সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

প্যারোডি

ধোপা- শুভ্রতা লন্ড্রী

কালকে ঘাটে কাপড়গুলো মেলে দিয়েছিলাম রোদে

কিন্তু হঠাৎ আকাশের মুখ ভার
আমার ড্রাই ওয়াশই ভালো ছিলো
কেনো যে ঘাটে এলাম কাপড় ধুতে, বৃষ্টি নিয়ে গেলো

আয় আয় রোদ আয়

আমার কাপড় বৃষ্টি খায়
আয় আয় রোদেলা হাওয়া
ধোপার গাধার গাজর খাওয়া
আয় আয় রোদ আয়
ধোয়া কাপড় ভিজে যায়

আমি ধোপার কাজ করি শুভ্রতা লন্ড্র ীতে

সেখানে ড্রাই ওয়াশ ও রিফু কর্ম করা হয়
কিন্তু মালিক কেপ্পন খুব তাই বিজলীর খরচ বাঁচাতে
আমাকে পাঠায় ঘাটে
বৃষ্টি বজ্জাত বদের তাড়ি
আয় রোদ নয় তোর সঙ্গে আড়ি...


ফাজিল বিলাই- ইন্দুরবধ কাব্য


সারাদিন ঘুরে ফিরে সেই বিড়ালের সাথেই দেখা হয়

বলেছিলো জীবনানন্দ একদিন কিন্তু ইন্দুরের চোখে দেখে নাই সে
এই মহাজীবন
অত্যাচারীর থাবায় কিভাবে ইন্দুর মরে
কিভাবে ফাজিল বিলাই আমি কেলী করি ধৃত ইঁদুরের রক্ত লেগে থাকে গোঁফে
অথচ ইঁদুরের গোলা ভরা সোনালী ধান
আমি তৃনভোজী হলে রামছাগলের মতো লতাপাতা জুটিয়ে নিতাম
কিন্তু সময় নির্মম তাই থাবার গোলকে অন্ধকার নিয়ে
বসে থাকে গর্তের সামনে
ইন্দুরের মাথা বের হওয়া মাত্রই ঝুপ
বেচারার ভবলীলা সাঙ্গ।

অথচ ইন্দুর আমার গলায় ঘন্টা বেঁধে

গলায় দিলে মালা বানিয়েছিলো প্রধানমন্ত্রি
কিন্তু আমার নজর ছিলো শিকার দিকে তাই
পরবর্তি ইলেকশনে আমার ভড়াডুবি
এইভাবে অত্যাচারীর অনাচারের কথা লিখে রাখে সবাই
কিন্তু আমার হৃদয় পুড়ে ইন্দুরের ব্যাথায় কাকে বলি
এই অনল সারাদিন বুকে নিয়ে চলি
ইন্দুরকে ডেকে সম্ভাষন করি যাযাকুল্লাহ খাইরুন
ইন্দুর ভয় পায়, গর্তে লুকায়
পেটে জ্বলে ক্ষুধার আগুন।

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ২ টি মন্তব্য
  • ৩৩৩ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
২. ০৯ ই জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন