বাই ফিসফিস খেলা শুরু করে দিছে এ বান্দা বাদ যায় কেনো?
তবে আমি যে খেলা শুরু করবো এটার নাম ফঁ্যাসফঁ্যাস। কোনো রকম সারমেয় কেউ কেউ নয় একেবারে শাহানার বিড়ালের মতো রেগে ফঁ্যাচ করে উঠলে না পারলে এ খেলা বৃথা।
আর অন্য ফিসফাস খেলার চেয়ে এখানে নিয়ম একটু কড়া, আগে চরিত্র সূচি দেওয়া থাকবে আপনেরা যে কেউ যেকোনো চরিত্রের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে পারবেন, একটা 2টা 3টা কোনো সমস্যা নাই কিন্তু নতুন চরিত্র আমদানি করা চলবে না, বেশী চরিত্র হয়ে গেলে সামলাতে কষ্ট/
চরিত্র সূচি:
কুদ্দুস আলি: ছিঁচকে চোর
হজরত আলি : একটা জুতার দোকানের কর্মচারী
বদরূল সাহেব: সূশীল সমাজের প্রতিনিধি।
শিপন: রাগী তরূন তবে রসবোধসম্পন্ন, মুখের ভাষা খারাপ,( সূমন মাঝে মাঝে মুখফোড়রে ভাগা দইয়েন এই চরিত্র)
জয়নব: কুদ্দুস আলির জানেমান।
শ্যামলি: হজরত আলির গোপন ভালোবাসা তবে হজরত এখোনো ভাও করতে পারে নাই, মনে ছওটো খায়েশ একদিন পার্কে গিয়া শ্যামলির লগে বইয়া বাদাম খাইবো।
নিহান: বদরূল সাহেবের ছোটো কন্যা, সূন্দরি, বেপর্দা তবে বেশরম না।
জামশেদ: কেরানি , বদরূলের অফিসের।
আর বাকি চরিত্রগুলো সব ছায়ামাত্র, এদের পটভুমিতে রেখে আমাদের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আগাতে থাকবে,
জামশেদ , ঐ বেটা জামশেদ কোথায় তুই?
বদরূল সাহেবের চর্চিত গলা করূন হয়ে বাজে, দুপুরের ওয়াক্ত, এখন পর্যন্ত কোনো মককেল আসে নি, সকাল থেকে হাতের তালু চুলকাচ্ছে কিন্তু কেউ তো পদধুলি দিলো না এখানে।
ঐদইকে জোহরের ওয়াক্ত হয়ে গেলো, আল্লা নাফরমান হবে এমনও তিনি চান না, তাই জামশেদকে ডাকা যেনো ইত্যবসরে কেউ তাকে খুজলে সে যেনো ক্যান্টিনে নিয়ে তাকে চা খাওয়ায়, খেদমতগিরি করে।
জামশেদ সরকারি অফিসের টানা বারান্দার একমাথায় বসে হালকা নেভি ফিলটারে সুখ টান দইয়ে ভাবছিলো কবে এমন দিন আসবে সমুদ্্র সৈকতে বিশাল বক্ষা নারী তার নেভির গন্ধভরা ঠোটে ঠোট ছুয়ে বলবে যাহ দুষ্টু।
শালার হাড় হারামি এই বদর বেটা, একটু সুখ সুখ আমেজের মধ্যেও তার তেলাওয়াত চর্চিত কোমল গলা যাহ দুষ্টুর পরের কল্পনাতে বাধা দিলো।
তবে আমি যে খেলা শুরু করবো এটার নাম ফঁ্যাসফঁ্যাস। কোনো রকম সারমেয় কেউ কেউ নয় একেবারে শাহানার বিড়ালের মতো রেগে ফঁ্যাচ করে উঠলে না পারলে এ খেলা বৃথা।
আর অন্য ফিসফাস খেলার চেয়ে এখানে নিয়ম একটু কড়া, আগে চরিত্র সূচি দেওয়া থাকবে আপনেরা যে কেউ যেকোনো চরিত্রের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে পারবেন, একটা 2টা 3টা কোনো সমস্যা নাই কিন্তু নতুন চরিত্র আমদানি করা চলবে না, বেশী চরিত্র হয়ে গেলে সামলাতে কষ্ট/
চরিত্র সূচি:
কুদ্দুস আলি: ছিঁচকে চোর
হজরত আলি : একটা জুতার দোকানের কর্মচারী
বদরূল সাহেব: সূশীল সমাজের প্রতিনিধি।
শিপন: রাগী তরূন তবে রসবোধসম্পন্ন, মুখের ভাষা খারাপ,( সূমন মাঝে মাঝে মুখফোড়রে ভাগা দইয়েন এই চরিত্র)
জয়নব: কুদ্দুস আলির জানেমান।
শ্যামলি: হজরত আলির গোপন ভালোবাসা তবে হজরত এখোনো ভাও করতে পারে নাই, মনে ছওটো খায়েশ একদিন পার্কে গিয়া শ্যামলির লগে বইয়া বাদাম খাইবো।
নিহান: বদরূল সাহেবের ছোটো কন্যা, সূন্দরি, বেপর্দা তবে বেশরম না।
জামশেদ: কেরানি , বদরূলের অফিসের।
আর বাকি চরিত্রগুলো সব ছায়ামাত্র, এদের পটভুমিতে রেখে আমাদের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আগাতে থাকবে,
জামশেদ , ঐ বেটা জামশেদ কোথায় তুই?
বদরূল সাহেবের চর্চিত গলা করূন হয়ে বাজে, দুপুরের ওয়াক্ত, এখন পর্যন্ত কোনো মককেল আসে নি, সকাল থেকে হাতের তালু চুলকাচ্ছে কিন্তু কেউ তো পদধুলি দিলো না এখানে।
ঐদইকে জোহরের ওয়াক্ত হয়ে গেলো, আল্লা নাফরমান হবে এমনও তিনি চান না, তাই জামশেদকে ডাকা যেনো ইত্যবসরে কেউ তাকে খুজলে সে যেনো ক্যান্টিনে নিয়ে তাকে চা খাওয়ায়, খেদমতগিরি করে।
জামশেদ সরকারি অফিসের টানা বারান্দার একমাথায় বসে হালকা নেভি ফিলটারে সুখ টান দইয়ে ভাবছিলো কবে এমন দিন আসবে সমুদ্্র সৈকতে বিশাল বক্ষা নারী তার নেভির গন্ধভরা ঠোটে ঠোট ছুয়ে বলবে যাহ দুষ্টু।
শালার হাড় হারামি এই বদর বেটা, একটু সুখ সুখ আমেজের মধ্যেও তার তেলাওয়াত চর্চিত কোমল গলা যাহ দুষ্টুর পরের কল্পনাতে বাধা দিলো।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৯:০২
অতিথি বলেছেন: জামশেদ ভাই বদর মিয়া গেলো কৈ? আইজকা মককেল ধরছে নাকি শালায়।
স্যার জোহরের নামাজে গেছেন, আপনি বসেন শিপন ভাই।
জামশেদের ভালোই লাগে ছেলেটাকে, একটু গালাগালি করে ঠিক কিন্তু দিলটা সফেদ।
বদের তাড়ি বদরুল আবার ভরং করে নামাজও পড়ে শিপন ভাবে আল্লার কি বাছবিচার নাই? যেনতেন এক একটা পিস ছাইর্যা দিছে পৃথিবীতে।
বদরূল সাহেবের সাথে শিপনের পরিচয় হুট করেই। একই এলাকায় থাকে, মাঝে মাঝে বাজারে দেখা হয়, নিপাট ভালোমানুষ চেহারা, শুক্রবার সুরমা আতর শোভিত হয়ে মসজিদে যান, সেখান থেকে ফিরে মাঠের কোনা পার হয়ে গোরস্তানে যান, জিয়ারত সেরে ফিরে আসেন।
সেদিন বিকেলে বারান্দায় বসে সামনের মাঠে ছেলেদের খেলা দেখেন পাশে থাকে নিহান। মাঝে মাঝে বারান্দায় এসে হালকা হাসির প্রসাদ দিয়ে যায় এ নিয়েই কিশোর তরুনসমাজ খুশি।
সেই বদরূল সাহেবকে একদিন দেখে পার্কে, শিপন মাজার থেকে গাঁজা এনে কেবল ধরিয়েছে, হালকা কয়েক টানও দিয়েছে,
বদরূল সাহেবকে দেখা যায় হাটার ছলে এক ছেমরির দুধ চটকে দিলো। তার মতও নুরানি চেহারার একজন একাজ করতে পারে এটা বুঝে উঠতে না উঠতেই ফুঁসে উঠে ছেমরি।
ঐ মিয়া এজমালি বাগানের ফুল ভাবছেন নি, হাত দিয়া বইলেন যে, ওহন টেকা দেন, নাইলে আইজকা খবর আছে আপনের কইলাম।
ঘটনা জমে উঠেছে দেখে শিপন আরও একটু সামনে আগায়। শালার এমন মজা সব দিন হয় না।
অতিথি বলেছেন: জামশেদ ভাই বদর মিয়া গেলো কৈ? আইজকা মককেল ধরছে নাকি শালায়। স্যার জোহরের নামাজে গেছেন, আপনি বসেন শিপন ভাই।
জামশেদের ভালোই লাগে ছেলেটাকে, একটু গালাগালি করে ঠিক কিন্তু দিলটা সফেদ।
বদের তাড়ি বদরুল আবার ভরং করে নামাজও পড়ে শিপন ভাবে আল্লার কি বাছবিচার নাই? যেনতেন এক একটা পিস ছাইর্যা দিছে পৃথিবীতে।
বদরূল সাহেবের সাথে শিপনের পরিচয় হুট করেই। একই এলাকায় থাকে, মাঝে মাঝে বাজারে দেখা হয়, নিপাট ভালোমানুষ চেহারা, শুক্রবার সুরমা আতর শোভিত হয়ে মসজিদে যান, সেখান থেকে ফিরে মাঠের কোনা পার হয়ে গোরস্তানে যান, জিয়ারত সেরে ফিরে আসেন।
সেদিন বিকেলে বারান্দায় বসে সামনের মাঠে ছেলেদের খেলা দেখেন পাশে থাকে নিহান। মাঝে মাঝে বারান্দায় এসে হালকা হাসির প্রসাদ দিয়ে যায় এ নিয়েই কিশোর তরুনসমাজ খুশি।
সেই বদরূল সাহেবকে একদিন দেখে পার্কে, শিপন মাজার থেকে গাঁজা এনে কেবল ধরিয়েছে, হালকা কয়েক টানও দিয়েছে,
বদরূল সাহেবকে দেখা যায় হাটার ছলে এক ছেমরির দুধ চটকে দিলো। তার মতও নুরানি চেহারার একজন একাজ করতে পারে এটা বুঝে উঠতে না উঠতেই ফুঁসে উঠে ছেমরি।
ঐ মিয়া এজমালি বাগানের ফুল ভাবছেন নি, হাত দিয়া বইলেন যে, ওহন টেকা দেন, নাইলে আইজকা খবর আছে আপনের কইলাম।
ঘটনা জমে উঠেছে দেখে শিপন আরও একটু সামনে আগায়। শালার এমন মজা সব দিন হয় না।
৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৯:০২
অতিথি বলেছেন: ওই ব্যাটা জামশু!
উফ....আসি স্যার।
ব্যাজার মুখে হাজির হলো বদরুল সাহেবের রুমে ।
: থাক কই ? শোন আমি জোহরের নামায পড়তে যাচ্ছি, কেউ আসলে চা চু দিও।
: তাতো অবশ্যই স্যার আপনি চিনাা্ত করবেন না । মনে মনে বলে , এ হ নামায ...........তুমি চামে চিকণে কি কর আমি জানিনা ? রসভঙ্গ হবার পর থেকে মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেছে জামশদের !
বদরুল সাহেব বদনা হাতে প্রস্থান করলে হঠাৎ রঙ্গমঞ্চে শিপনের প্রবেশ ও গীত,''ও সাগর কন্যারে কাঁচাসোনার গাই''
অতিথি বলেছেন: ওই ব্যাটা জামশু!উফ....আসি স্যার।
ব্যাজার মুখে হাজির হলো বদরুল সাহেবের রুমে ।
: থাক কই ? শোন আমি জোহরের নামায পড়তে যাচ্ছি, কেউ আসলে চা চু দিও।
: তাতো অবশ্যই স্যার আপনি চিনাা্ত করবেন না । মনে মনে বলে , এ হ নামায ...........তুমি চামে চিকণে কি কর আমি জানিনা ? রসভঙ্গ হবার পর থেকে মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেছে জামশদের !
বদরুল সাহেব বদনা হাতে প্রস্থান করলে হঠাৎ রঙ্গমঞ্চে শিপনের প্রবেশ ও গীত,''ও সাগর কন্যারে কাঁচাসোনার গাই''
৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১০:০২
অতিথি বলেছেন: নউজুবিল্লা, আস্তাগফিরুল্লা.... ছি:ছি: বেটি এইগুলা কি বল? তুমি আমার মেয়ের বয়ষি। আমি কি তোমাকে ঐ ভাবে কিছু করতে পারি? একটু আগে পরদাদার কবর জিয়ারত কইরা আসলাম কিনা, তোমার বুকের দিকে তাকাইয়া মনে চইরা গেল হায় হায় আমি তো আমার পরদাদীর কবর জিয়ারত করতে ভুইলা গেছি। তাই ভাবলাম এইখানেই জিয়ারত টা সাইরা ফেলি। কিন্তু তুমি তো একটা নেক মানুষের নেক ইজ্জতের ঝালমুড়ি বানাইতাছ মা।
শিপন ভাবে, হালার কু-চক্রী মানুষ বহুত দেখছি কিন্ত এটাতো দেখি মাস্টার পিস্। দেখি এহন বাংলা সিনেমার নায়কের মতো যদি মালডারে এই ঝামেলা থাইকা বাচাইতে পারি তাইলে হয়তো হের রুপবান মার্কা মাইয়াডারে কাছ থাইকা দেখবার পারুম। মাগার হালায় যেই কাইস্টা, বাসায় দাওয়াত দিব কিনা কেডা জানে... তাও যাই দেহি কি হয়।
এই বলে শিপন আরো কাছে এগিয়ে গেলো...
অতিথি বলেছেন: নউজুবিল্লা, আস্তাগফিরুল্লা.... ছি:ছি: বেটি এইগুলা কি বল? তুমি আমার মেয়ের বয়ষি। আমি কি তোমাকে ঐ ভাবে কিছু করতে পারি? একটু আগে পরদাদার কবর জিয়ারত কইরা আসলাম কিনা, তোমার বুকের দিকে তাকাইয়া মনে চইরা গেল হায় হায় আমি তো আমার পরদাদীর কবর জিয়ারত করতে ভুইলা গেছি। তাই ভাবলাম এইখানেই জিয়ারত টা সাইরা ফেলি। কিন্তু তুমি তো একটা নেক মানুষের নেক ইজ্জতের ঝালমুড়ি বানাইতাছ মা। শিপন ভাবে, হালার কু-চক্রী মানুষ বহুত দেখছি কিন্ত এটাতো দেখি মাস্টার পিস্। দেখি এহন বাংলা সিনেমার নায়কের মতো যদি মালডারে এই ঝামেলা থাইকা বাচাইতে পারি তাইলে হয়তো হের রুপবান মার্কা মাইয়াডারে কাছ থাইকা দেখবার পারুম। মাগার হালায় যেই কাইস্টা, বাসায় দাওয়াত দিব কিনা কেডা জানে... তাও যাই দেহি কি হয়।
এই বলে শিপন আরো কাছে এগিয়ে গেলো...
৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১১:০২
অপ বাক বলেছেন: পার্কের কোনা থেকে একটা ঝাকরা চুলের ছেলে এগিয়ে আসছে দেখে বদরূল সাহেব প্রমাদ গোনেন। এসব নেশাখোর পোলাপানের কোনো বিশ্বাস নেই, এসে পয়সা চাইবে, না দিলে দু চার ঘাও বসিয়ে দিতে পারে মানীর মান সম্মান জ্ঞান নেই এদের। পাঞ্জাবির পকেট হাতরে মানিব্যাগ খুজেতে থাকেন মনোযোগি হয়ে।
পকেট থেকে চিরুনি বের হয়, কাঁপা কাঁপা হাতে রুমাল, শেষ মেশ েপটমোটা মানিব্যাগও বের হয়।
ছেলেটা একেবারে কাছে এসে দাড়িয়েছে, তিনি তাকান, ছেলেটের ঠোটের কোনে তাচ্ছিল্যের হাসি, চাচা মিয়া কিছু হইছে?
নাহ বাবা কিছু না এমনি কথা বলছিলাম।
শিপন পরিস্থিতি ভুলে হেসে উঠে, ভালোই চিড়ইয়া এটা, শালা মজা মারতেছে চামের উপর দিয়া এখন কয় না কথা কই, ভন্ড শালা।
বদরূল সাহেব মানিব্যাগ থেকে একটা নোট বের করে মেয়ের হাতে গুঁজে দিয়েই হনহন হেঁটে চলে যান।
সে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বলে এই ছেমড়ি তোর নাম কি?
কেলা, সস্তা কাপর পরছি কইয়া কি ছেমড়ি হয়্যা গেলাম নিকি? ইস্কার্ট পরলে তো গলায় সোহাগ আইন্যা কইতেন কেমন আছেন? আপনার নাম কি?
আচমকা থাবড়া খাওয়ার মতো সোজা হয়ে তাকায় শিপন মেয়েটার দিকে। সত্যি সত্যি বিষয়টা আসলেই পোশাকের। পোশাকের ভিত্তিতেই তও মানুষ বিচার করছে সে। এখন কি বলবে ভেবে পায়না, মুখের কোনো জোর করে টিকিয়ে রাখে তাচ্ছিল্লের হাসিটা, একটু ম্রিয়মান হলেও বলে বেশি কথা কইস না বেটি। নাম জিগাইছি নাম ক? এইহানে কি কামে আইছত ক?
জয়নব, থাহি গুলাম মিয়ার বস্তিতে।
আর ঐ বুইড়্যা চাচার লগে তোর আশনাই চলে নাকি?
আরে না ঐ বুইড়্যা বেটা হারামির হারামি, যাইতেছিলো পাশ দিয়া ও মা দেখি সোজা বুকে হাত দিয়া বইছে। শালার মেয়ের বয়স হইবো আমার মতোন,এত শখ থাকে যদি তো বেটায় গিয়া নিজের মাইয়ার বুকে হাত দিক গিয়া, হারামজাদা বুড়া।
শিপনের গাঁজার নেশা ফিকে হয়ে যায়।
এ কোন মেয়ে কে দেখছে ও। আর এমন অসভ্য আচরন করছে কেনো ও?
অপ বাক বলেছেন: পার্কের কোনা থেকে একটা ঝাকরা চুলের ছেলে এগিয়ে আসছে দেখে বদরূল সাহেব প্রমাদ গোনেন। এসব নেশাখোর পোলাপানের কোনো বিশ্বাস নেই, এসে পয়সা চাইবে, না দিলে দু চার ঘাও বসিয়ে দিতে পারে মানীর মান সম্মান জ্ঞান নেই এদের। পাঞ্জাবির পকেট হাতরে মানিব্যাগ খুজেতে থাকেন মনোযোগি হয়ে। পকেট থেকে চিরুনি বের হয়, কাঁপা কাঁপা হাতে রুমাল, শেষ মেশ েপটমোটা মানিব্যাগও বের হয়।
ছেলেটা একেবারে কাছে এসে দাড়িয়েছে, তিনি তাকান, ছেলেটের ঠোটের কোনে তাচ্ছিল্যের হাসি, চাচা মিয়া কিছু হইছে?
নাহ বাবা কিছু না এমনি কথা বলছিলাম।
শিপন পরিস্থিতি ভুলে হেসে উঠে, ভালোই চিড়ইয়া এটা, শালা মজা মারতেছে চামের উপর দিয়া এখন কয় না কথা কই, ভন্ড শালা।
বদরূল সাহেব মানিব্যাগ থেকে একটা নোট বের করে মেয়ের হাতে গুঁজে দিয়েই হনহন হেঁটে চলে যান।
সে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বলে এই ছেমড়ি তোর নাম কি?
কেলা, সস্তা কাপর পরছি কইয়া কি ছেমড়ি হয়্যা গেলাম নিকি? ইস্কার্ট পরলে তো গলায় সোহাগ আইন্যা কইতেন কেমন আছেন? আপনার নাম কি?
আচমকা থাবড়া খাওয়ার মতো সোজা হয়ে তাকায় শিপন মেয়েটার দিকে। সত্যি সত্যি বিষয়টা আসলেই পোশাকের। পোশাকের ভিত্তিতেই তও মানুষ বিচার করছে সে। এখন কি বলবে ভেবে পায়না, মুখের কোনো জোর করে টিকিয়ে রাখে তাচ্ছিল্লের হাসিটা, একটু ম্রিয়মান হলেও বলে বেশি কথা কইস না বেটি। নাম জিগাইছি নাম ক? এইহানে কি কামে আইছত ক?
জয়নব, থাহি গুলাম মিয়ার বস্তিতে।
আর ঐ বুইড়্যা চাচার লগে তোর আশনাই চলে নাকি?
আরে না ঐ বুইড়্যা বেটা হারামির হারামি, যাইতেছিলো পাশ দিয়া ও মা দেখি সোজা বুকে হাত দিয়া বইছে। শালার মেয়ের বয়স হইবো আমার মতোন,এত শখ থাকে যদি তো বেটায় গিয়া নিজের মাইয়ার বুকে হাত দিক গিয়া, হারামজাদা বুড়া।
শিপনের গাঁজার নেশা ফিকে হয়ে যায়।
এ কোন মেয়ে কে দেখছে ও। আর এমন অসভ্য আচরন করছে কেনো ও?
৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৩:০২
অতিথি বলেছেন: : আফনে ক্যাঠা ? কি চান ? লাগবো কিছু? বলে আঁচল সরিয়ে দেয়, শিপন ধুর ছেমড়ি বলে কেটে পড়ে ।
বদরুল সাহেবের বাসার সামনে এসে একটা সিগারেট ধরায় বদরুল । নিহানের খোমাটা এক ঝলক দেখা যায় কিনা, ছেমড়ি একবার ফুচি দিলে..পুরা...দিল ধক ধক করনে লাগা..ও মেরা জিয়ারা ডরনে...
শিপন?
বদরুল সাহেবের আওয়াজ পেয়ে তড়িঘড়ি সিগারেট ফেলে শিপন , জ্বী চাচা মিয়া ?
একটু শুনে যাও বাবা ।
খাইছে, ওর আবার মতলব কি? গেটের দিকে পা বড়াতে বাড়াতে ভাবে শিপন ।
অতিথি বলেছেন: : আফনে ক্যাঠা ? কি চান ? লাগবো কিছু? বলে আঁচল সরিয়ে দেয়, শিপন ধুর ছেমড়ি বলে কেটে পড়ে ।বদরুল সাহেবের বাসার সামনে এসে একটা সিগারেট ধরায় বদরুল । নিহানের খোমাটা এক ঝলক দেখা যায় কিনা, ছেমড়ি একবার ফুচি দিলে..পুরা...দিল ধক ধক করনে লাগা..ও মেরা জিয়ারা ডরনে...
শিপন?
বদরুল সাহেবের আওয়াজ পেয়ে তড়িঘড়ি সিগারেট ফেলে শিপন , জ্বী চাচা মিয়া ?
একটু শুনে যাও বাবা ।
খাইছে, ওর আবার মতলব কি? গেটের দিকে পা বড়াতে বাড়াতে ভাবে শিপন ।
৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০২
অতিথি বলেছেন: আমাকে নিয়ে লিখেছেন । কিছু মনে করিনি । আরো লিখবেন ।
(যার শত্রু নাই , তার বন্দ্বু ও নাই)
অতিথি বলেছেন: আমাকে নিয়ে লিখেছেন । কিছু মনে করিনি । আরো লিখবেন । (যার শত্রু নাই , তার বন্দ্বু ও নাই)
৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৫:০২
অতিথি বলেছেন: হা হা বদরুল ভাই খুব রসিক
অতিথি বলেছেন: হা হা বদরুল ভাই খুব রসিক ৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৯:০২
অতিথি বলেছেন: কেউ ফঁ্যাস ফঁ্যাস খেলতে চায় না।
অতিথি বলেছেন: কেউ ফঁ্যাস ফঁ্যাস খেলতে চায় না। ১০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৯:০২
অতিথি বলেছেন: ভাই কাহিনি আগে বাড়ান কেউ
অতিথি বলেছেন: ভাই কাহিনি আগে বাড়ান কেউ ১১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৯:০২
অতিথি বলেছেন:
((((
অতিথি বলেছেন: ১২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১১:০২
অতিথি বলেছেন: কালর রাতে একটা জিনিষ মাথায় এলো। আমরা ক'জন মিলে একটা সম্পুর্ণ গল্প লিখলে কেমন হয়?
অতিথি বলেছেন: কালর রাতে একটা জিনিষ মাথায় এলো। আমরা ক'জন মিলে একটা সম্পুর্ণ গল্প লিখলে কেমন হয়? ১৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১১:০২
অতিথি বলেছেন: খারাপ হয় না। তবে একটা সমস্যা হবে , গল্পটা অতি সন্নাসির চাপে ব্রতভ্রষ্ট হওয়ার সমুহ সম্ভবনা। আর আরেকটা সমস্যা আমি গল্প লিখতে পারি না।
অতিথি বলেছেন: খারাপ হয় না। তবে একটা সমস্যা হবে , গল্পটা অতি সন্নাসির চাপে ব্রতভ্রষ্ট হওয়ার সমুহ সম্ভবনা। আর আরেকটা সমস্যা আমি গল্প লিখতে পারি না। ১৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৩:০২
অতিথি বলেছেন: জয়নব গুলাম মিয়ার বস্তির পথ ধরে। পার্ক থেকে বের হলে সামনে হাতেম আলি সরণি, একটু আগালে বাঁয়ে একসার টংয়ের দোকান, সেখানে বহমান ব্যাবহৃত পানির স্রোত, কাদা, কলার ছোকলা আবর্জনা আর বিড়ি সিগারেটের ভগ্নাংশ পায়ে মাড়িয়ে ছোট্ট গলি দিয়ে 20 25 হাত আগালেই মিয়ার বস্তি, বারোয়ারি কলঘর, বারোয়ারি টাট্টিঘর, নাকের সিকনি, পানের পিক, বাংলাছবির পোষ্টার অধু্যষিত যাবতিয় খুপরি ঘরের সামনে সারাবছর সঁ্যাতসঁ্যাতে। হেলেনের মা ভাবি আর তার ভাইয়ের বউয়ের মধ্যে তীব্র ঝগড়া চলছে, খানিক তাই দাড়িয়ে দাড়িয়ে শুনলো জয়নব। কাশেম তার চাচাতো বোনের মানে হেলেনের চায়ের কাপে বিস্কিট ডুবিয়ে খেয়েছিলো, এর পর চায়ের কাপ পড়ে যায়, এর পর হেলেনের মা ভাবি কাশেমের পিঠে এক ঘা বসিয়ে দেওয়ায় এবং এমন অনেক অনেক অতীত উপখ্যান জুড়ে জুড়ে ঝগড়ার আগুন তাতাতে থাকে,
জয়নব নিজের ঘরে ঢুকে,
চাটাইয়ের ঘরের বেড়ায় 10 টাকার আয়না ঝোলানো, পিছনে শাবানা-জসিমের নৃত্যরত ছবি, শাবানা ভয়ংকর ভাবে জসিমের বুকের সাথে লেপ্টে আছে, পাশে সুরা রহমান ঝোলানো, তার পাশে সস্তা পর্দা, সেখানে সূইয়ের ফোঁড়ে লেখা যাও পাখি বল তারে সে যেনো ভুলে না মোরে, সাথে গোলাপ ফুল।
কুড়িগ্রামের দিনমজুর রহমত আলির মেয়ে জয়নব এঘরে থাকে শ্যামলির সাথে, শ্যামলি এখন নেই, অবসরে বাসায় চিঠি লিখবে আজ, 8 কেলাশ পর্যন্ত পড়ছিলো এরপর বাপের শরীরটা বসে গেলো, জয়নব স্কুলছাড়া হয়ে এক বছর ঘরে বসে ছিলো, অবশেষে জহুর মামাকে ধরে ঢাকায় আসে, সেখানে বি এন পি বস্তিতে ছিলো এক বছর, এর পর জায়গা পালটে এসেছে আমিন নগরে, কাছেই একটা গারমেন্টএ কাজ নিয়েছে, ওখানেই শ্যামলির সাথে পরিচয়, সই পাতানো, একঘরে সহবাস।
কি থেকে কি হয়ে গেলো, মাঝে 2 বছর গেলো কিভাবে কিভাবে যেনো, চিন্তায় বাধা পরে, চাটাইয়ের দেয়ালে কে যেনো টোকা দেয়, জয়নব বাসা আছো?
ও কুদ্দুস ভাই আহো ভিতরে আহো।
আইজকা গারমেন্টে নাইট নাই?
নাহ আইজকা ছুটি লিছি,
তাইলে চলে রাইতে যামুনে সুফিয়ার ভালোবাসা দেখতে, ইভিনিম শোতে পরে সূরুয চাচার দোকানে খামু নে,
যাই বা নি কও?
আহারে আমার রসের নাগর, আমার ম্যালা কাম আছে আইজকা, কাপড় ধুইতে হইবো, রানতে হইবো, এর বাদে গোসল দিয়া বাসায় চিঠি লিখতে হইবো। আমার এতো রসের সময় নাই,
কুদ্দুস খোচা খোচা দাড়ি চুলকে বলে ঠিক আছে, তাইলে একটু বেশি দিও ভাত আমি রাইতে খামু নে তোমার লগে।
তয় তুমি গেলে ভালা করতা ছবিটা জব্বর হইছে, হজরত ভাইয়ে কইলো।
অতিথি বলেছেন: জয়নব গুলাম মিয়ার বস্তির পথ ধরে। পার্ক থেকে বের হলে সামনে হাতেম আলি সরণি, একটু আগালে বাঁয়ে একসার টংয়ের দোকান, সেখানে বহমান ব্যাবহৃত পানির স্রোত, কাদা, কলার ছোকলা আবর্জনা আর বিড়ি সিগারেটের ভগ্নাংশ পায়ে মাড়িয়ে ছোট্ট গলি দিয়ে 20 25 হাত আগালেই মিয়ার বস্তি, বারোয়ারি কলঘর, বারোয়ারি টাট্টিঘর, নাকের সিকনি, পানের পিক, বাংলাছবির পোষ্টার অধু্যষিত যাবতিয় খুপরি ঘরের সামনে সারাবছর সঁ্যাতসঁ্যাতে। হেলেনের মা ভাবি আর তার ভাইয়ের বউয়ের মধ্যে তীব্র ঝগড়া চলছে, খানিক তাই দাড়িয়ে দাড়িয়ে শুনলো জয়নব। কাশেম তার চাচাতো বোনের মানে হেলেনের চায়ের কাপে বিস্কিট ডুবিয়ে খেয়েছিলো, এর পর চায়ের কাপ পড়ে যায়, এর পর হেলেনের মা ভাবি কাশেমের পিঠে এক ঘা বসিয়ে দেওয়ায় এবং এমন অনেক অনেক অতীত উপখ্যান জুড়ে জুড়ে ঝগড়ার আগুন তাতাতে থাকে,জয়নব নিজের ঘরে ঢুকে,
চাটাইয়ের ঘরের বেড়ায় 10 টাকার আয়না ঝোলানো, পিছনে শাবানা-জসিমের নৃত্যরত ছবি, শাবানা ভয়ংকর ভাবে জসিমের বুকের সাথে লেপ্টে আছে, পাশে সুরা রহমান ঝোলানো, তার পাশে সস্তা পর্দা, সেখানে সূইয়ের ফোঁড়ে লেখা যাও পাখি বল তারে সে যেনো ভুলে না মোরে, সাথে গোলাপ ফুল।
কুড়িগ্রামের দিনমজুর রহমত আলির মেয়ে জয়নব এঘরে থাকে শ্যামলির সাথে, শ্যামলি এখন নেই, অবসরে বাসায় চিঠি লিখবে আজ, 8 কেলাশ পর্যন্ত পড়ছিলো এরপর বাপের শরীরটা বসে গেলো, জয়নব স্কুলছাড়া হয়ে এক বছর ঘরে বসে ছিলো, অবশেষে জহুর মামাকে ধরে ঢাকায় আসে, সেখানে বি এন পি বস্তিতে ছিলো এক বছর, এর পর জায়গা পালটে এসেছে আমিন নগরে, কাছেই একটা গারমেন্টএ কাজ নিয়েছে, ওখানেই শ্যামলির সাথে পরিচয়, সই পাতানো, একঘরে সহবাস।
কি থেকে কি হয়ে গেলো, মাঝে 2 বছর গেলো কিভাবে কিভাবে যেনো, চিন্তায় বাধা পরে, চাটাইয়ের দেয়ালে কে যেনো টোকা দেয়, জয়নব বাসা আছো?
ও কুদ্দুস ভাই আহো ভিতরে আহো।
আইজকা গারমেন্টে নাইট নাই?
নাহ আইজকা ছুটি লিছি,
তাইলে চলে রাইতে যামুনে সুফিয়ার ভালোবাসা দেখতে, ইভিনিম শোতে পরে সূরুয চাচার দোকানে খামু নে,
যাই বা নি কও?
আহারে আমার রসের নাগর, আমার ম্যালা কাম আছে আইজকা, কাপড় ধুইতে হইবো, রানতে হইবো, এর বাদে গোসল দিয়া বাসায় চিঠি লিখতে হইবো। আমার এতো রসের সময় নাই,
কুদ্দুস খোচা খোচা দাড়ি চুলকে বলে ঠিক আছে, তাইলে একটু বেশি দিও ভাত আমি রাইতে খামু নে তোমার লগে।
তয় তুমি গেলে ভালা করতা ছবিটা জব্বর হইছে, হজরত ভাইয়ে কইলো।
১৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: আছেন নাকি কেউ...কাহানিকো আগে বাড়ান....
অতিথি বলেছেন: আছেন নাকি কেউ...কাহানিকো আগে বাড়ান.... ১৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: ও দিকে শিপনকে খাতির করে ড্রয়িং রুমে বসান বদরুল সাহেব ।
:বসো বাবা । একটা ব্যাপারে সকালেই আলাপ করবো তোমার সাথে ভাবছিলাম । (একটু কাছে ঝুঁকে বল্লেন)...পাড়ায় থাকো টাকো না নাকি ? পার্কে এটু হাটাহাটি করতে যাওয়ার কায়দা নাই । বাজ মেয়েলোকে ব্ল্যাকমেইল করে । আমার একটা মান সন্মান আছে তো নাকি ? সকালে ঐ জাগায় তুমি না হইয়া অন্য কেউ হইলে , পুরা কেলেঙ্কারি হইয়া যাইতো ।
: চাচা মিয়া সব কুকামের আখঢ়া ওই বস্তি, কন তো জ্বালাইয়া দেই
: না না বাবা জ্বালাও পোড়াও দরকার নাই ..খালি চোখকান খোলা রাখলেই হবে
শিপন মনে মনে কয় চোখকান খুইল্লাই তো দেখলাম তোমার আশনাই...
: আপনে কুনো টেনসন লইয়েন না চাচা, আমার চোখকান খোলাই আছে
: হ্যা বাবা একটু দেখো ...বলতো কি মুস্কিল , ঘরে জুয়ান মেয়ে
: কেউ কিছু কইছে নাকি নিহান আফারে? টেংরি ঝুলাইয়া দিমু
: অ্যা না..সেরকম কিছু হয় নাই...খও বাবা নাস্তা খাও...শিপনের সাথে কন্যার প্রসঙ্গ আলোচনা করতে চাচ্ছেন না বদরুল সাহেব।
গরম গরম সমুচা..বাসায় বানানো ..খাস্তা চানাচুর..উৎকৃষ্ট চা গভীর মনোযোগে আহারে মনোনিবেশ করে শিপন ।
:আব্বা...
অকস্যাৎ ঝাক্কি সহকারে নিহানের প্রবেশ
: কলেজে যাই
ঝাক্কি সহকারে গমন
..কাশতে কাশতে চোখ পানি চলে আসে শিপনের ; গলায় চানাচুর ঠেকে গেছে পরিস্থিতির আকস্মিকতায়..
অতিথি বলেছেন: ও দিকে শিপনকে খাতির করে ড্রয়িং রুমে বসান বদরুল সাহেব । :বসো বাবা । একটা ব্যাপারে সকালেই আলাপ করবো তোমার সাথে ভাবছিলাম । (একটু কাছে ঝুঁকে বল্লেন)...পাড়ায় থাকো টাকো না নাকি ? পার্কে এটু হাটাহাটি করতে যাওয়ার কায়দা নাই । বাজ মেয়েলোকে ব্ল্যাকমেইল করে । আমার একটা মান সন্মান আছে তো নাকি ? সকালে ঐ জাগায় তুমি না হইয়া অন্য কেউ হইলে , পুরা কেলেঙ্কারি হইয়া যাইতো ।
: চাচা মিয়া সব কুকামের আখঢ়া ওই বস্তি, কন তো জ্বালাইয়া দেই
: না না বাবা জ্বালাও পোড়াও দরকার নাই ..খালি চোখকান খোলা রাখলেই হবে
শিপন মনে মনে কয় চোখকান খুইল্লাই তো দেখলাম তোমার আশনাই...
: আপনে কুনো টেনসন লইয়েন না চাচা, আমার চোখকান খোলাই আছে
: হ্যা বাবা একটু দেখো ...বলতো কি মুস্কিল , ঘরে জুয়ান মেয়ে
: কেউ কিছু কইছে নাকি নিহান আফারে? টেংরি ঝুলাইয়া দিমু
: অ্যা না..সেরকম কিছু হয় নাই...খও বাবা নাস্তা খাও...শিপনের সাথে কন্যার প্রসঙ্গ আলোচনা করতে চাচ্ছেন না বদরুল সাহেব।
গরম গরম সমুচা..বাসায় বানানো ..খাস্তা চানাচুর..উৎকৃষ্ট চা গভীর মনোযোগে আহারে মনোনিবেশ করে শিপন ।
:আব্বা...
অকস্যাৎ ঝাক্কি সহকারে নিহানের প্রবেশ
: কলেজে যাই
ঝাক্কি সহকারে গমন
..কাশতে কাশতে চোখ পানি চলে আসে শিপনের ; গলায় চানাচুর ঠেকে গেছে পরিস্থিতির আকস্মিকতায়..
১৭. ২৭ শে মে, ২০০৬ সকাল ১০:০৫
অতিথি বলেছেন: নাঃ আর কেউ খেলে না ...
অতিথি বলেছেন: নাঃ আর কেউ খেলে না ... 

জামশেদ সাড়া দেয় না, তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে নিহানের চেহারা। আহা, কী রূপ! কী টানা টানা চোখ, টেবো টেবো গাল, টসটসে ঠোঁট, টোল খাওয়া চিবুক, মরাল গ্রীবা ... জামশেদ আরো ভাবে, কিন্তু ব্লগারদের দুর্বলচিত্তের কথা ভেবে সেসব ভাবনা পোস্ট করা হয় না।
বদরুল সাহেব আবারও ডুকরে ওঠেন, জামশু, কোথায় গেলা, ঠসা নাকি তুমি?