সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

শালীনতার রাসেলীয় সংজ্ঞা-পছন্দ না হইলে রাস্তা মাপেন

আমি গম্ভ ীর আলোচনার পক্ষপাতি না, আমার ভালো লাগে না, একটাই জীবন একটু আনন্দ ফুর্তি করে কাটিয়ে দিবো এমনটাই আমার বাসনা। কয়দিন পর মরে গেলে সব শেষ এর পর কিছুই নাই,তাই যতক্ষন শ্বাস ততক্ষন আশায় থাকি, আনন্দের আশায়। কিছু গম্ভ ীর আলোচনা হবে সুতরাং ক্ষনিক তিষ্ট- সবুরে মেওয়া ফলে।
একদল মানুষ যাদের সৈন্দর্য বোধ নেই, যারা নিয়মিত সংস্কৃতির চর্চা করে না এবং যাদের ণত্ব ষত্ব জ্ঞান নেই শিল্প বিষয়ে-মোট কথা যারা মোটেও শিল্পমনস্ক নয় তারা শালীনতা এবং অশ্ল ীলতা নিয়ে হাঙ্গামা শুরু করেছে। কিছু তথাকথিত রামছাগল এবং চেতনায় এবং বোধে একই অবস্থানে থাকা কতিপয় সাংবাদিক( সাংবাদিকতাকে কেউ যদি গলা ফুলিয়ে সংস্কৃতিচর্চা বলতে চায় তাহলে ভুল হবে) কিছু মানদন্ড স্থাপনের ব্রত নিয়েছেন।
তারা বলছেন এখানে অশালীনতার চর্চা চলছে- কেউ কেউ রামছাগলের ঘোষনাপত্রে নিজের নাম লিপিবদ্ধ করে এসেছেন শালীনতার ধারকবাহক হিসেবে।
কথা সত্য আমি গতকাল একটা রামগাগলীর দুধের ছবি প্রকাশ করেছি ব্লগে। ছবিটা রামছাগলগোষ্টির জন্য যৌনউত্তেজক- এমন কিআমাদের জ্ঞানি সাংবাদিক সাইমুম সাহেবের জন্যও যৌনউত্তেজক, তা এই পর্নোগ্রাফিক ছবি নিজের ব্লগে তুলে দিয়ে আমি যেই অশালীন কাজটা করলাম তার বিষয়ে কিছু বলি।

মানুষ মুলত পশুপর্যায় ভুক্ত। প্রানীর শ্রেনীবিন্যাস ধরলে মেরুদন্ডি প্রানীর অংশ- তা মানুষের সমগোত্রিয় প্রাণী সকল ন্যাংটাই ঘুরাঘুরি করে, আমরা ছেলেমেয়ে নিয়ে চিড়িয়াখানায় যাই। ন্যাংটা পশুপাখী দেখি, মানুষও একটা পর্যায়ে এমন ভাবেই ঘুরতো। শুধু সভ্যতার একপর্যায়ে মানুষ অন্য পশুদের বশ মানাতে পেরেছে কিন্তুপশু সঙ্গমের আদিম আভ্যাসটা ছাড়তে পারে নাই- সেইসব মানুষ যদি পশু দেখেও কামার্ত হয়ে যায় তাহলে চিড়িয়াখানার পশুদের সতীত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য এবং তাদের শালীন করার জন্য আমরা চিড়িয়াখানায় একটা ড্রেস কোড বানাই। সকল পশুদের হাফপ্যান্ট ক্ষেত্র বিশেষে পদমর্যাদা অনুসারে কোট টাইয়ে ব্যাবস্থা করি।

কুট তর্ক হয়ে যাচ্ছে বিষয়টা মানুষের শ্রেষ্ঠত মেনেছে বলেই না ধর্ম নিয়ে হানাহানি করতে পারে মানুষ, স্বজাতি খুন করার মতো শ্রেষ্ঠত অর্জন করেছে যখন তখন মানুষের সাথে পশুর তুলনা করা ঠিক নয়।
এই খানে কতজন ব্লগার আছে যারা টিভিতে রেসলিং দেখে? ওটা কি অশালীন নয়? কিংবা কতজন গায়ের কাপড় খুলে অন্য একজনের সামনে দাঁড়াতে পারে?
একটা ছেলে যদি বুকের বোতাম খুলে ঘুরে সেটা কি অশালীন হবে? যদি তা না হয় তবে একটা মেয়ের বুকের ওড়না খুলে গেলে বা বুকের ঢাকনা খুলে গেলে কেনো সেটা অশালীন হবে? এটা মানুষের যৌনকাতরতার পরিচয়। মানুষ মেয়েদের দুধ দেখলে কামার্ত হয় এইটা মেয়েদের দোষ না, দোষটা ছেলেদের-তারা খোলা বুকে ঘুরলে সেটাকে অশালীন বলার কিছু নেই, আমি যদি এই পোষ্টের সাথে সালমান খানের ন্যাংটা বুকের ছবি দেই কেউ এইটাকে পর্নোগ্রাফিক বলতে আসবে না কিন্তু আমি যদি পামেলার বুকখোলা ছবি দি রামছাগলের দল তেড়ে আসবে সাইটটা কি পর্নোগ্রাফিরর সাইট।
এটা কি বোধের পরিচয়?
আমাদের সমস্যা আমাদের যৌনতার ধারনায়, আমাদের মাথায় যদি সারাক্ষন সঙ্গম চিন্তা ঘুরঘুর করে তাহলে নিতান্ত সাধারন ছবি দেখলেও ঈমান খাড়ায়া যাইতে পারে।
আজ থেকে 150 বছর আগেও বাংলাদেশে ব্লাউজ সেমিজ এইসবের প্রচলন হয় নাই, ঠাকুর বাড়ীর মেয়েরা ইউরোপিয়দের কাছ থেকে বক্ষবন্ধনী আর সেমিজের ধারনটা নিয়ে না আসলে এখনও বাংলাদেশের রাস্তা দিয়ে কয়েকপ্যাঁচে শাড়ী পড়া মেয়েরা যেতো। প্যান্টের প্রচলন না করলে লোকজন ধুতির কোঁচা সামলাতে সামলাতে হাটতো। বাঙ্গালির এই নৈতিক অধঃপতনের মুল শরৎ বাবু। বঙ্কিমের উপন্যাস পড়ার পর ঠাকুর সাহেব এবং শরৎএর উপন্যাসের প্রভাবে বাঙ্গালি মনস্তত্ব গঠিত হয়েছে, আশ্চর্য হলো বঙ্কিমের সমাজচেতনা বা মানসিকতা ধারন করে নি কেউ বঙ্কিমের চেতনা সামপ্রদায়িক বলে বিবেচিত হলো আর রবি বাবু শরৎএর সমাজচেতনা বাঙালি মধ্যবিত্তের সামাজিক চেতনার মূল হয়ে গেলো। তাই ঠাকুর বাড়ীর মেয়েদের দেখানো প্রাথা অনুসারে আমাদের দেশের পোশাকে একটা বিশাল পরিবর্তন আসলো। আমরা ব্লাউজ, পেটিকোটের আইডিয়া দিয়ে দেখতে পেলাম মেয়েদের। আর অর্ধেক খোলা কোমড় দেখে লকলকের যৌনতার জিহবায় নারীদেহ চাটার প্রবনতা শুরু হয়ে গেলো। একই ধারায় আসলো খোলাবুক দেখে যৌন কামনার সমস্যা। আদিম সমাজে লোকজন খোলা বুকে ঘুরছে, তাদের কারোই কোনো সমস্যা নেই, যৌন বিকার নেই প্রকট ভাবে- যত সমস্যা এইসব তথাকথিত রামছাগলের দলের। তাদের মেয়েদের ওড়না খুলে গেলে, উঠে গেলে, শাড়ীর ভাঁজে পেট নাভী দেখা গেলেই শুরু হয়ে যায়, যারা সংযত রাখতেপ ারে তারা রাস্তাদিয়ে হাটে আর যারা পারে না তারা ঘরে ফিরে হাত মারে। যদি বৌ থাকে সারাদিনের যত কামনা সব বৌয়ের উপর দিয়ে পুরন করে। অবশ্য আমাদের সাইমুম ভাইয়ের কথা আলাদা তিনি কোরবানীর হাটে গিয়েও কামার্ত ফিরে আসেন।
শ্ল ীলতার সংজ্ঞা কেউ দিচ্ছে না,, তারা কিছু বৈশিষ্ঠ আরোপ করেছেন এই ধারনার উপরে- ন্যাংটা মুর্তি মাত্রই অশ্ল ীল। কিন্তু সেটা মেয়েদের হতে হবে, পুরুষের খোলা বুক অশালীন নয়, মেয়েদের ভেতরেই যত অশ্ল ীলতা। কেনো বাপু, মেয়েরা কি পুরুষের খোলা বুক দেখে কামার্ত হতে পারে না। এই যে এত এত বাঙালি কিশোরীর ঘরে কোনো মতে প্যান্ট পড়ে থাকা সালমান খানের ছবি ঝুলছে ওটা দেখে কেউ তো অশালীনতা বলছে না। হিন্দি ছবিতে অহরহ নাভী দেখা যাচ্ছে কোমড় দেখা যাচ্ছে, যৌনউত্তেজক নাচ দেখা যাচ্ছে ওসব ড্রইংরুমে সবাই মিলে দেখছে- ভেজা শাড়ী দেখা যাচ্ছে এসবে কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু যদি কোনো মা তার বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে এই দৃশ্য দেখানো হয় সেটা অশ্ল ীল হয়ে যাবে, কারনটা দুধ দেখা গেলো। এই প্রকাশ্য আর অপ্রকাশ্যের দন্দ্ব নিয়ে সবাই টয়লেটে গিয়ে যৌনকামনা নিবৃত করার চেষ্টা করছে।
আমার কাছে এসব কোনো অর্থ বহন করছে না। বিষয়টা সৈন্দর্যের। যদি সুন্দর হয় তাহলে কাপড় পড়ে থাকলেই বা কি আর না পড়ে থাকলেই বা কি?
উপস্থাপনের ভঙ্গিটাই নির্ণয় করে দেয় কোনটা শ্ল ীল কোনটা অশ্ল ীল। এই জায়গাটা থেকে আমি দেখি।
সত্য মিথ্যার চেয়ে বড় বিচার হলো ন্যায়ের। এবং এই ন্যায়বোধ, নীতিবোধ মানুষের নিজস্ব নির্মান, সেখানেই আমরা এই সব সংজ্ঞা নির্ধারন করি। আমার কাছে যেকোনো অন্যায়কে অশ্ল ীল মনে হয়, এটা আমার বোধের জায়গা, এই খানে কাপড়ের পরিমান নিয়েআমি চিন্তিত না।
যাই হোক একটা কাঁচা কবিতা দিয়ে শেষ করি, এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তাও 1 যুগ হয়ে গেলো। মানে এক যুগ আগের কবিতা দিলাম আর কি-

যখন কেউ বাঁচার তাগিদে পন্য হিসেবে তুলে ধরে নিজের শরীর

সে দায় কি সমাজের নয়?
সেটা কি অশ্ল ীল?

যখন কেউ ক্রামগত বঞ্চিত হতে হতে

অন্যায়কে রূখে দেয় অন্যায় পথে
যখন আমরা বিবেকের তাড়নায় নগ্ন ভাবে প্রকাশ করে ফেলি সত্যকে
সেটা কি অশ্ল ীল?

যখন রাজ্যজয়ের পাশাখেলায় সত্যবাদী যুধিষ্টির

বাজী হিসেবরে রাখে দৌপ্রদীর শরীর
সেটা কি অশ্ল ীলতা ছিলো না?
যখন কেউ অন্ধকার গলিতে অস্ত্রের জোড়ে
অস্ত্রহীনের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়
যখন এই ঘুনে ধরা সমাজ
স্বাভাবিকতার টুটি চেপে ধরে
যখন ক্ষমতার লড়াইয়ে
ভুক্তভোগী হয় জনগন
সেটা কি অশ্ল ীল হয়ে উঠে না?
যখন আমরা কঠোর বাস্তবতায়
বিচার করি সত্যকে শ্ল ীলতা তার রূপ বদলায়
সৈন্দর্যই শ্ল ীলতা তাই প্রকাশের গুনে
পবিত্র হয়ে উঠে কখনও নগ্নতা
বারো হাত কাপড়ের ফুটে থাকে যৌনতা।


প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৪৩ টি মন্তব্য
  • ১৫৮৮ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ২:০৬
হযবরল বলেছেন: যাক একটা লিখা বের করে আনলাম।
আমার দেখা পৃথিবীর সবচেয়ে অসভ্য, জঘন্য জিনিস হচ্ছে রেসলিং। এটা নিয়ে লিখব চিন্তা করতে করতে ল্যাবে আসছিলাম। একটা মানুষ আরেকটাকে পশুর মত খুন করার চেষ্টা করে সেটা হচ্ছে বিনোদন। রেসলিং এর নায়ক স্টার। ওরা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কে ব্যান করবে না। উনি তো খিস্তি ছাড়া কথা বলে ন না ।
শরৎ তো এর নায়িকারা অবলা, সরলা, র্নিমলা, প্যাসিভ নাম বাদে হয় না।
আসুন র্বানাড শ কে আবার স্মরণ করি , '' ম্যারেজ ইস এ লিগালাইজড প্রস্টিটিউশন " ।
২. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ২:০৬
অতিথি বলেছেন: রাসেল(.......)
মূর্খদের সুবিধা হলো তারা খুব কম কম জেনে বা না জেনেই অন্যদের শিখানোর সাহ স করতে পারে ।
আমাদের ছোটো বেলায় মা, খালা, নানীদের বোরকা পড়তে দেখিনি...। হিজাব তো দূরের কথা । এখন তো বুক উঠার আগেই মেয়েদের বোরকা । বাংলাদেশ আগের চেয়ে শালীন হয়েছে তো?
অতো যে ঢেকে রাখা, অতো যে শালীনতা তবু বাংলাদেশ,পাকিস্তানের মতো দেশগুলোতেই কেনো এতো ধর্ষন?
বাংলাদেশে 3 বছরের শিশু ও ধর্ষনের শিকার হয় হয় আর পশ্চিমে ন ণ্ন হয়ে ঘুরে বেড়ালে ও কোনো প্রকাশ্য মন্তব্যের ও শিকার হয়না ।
তথাকথিত শালীনতার মূল্য বড় বেশি আর একতরফা ।
৩. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ২:০৬
হুমমম... বলেছেন: রাসেল বাহে এক কাম করেন। আদিম সমাজে চইল্যা যান। ঐখানে তো মাইয়ারা কিছুই পড়ে না। অনেক সেীন্দর্য দেখতে পাইবেন। =)
আমরা ভাই আধুনিক সময়ের মানুষ। সামনের দিকে এগিয়ে যাইতে চাই। আদিম সমাজের মত জামাকাপড় ছাড়া চলতে হইলে তো পেছনের দিকে যাইতে হইবো বাহে। আপনে বরং আফ্রিকা যান গিয়া। ঐখানে জামাকাপড় ছাড়াই এখনো মানুষজন চলাফেরা করে হুনছিলাম। গিয়া ইচ্ছা মত সৌন্দর্য দেখেন। আমাগোরে লইয়া টানা টানি করেন কেলা?
৪. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ৩:০৬
৫. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ৩:০৬
হুমমম... বলেছেন: পশ্চিমে ধর্ষন হয় না? মোরশেদ ভাই পশ্চিমে কি হয় কন তো? আমি হুনছিলাম ঐখানে মাইয়া একলা বাপের লগে দেখা করবার যাইতে ভয় পায় পাছে বাপ মাইয়ারে ধর্ষন করে। আর মন্তব্য করনের দরকার কি, যেখানে মাইয়া একটা চাইলেই দশটা পাওয়া যায়। বাংলাদেশেও এরকম চালু করবার চান নাকি? চালু অবশ্য হইয়া গেছে। আমার বন্ধুগরে দেহি ফ্লাটে ফ্লাটে কি সুন্দর রাসেল সাহেবের মত সৌন্দর্য উপভোগ করে। মাইয়ারা স্বাধীন হইতাছে। স্বাধীন হইয়া সব সৌন্দর্য রাসেল সাহেবগোরে দেখায়া দিতাছে। নারী জাতি আরো স্বাধীন হোক। রাসেল সাহেবরা অপেক্ষায় আছে কবে এই দেশে মাইয়ারা খালি গায়ে বাইর হইবো। ফ্লাটে নিয়া একটা দুইটার সৌন্দর্য দেইখ্যা যে পিয়াস মিটে না।
৬. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: মোরশেদ ভাই বাংলা বুঝতে হইলেও যেই নু্যনতম যোগ্যতা লাগে ইংরেজি মিডিয়ামে পড়া রামছাগলদের তা নেই। একটা কথা আছে- তুমি যেমন বন্ধুর সাথে ঘোরাফেরা করো সেটাই তোমার সংস্কৃতির পরিচয়- রামছাগলের সাথে ঘোরাঘুরি করা মানুষের চেতনার স্তর সেই রকমই হবে- এদের বুঝায়া লাভ আছে- সমস্ত আলোচনা থেইক্যা একটা বিষয়ই বাহির করছে মাইয়াগো বুক খুলতে কইছি- পোলাদের বুক খুলতে মানা করছি এইটা পিক করতেপ ারে নাই।
৭. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ৩:০৬
হযবরল বলেছেন: যা হোক হলিউডের ফিল্ম দেখে পাশ্চাত্যের কথা বললে তো আর হয় না।
আমি হের লাইগা কইলাম বুঝানোর দরকার নাই, এই ব্লগ 18 প্লাস , আপন ইচ্ছায় ঢুকিবেন । ওরা টিন থেকে দুধ খায় , কেমনে জানবে গরু দুধ দে। গরু দোয়াচ্ছে দেখলে হয়তো বলবে অশ্লীল। গরুকে বক্ষ বন্ধনী পরাও।
৯. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
১১. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
সাইফ ভুইয়া বলেছেন: রাসেল তোমার লেখাটি বেঈমান আর নাস্তিকদের খুব কজে লাগবে। অন্তত তোমার মত আদিম যুগের সভ্যতায় যারা বিশ্বাস করে.........
১২. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
শমিত বলেছেন: আরেক টা বিষয় নিয়েও পোস্টাতে পারো! এই যে কি সহজে ক্যাবলা পাবলিক পর্নোগ্রাফি , এরোটিকা , অ্যানার্কি আর ভয়্যারিসম্কে গুলিয়ে ফ্যালে !! ;)
১৩. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: হ সাইফ ভাই কাজে লাগলেই আমি ধন্য। আমি মানবতাবাদি মানুষ, কারো উপকার করতে পারবে বর্তে যাই একেবারে।
সুমন থাম্বস আপ-
১৪. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
শমিত বলেছেন: কেউ কেউ তো দেখছি এতো নির্বোধ যে নগ্নতা আর যৌনতার পার্থক্যও বোঝে না!
১৫. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: এদের যা অবস্থা দেখো গা এদের অনেকেই প্রাণীবিদ্যার মানবদেহ অধ্যায় পইড়া হাতমারে ।
১৬. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
১৭. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
শমিত বলেছেন: হ্যাটস্ অফ কাকা! আপনে কি ফুকো পড়েন নাকি!!?? ;)

আর হাবা হনুমানদের জন্যই এমন একটা লেখা পাওয়া গ্যালো , কাজেই হাবা হনুমানদেরও হ্যাটস্ অফ ।
:)
১৮. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
১৯. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
হযবরল বলেছেন: সুমন আপনি এই ভয়াবহ রসিকতা পান কোথায় ? প্রানিবিদ্যা ........ হি হি
২০. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
উৎস বলেছেন: মারহাবা সুমন, মারহাবা। অভাবে স্বভাব নষ্ট, সমাজে সোজা রাস্তা খোলা নাই, বাষ্প বের হওয়ার পথ থাকতে হবে তো।
২১. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
উৎস বলেছেন: এ প্রসঙ্গে একটা তথ্য, শনিবার 10ই জুন বিশ্ব নগ্ন দ্্বিচক্রযান রাইড হবে, উৎসাহীরা আপনাদের শহরে খোজ নিতে পারেন - http://www.worldnakedbikeride.org/
২৩. ১০ ই জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
সদরুল বলেছেন: সুমন চাচা আর শমিত দাদু , আপনাদের কাছ থেকেই আমাদের শিখতে হবে
২৪. ১০ ই জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
সদরুল বলেছেন: জ্বে, বলিছেন ভাল তো কখনও কখনও থামলে ভাল লাগে।
২৫. ১০ ই জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
মাশীদ বলেছেন: অরূপ নাই তো কি হয়েছে, আমি আছি!

কঠিন লিখেছেন।


আমার মা'কে কখনো দেখিনি হিজাব পরতে। কিন্তু কখনো দেখিনি খারাপ কোন চিন্তা বা কাজ করতে, দেখিনি তার ঈমানে কোন কমতি। অনেক আত্মীয় আর প্রতিবেশীকে দেখতাম একই সাথে বাহ্যিকভাবে ধর্মরক্ষা করছে আবার ভিতরে সমানে চলছে পরচর্চা আর এর-ওর পিছনে লেগে থাকা। ছোটকাল থেকেই বাসায় শিখেছি 'ভাল' থাকাটাই সবচেয়ে বড় ধর্মের শিক্ষা, কোনটা আর্ট আর কোনটা শ্লীল। প্রবাসে এসেও তাই বিদেশীদের difference এর থেকে commonality টাই খুঁজে পাই বেশি। কাউকে দেখে মনে হয় না যে ওরা পর্ক খায়, ওরা শর্টস পরে, ওদের বাবা-মা ডিভোর্সড। বরং সবাইকে মনে হয় বন্ধু এবং একই পথের পথিক।


ব্লগের কিছু রামছাগলীয় পোস্ট দেখে তাই করুণা হয় বয়সকালে বেচারারা ঠিকমত শিক্ষা পায়নি বলে।


কমেন্টটা হয়ত আপনার পোস্টের মূল বক্তব্য থেকে একটু সরে গেছে। কিন্তু সকাল থেকে বেশ কিছু পোস্ট পড়ে এরকম মনে হচ্ছে।
২৬. ১০ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
অতিথি বলেছেন: দিছিলাম রোদ এন্ড হাইওয়েরে মাপতে, ঘুষ চায়, অশালীনতার অভিযোগে ওগো টেন্ডার বাতিল করছি.........
২৭. ১০ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
শুভ বলেছেন: হুম-ম, রাস্তা মাপেন- এই রাস্তার তো কোন কূল কিনার নাই, মাপবো কেডা!
২৮. ১০ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
শুভ বলেছেন: হা হা হা- কিন্ত রেটিং 5 দিতে চাইছিলাম- সিস্টেমটা উইঠা গেল নাকি!
২৯. ১০ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
৩০. ১২ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
অতিথি বলেছেন: দারুণ গল্প শোনালেন হযবরল। একেবারে লরবযহ অবস্থা।
৩১. ১২ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
অতিথি বলেছেন: ভাই হুম(...)
আপনি শুনছেন পশ্চিমে মেয়েরা ভয়ে থাকে বাপে রেপ করবে ।
শোনা কথায় কান কম দেনরে ভাই ।রেপ লাগবেনা কোনো মেয়ে যদি জাস্ট খারাপ মন্তব্যের অভিযোগ আনে লাইফ কেরোসিন হয়ে যাবে ।সেটা বাপই হোক আর বয়ফ্রেন্ড ই হোক ।
আর 'একটা চাইলেই দশটা পাওয়া যায়' --হাহাহা ।
কোনো বন্ধু বোঝি গল্প ঝেরেছে ?
আমি আর কি বলব? পশ্চিমে আর যারা আছেন তারাই বলেন কয়টা চেয়ে কয়টা পেলেন !
৩২. ১২ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
অতিথি বলেছেন: মোরশেদ ভাই আমার এক বন্ধু এইখানে আসার আগে ধারনা করে এসেছিলো এখানে সবাই তার জন্য অপেক্ষা করছে, সে আসবে এবং এই দেশের নারীরা সাগ্রহে তাকে বরন করে নিবে তাদের শোবার ঘরে- এখনও তার সে বাসনা পূরন হয় নাই। হলিউদের ছবি আর সস্তা পর্নো দেখে যারা পশ্চিমের ধারনা গঠন করে তাদের ধারনার চেয়ে এই খানের পরিবেশ অনেক বেশী মাত্রায় ধার্মিক। এইটাও একটা মৌলবাদী দেশ, ভুখন্ডের অধিকাংশ এলাকায় এমন কি বিবাহবহির্ভুত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ- সমকামিতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান- শুধু মাত্র ব্যাক্তিস্বাধীনতা রক্ষায় শক্ত আইনের ব্যাবহার না থাকলে বুনো পশ্চিমের অধিকাংশ ভিন্ন মতধারীর আবাস হইতো গোরোস্থানে- এমনটা আমার ধারনা-
বাংলাদেশে যতজন মানুষ ধর্মকে জীবনের পাথেয় ভাবে এই খানে এর চেয়ে অনেক বেশী মানুষ ধর্মকে জীবনের পাথেয় ভাবে- পার্থক্য এখনও এইখানে খ্রিস্টান সংখ্যাগুরু তাই এটা খ্রিস্টান মৌলবাদি দেশ।
এটা আমেরিকার খবর- যারা মিড এবং মিড ওয়েস্টে আছে তারা েই ধর্মবিষয়ক মাতলামিটা প্রতক্ষ্য করতে পারবে- আর প্রবাসী বাঙালির মতো ভয়ংকর ধর্মপরায়ন জাতি নেই। আমি গতকাল এক জনের কথা শুনলাম। ছেলে মদ্যপ, 5 ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, ঝোলা দাড়ি, এবং পার্টি পছন্দ করে- এমন বিচিত্র কম্বিনেশন এখানেই সম্ভব।
৩৩. ১২ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
হযবরল বলেছেন: এই হলিউডি ফিল্ম মারকা গপ্পো হুমম রা আনে কোথা থেকে। যাত্তোসব। কয়দিন আগে নিউর্ইয়কে এক বাংলাদেশী ভাইছাব (দোকানের সেলসম্যান) এক সাদা মেয়েকে কোমরে বেলট পরিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার ছুতোয় হাত দেওয়াটা ছিলো উদ্দেশ্যমূলক। ঐ মহিলা যখন ডাক দিছে হেই হাওয়া, 3 ঘন্টার মধ্যে ফ্লাইট ধরে ঢাকা। আবার সেই একই রকম মেয়ে যখন কোন ছেলের সাথে কাজ করে হয়তো বলবে আমার পকেট থেকে সেল ফোন বের করে দাও তো। আমার হাত ময়লা। কাহারা কোমর ধরলেন নাকি পাছা ধরলেন জরুরী না কোন মোটিভে ধরলেন সেটা জরুরি। ও হে আমার সেই বাংলাদেশী ভাই সকালে উঠে সাঈদীর ওয়াজ শুনেন, এর পর হিন্দি গীতমালা দেখেন। উনার জন্যে দোয়া কইরেন ।
৩৪. ১২ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
হযবরল বলেছেন: ভাইছাব আমার যৌবনের জ্বালা মিটাইতে পারে নাই। সাঈদী রে এখন ওয়াজের গীতমালা ভর্া সন বের করতে বলেন, উইথ র্উমিলা মােেটান্ডকর ইন দ্যা সাইড স্ক্রিন। তাহলে হুমমম কে কষ্ট করে রাসেলের পোস্ট পড়তে আসতে হবে না।
৩৫. ১২ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
অতিথি বলেছেন: হাসান মোরশেদ, আপনি এম্রিকায় (!) থাকেন বলে জানতাম। বর্ণনা শোনে মনে হচ্ছে ব্রিটেনে। আসলে কোথায়?
৩৬. ১২ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
অতিথি বলেছেন: বড় ভাই
আমি খাঁটি নাসারাদের দেশেই থাকি (শুনেছি আম্রিকানরা এদের শংকর) । তবে আপনাদের মতো নাগরিক( লন্ডন ন গরে থাকেন তো) না ।
আমি লেক ডিস্ট্রিকে আছি । স্কটিশ বর্ডার।
৩৭. ১২ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
অতিথি বলেছেন: আপনার মুল্যায়নটা ভয়ংকর রকম সত্য ।
এখানে বেশীর ভাগ বাংলাদেশীই ছল-চাতুরী মিথ্যে বলে সরকারী সাহায্যের টাকা খায়(এমনকি নিজের বৌকে ডিভোর্সড দেখিয়ে,নিজেকে ডিসেবল সাজিয়ে) । আর এখানে বাংলাদেশীদের প্রধান ব্যবসা, কর্মসংস্থান হলো ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট(পয়সার জন্য আমরা চমৎকার ইন্ডিয়ার নাম ব্যব হার করি) । মোটামুটি সব রেস্টুরেন্টগুলোতেই মদ বিক্রী হয় ।
অতএব একা একা নামাজ নয় সবাইকে দেখিয়ে নামাজ পড়তে হবে ,মাদ্্রাসা গুলোতে পয়সা ঢালতে হবে , সাঈদী হুজুরএ,েসছেন তাকে নজরানা দিতে হবে ।
পাপ করতে ভয় নেই ।
কৃত পাপ মোছনের বাহারী আয়োজন ।
৩৮. ১২ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
৩৯. ১২ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
শমিত বলেছেন: সদরুল, শেখেন ভাই, চাচা-দাদুর কাছ থেকেই শেখেন , কোনো লজ্জা নাই । চাচা-দাদু গুরুজন , অবোধ পোলাপানদের সব বেয়াড়া ব্যাদরামো আর ফ্যালফ্যালে হাবলুপনা দেখবেন ওনারা হাসিমুখে মেনে নেবেন ।

হাজার হোক, আপনার শেখার সদিচ্ছাটা , ঘষটানো ও তির্যক হ'লেও, আছে । তাতেই হবে ।
৪০. ১৩ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
অতিথি বলেছেন: জয় মা তারা- সদরূলকে বিদ্যা দে।
জয় মা তারা- এই যে চেয়েছো শিখতে তাতেই হবে-
সাধু বৈকালি নাথ
৪১. ১৩ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: তোমার ব্লগে তুমি যা ইচ্ছা করতে পারো, কিন্তু হুমম তুমি এইখানে এসে বিষ্ঠা না ছড়ালেই ভালো করবে।
সবার সব খানে কথা বলার যোগ্যতা থাকে না। শিক্ষার একটা বিষয় থাকে যা তোমার নেই।
তোমার বন্ধুর রাম ছগলের মতোই তোমার শিক্ষার মান সেই মানে নেমে ইতর ধাঁচের কথা বলা পোষাবে না।
৪২. ০৮ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ১১:০৭
৪৩. ০৯ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ১:০৭
অতিথি বলেছেন: অনেক ফুর্টি হইতাছে নাকি? ভাই আইজকা এইখানে আইস্যা পরানডা জুরাইয়া গেল। মনে করছিলাম কয়ডা লেংটা ছবি পামু ছবি কই? ভাই আমার খুব সখ লেংটা ছবি দেখনের। এইখানে তো ডেইলি আইতে হইবো। ওয়েব থিকা না মাইরা নিজেগো ঘর থিকা দেন। আরো জমব। আমরাও একটু ফুর্তি টুর্তি করতে পারুম। কি কন

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন