাঙার দুঃখ নেই আমি তো শয়তানের ........... মেরেছি এমন কাজ ক'জনায় পারে।
৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০২
অতিথি বলেছেন: বোধ হয় মুজাহিদি, আজম ছিলো সবার শেষে এটা নিশ্চিত।
৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০২
অতিথি বলেছেন: তো ওর পশ্চাদ্দেশ বাচল ক্যামনে ? নাকি বাচাইয়া দিলেন ? :)))))))))
৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০২
অতিথি বলেছেন: আজম কেবলা দাদার পশ্চাৎদেশ বাচার একটাই উপায় আছে। কেউ তারে ........... মারবার পারেনা বইল্যা তো ভিজতে দিতে পারেনা, তাই দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির একটা মুখে আরেকটা জায়গামতো.... একটু পরপর অঙ্গুলির অবস্থান পরিবর্তন.... এটা নিয়েও কি থিসিস হবে নাকি সুমন ভাই? ''হাউ টু পুট ফিঙ্গার ইন আজম'স অউন গোয়া উইথ ফান্ডামেন্টালিজম অ্যানাল হেরিটেজ''

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন