রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১০

ছবি দেখি পদ্য লিখি


বিশুদ্ধতাবাদী জনগন এ পোষ্টের মন্তব্যগুলোতে বড়দের কবিতা লেখা হবে, যাদের বয়েস 18র কম তারা কবিতাগুলো বুঝবে না, এবং এটা অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নিষিদ্ধ,)

(ক্লোজআপহাসি) রাইসুর ছবি দেখে গলা উশখুশ করছিলো, বেশ করার খাকরি দিলাম, খুশ খুশ ভাব কমলো না, বরং বাড়লো, এখন েকচুমুক চায়ের পর বুঝলাম আসলে অলিখিত সমকামি প্রেমের কবিতা বা কবিতায় মর্ষকামভাবনা গলায় বাসা বেধেছে।


রাইসুর ছবির কোথাও এখনও সত্ত্ব দাবি করে নি, এ উন্মুক্ত ব্লগরাজ্য সাক্ষী আমি চোর না আমার অনুপ্রেরনা আমি সাজিয়ে রাখতে চাই, আমার কাব্যিকতা শুরু হবে এখনই।

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৭


  • ১৮ টি মন্তব্য
  • ৫৫১ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:০৩
অতিথি বলেছেন: পদ্য কি আমরা সবাই লেখবো, নাকি রাসেল একাই লেখবে?
২. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:০৩
৩. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: উত্তাল মিছিলে মিছিলে সয়লাব ঢাকা
পৌরুষ আহা দৃপ্ত পৌরুষ হাঁটে
দৃঢ় হাত সম্মিলিত ছন্দোবদ্ধ পা
মুখে শ্লোগান স্বৈরাচার নিপাত যা।

আমি লাজুক, সদ্যকৌশোর শেষের লজ্জায় ম্রিয়মান ক্ষীনকণ্ঠ, আকণ্ঠ সংকোচে মিছিলে যেতে পারি না।

মিছিলে গুলি চলে, মিছিলের পুলিশি ধাওয়া
কিংবা কাঁদানে গ্যাস,গুমোট আবহাওয়া
এড়িয়ে চলতে চাই প্রানপণে তবুও মিছিল যায়
তবুও মিছিল যায়,
সচিবালয় ঘেরাও হয়
টিএসসি থেকে দোয়েল চত্ত্বর,
পলটন আর গুলিস্তান মাজারের সামনে
মিছিলের ঝোঁক ঝোঝাড়ের আড়ালে
প্রাতঃকৃত সারে গোয়েন্দা পুলিশের ছানা।
আমার ভিতরে অসহ প্রেমভাব জাগে।
যার যা খামতি তাই নাকি পুর্নতা খুজে প্রেমে
পুরুষ পরিপুর্ণতাকামি, কিংবা কামুক,
বলতে লজ্জা নেই নূর হোসেনের প্রেমে পড়েছিলাম, তখন আমার নুরহোসেন ফেটিশকাল
ভিতরে চাপা ক্ষোভ ডানাঝাপটায়
বাইরে কার্ফিউ ঠলপুলিশ আর আর্মির জীপ দেখে ঘন ঘন টয়লেটে যাই,
দমবদ্ধ গুমোটে
অস্থিরতায়
কিংবা অচেতন আলস্যে
আমি
মিছিলে যাওয়ার সাহসবিহীন,
একটু ব্যাতিক্রমলোভী,
একটু বৈচিত্রপ্রয়াসী,
সমকামি, তুমুল সমকামী হয়ে যাই
প্রথার শাসন, মৃদু চোখরাঙানি, স্বাদু শাসন, ভিন্নধর্ম ীআকুলতা
ভীষনরকম কাছে টানে,
পৌরুষ বিচ্ছিন্ন অন্ডকোষ ঝুলে চেতনার অলিন্দে, তাকে কীলকে গেঁথে রাখি
নীচে স্তনবৃন্ত ঝুলাই আলগোছে,
এ আমার অর্ধনারীশ্বর,
আমার অন্বিষ্ঠ, আমার অলীকের খোঁজ থামে
আমার অব্যাক্ত ভালোবাসা পদ্ধতির ভিন্নতা
কিংবা মর্ষকামিতা আমাকে বাধ্য করে
কিংবা আমার ভিতরে লুকিয়ে থাকা কামবোধ
আগার জিহবাকে উত্থান দেয়, আমি উত্তেজিত হলেই আমার জিহবা শক্ত হয়
আিগ পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই
কথা বলতে ভয় লাগে, কখন ঠোটের ফাঁক দিয়ে ঝুলে যায় শিশ্ন,
শিশ্নসমেত চেতনার ভিতরেএকটা অস্ত্রোপ্রচার প্রয়োজন ছিলো
খুব প্রয়োজন ছিলো এই নিজেকে ফিরে দেখা পূনরায়
আয়নায় নিজের প্রতিকৃতি দেখি
আহা অনায়াস অশক্তশিশ্নআগার মুখের যোনীঘবর থেকে উঁকি দেয়, ঝুলে পরে স্বার্থকতার লোভে,
আর ভরা মজলিশে
কবিতাসভায় সেক্সি ললনার ভীড়ে
যতবার থুতু ফেলি
দমকে দমকে বীর্যউথলে পড়ে
কামভাব রসময় অসময়ে কড়া নাড়ে।

৪. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: প্রথমেই ছবির পটভুমি বলে নেই।
সময়টা ছিলো নভেম্বর,90, চারদিকে আন্দোলন চলতাছে, সবাই মিছিল করে আমি তেনা পেচাই,কিন্তু তেনাসঙ্কট আছিলো,এমনিতেআমি ঘরের মইধ্যে তখন জননাঙ্গ ঢাইক্যাই রাখতাম, কিন্তু সেই সঙ্কটকালে একবার ল্যাঙ্গোট ছিড়ে তেনা বানাইলাম, খুব ভালো লাগতেছিলো, শইলে আলোবাতাস খেলে, এর পর থেইক্যাই আমি ঘরের ভিতর দিগম্বর সাধু হইলাম, এখন শুধু বাইরে গেলে ঢাইকা বাইর হই। ভাবতাছি এখন ঘর আর বাইরের বিভেদ রাখবো না, কবিগুরুর মতো সব দেয়াল ভাঙবো, ঘরের আমি আর বাইরের আমিতে প্রভেদ থাকবে না কোনো।
যা কইতেছিলাম, এই ছবির গল্প, আমার তেনাসঙ্কট দিনের গল্প।
সবাই এরশাদের বিরুদ্ধে মিছিল করে, স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলনে সবাইরে ডাকাডাকি করতে আছে, আমি যাই না, আমারে কে কইছিলো দলবাজি ভালো না, সেই থেইকাই আমি নির্দলীয় মানুষ। আর এইটা সবাইরে জানাইতে আমি 19শে নভেম্বর 90 এ যাই এরশাদ সাহেবের লগে দেখা করতে, এরশাদ সাহেব, লোকে কয় স্বৈরাচার, কবি মানুষ, গান লিখে, সেই গান টেলিভিশনে দেখায়, আমারে বিস্তর সমাদর করলো, কইলো রাইসু সাহেব আপনেরে আমি সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের প্রধান করে দিবো যদি আমার সাথে থাকেন,
এরশাদের চটির কালেকশন ছিলো ভালো, বিদেশি ছবিওয়ালা চটিও আছিলো মাহাত্বনের কাছে, ঘন্টা দুই চটি পইরা আমি চইলা আসি।
স্ব ীকার যাই আমি চটি পড়ি তবে পারিবারিক ভাবে পড়ি না, একলা একলা পড়ি, কিন্তু ঘরের ভিতরে পরিবারের সামনে জননাঙ্গ ঢাইকা রাখি না, আলো বাতাস পাইলে নাকি গাছের বৃদ্ধি হয়, আগাছাও বাড়ে শুনছি, আমার আগাছাও বাড়লো না , গাছও বাড়লো না।
এরশাদ সাহেব এই 65 বছর বয়েসে যা করতে আছেন আমি তুঙ্গ 23এও তা করতে পারতেছি না,
পরের দিন আবার গেলাম , গিয়া কইলাম আপনের যৌবনের রহস্য কি? দেশের সব পুরুষের পুরুষত্ব নিয়া টানাটানি করতেছেন, এত মিছিল মিটিং চলতাছে, আপনি তাও যাইতেছেন নবাবগঞ্জ মসজিদে নামাজ পড়তে। আপনের কলিজা আছে,
এরশাদের পৌরুষের নিদর্শনস্বরূপ আমি প্রথম ছবিটা আঁকি। যারা জানেন না তাগো অবগতির জন্য জানাইতাছি, এরশাদের গুটিবসন্ত হইছিলো, সেই গুটিবসন্তের ছাপ পড়ছে প্রথম ছবিতে।
আমি শোবার ঘরের দেয়ালে টানাইছিলাম ছবিটা, দেইখা পৌরুষ বাড়াইতাম, এমন বড় বড় ঝোলা অন্ডকোষী এরশাদ সাহেবের ভক্ত আমি তখন থেইকাই।
তয় আমার পরিশীলিত রুচিতে বসন্তগুটিগুলান বেশী ভালো লাগে নাই, ওইগুলারে শৈল্পিক রূপ দিছি,
আর ঐ অন্ডকোষ ঝুলাইছি কীলকে, এইটা এরশাদীয় পৌরুষের সাইনবোর্ড।
সেই দিন আমি ভাবতেছিলাম সংস্কৃতি অধিদপ্তরের প্রধান হইতে কেমন লাগবো, অনেক বড় বড় নেতা সচিবও ওগো পৌরুষ বেইচা দিছিলো এরশাদের কাছে, একজনতও শুনছি বৌকেও দিয়া দিছিলো। আমিও মুখমেহনের নামে এই ছবিতে পোষা সারমেয়র মতো এরশাদের জননাঙ্গ দাঁতে কামড়ে আছি।


এটা একটা কবিতা, উত্তর আধুনিক ধারার, কারো কারো মনে হতে পারে এটা রগর, এটা আসলে এই ছবি দেখে অনুপ্রানীত হয়ে লেখা, কেউ ব্যাক্তিগত জীবনের সাথে এটাকে মিলাতে চাইলে লেখক নিরুপায়।

৫. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনে ভাই আসলেই একটা মাল...!!! হাহাহাহাহা..........!!! ইমোটাইকনের সুবিধা পাইতাছি না, হাসতে হাসতে কান্না পাইতাছে
৬. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: কেন তবে মিছিমিছি
দেয়ালে ঝোলে এরশাদের বীচি
রঙ্গ দেখে অঙ্গ ঝোলে
নিথর দাঁতের পাটির ফাঁকে।
৯. ২০ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: পড়লাম। ভালোই লাগলো। আপনার মনের কামনা বাসনা জানা গেল। আমার নামে ভালোই নিজের অবদমিত বাসনা চালান করতেছেন। আমি আপনেরে লেখনীপ্রতিভার কাচামালের সাপ্লাই দিয়াই যামু।তবে আপনের বরাতে অন্য প্রতিভাদের দৌড়ও দেখা যাইতেছে।

আমি জানি এসব ক্ষেত্রে জাতকের চুপ থাকার নিয়ম। কিন্তু আপনার লেখালেখি থামুক আমি চাই না। ফলে আমি আপনার লেখা নোটিশ করলাম কিনা সর্বদা জানান দিতে চাই। লুভ।
১০. ২০ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ আমার এই অক্ষম লেখা আপনার চোখের কোনে বালিকনার মতো পড়েছে,
তবে একাই কাঁচামাল সরবরাহের দায়িত্ব নিবেন না দয়া করে, মাঝে মাঝে অন্যদের সুযোগ দিতে হবে, এখনও সাম্যবাদের বানীতে বিশ্বাসী আমি, মনোপলি পছন্দ না।
১১. ২০ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৭:০৩
অতিথি বলেছেন: রাসেল (......), একটা কথা বলি, মনে কিছু নিবেন না আশা করি । আপনার ভিতরে প্রতিভার অভাব নাই । কিন্তু আমার মনেহয় আপনি সেই প্রতিভার প্রোপার ইউটিলাইজ করছেন না । করলে গ্রেটদের তালিকায় যেতে পারতেন । করবেন কি না সেটা অবশ্যই আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার ।
১২. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
কালপুরুষ বলেছেন: রাসেল, তীর্থকের সাথে আমিও একমত পোষণ করি। খোদা সবাইকে সব প্রতিভা দেন না। যারা পান তারা অনেকেই জানেন না কি পেলাম। আপনাকে আমার কাছে অনেকের চাইতে বুদ্ধিমান ও সুলেখক মনে হয়েছে। তাই আশা করবো নিজের প্রতিভাকে সবার কাছে তথা জাতির সামনে তুলে ধরুন। সবাই বিখ্যাত হতে পারে না। সেই জন্য কিছু গুনাবলী ও রসদ থাকতে হয়। অপনার তা আছে। না আপনার হয়ে আমি বিজ্ঞাপণ দিচ্ছি না। এতে আমার নিজস্ব কোন স্বার্থ উদ্ধার হবে না বা ব্যক্তিগত লাভ হবে না। আর তেমন কিছু ভাববার সুযোগও নেই। কারণ আমি আপনাকে ব্যক্তিগত পযর্ায়ে চিনি না। আপনার লেখা পড়ে পড়েই আামার এই ধারণা। আরও অনেকেই বড় মাপের লেখক আছেন এখানে। তাঁরাও যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন আশা করি। আমাদের দেশের আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক দৈনতা সত্বেও আপনাদের লেখা মানবিক ও চিন্তার দৈনতা পূরণে সহায়ক হবে। কারণ বাকি নিয়ামকগুলোর পরিবর্তন এবং সংস্কার আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু আপনাদের লেখা সমষ্টিগতভাবে একটা ব্যপক ও বিরাট পরিবর্তনের ধারার দিক নির্দেশ করতে পারে। গ্রহণযোগ্যতার বিচারে তা অনেক কিছু ছাড়িয়েও যেতে পারে। আমি তাই আশা করি।
১৩. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৩:০৩
হিমু বলেছেন: রাইসুদার ভোট কাঁচানোর আন্দোলনের চেতনাকে বুকে ধারণ করে পরম শ্রদ্ধায় ওনার উপাধি দিয়েছিলাম পাঞ্চাল ... কিন্তু উনি পোস্ট মুছে আমার প্রয়াস বাঞ্চাল করে দিলেন। আজ শ্রদ্ধেয় মোর্শেদ্দার এই তৈলনের পর আমার শ্রদ্ধা দুই সেন্টিগ্রেড বেড়ে গেলো ... পাশাপাশি বিক্রিয়্যাহ ভাইয়ের বাংলা ভাষার মুসলমানি দেয়ার আবেদনে সাড়া দিয়ে রাইসুদাকে আরেকটি খেতাব দিলাম ... আলহামদু! আলহামদু রাইসুদা, আমার অভিনন্দন লন!
১৪. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৩:০৩
হিমু বলেছেন: রাইসুদার ভোট কাঁচানোর আন্দোলনের চেতনাকে বুকে ধারণ করে পরম শ্রদ্ধায় ওনার উপাধি দিয়েছিলাম পাঞ্চাল ... কিন্তু উনি পোস্ট মুছে আমার প্রয়াস বাঞ্চাল করে দিলেন। আজ শ্রদ্ধেয় মোর্শেদ্দার এই তৈলনের পর আমার শ্রদ্ধা দুই সেন্টিগ্রেড বেড়ে গেলো ... পাশাপাশি বিক্রিয়্যাহ ভাইয়ের বাংলা ভাষার মুসলমানি দেয়ার আবেদনে সাড়া দিয়ে রাইসুদাকে আরেকটি খেতাব দিলাম ... আলহামদু! আলহামদু রাইসুদা, আমার অভিনন্দন লন!
১৫. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: রাসেলের কবিতাটি স্পর্শ করে সময়কে। তার পক্ষ নিয়ে বলছি,
প্রতিভাবান অনেকেই প্রতিভাকে পশরা করতে চান না। তারা বিখ্যাত হন না, তারপরেও দিয়ে ডান অনেক কিছু। অনেকসময় প্রতিভা ও পশরা পরস্পরবিরোধী কাজ করে। তাতে প্রতিভার স্বাভাবিত স্ফুরণ ব্যাহত হয়।
আমি নিজেও জানিনা, রাসেল আমার এই কথাকে সমর্থন করবেন কি না। তারপরও সাহস করে বললাম।
১৬. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
মাশীদ বলেছেন: Interesting স্কেচের জন্য না হলেও রাইসু ভাইজান আর মাহবুব মিয়াভাইয়ের কাছে আমার অনেক ঋণ।

আমি শুদ্ধ ভাষায় কথাই কইতে পারিনা। করসি, খাইসি, যাইতাসি, ড রাইসু...থুক্কু ডরাইসি...এইসব ছাড়া কথাই আসে না (হয়ত আমি খুব ভাল মুসলিম তাই...বিক্রিয়া ভাইয়ের থিওরি তাই বলে) । আগে এই কারণে তথাকথিত শুদ্ধ ভাষায় সাহিত্যচর্চা করতে হইব ভাইবা কান্না পাইত। আইজ রাইসু ভাইজানের মত একজন প্রবাদপুরুষ এবং তার সুযোগ্য প্রচার সম্পাদক মাহবুব মিয়াভাইয়ের কল্যাণে নিজের মনের ভাব literally প্রকাশ করতে পারতাসি। কী যে ভাল লাগতাসে! ওনাদের মতন এমন বড় মাপের মানুষের সাথে একই ব্লগে ব্লগাইতে পাইরা আমি নিজেরে ধন্য মনে করতাসি।


ওনাদের এই চমৎকার জুটিকে অনেক অভিনন্দন।
১৭. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: অনলাইন বুদ্ধিজীবি ও তাদের তেনাদের বড়ই দুর্দিন যাচ্ছে। এইসব ভুজুং ভাজুং-য়ের দিন যে কবে চলে গেছে তা তারা যত তাড়াতাড়ি বুঝবো তত মঙ্গল।
দুই-চারটা কবিতার বই পইড়া, গাঞ্জা/চরস টাইনা, পরীক্ষায় ফেল মাইরা, অবশেষে পত্রিকায় লেখা জোগানির কাম লইয়া বুদ্ধিজীবি হওয়ার তরিকা কাজে লাগতে পারে। তবে সবার চোখে ধূলা দিতে পারে না। কানা রুশদি আর মোর্শেদার ঢোলের বাড়ি খুবই আনাড়ি লাগে।

মোট সময় লেগেছে ০.২৫১৬ সেকেন্ড

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন