সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১০

কালচাড়াল গল্প

কাসিদ প্রশ্নটা শুনেই ভাবতে বসলো, তারপর বললো, ভাই আপনি আমাকে 1 সপ্তাহ সময় দেন, 1 সপ্তাহ পর আপনাকে আপনার উত্তর জানাবো ইনশাল্লাহ।
ঠিক আছে কাসিদ ভাই আমি 1 সপ্তাহ পরে আসবো বলে বেড়িয়ে গেলো বাসিক,
ধু্যত শালা গবেষণার সময় যন্ত্রপাতি হাতের কাছে পাই না বলে হতাশায় শ্রাগ করে, অমনি মনে হয় সিংহপুরির চত্তরে ইথারে ভেসে আসে সঙ্কেত, এই নেটওয়ার্ক কানেকটর না খুঁজে ওখানে বসে গুগলে সার্চ দিয়ে গবেষণার কাজটা চালিয়ে নেওয়া যাবে, আজকাল ইন্টারনেট হচ্ছে গবেষণার স্বর্ণখনি, কিন্তু আহারে নাফরমান বান্দারা ওরা পর্নো সাইটে যাবে কিন্তু এইসব গবেষণার কাজে সময় নষ্ট করবে না, থরে থরে মনিমানিক্য সাজানো, গুগুলে একটা গুতা দিলেই ঝরঝর ঝরঝর ঝড়েছের মতো জ্ঞান ঝড়ে পরে,ঝর্নার মতো জ্ঞানপ্রসবনে ল্যাপ্পি ভিজে যায়।
অবশেষে পরীক্ষিত সঙ্গিনী মাহিজাবিনের কাছে ইমেইল-মাহিজাবিনের উত্তর চলে আসে অতিসত্ত্বর, আপনি কাশেম ভেজালপুরী কিংবা রহমান দহলীজির সাইটে যান ওখানে পাবেন সব কিছুই, কিংবা ইউসুফ জবরজংও কনসালট করতে পারেন, 1000 বছর আগে ওরা এইসব ইন্টারনেটে রেখেছিলো, কি আশ্চর্য জানো কোরানের ফজিলতে সেই 1300 বছর আগে যেই জ্ঞান ওরা রেখেছিলো ইথারে তাই ইন্টারনেট দিয়ে এখন নামানো যাচ্ছে।
মাঝে মাঝে আবেগী হয়ে মাহিজাবিন যখন তাকে তুমি বলে তখন কি সুইট লাগে শুনতে।
সপ্তাহ খানেক পরের কথা, কাসিদ গলা খাঁকরি দিয়ে শুরু করে, বুঝলে ভায়া আমাদের প্রথমে বুঝতে হবে পাপ কি? কেনো পাপ হয়? আমাদের বুঝতে হবে বৈধ্য-অবৈধ্যর সংজ্ঞা,সেই 1400 বছর আগে যখন গানবাজনা হতো তখন কাফেররা সব হিসাব করে ওয়াজ মেহফিলের দিনে গানের জলসা বসাইতো, তাতে নব্য সাহাবারা ওয়াজ না শুনে গানের জলসায় গিয়ে বসে থাকতো, আর তখন জানোইতো আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগ, বেলী ড্যান্স হইতো, সেই বেলী ড্যান্স দেখে সাহাবাদের সংযম বাসনা কেটে গিয়ে সংগম বাসনা জাগরুক হতো, সাহাবাসমাজের চিত্তচাঞ্চল্য নির্বাপনের জন্য তখন ঘোষণা দেওয়া হলো ওয়াজ শেষে যে বলতে পারবে ওয়াজের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে আগামি যুদ্ধে গনিমতের মাল হিসেবে যে কয়টা মেয়ে আসবে তাদের সবাইকেই তার সাথে রাখার ব্যাবস্থা করা হবে।
এক ফাজিল ধরনের সাহাবা প্ররোচনা দিলো সবাইকে "চল আমরা সবাই এর পর ঐ বেলী ড্যান্সারদের কাফেলা লুট করবো, ওরাতো ইসলাম মানে না, ইসলামে জায়েয আছে এইসব অনাচার দুর করার জন্যই ইসলাম এসেছে ধরনীতে, তখন রথ দেখা কলা বেচা একসাথে চলবে, আমাদের ঘরেই বেলীড্যানসার থাকলো, ওদের দিয়ে গা মালিশও করানো যাবে আবার বেলী ড্যান্সও করানো যাবে, সংস্কৃতির চর্চা করতে হবেতও, নবী জোড় নির্দেশ দিয়েছেন কালচারাল হয়ে উঠতে হবে, সব মুসলিম দিন দিন চাড়াল হয়ে উঠছে ওদের কালচারাল হতে হবে, এবারের সংগ্রাম চাড়াল থেকে কালচারাল হয়ে উঠার সংগ্রাম, ভাইসব আপনারা দলে দলে ঘোড়া নিয়ে প্রস্তুত হন আমরা আজকেই বেলী ড্যান্সারদের কাফেলা লুট করতে যাবো, আমাদের ইসলাম ধরে রাখতে হবে, ইসলাম কালচার নিয়ে মাতামাতি করে, আরবের কালচার ছিলো নবীর ভিতরে আমরা সেই কালচারাল লোকালিটি বাড়াবো আরও বেশী, আমরা মিশরের কালচারও ঢুকিয়ে ফেলবো এখানে- আমি গত কাল স্বপ্নে দেখেছি সেখানে বান্না বলে একজন আসবে 1300 বছর পরে, সেখানেই ইসলামের তীর্থ হবে।
আমাদের মিশরীয় সংস্কৃতি ধারন করতে হবেই হবে, তাই প্রস্তুত হও জনগন আগামি কাল ভোরের আলো ফোটার াগেই ঘোড়ার খুরে আগুনের ফুলকি তুলে আমরা যাবো বেলী ড্যান্সারদের কাফেলা আক্রমন করতে, কোরানে বলা আছে- কসম সেই সব ধাবন্ত আগুনের ফুলকির যা প্রতু্যষে ঝাপিয়ে পড়বে,

দহলীজী দহলিজে বসে বসে তামুক খাচ্ছিলেন এটা হালাল না হারাম এটা তখনও নির্ণ ীত হয় নি, তিনি অবশ্য তামুককে হালাল করার পক্ষে, এমন কি রমজানেও মাঝে মাঝে দুপুরে তার টামুক ইচ্ছা হলে যেনো খেতে পারে, রুপার গরগরায় গোলাপজল, সাজিয়ে, তিনি গুরুক গুরুক করে তামকু খান, আর এটাতো ধোঁয়া, ধোঁয়া কি আর কোনো খাদ্য, যদি তাই হলো তাহলে এই যে রান্নার সময় ধোঁয়া উঠে, সেই খাদ্যবাসযুক্ত ধোঁয়া গলধঃকরন করে সব মেয়েদের রোজা ভেঙে যেতো না।

রোজা যদি ধোঁয়া খেলে না ভাঙে, তাহলে তামুকের ধোঁয়া টানলে ক্যানো রোজা ভাঙবে?

তা কি বলছিলাম মনে আছে, কি নামটা বললাম,

আহা ঐটা মান্না না বান্না, শব্দ বুঝতে হবে, নাক আর কান একই অক্ষর দিয়ে তৈরি কিন্তু নাকের কাজ কি কান দিয়ে হয়? তুমি উলটে গেলেও নাকের কাজ নাক করবে, কানের কাজ করবে কান, আমাদের আরও গভীর ভাবে বুঝতে হবে পাপ বলতে কি বুঝায়।
যদি তোমার গান শুনে অনাচারের ইচ্ছা হয় তবে সে গান শোনা খারাপ। এই যে মিউজিক ভিডিওগুলো দেখছো ওগুলো দেখে কি মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা থাকে? কাসিদের নতুন গবেষণা ক্ষেত্র হলো শব্দ ভাঙাগড়ার খেলা, বান্না মান্না, নাক-কান এই সব নিয়ে অনেক ভেবেছে সে আজকে উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত কথাটা বলতে পরে নিজের প্রতি প্রসন্ন হয়ে উঠলো সে।
তখনই টুংটাংটুং বাজলো টেলিফোন।
এ্যাই জানো আমার না আইপডটা কাজ করছে না, ক্যামোন জড়ানো জড়ানো স্বরে গান বাজছে।
বোধ হয় ব্যাটারি ডাউন, কিংবা সার্কিটে পানি পড়ছে,
আরে নারে বাবা নতুন ব্যাটারি লাগিয়েও একই অবস্থা, কি ঘোড়ার ডিমের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছো।
কাসিদ বলতে পারে না যে সে পড়েছে আসলে ক্যামিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বৈদু্যতিক যন্ত্রপাতির সাথে এর যোগাযোগ টিউব লাইট জ্বালানোর মতোই।
ঠিক আছে তুমি বলো কিভাবে ঘটনাটা ঘটলো? কাসিদ গলার স্বারে ভারিককি এনে বলে।
ঐ দিন টিউবে চেপে আসছিলাম, রাতের বেলা ইউনি থেকে ফিরি, কাকপক্ষিও থাকে না স্টেশনে, এমন সময় এক লোক বীয়ারের কেস হাতে উঠলো টিউবে, আমার সামনের সীটে বসে বীয়ার খেলো, আমিতো ভয়ে শ্যাষ, কি ভয়ংকর ঢুলুঢুলু চোখ,কাসিদ আতংকিত নিশ্বাস ছাড়ে, মেয়েদের নিয়ে সমস্যা হলো এই যে এক কথা থেকে অন্য কথায় ছুটাছুটি করতে করতে কখন প্রসঙ্গ ছেড়ে অন্য প্রসঙ্গে চলে যাবে বুঝতেই পারবে না, এই যে মাতালের গল্প শুরু হলো এটা নির্ঘাত শেষ হবে তার কোনো বান্ধবির মাতালের হাতে হেনেস্থা হওয়ার গল্প দিয়ে, যা সন্দেহ করেছিলো ঠিক তাই ঘটলো 25 মিনিট পরে, জানো না ময়নার কি সাহস, ঐ দিন এক মাতাল ওর সামনে আসে বললো ইউ ড্যাম নিগার গো এন্ড **** এ্যাট ইয়োর অউন রিস্ক।
ও সামনে গিয়ে কনফ্রন্ট করলো, যদিও কাসিদ বুঝে না পিছন থেকে কনফ্রন্ট করার কোনো ঘটনা ইতিহাসে ঘটেছে কি না।
আমার তো ঘটনা শুনেই লোম দাঁড়া হয়ে গেলো।
কাসিদ মিনমিন করে বলে দেখো মোবাইলে চার্জ প্রায় শেষ, কি যেনো বলছিলো তোমার আই পড নিয়ে, ওটা নষ্ট হলো যেনো কিভাবে?
ও আচ্ছা মনে পড়েছে, হারিয়ে যাওয়া কথার খেই খুঁজে পায় মাহিজাবিন, তো মাতালটা যখন বীয়ারে চুমুক দিচ্ছিল তখন আমি জানে আলমের গান শুনতেছিলাম, ইশকে দিগম্বর মাওলা, গানটা শুনেছেন, একেবারে ফ্যাব-
আমার দিকে তাকিয়ে একবার হ্যালো বললো আর তখন থেকেই না আই পডের সমস্যা।
ক্যামোন জড়িয়ে জড়িয়ে গান গাইছে জানে আলম।
মনে হচ্ছে মাতাল হয়ে গেছে, আচ্ছা যন্ত্রের কি প্রাণ আছে, যন্ত্র কি মাতাল হতে পারে? আমার আই পডটাও নাঈসলামি , সবুজ রংয়ের আমি বাজার থেকে রেডিয়্যান্ট চাঁন তারা লাগিয়েছি,
এই জন্যই ইউসুফ জবরজং বলেছেন শুঁড়িখানায় গান শোনা হারাম।
কাসিদ অবেশেষে বলে আচ্চা রাখি, মোবাইল ট্যাট ট্যাট আওয়াজ দিচ্ছে ,চার্জ শেষ।

তা আমাদের পাপ কি বুঝার পর পাপের পথ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে,

আমাদের মনে রাখতে হবে সবসময়ের জন্য মানুষের জন্ম হয়েছে ভালো কাজ করার জন্য, মানুষ যখন খারাপ কাজ করে তখন সেটা করে শয়তানের প্ররোচনায়, এই ব্যাপারে একটা মরমী কথা বলতে পারি, সবার জন্য না, যারা বুঝবে শুধু তাদেরজন্য,
ফিস ফাস ফিস, কথাটা সামান্য হতে পারে কিন্তু খুব গভীর কথা। সব সত্য সবার জন্য এই জন্যই মিস্টিকরা বলে গেছেন- আচমকা ব্রেক কষে থেমে যায় কাসিদ, গুঢ় তত্ত্ব সবাইকে জানাতে গিয়েই না মনসুর হিল্লাজের হাতে হারিক্যান হয়ে গেলো।
আমি আলাদা একটা পোষ্ট করেছি আমার অন্য খাতায়, ওটার লিংক দেই সময় পেলে পড়ে নিয়েন,


http://www.tinyurl.com/rs4tk


আমার পছন্দের বিষয় হিন্দু মাইথোলজি, অবশ্য দুষ্ট লোকেরা এটা পড়ে ভাবতে পারেন, এটা বোধ হয় মাই ঠেলে জি্ব, কিন্তু যারা বুঝবান তারা বুঝবে এটা অশালীন কিছু না, সবাই নিজের মাপে চাঁন তারা দেখে, ওখানে বলা ছিলো অর্জুন লক্ষ্য ভেদে মনোযোগী ছিলো তাই তার কাছে জগৎ সংসার সব তুচ্ছ, শুধু পাখির চোখ দেখতে পেতো সে, আমিও সময় পেলেই পাখীর চোখ দেখি।


পরবর্তি সপ্তাহে আবার চলে বাসিক, এসে বলে এসটেনজার সময় ডান পা আগে ফেলতে হবে নাকি বাম পা, আপনার বিবেচনা থেকে বলবেন- কাসিদ বুঝতে পারে ধর্ম এর হৃদয়ের অন্তঃস্থলে প্রবেশ করেছে তাই ছোটো ছোটো সব বিষয়েই তার এত সতর্কতা, এরাই আমাদের কালচারকে গড়ে তুলবে কাসিদ মনে মনে ভাবে, মুখে বলে ঠিক আছে আমাকে তিন দিন সময় দাও, আমি 3 দিন পর জানাবো, আসলে এইখানে টাট্টি ঘরের সাইজ যা সেখানে এসতেনজার সময় হাঁটাহাঁটি করতে পারি না, তা ই ভাবছি সামনের মাঠে গিয়ে কাজটা করে জানাবো কোন পা'টা ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ। নবীর কাছে একদিন এক জন মিষ্টি সমস্যা নিয়ে গিয়েছইলো নবী 3 সপ্তাহ পর তার উত্তর দিয়েছিলেন, তিনি বলেছিলেন নিজের অভ্যাস ছিলো মিষ্টি বেশী খাওয়ার, এই অভ্যাসের জন্যই আমার ডায়াবেটিস হইলো, এখন থেকে আমার উম্মতদের জন্য নির্দেশ থাকলো অতিরিক্ত মিষ্টি খাবে না, অতিরিক্ত মিস্টি খাওয়া নিয়ে আল্লামা আলা মৌদুধী বলেছেন, এদেশের মিস্টির কারিগররা সবাই বিধর্মি, মিস্টি খাওয়া মানে কাফেরদের অর্থনৈতিক শক্তি বাড়ানো, আমাদের মিষ্টি খাওয়া ছাড়তে হবে, এটাও এক ধরনের জিহাদ।

ও আচ্ছা আমি তো এসতেনজার কথা বলছিলাম, যাই হোক,এই যে এই ধর্মপ্রান মানুষেরা এরাই সব দেশের কালচার এগিয়ে নিবে, এদের কালচারাল আভে গড়ে তুলতে হবে, ভায়া কি বলেন আপনি,
এভাবেই কাসিদের প্রত্যক্ষ্য তত্ত্ববধানে একদল কালচাড়াল তৈরি হলো।
****
কালচাড়াল- যে চাড়ালের সামনে পড়লে মৃতু্য নিশ্চিত,*****




প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিকৌতুক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ১:০৫


  • ৩৮ টি মন্তব্য
  • ৭৩৫ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৬:০৭
অতিথি বলেছেন: তন্ময় হয়ে পড়ছিলাম। চমৎকার বর্নণা - যারা চরিত্রে নেমেছে তারা হয়তো জ্ঞান ঝাড়বে একটু পরে এসে - তবে আমার ভাললাগলো চিত্রণ ও তথ্যের আশ্চর্য সমন্বয়। বেশ ভাল বিষয়, লেখা গোনায় রাখতে হবে - শ্রেষ্ঠ্য নির্ণয়ে।
২. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৬:০৭
কনফুসিয়াস বলেছেন: রাসেল ভাই,
মাঝখানে দুইবার বাই মিসটেক কাসিদ বদলে অন্য নাম চলে এসেছে। ওটা ঠিক করেন।
আর,
আপনার লেখা নিয়া নতুন কিছু বলার নাই। চমৎকার।
৩. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:০৭
৪. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:০৭
কালপুরুষ বলেছেন: আমি হিংসায় বিশ্বাসী নই। তবুও কেন জানি আপনাকে হিংসা করতে ইচ্ছে করে। শুধু আপনার চমৎকার লেখার জন্য। আমার নিজের মাত্রা জ্ঞান কম তাই আপনার মাত্রা ছুঁতে একটু অসুবিধা হয়। তবুও অমাত্রিক যোজনায় বিশাল কিছু প্রাপ্তির কাছে নতি স্বীকার করে ফেলি আপামর পাঠককুলের নিবিষ্টতা অর্জনের লক্ষ্যে। হিংসার হিমালয় গলে নদী হলেও তো কিছু একটা পাওয়া। ভাল লেখার হাত চালু থাকুক। আমার শুভেচ্ছা রইলো। একদিন নিশ্চয়ই বলতে পারবো রাসেল আমার মুখ চেনা কেউ না হলেও খুব পরিচিত একজনতো বটেই।
৫. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:০৭
অতিথি বলেছেন: কঠিন অবস্থা ! ধন্যবাদ রাসেল কঠিন একটা পোস্টের জন্য।

যারা লেখাটার আসল স্বাদ পেতে চান তাদের একটু এই পোস্টটা পড়ে আসতে হবে।


Click This Link


তারপরে নি:সন্দেহে আরো বেশি উপভোগ করবেন। কৃতজ্ঞতা টু রাসেল।
৬. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:০৭
৭. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ১০:০৭
অতিথি বলেছেন: আমি কিন্তুওই লিংকটা পর্যন্ত ট্রাই করে দেখছি আরো কোনো গূড়ার্থ আছে কিনা? যাক পেলাম না। আপনার তো যোগাযোগ ভালো আমারে একটা উত্তর আনাইয়া দিতে পারবেন, আপনার কালচাড়ালদের কাছ থেকে:

প্রশ্ন হলো:

গোসল না অজু কোনটা করে ব্লগ লিখতে বসলে বেশি সওয়াব হবে?
৮. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৪:০৭
৯. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ৯:০৭
অতিথি বলেছেন: মস্করা কই করলাম চাড়াল যদি মাইন্ড খায় তাইলে আমারও কাল আয়া পড়বো।
১০. ১১ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ১০:০৭
উৎস বলেছেন: রাসেলের লেখার প্রশংসা আগেও করেছি, এখনও না করে উপায় নেই। আচ্ছা মাহজাবিন চরিত্রটা কিভাবে আসলো?
১২. ১২ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:০৭
১৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:০৭
উৎস বলেছেন: রাসেল, একটা প্রশ্নঃ হারাম-হালাল বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে উত্তরটা এনে দিলে ভালো হয় - মেয়েদের ছবি তোলা হারাম না হালাল? হিজাব সহ বা হিজাব ছাড়া দুই ক্ষেত্রেই।
১৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:০৭
সাদিক বলেছেন: খুব ঠিকাছে!
খুব ঠিক ছিলো ও!!

শুধু নবীকে নিয়া স্থুল রসিকতাটা না করলেই বেশি শোভন হতো।

১৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:০৭
অতিথি বলেছেন: স্থুল কি না ক্যামনে বুঝলা, ডায়েবেটিস হওয়ার কি সম্ভবনা নাই? মধুমেহ রোগটা হওয়া কিংবা না হওয়ার উপর নির্ভর করতাছে না গল্ফটা।
১৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৭
অতিথি বলেছেন: উৎস ছবি তোলা বিষয়টাই হারাম, এমন কি ছবি আঁকা কোনো জীবিত বস্তুর ওটাও হারাম, যারা এই কাজ করবে তারা অনন্তকাল নরকে পুড়বে।
এটার জন্য হালাল হারাম বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নাই, বুখারীতে অন্তত 10টা হাদিস আছে জীবিত বস্তুর প্রতিরূপ তোলার বিরুদ্ধে।
আর মাহিজাবিন শব্দের উৎপত্তি হইলো হিজাব সহকে মাহিজাবিন বলে এইটা কোথায় যেনো পড়ছিলাম,
১৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ১০:০৭
উৎস বলেছেন: তাহলে রাসেল আপনার কথা যদি ঠিক হয়, এই ব্লগে যারা নিজের তোলা ছবি (অনেক ক্ষেত্রে তরুনীদের) প্রকাশ করছে তারা হারাম কাজ করছে? অবশ্য এ ব্যাপারে তাদের নিজস্ব কোন ফতোয়া থাকতে পারে হয়তো।
১৯. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:০৭
উৎস বলেছেন: রাসেল আরেকটা প্রশ্ন না করে পারলাম না। সিনেমা দেখা কি হারাম না হালাল? বিশেষ করে আগেভাগেই যদি জানা থাকে সিনেমাটি রেটেড-R। একটা ব্লগে দেখতে পাচ্ছি অনেকেই ড্রিমার্স মুভি মন দিয়ে মুখস্থ করে দেখছেন।
২০. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:০৭
অপ বাক বলেছেন: চলমান চিত্রের ধারনাটা বোধ হয় সেই যুগে ছিলো না, এটা খুবই আধুনিক একটা সমস্যা। তবে ইসলামি মতে যত চলচিত্রের ফটোগ্রাফার, কয়ামেরা সবাই নরকে যাবে, এদের কোলাবোরেটর হিসেবে যারা দর্শক তাদের কি হবে এটা বলা মুশকিল। এ বিষয়ে একটা ফতোয়া ছিলো, কে দিয়েছে জানি না, সিনেমা দেখাটা হারাম। কোনো এক মোল্লা এই ঘোষণা দিয়েছিলো এবং কয়েক বছর আগে জে এম বি সিনেমা হলে বোমা ফাটিয়ে এর একটা প্রমানও দিয়েছিলো। আমার মনে হয়- যেহেতু ছবি আঁকাটা হারাম বলে বিবেচিত, এমন কি কোনো জন্তুর ছবি আঁকা পট ঘরে রাখলে সেখানে ফেরেশতারা আসে না, এবং এই কাজে সহায়তাকারি এবং চিত্রকর দুজনেরও নরকবাস হওয়ার সম্ভবনা দেখে কয়েকটা বিষয় নিশ্চিত বলা যায়, সিনেমা হলে কোনো ফেরেশতা থাকে না, মানুষের ঘাড়ের সাথে যুক্ত মুনকার নকির আঠার মতো লেগে থাকে কিনা তা জানি না, তবে তাদেরও থাকার উপায় নেই, তাই সিনেমা হলে কোনো পাপ করলে তার রেকর্ড রাখাটা বোধ হয় সম্ভব হবে না। যারা সিনেমা হলে পাপ করবে এবং চিত্রপ্রদর্শনীতে পাপ করবে তাদের বেহেস্তে যাওয়ার সম্ভবনা প্রচুর। যদি তারা এই সময়ের বাইরে শুধু পূন্য করে।
২১. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ৮:০৭
অতিথি বলেছেন: তাই নাকি তাহলে এখন থেকে শৈল্পিক জীবনযাপন হবে, সারা দিন চিত্রপ্রদর্শনী আর ফিল্ম উৎসব হবে, কোনো পাপের রেকর্ড থাকবে না,
২২. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ৯:০৭
অতিথি বলেছেন: মানুষের ঘাড়ে থাকে কিরামান কাতেবীন, মুনকার নকির কবরে রিমান্ডদার। তবে আমাদের সবার প্রিয় নায়িকা পপি আপার নাচ দেখলাম ঐদিন, কিরামান কাতেবীন তো কোন ছাড়, দুনিয়ার সেরা রোডিও খেলোয়াড়ও ছিটকে পড়তো। আপা সোজা বেহেস্তে চলে যাবে, কিরামান কাতেবীনের হিসাবে খাতা ঐ ঝাঁকিতে ছিটকে কই পড়েছে কে জানে।
২৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ৯:০৭
২৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ৯:০৭
অতিথি বলেছেন: ফেরেশতাকূলের খবর অপ বাক পান কই? আমি তো জিব্রাইলের খবর পাচ্ছি না। একটু পাত্তা লাগান না।
২৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ৯:০৭
অতিথি বলেছেন: ফেরেশতাকূলের তাজা খবর পাইবেন মুখার কাছে, ঐ বেহেশতের সাম্বাদিক, বইয়া বইয়া হুর পরীগো সাম্বা দেখে।
২৬. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ১১:০৭
হযবরল বলেছেন: মুখা কি মার ডালা টাইপ, নাকি মার ডলা, কোনটা ?
অপ বাক ভাল কথা বলেছেন, যতরকম নষ্টামো করার ইচ্ছা সব সিনেমা হলে করলেই হয়। না হয় ঘরে সারাদিন পপি 'র ড্যান্স ছেড়ে দিলাম।
২৭. ১৫ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৪:০৭
অতিথি বলেছেন: ওদের জিগাইলে তো আস্তাগফিরুল্লাহ বলে বিশাল এক লেক ছাড় দিয়ে ক্যামেরায় টান দিবে। তখন আমার আবার ছেড়ে দে মুসলমান বলে কোমর বেঁধে টানাটানিতে নামা লাগবে। তার চেয়ে ভালো ক্যামেরা হাতে নিয়ে আজরাইলের অপেক্ষায় থাকি। আজকাল কিসের যেন দূর্গন্ধ পাই.... কে জানে ঐটা ঘামের গন্ধ না আজরাইলের গায়ের।
২৮. ১৫ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৪:০৭
অতিথি বলেছেন: এইটা জিগাইতে হইবো আস্তমেয়েরে নাতো সাদিকরে, ওরা এইসব বিষয়ে অভিজ্ঞ আমি নাদান পোলাপাইন।
২৯. ১৫ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৪:০৭
অতিথি বলেছেন: ছবি তোলা নিয়ে কথা হইতেছিল মনে হয়! আমি শুনছি ছবি তুললে নাকি আয়ু কমে। ঘটনা কি সত্যি নাকি?
৩০. ১৫ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৪:০৭
অতিথি বলেছেন: ভেজালে ফেললেন দেখি! এখন তো আমি আইডেনটিটি ক্রাইসিসে ভুগব!

অদ্্বিতীয় না আজরাইল? [বাহ! কি সুন্দর একটা ছিঃনেমা'র টাইটেল! কোন প্রডিউসার রে চিনেন নাকি?]
৩১. ১৫ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৪:০৭
৩২. ১৫ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৪:০৭
৩৩. ১৫ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৪:০৭
অতিথি বলেছেন: এইটা কোথায় জানি পড়লাম আজরাইলে গাঁয়ে নাকি বোটকা গন্ধ, মনে করতে পারতেছি না। বয়স হইতাছে, স্মৃতিশক্তির লাইফ শ্যাষ।
৩৪. ১৬ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:০৭
অতিথি বলেছেন: [ইংলিশ]ঁৎষ [/ইংলিশটা কস্টিকপেইন্ট ডট বেশাবেশি ডট কম দিলে আরো ভাল হতো হয়তো!!!
৩৫. ১৬ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:০৭
অতিথি বলেছেন: url টা কস্টিকপেইন্ট ডট বেশাবেশি ডট কম দিলে বেশ হতো!!!
৩৬. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:১৯
অতিথি বলেছেন: অই মিয়া টাফালিং। এই গরমে কি ঘরে বইস্যা বইস্যা "কৎ-বেলের" শরবত বানাইয়া রুহ্ আফজা" দিয়া খাইতাছেন নাকি?

আপনেরে আলটুমেটাম দিলাম। তিনদিনের মইধ্যে নয়া পোস্ট না নামলে আপনের নামের শেষে "অষ্টডটু" উইঠ্যা গিয়া "কৎ-বেল" যোগ হইবো।


তারাতারি রংবাজী রাইখ্যা পোস্টান মিয়া।
৩৭. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:২৯
৩৮. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:৩০
অতিথি বলেছেন: আলটিমেটাম দ্যান বদ্দা, নাইলে মনে হয় না কাম হইবো। টাকলু মনে হয় মাথায় হাত বোলায় আর বেল খায়....

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন