রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১০

২খান প্যারোডি

তরমুজ আন খামু - দু'বলার চরে দুপুর বেলা

আমরা নদীর মধ্যে নৌকা ভাসাইলাম ছইয়ে ছাইয়ের গাদা

আমাদের ভেতরে মেঘ উড়িতেছিলো কিঞ্চিৎ কালো কিঞ্চিৎ সাদা
হঠাৎ মাম ুজি বলল চলেন মাল খাই
সবারই তিয়াস লাগছে আমি বললাম তরমুজ চাই

বাইরে বাতাস বয় উড়ে যায় ছাই

আউলা বাউলা ছন্দে কবিতা লিখে যাই
মামুজি চালাক মানুষ হাতে ঘটি নিয়ে
তড়িঘড়ি ঝোপের আড়ালে করে দিলেন ইয়ে

ঘটি ফাইট্যা ঘটনা দিগবিদিকে রটে

মামুর ব্যাটা হারান মাঝি রসিক মানুষ ব'টে
ফিকফিকিয় হাসে ছেলে ফোকলা দাঁতের বুড়ো
মামুর ইয়ে ইয়ে নয়তো শোল মাছের মুড়ো

আমরা সবাই ছাই মেখে মাছ ধরি যেনো ফসকে না যায়

লটপটিয়ে উঠলো পুটি মাছ আর দুবলার চরে
দুপুর বেলা তক্ষকে মারে ঢেলা,
মামুর বিটা বলল পিছন ফিরে দেখবি নাকো জলদি পা চালা।


ওয়েলকাম কিন্তু বুঝলাম না রিকশা আসতে চললে কি লাভ হইতো, সেই ছাই ফেলতে ভাঙাকুলোই সম্বল যখন তখন বামুনের চাঁদছোঁয়ার আকাংক্ষার বাড়াভাতে ছাই।

--------------------------------------


শো মিট -মাংশাসি দিনের গল্প


খাসি বলতে চারপেয়ে যে আকৃতি আমাদের দৃষ্টিসীমায় চলে আসে,তেমন দৃশ্য দেখেছিলাম কূচবিহারে যেনো অপূর্ব কূচ যুগল খুলে দেবি স্লানার্থে নেবেছেন কাবেরি নদীতে ছলচ্ছল জল, তাতে ছায়া ভাঙে,বিমূর্ততায় কখনও দুটো হাত ভেঙে চুড়ে পায়ের আকৃতি পায় তাই বলে দেবি চতুষ্পদিধারনাটার জন্ম হয় মনে, কিন্তু সত্যনির্নয়ে অক্ষম আমরা আপাত রহস্যময় জীবনের ফাঁকেফোঁকড়ে অনিবার্য সূর্যোদয় এবং ততধিককাল গ্রহনের পর সুস্বাদু কাবাব হয়ে আবার খাসিটাই সামনে চলে আসে, আসলে খাসি বলতে যেই দৃশ্যটা সামনে আসে কাবাবের সাথে তার কোনো সাযুজ্য নেই, অথচ দুজনেই পৃথিবীর জলহাওয়ার মৌতাতে আমাদের ঘ্রানেন্দ্রিয়কে ক্ষনিক বিভ্রমে রাখে, সত্য জানা হয় না আমাদের

একগ্লাস বীয়ারে সাথে কাবাবের মৌতাতে কেটে যায় আমাদের মাংশাসি দিন গুলো।

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ১১ টি মন্তব্য
  • ৩৮৬ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print


রেটিং দিতে লগ ইন করুন


পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
ধানসিঁড়ি বলেছেন: হা. হা. হা. ঠিক ধরছেন। আজ এ সাইটটাকে এ্যাবসার্ডিটির ভাইরাসে ধরেছে।
২. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
৩. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
শুভ বলেছেন: একটা আঙ্গুরের রস একটা তরমুজের রস- কী আর পার্থক্য!
৪. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
৫. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
৭. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
শুভ বলেছেন: মন্তব্যটায় খানিকটা ভুল আছে, হবে এ রকম-
আঙ্গুলের জুস আর তরমুজের জুস- কী আর পার্থক্য!
৮. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
অতিথি বলেছেন: তো তো তোতা পাখি
তো তোতলা তোতলা পাখি
তেতলার বারান্দায় বসে ল্যাজ নাড়ায়
তোতলা পাখি তরমুজ খায়।
৯. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
অতিথি বলেছেন: শুভ.... মিয়া ভাই এখানেও জু্যস? আপনে মিয়া ডুবাইবেন-

আমি দেখি খাশীর মিট, আর এই ব্যাটা দেখে তরমুজ আর আঙুরের জিনিষ (চিপা দেয়ার পর যে জিনিষ বের হয়, তাকে ইংরেজীতে কি বলে বাছা?)


তা কাহা, আবার পুরাণ ফর্মে ফিরা আসলেন, স্বাগতম হে, স্বাগতম Oil Kum
১০. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
অতিথি বলেছেন: ঘঠনা কি ? একটা টু্যরে আছি , কাইলকা ফিরুম । আইসা ব্লগামু
১১. ০৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: লাইনে আইতাছো আবার । আরো কয়েকটা দাও । ধারালো মাল ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন