আপনারা যারা নিয়মিত সংবাদপত্রসেবী তারা লক্ষ করে থাকবেন আমরা নিয়মতান্ত্রিক গাফিলতি এবং হলুদ সাংবাদিকতার জন্য আমাদের কয়েকজন সংবাদদাতাকে বরখাস্ত করেছিলাম, কিন্তু ভাঙ্গা রেডিওতে আমাদের একজন বহিস্কৃত সাংবাদিক কাজ জুটিয়েছেন এবং আমাদের সুনামের পক্ষে হানিকর সব সংবাদ পরিবেশন করছেন। আমরা এই সম্পাদকিয়তে ভাঙ্গা রেডিওর হলুদ সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা জানাই। এবং আমরা ঠিক করেছি যদি আবার এমন ঘটে তবে আমরা মানহানির মামলা করবো।
আমাদের প্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে সঠিক সংবাদটি জানচ্ছি, এমন মিথ্যা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত অপপ্রচারে আমাদের ভক্ত পাঠককূল বিভ্রান্ত হবেন না এই বিশ্বাস আমাদের আছে। তারপরও এই খবরটা আমরা এতদিন প্রকাশ করি নি সামাজিক কারনে, আজ যখন সত্য প্রকাশ করার সুবর্ন সুযোগ এলো পঠকদের সত্য জানানোর দায়টা সময়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে আমাদের।
শুভ'র উদ্দেশ্যপ্রনোদিত রিপোর্টে উল্লেখ আছে জনৈক ইরশাদের বিশেষ গুরুত্বপুর্ন একটা অঙ্গ আমাদের অফিস ঘরের দেয়ালে জং ধরা পেরেকে ঝুলানো আছে, সংবাদটা সম্পুর্ন মিথ্যা। আমরা পরিবেশ সচেতন সংবাদপত্র, আমরা পরিবেশবান্ধব জিনিষব্যাবহার করি সবসময়। ইরশাদ সাহেবের বিশিষ্ঠ অঙ্গটি আমরা কাঠের কীলকে গেঁথে ঝুলিয়েছিলাম, যে কেউ আগ্রহী হলে আমাদের অফিসঘরে এসে দেখে যেতে পারেন। আমরা এই উপলক্ষে একটা প্রদর্শনী করছি,
এবার ঘটনার নেপথ্যে যা বলা হয়েছে তা খন্ডানোর পালা। আসলে ইর্ষাকাতর হয়ে সবৈর্ব মিথ্যা রিপোর্ট করার দায়েই আমরা শুভ'কে বরখাস্ত করেছিলাম, তার সেই হলুদ সাংবাদিকতার ঝোঁক কমে নি এখনও।
ইরশাদ সাহেব অনেক দিন পর লক্ষ্য করলেন তিনি ঠিক মুসলিম হয়ে উঠতে পারেন নি, তিনি এক দিন আমাকে দুরালপনিতে এ কথা জানান, আমি আমার বিজ্ঞ পরামশ দেই, এবং অভিজ্ঞ হাজাম ব্রাত্যজন রইসকে সেখানে পাঠাই। তিনি সেখানে গিয়ে ইরশাদ সাহেবকে বলেন আপনি ঠিক কতটুকু মুসলিম হতে চান, আপনার সুন্নতে খৎনার জন্য কৎুকু অংশ কাটতে হবে, ইরশাদ বলেন গোড়া থেকে সামান্য, কিন্তু ব্রাত্যজন বুঝেন নি ঠিক গোড়া এবং আগার পার্থক্য তিনি যখন ক্ষৌরকর্ম সম্পাদন করেন তখন দেখা গেলো তিনি সম্পুর্ন জিনিষই হাওয়া করেদিয়েছেন। যাই হোক সেই খন্ডিত পুরুষত্ব আমাদের এখানে আনা হলে আমরা সেটাকে ঐসলামিক উপায়ে সাজিয়ে রাখি,
আপনার খেয়াল করলে দেখবেন, সেই বিশিষ্ঠ অঙ্গের দাড়ি আছে কিন্তু গোঁফ নেই, ইসলামি মতে গোঁফ রাখা নিষেধ, এমন কি মহান সাহাবায়ে কেরামগন তাদের গোঁফমুন্ডন করতেন, এবং একমুষ্ঠি পরিমান দাড়ি রাখতেন, আপনারা এসে দেখতে পারেন সেই খন্ডিত পুরুষাকারের গোঁফছাড়া দাড়ি, তবে একমুষ্ঠি হতে পারে নি সে দাড়ি।
পরিশেষে আবার নিন্দাজ্ঞাপন করছি ভাঙ্গা রেডিওর হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে, এহেন অপপ্রচারে আমাদের পাঠকরা আমাদের ভুলবেন না, আমাদের বস্তুনিষ্ঠ এবং বলিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য তারা আমদের সংবাদপত্র পড়েন।
আমাদের প্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে সঠিক সংবাদটি জানচ্ছি, এমন মিথ্যা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত অপপ্রচারে আমাদের ভক্ত পাঠককূল বিভ্রান্ত হবেন না এই বিশ্বাস আমাদের আছে। তারপরও এই খবরটা আমরা এতদিন প্রকাশ করি নি সামাজিক কারনে, আজ যখন সত্য প্রকাশ করার সুবর্ন সুযোগ এলো পঠকদের সত্য জানানোর দায়টা সময়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে আমাদের।
শুভ'র উদ্দেশ্যপ্রনোদিত রিপোর্টে উল্লেখ আছে জনৈক ইরশাদের বিশেষ গুরুত্বপুর্ন একটা অঙ্গ আমাদের অফিস ঘরের দেয়ালে জং ধরা পেরেকে ঝুলানো আছে, সংবাদটা সম্পুর্ন মিথ্যা। আমরা পরিবেশ সচেতন সংবাদপত্র, আমরা পরিবেশবান্ধব জিনিষব্যাবহার করি সবসময়। ইরশাদ সাহেবের বিশিষ্ঠ অঙ্গটি আমরা কাঠের কীলকে গেঁথে ঝুলিয়েছিলাম, যে কেউ আগ্রহী হলে আমাদের অফিসঘরে এসে দেখে যেতে পারেন। আমরা এই উপলক্ষে একটা প্রদর্শনী করছি,
এবার ঘটনার নেপথ্যে যা বলা হয়েছে তা খন্ডানোর পালা। আসলে ইর্ষাকাতর হয়ে সবৈর্ব মিথ্যা রিপোর্ট করার দায়েই আমরা শুভ'কে বরখাস্ত করেছিলাম, তার সেই হলুদ সাংবাদিকতার ঝোঁক কমে নি এখনও।
ইরশাদ সাহেব অনেক দিন পর লক্ষ্য করলেন তিনি ঠিক মুসলিম হয়ে উঠতে পারেন নি, তিনি এক দিন আমাকে দুরালপনিতে এ কথা জানান, আমি আমার বিজ্ঞ পরামশ দেই, এবং অভিজ্ঞ হাজাম ব্রাত্যজন রইসকে সেখানে পাঠাই। তিনি সেখানে গিয়ে ইরশাদ সাহেবকে বলেন আপনি ঠিক কতটুকু মুসলিম হতে চান, আপনার সুন্নতে খৎনার জন্য কৎুকু অংশ কাটতে হবে, ইরশাদ বলেন গোড়া থেকে সামান্য, কিন্তু ব্রাত্যজন বুঝেন নি ঠিক গোড়া এবং আগার পার্থক্য তিনি যখন ক্ষৌরকর্ম সম্পাদন করেন তখন দেখা গেলো তিনি সম্পুর্ন জিনিষই হাওয়া করেদিয়েছেন। যাই হোক সেই খন্ডিত পুরুষত্ব আমাদের এখানে আনা হলে আমরা সেটাকে ঐসলামিক উপায়ে সাজিয়ে রাখি,
আপনার খেয়াল করলে দেখবেন, সেই বিশিষ্ঠ অঙ্গের দাড়ি আছে কিন্তু গোঁফ নেই, ইসলামি মতে গোঁফ রাখা নিষেধ, এমন কি মহান সাহাবায়ে কেরামগন তাদের গোঁফমুন্ডন করতেন, এবং একমুষ্ঠি পরিমান দাড়ি রাখতেন, আপনারা এসে দেখতে পারেন সেই খন্ডিত পুরুষাকারের গোঁফছাড়া দাড়ি, তবে একমুষ্ঠি হতে পারে নি সে দাড়ি।
পরিশেষে আবার নিন্দাজ্ঞাপন করছি ভাঙ্গা রেডিওর হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে, এহেন অপপ্রচারে আমাদের পাঠকরা আমাদের ভুলবেন না, আমাদের বস্তুনিষ্ঠ এবং বলিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য তারা আমদের সংবাদপত্র পড়েন।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৭:০৩
অতিথি বলেছেন: রাসেল (.......), আপনার লেখায় একটা ভুল তথ্য আছে । খুঁজে দেখুন ।
অতিথি বলেছেন: রাসেল (.......), আপনার লেখায় একটা ভুল তথ্য আছে । খুঁজে দেখুন । ৫. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৫:০৩
অতিথি বলেছেন: রাইছু ভাইছাবেরে দাদা ডাকছিলাম বইলা ওনার নাকি অসম্মান হইছে হের লাইগা উনি আমার মন্তব্যরে নির্বংশ কইরা দিছেন। আমি অলওয়েজ 5 দিয়া যামু কইছিলাম ওনার পোষ্ট পড়ি আর না পড়ি, এইডাও দাদার পছন্দ হয় নাই।
হেসে কইছিলাম, গরীবের মনে এট্টু খায়েশ আছিলো দাদারে পাঞ্চাল ডাকোনের, ডাকিও নাই, হের আগেই আমার পোষ্ট থুক্বু মন্তব্য ভেনিশ। আমার দোষটা কি আছিল কাহা আফনেই কন। আমি গরীব, বুদ্ধিহীনজীবি বইলা....?
দু:খে ভাবছিলাম বনবাসে যাইমু, মাগার হালায় শেরউড জংলাও স্টান্ডার্ড পরিমান দূরত্বে অবস্থিত.... যাইতে পারি নাই। এইবার কি আফনেও আমার পোষ্ট মুইছা ফেলাইবেন কাহা? আমি আফনেরেও 5 দিছি.....
অতিথি বলেছেন: রাইছু ভাইছাবেরে দাদা ডাকছিলাম বইলা ওনার নাকি অসম্মান হইছে হের লাইগা উনি আমার মন্তব্যরে নির্বংশ কইরা দিছেন। আমি অলওয়েজ 5 দিয়া যামু কইছিলাম ওনার পোষ্ট পড়ি আর না পড়ি, এইডাও দাদার পছন্দ হয় নাই।হেসে কইছিলাম, গরীবের মনে এট্টু খায়েশ আছিলো দাদারে পাঞ্চাল ডাকোনের, ডাকিও নাই, হের আগেই আমার পোষ্ট থুক্বু মন্তব্য ভেনিশ। আমার দোষটা কি আছিল কাহা আফনেই কন। আমি গরীব, বুদ্ধিহীনজীবি বইলা....?
দু:খে ভাবছিলাম বনবাসে যাইমু, মাগার হালায় শেরউড জংলাও স্টান্ডার্ড পরিমান দূরত্বে অবস্থিত.... যাইতে পারি নাই। এইবার কি আফনেও আমার পোষ্ট মুইছা ফেলাইবেন কাহা? আমি আফনেরেও 5 দিছি.....

