রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১০

কবিতা

ধান্দাবাজ--- প্রাত্যহিক জলসংকট

নয় শব্দ ছড়িয়েই বাজীমাত

এদিকে ঘটিতে বাড়ন্তজল
এক টুকরো ট্যিসু নেই চোখের অলিন্দে
নাসারন্ধে ঘাই মারে ঘ্রান।

কোথা যাবে অসহায় নর?

জলহীন স্লানঘরের দরজায় অস্থির করাঘাত
ওষ্ঠাগত প্রান
এসো চুপিসারে কেটে পরা যাক তবে
ভুলে লোকলজ্জা ভয়।


ওয়ালাইকুম সালাম খান - রান্নাঘরের দুপুর


কচু কেটে তাতে লবন মাখিয়ে উনুনে চাপাই

লাইটার জ্বালি সন্তর্পনে
পোড়ামুখি আর কত দেরি হবে
শাশুরি ঝামটায় মুখ
চোখ মুছি আঁচলের কোনে।

জামাই প্রবর আপিসের কাজে সকাল থেকেই উধাও

শ্বশুরের হুঁকার পানি শেষ , কয়লার আগুন
নিভন্ত, নাড়কেল মালায় ছাই সাজিয়ে
তামুক সেজে নিয়ে যাব
বাসন্তি শাড়ীবিহীন পহেলা ফাগুন

কচুর তেজ হাতে কাঁচুলি সামলে

এলার্জির প্রকোপ সর্বাঙ্গে
শেষ কবে হয়েছিলো ভারতনাট্যম
কথাকলি মনিপুরি
খেমটার অবাধ বিস্তার উচ্চাঙ্গে।


প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০


  • ৫ টি মন্তব্য
  • ৩৮০ বার পঠিত,
Send to your 
friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০২
অতিথি বলেছেন: খেলাম কুঁচি শেষে নিকুচি করেছে খেমটার !
দগদগে কাটায় রগরগে ব্যাথার ফূর্তি
মা-কালীর সালসা চেখেই রমণার্থ পূর্তি!
২. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০২
৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০২
অতিথি বলেছেন: কাকা, ভাতিজা, বৎস--
নিশ্চিন্তে করিয়া যাও
কবিতার বংশ, নির্বংশ......
ছাড়িও না ঘোড়েল, ছাড়িও না চউধুরি
শুধু মনে রাখিও বন্ধু,
আমি আছি হয়ে মিশ্রণ -
আলো আর আধারি।
৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০২
অতিথি বলেছেন: হাহা.... হিহি.... হোহো, কি পদ্দ লিখলাম মামু... জীবনের পয়লা (মনে হয় এইটাই শেষ)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন