যশোরে বোমা হামলায় কাজী আরেফ সহ উদিচীর কর্মিরা নিহত হয়,এর পর মৈমনসিংহের সিনেমা হলে বোমা হামলায় নিহত হয় কয়েক জন, 2001এ দিনাজপুরে বাংলা নববর্ষের ঠিক আগে আগে বোমা বানাতে গিয়ে নিহত হয় কয়েকজন বোমাকারিগর। এর ধারাবাহিকতায় রমনায় বোমা হালমা হয়, আমরা সাধারন মানুষ এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে পারি তবে আমাদের সংগঠিত সংবদ্ধ ক্ষমতা তাদের তুলনায় অনেক বেশী হলেও আমরা বিচ্ছিন্ন বসবাস করি, হয়তো সামাজিক এবং রাষ্ট্রিয় শোষনের সুবিধার জন্য আমাদের ভেতরে কল্পিত রেখা এঁকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করা হয়, এই সত্য উদঘাটনের ভার সমসজবিদদের, কিন্তু অপরাধিরা সমাজবিরোধি মুষ্টিমেয় কয়জন ব্যাক্তি অপরাধ সংঘটনে সংঘবদ্ধ হয় এবং এদের সম্মিলিত দৈরাত্বে আমরা সাধারন মানুষেরা বারংবার পরাজিত হই। এদের কর্মকান্ডে প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষ রাষ্ট্রিয় সহযোগিতা থাকে তাই দেশব্যাপি বোমাহামলার পরও বাগমারায় বাংলা ভাই তার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলো।
এই গানটা উৎসর্গিত সে সব মানুষের জন্য যারা শুধুমাত্র রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতায় রাষ্ট্রের পোষা বোমাবাজদের দ্্বারা নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে, এবং সেই সব মানুষের জন্য যারা সীমিত ভাবে সংগঠিত হয়ে এই নির্মমতার প্রতিবাদ করেছেন।
গানটা লেখা হয়েছিলো প্রায় 2 বছর আগে, আমি আমার পছন্দমতো সুরারোপ করেছিলাম এই গানে, কিন্তু আমার সিডনিবাসি বন্ধু, যার প্ররোচনায় আমার গিটার শেখার শুরু তাকে আনন্দে এই গান শোনাতেই 101টা ভুল বের হলো। আমি সব সময়ই সুরের ক্ষেত্রে তার মতামত সত্য বলে মানি, অন্তত এই বিষয়ে সে ধ্যানি, তার ধ্যান জ্ঞান সুরসাধনা, সুতরাং আমার অপেশাদার বছর খানেকের সুরপ্রচেষ্টার হাল ছেড়ে আমি তাকে সম্পুর্ন গানটাই সমর্পন করি। জীবিকার তাগিদে আমার বারংবার তাগাদা সত্ত্বেও গানের প্রথমাংশ ছাড়া বাকি অংশের সুর সমাপ্ত হয় নি, আশা আছে যদি কোনো দিন সেই অধিবাসি ডাকাতদের দেশে যাওয়া হয় এ গানের সুরারোপন করেই ফিরতি পথ ধরবো, আরও কিছু গানের অংশ বিশেষের সুর করা বাকি, এবং সবগুলোই তার জিম্মায়, আশা করি তার কোনোদিন ইচ্ছা জাগবে এবং এই গানের সমাপ্তি হবে, যদিও গানের অংশবিশেষ নিয়ে আমি তৃপ্ত না তার পরও সময়ের হাতে ছেড়ে দিয়েছি, গান করা এবং সুরবাঁধা একটা দলীয় কর্যক্রম বলেই আমার বিবেচনা, অন্য সবার মতামত এবং সহযোগিতায় সম্পন্ন হয় একটা গান। আমরা সবাই মিলেই একটা গান তৈরি করি, এই আমরার মধ্যে আমার কিছু বন্ধু র বসবাস।
বারো হাত কাঁকুরের তেরো হাত বীচির মতও গানের চেয়ে বড় হলো গানের ভুমিকা।
--------------------------
শরমে ঢাকলো মুখ এক আকাশ তারা
পথ খুঁজে অবশেষে আমি দিশেহারা
শরমে ঢাকলো মুখ এক আকাশ তারা
পথ খুঁজে অবশেষে আমি দিশেহারা
আলো খুঁজে পাই না যে এ কোন আঁধার
কেনো এ জন্ম দিলে জননী আমার
বিপন্ন দিন যায় স্বপ্নাহত
বেঁচে থাকা ম্রিয়মান লজ্জানত
হতাশায় ঢেকে যাওয়া মন শুধু বলে
আমায় লুকিয়ে রাখো তোমার আঁচলে
মা গো তোমার আঁচলে
খুনীর বিলাসি হাসি অভিলাষি চোখ
চারপাশে অবিরাম খুন উৎসব
কেউ কেউ প্রতিবাদি নামে রাস্তায়
দেয়ালে প্রতিবাদ আঁকে এই অবেলায়
"এ দেশ আমার ভূমি এ মাটি আমার"
ভালোবাসি এখনও আজও তোমায়
আমার বাংলাদেশ
আমার বাংলা দেশ
আমার বাংলাদেশ
আমার বাংলাদেশ
ভালোবাসি এখনও তোমায়
--------------------
এই গানটা উৎসর্গিত সে সব মানুষের জন্য যারা শুধুমাত্র রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতায় রাষ্ট্রের পোষা বোমাবাজদের দ্্বারা নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে, এবং সেই সব মানুষের জন্য যারা সীমিত ভাবে সংগঠিত হয়ে এই নির্মমতার প্রতিবাদ করেছেন।
গানটা লেখা হয়েছিলো প্রায় 2 বছর আগে, আমি আমার পছন্দমতো সুরারোপ করেছিলাম এই গানে, কিন্তু আমার সিডনিবাসি বন্ধু, যার প্ররোচনায় আমার গিটার শেখার শুরু তাকে আনন্দে এই গান শোনাতেই 101টা ভুল বের হলো। আমি সব সময়ই সুরের ক্ষেত্রে তার মতামত সত্য বলে মানি, অন্তত এই বিষয়ে সে ধ্যানি, তার ধ্যান জ্ঞান সুরসাধনা, সুতরাং আমার অপেশাদার বছর খানেকের সুরপ্রচেষ্টার হাল ছেড়ে আমি তাকে সম্পুর্ন গানটাই সমর্পন করি। জীবিকার তাগিদে আমার বারংবার তাগাদা সত্ত্বেও গানের প্রথমাংশ ছাড়া বাকি অংশের সুর সমাপ্ত হয় নি, আশা আছে যদি কোনো দিন সেই অধিবাসি ডাকাতদের দেশে যাওয়া হয় এ গানের সুরারোপন করেই ফিরতি পথ ধরবো, আরও কিছু গানের অংশ বিশেষের সুর করা বাকি, এবং সবগুলোই তার জিম্মায়, আশা করি তার কোনোদিন ইচ্ছা জাগবে এবং এই গানের সমাপ্তি হবে, যদিও গানের অংশবিশেষ নিয়ে আমি তৃপ্ত না তার পরও সময়ের হাতে ছেড়ে দিয়েছি, গান করা এবং সুরবাঁধা একটা দলীয় কর্যক্রম বলেই আমার বিবেচনা, অন্য সবার মতামত এবং সহযোগিতায় সম্পন্ন হয় একটা গান। আমরা সবাই মিলেই একটা গান তৈরি করি, এই আমরার মধ্যে আমার কিছু বন্ধু র বসবাস।
বারো হাত কাঁকুরের তেরো হাত বীচির মতও গানের চেয়ে বড় হলো গানের ভুমিকা।
--------------------------
শরমে ঢাকলো মুখ এক আকাশ তারা
পথ খুঁজে অবশেষে আমি দিশেহারা
শরমে ঢাকলো মুখ এক আকাশ তারা
পথ খুঁজে অবশেষে আমি দিশেহারা
আলো খুঁজে পাই না যে এ কোন আঁধার
কেনো এ জন্ম দিলে জননী আমার
বিপন্ন দিন যায় স্বপ্নাহত
বেঁচে থাকা ম্রিয়মান লজ্জানত
হতাশায় ঢেকে যাওয়া মন শুধু বলে
আমায় লুকিয়ে রাখো তোমার আঁচলে
মা গো তোমার আঁচলে
খুনীর বিলাসি হাসি অভিলাষি চোখ
চারপাশে অবিরাম খুন উৎসব
কেউ কেউ প্রতিবাদি নামে রাস্তায়
দেয়ালে প্রতিবাদ আঁকে এই অবেলায়
"এ দেশ আমার ভূমি এ মাটি আমার"
ভালোবাসি এখনও আজও তোমায়
আমার বাংলাদেশ
আমার বাংলা দেশ
আমার বাংলাদেশ
আমার বাংলাদেশ
ভালোবাসি এখনও তোমায়
--------------------
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১. ০৪ ঠা মে, ২০০৬ সকাল ৭:০৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পাঠান।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পাঠান। ২. ০৪ ঠা মে, ২০০৬ সকাল ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: কি পাঠাব? ওরা সব পাকিস্তানে চাইলেই তো বান্ধে পাঠাইতে পারবো না। ঃ)
অতিথি বলেছেন: কি পাঠাব? ওরা সব পাকিস্তানে চাইলেই তো বান্ধে পাঠাইতে পারবো না। ঃ) ৩. ০৪ ঠা মে, ২০০৬ সকাল ১০:০৫
অতিথি বলেছেন: এতো জেমসের জন্য লেখা মনে হচ্ছে..........
অতিথি বলেছেন: এতো জেমসের জন্য লেখা মনে হচ্ছে.......... ৪. ০৪ ঠা মে, ২০০৬ বিকাল ৫:০৫
অতিথি বলেছেন: ওহে হেরে গলার ধেরে কালা রাসেল, হুলিশের হাশা হাশি শুভ মিয়া ও আপনেরে কূপি বাত্তি দিয়া খোঁজতাছে দেখলাম...।
তা ইদানিং দেখা যায়না খুব একটা বড়। গান বান্ধায় ব্যাস্ত নাকি? খানিক পদধূলি দিয়ে মোদের ধন্য করিয়েন গো মাঝে মাঝে !
অতিথি বলেছেন: ওহে হেরে গলার ধেরে কালা রাসেল, হুলিশের হাশা হাশি শুভ মিয়া ও আপনেরে কূপি বাত্তি দিয়া খোঁজতাছে দেখলাম...। তা ইদানিং দেখা যায়না খুব একটা বড়। গান বান্ধায় ব্যাস্ত নাকি? খানিক পদধূলি দিয়ে মোদের ধন্য করিয়েন গো মাঝে মাঝে !
৫. ০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৫
অতিথি বলেছেন: মতাহির ভাই জেমসের মতো সুর করে দিনে 2টা গান তৈরি করার ইচ্ছা নাই।অো যাই হোক ও ব্যাটার জন্য গান লিখি না আমি।
অতিথি বলেছেন: মতাহির ভাই জেমসের মতো সুর করে দিনে 2টা গান তৈরি করার ইচ্ছা নাই।অো যাই হোক ও ব্যাটার জন্য গান লিখি না আমি। ৬. ০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: সুর করা হইছে?
অতিথি বলেছেন: সুর করা হইছে?