একটা সত্য ঘটনা বলি, ঘটনাটা ঘটেছিলো 2000 এ ,এক বন্ধুর বাসায় ফুটফুটে এক মেয়ে এসেছে, পিচ্চি, বয়েস 4 বছরের মতো। আমার বন্ধু এবং তার ভাই বোন বেশ মেতে উঠেছে ঐ পিচ্চিকে নিয়ে, কোন এক সময় সেই মেয়ে ক্ষেপেছে ওদের উপর, বলে আমাকে চিনো, আমি সবাইকে পুলিশ ধরিয়ে দিবো, বলে সে গিয়ে ফোন হাতে নেয়-
ঘটনা হলো সেই মেয়ে ছিলো নাসিমের ভাইস্তি। আমি ঘটনা শুনে হাসতে হাসতে উলটে পড়ে গেছি , কিন্তু এই প্রহসনের পিছনে আমাদের ক্ষমতাসীনদের অবদান ভুলে গেলে চলবে না, বাংলাদেশ পুলিশ, পাকিস্তান পুলিশ, ব্রিটিশ পুলিশ, মানে পুলিশ ব্যাবস্থার জন্মলগ্ন থেকেই পুলিশ পাবলিক পেঁদিয়ে আসছে, বাংলাদেশের পুলিশের পোশাক ছিলো খাকি রংয়ের, কিন্তু সরকারের খাকি পোশাকের পুলিশকে কেউ কেউ আদর করে খা*কি পুলিশ বলা শুরু করলো, সেই জন্য বাংলাদেহসের পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করা হলো, এখন তাদের পোশাক বদল হয়েছে কিন্তু মানসিকতা বদল হয় নাই,শেখ সাদী মহা বাস্তবাদী লোক ছিলেন, তার পোশাক কাহীনির মর্মার্থসরকার বুঝে নি।
পুলিশের হাজার অপকর্মের সমর্থনে কিছু সহৃদয় মানুষ বলেন পুলিশের বেতন কম,ওদের বেতন বাড়াও কর্মদক্ষতা বাড়বে, তা পুলিশের ভর্তুকি বলে একটা ঘটনা আছে, যেখানে পুলিশের জন্য রেশন ব্যাবস্থা বিদ্যমান এবং সেই রেশনিংএ পুলিশের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের দাম বাজারের দামের 100 ভাগের এক ভাগের মতোই পড়ে, তাদের থাকার জন্য জায়গা আছে, ঢাকা শহরের বেশীর ভাগ পুলিশের নিজের কোয়াটার নেই সত্য কথা কিন্তু পুলিশের দুর্নিতি শুধু ঢাকা শহরের মধ্যে সীমিত নয়, অন্য সব জেলার পুলিশও সমান মাপে এগিয়ে দুর্নিতিতে, অন্য সব জেলা সদরে পুলিশদের জন্য স্ত্রিপরিজন নিয়ে থাকার কোয়াটার তৈরি করেও ওদের ঘুষ খাওয়ার বদাভ্যাস দুর করা যায় নি, কি কি ধরনের নষ্টামি করে পুলিশ এর উদাহরন দেওয়া মানে 100 পাতার একটা উপন্যাস লিখে ফেলার মতো বিষয়, বাজারের কাঁচা ব্যাবসায়ী থেকে ূরু করে আড়তদার পর্যন্ত সবাই পুলিশকে তোলা দেয়, এই তোলা আবার নিজেরা আত্মসাৎএর উপায় নেই, পদমর্যাদা অনুসারে তোলা ভাগ হয় এবং এটে সবার অধিকার থাকে, এক এলাকায় হসুনেছিলাম পুলিশ হুট করে কিছউ লোককে ধরে হেনেস্তা শুরু করলো অহেতুক- তার কারন হলো ঐ মাসে অফিসারকে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা সংস্থান হয় নি তাদের, তাই জরিমানা আদায়ের নানান ফন্দি হিসেবে এই হেনেস্তাউদ্দোগ।
ঢাকা শহরের পুলিশের সাথে পরিবার থাকে না কিন্তু সরকারি যেকোনো যন্ত্রের মতোই এদের পুরুষ যন্ত্র বেশী সাবলীল, তাই রমনার আশে পাশে যেসব পুলিশের নৈশপ্রহারার সুযোগ আসে তারা ঐদিন শীস বাজাতে বাজাতে ব্যারাক থেকে বের হয়, আহা আজ কৌমার্য্য হরন দিবস, আজ কিছু হতে চলেছে সুর খেলাতে খেলাতে তারা রাস্তায় পায়চারি করে, এবং যখন শেষ খদ্দেরটা নিয়ে ভাসমান পতিতারা তিন নেতার মাজারে গিয়ে ক্লান্ত দেহ এলিয়ে দেওয়ার ভাবনা করে তখন পুলিশ ভাইয়েদের সাথে শেষ বার মিলিত হয়ে তাদের ঘুমাতে যেতে হয়, এই কাজে অনীহার সুযোগ নেই, এবং পুলিশ বলে কথা, শুধু ফ্রি সেক্স না, পুলিশ পয়সা নিয়ে সেক্স করে, ওরা বাংলাদেশের পুুষ পতিতা হলেও হতে পারে তবে ওদের পতিতাবৃত্তইর জন্য পাওয়া উপঢৌকন 303 এর নল দেখিয়ে আসে।
পুলিশের এস আই, ওসি এদেরও জৈবিক চাহিদা আছে, এদের জৈবিক চাহিদা এমনি এমনি মেটানো সম্ভব নয়, সবার কি এক বৌয়ে জোশ কমে, ওরা মাঝে মাঝেই বিভিন্ন অসহায় তরূনিদের লকাপে রেখে যৌনতার চর্চা করে। খারাপ কিছু না, তবে মাঝে মাঝে কিছু পলকা মেয়ে লকাপেই মরে যায়, তখন পুলিশের ভাষ্য হলো ওরা পতিতা ছিলো, তা ভালো কথা পতিতা দিব্যি 2 ঠ্যাংয়ের উপর ভর করে ঢুকলো লকাপে তো থানার পরিবেশ কি এত ই খারাপ যে ওখানে ঢুকেই মরে গেলো, তাও 2 পায়ের মাঝে রক্তক্ষরণ হয়ে? কি আশ্চর্য বিষয়, পুলিশ এবং বাংলাদেশের মানুষের মনে কি এটাই ধারনা যে যেভাবে ইচ্ছা পতিতা গমন করা যাবে, ওরা মরে গেলেও ক্ষতির কিছু নাই, বেশ্যা মরেছে সমস্যা নেই?
আমি অনেক এস আই কে চিনি যারা নিয়মিত মাদকসেবী। কারো কারো দইনে 2 বোতল ফেন্সি লাগে, আমার ধারনা ছিলো যারা ফেন্সি খায় তাদের প্রজননযন্ত্র দুর্বল হয়ে যায়, কিন্তু ওদের যন্ত্রের কোনো সমস্যা নেই, ওরা বিভিন্ন অপরাধিদের পৃষ্টপোষকতা করে, এবং ওরাও সুযোগ পেলে অপরাধ করে, আমরা জনগনকে রক্ষার জন্য একটা বাহীনি তৈরি করেছি যার সাথে অপরাধিদের সংশ্লিষ্ঠতা এত বেশী যে তারা নিজেরাই অপরাধি, এবং এই অপরাধিরাই অপরাধের খবর প্রকাশ করে বলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত, আমার আসলে একটা অপরাধীচক্রের দ্্বারা আবদ্ধ চারপাশ দিয়ে, একেবারে প্রধান মন্ত্রি থেকে শুরু করে থানার চৌকিদার পর্যন্ত সবাই অপরাধি, অপরাধি সকল রাজনৈতিক কর্মি,এবং অপরাধের ছোয়া পেয়ে সকল রাজনৈতিকদের সন্তান এবং পরিবার পরিজন পর্যন্ত অপরাধী, এবং এদের কেউ কেউ অপরাধ করার পর তাদের শাস্তি দেওয়ার নিয়ম নেই, লালবাগের প্রকাশ্য ঘটনা, নাসিরউদ্দিন পিন্টুর ছোটো ভাই টিটু বলে এক মাস্তানের গলা কেটে ফেললো রহতুল্লাহক্সকুলের মাঠে, টিটু হারামজাদাও তার আগে ঐ মাঠেই আরও কয়েকজন বিরোধিদের গলা কেটেছে, ছুটের ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন নিয়ে সে বিশাল এক দন্দ্ব, এই ঝামেলায় টিটুর সমর্থক প্রায় 12 জন কে বুড়িগঙ্গার আশে পাশে কেটে নদিতে ফেলানো হয়, কিন্তু পিন্টু ভাইয়ের গুনধর ভাই ঠিকই লালবাগ থানায় বসে অফিসারদের সাথে চা মিষ্টি খায় এবং পিন্টু এলাকার শান্তিশৃংখলা নিয়ে পুলিশের আই জিদের সাথে বৈঠক করে।
এমন একদল অপরাধীদের ফেলে এই দিনে নিরীহ পুলিশ ভাইদের হোগা মেরে কি হবে, আমরা বরং রাজনীতিবিদদের হোগা মারি, সামনে ভোটের সীজন আসতেছে, তখন ওদের সাথে দেখা হবেই, এড়ানো যাবে না কোনো ভাবেই, এখন থেকে ঠিক করা হোক আমরা সেই সময় কিভাবে ওদের টিট করবো?
শেষ খবর,
কামরুজ্জামান সাহেবের বাসার এক নস্টেবলকে বহিস্কার, থুককু পুলিশ লাইনের ক্লোজ করা হয়েছে, কারন ঘেটে জানা গেছে ,কামরুজ্জামানের মেয়ে তার দিকে কাজগছুড়ে মেরেছিলো, কাগজ ছুড়ে মারাটা দোষের কিছু নয়, কাগজে সময় লেখা ছিলো, সময় লেখা ছিলো এটাও দোষের কিছু নয়, ওটাতে পাশের বাসার এক ছেলের নাম লিখা ছিলো, পাশের বাসার ছেলে হলেও দোষের কিছু ছিলো না, ঐ ছেলে বয়েসে ছোটো ছিলো, তা আমাদের কি? আমরা রাজনৈতিকদের বিভিন্ন কেচ্ছা কাহিনী শুনে শুনে হয়রান, কামরুজ্জামানের ঘরের খবর আর কত ভালো হবে? কিন্তু সমস্যা হলো ঐ বিষয়ে কামরুজ্জামানের মেজাজ খারাপ হয় নি, মেজাজ খারাপ হয়েছে সময়টা দেখে, ঐ সময় কাজের মেয়েকে নিয়ে তার একান্ত কোরান পাঠের আসরে বসার কথা সেই ঘরে, ওরা দরজা বন্ধ করে কোরান পাঠ করে, দোষের কিছু নেই শুধু সকাল বেলা ঘরের ঝুড়িতে ব্যাবহৃত কনডম পাওয়া যায়, খবর এসেছে, কামরুজ্জামান সাহেব নাকি কামরূপ কামাখ্যা থেকে পুরুষত্ব বর্ধক গাছগাছাড়ার ছাল নিয়ে এসেছেন চোরাই পথে, এই কাজে তাকে নৈতিক এবং শাররিক সহায়তা যেসব ত্যাগী শিবির কর্মি দিয়েছে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
তবে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় আলুখাগরার প্রান যায় প্রবাদটা কত সত্য চিন্তা করে দেখেন,
আমাদের মাননিয় রাজনৈতিক এবং তাদের পরিবারের গোপন কেচ্ছা জেনে ফেলার জন্য পুলিশের কনস্টেবল কে ক্লোজ করা হয়েছে, এমনও বলা হচ্ছে তাকে ক্রস ফায়ারে ফেলানো হবে, আমরা সেই নিরীহ কনস্টেবলের জন্য প্রার্থনা করি।
ঘটনা হলো সেই মেয়ে ছিলো নাসিমের ভাইস্তি। আমি ঘটনা শুনে হাসতে হাসতে উলটে পড়ে গেছি , কিন্তু এই প্রহসনের পিছনে আমাদের ক্ষমতাসীনদের অবদান ভুলে গেলে চলবে না, বাংলাদেশ পুলিশ, পাকিস্তান পুলিশ, ব্রিটিশ পুলিশ, মানে পুলিশ ব্যাবস্থার জন্মলগ্ন থেকেই পুলিশ পাবলিক পেঁদিয়ে আসছে, বাংলাদেশের পুলিশের পোশাক ছিলো খাকি রংয়ের, কিন্তু সরকারের খাকি পোশাকের পুলিশকে কেউ কেউ আদর করে খা*কি পুলিশ বলা শুরু করলো, সেই জন্য বাংলাদেহসের পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করা হলো, এখন তাদের পোশাক বদল হয়েছে কিন্তু মানসিকতা বদল হয় নাই,শেখ সাদী মহা বাস্তবাদী লোক ছিলেন, তার পোশাক কাহীনির মর্মার্থসরকার বুঝে নি।
পুলিশের হাজার অপকর্মের সমর্থনে কিছু সহৃদয় মানুষ বলেন পুলিশের বেতন কম,ওদের বেতন বাড়াও কর্মদক্ষতা বাড়বে, তা পুলিশের ভর্তুকি বলে একটা ঘটনা আছে, যেখানে পুলিশের জন্য রেশন ব্যাবস্থা বিদ্যমান এবং সেই রেশনিংএ পুলিশের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের দাম বাজারের দামের 100 ভাগের এক ভাগের মতোই পড়ে, তাদের থাকার জন্য জায়গা আছে, ঢাকা শহরের বেশীর ভাগ পুলিশের নিজের কোয়াটার নেই সত্য কথা কিন্তু পুলিশের দুর্নিতি শুধু ঢাকা শহরের মধ্যে সীমিত নয়, অন্য সব জেলার পুলিশও সমান মাপে এগিয়ে দুর্নিতিতে, অন্য সব জেলা সদরে পুলিশদের জন্য স্ত্রিপরিজন নিয়ে থাকার কোয়াটার তৈরি করেও ওদের ঘুষ খাওয়ার বদাভ্যাস দুর করা যায় নি, কি কি ধরনের নষ্টামি করে পুলিশ এর উদাহরন দেওয়া মানে 100 পাতার একটা উপন্যাস লিখে ফেলার মতো বিষয়, বাজারের কাঁচা ব্যাবসায়ী থেকে ূরু করে আড়তদার পর্যন্ত সবাই পুলিশকে তোলা দেয়, এই তোলা আবার নিজেরা আত্মসাৎএর উপায় নেই, পদমর্যাদা অনুসারে তোলা ভাগ হয় এবং এটে সবার অধিকার থাকে, এক এলাকায় হসুনেছিলাম পুলিশ হুট করে কিছউ লোককে ধরে হেনেস্তা শুরু করলো অহেতুক- তার কারন হলো ঐ মাসে অফিসারকে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা সংস্থান হয় নি তাদের, তাই জরিমানা আদায়ের নানান ফন্দি হিসেবে এই হেনেস্তাউদ্দোগ।
ঢাকা শহরের পুলিশের সাথে পরিবার থাকে না কিন্তু সরকারি যেকোনো যন্ত্রের মতোই এদের পুরুষ যন্ত্র বেশী সাবলীল, তাই রমনার আশে পাশে যেসব পুলিশের নৈশপ্রহারার সুযোগ আসে তারা ঐদিন শীস বাজাতে বাজাতে ব্যারাক থেকে বের হয়, আহা আজ কৌমার্য্য হরন দিবস, আজ কিছু হতে চলেছে সুর খেলাতে খেলাতে তারা রাস্তায় পায়চারি করে, এবং যখন শেষ খদ্দেরটা নিয়ে ভাসমান পতিতারা তিন নেতার মাজারে গিয়ে ক্লান্ত দেহ এলিয়ে দেওয়ার ভাবনা করে তখন পুলিশ ভাইয়েদের সাথে শেষ বার মিলিত হয়ে তাদের ঘুমাতে যেতে হয়, এই কাজে অনীহার সুযোগ নেই, এবং পুলিশ বলে কথা, শুধু ফ্রি সেক্স না, পুলিশ পয়সা নিয়ে সেক্স করে, ওরা বাংলাদেশের পুুষ পতিতা হলেও হতে পারে তবে ওদের পতিতাবৃত্তইর জন্য পাওয়া উপঢৌকন 303 এর নল দেখিয়ে আসে।
পুলিশের এস আই, ওসি এদেরও জৈবিক চাহিদা আছে, এদের জৈবিক চাহিদা এমনি এমনি মেটানো সম্ভব নয়, সবার কি এক বৌয়ে জোশ কমে, ওরা মাঝে মাঝেই বিভিন্ন অসহায় তরূনিদের লকাপে রেখে যৌনতার চর্চা করে। খারাপ কিছু না, তবে মাঝে মাঝে কিছু পলকা মেয়ে লকাপেই মরে যায়, তখন পুলিশের ভাষ্য হলো ওরা পতিতা ছিলো, তা ভালো কথা পতিতা দিব্যি 2 ঠ্যাংয়ের উপর ভর করে ঢুকলো লকাপে তো থানার পরিবেশ কি এত ই খারাপ যে ওখানে ঢুকেই মরে গেলো, তাও 2 পায়ের মাঝে রক্তক্ষরণ হয়ে? কি আশ্চর্য বিষয়, পুলিশ এবং বাংলাদেশের মানুষের মনে কি এটাই ধারনা যে যেভাবে ইচ্ছা পতিতা গমন করা যাবে, ওরা মরে গেলেও ক্ষতির কিছু নাই, বেশ্যা মরেছে সমস্যা নেই?
আমি অনেক এস আই কে চিনি যারা নিয়মিত মাদকসেবী। কারো কারো দইনে 2 বোতল ফেন্সি লাগে, আমার ধারনা ছিলো যারা ফেন্সি খায় তাদের প্রজননযন্ত্র দুর্বল হয়ে যায়, কিন্তু ওদের যন্ত্রের কোনো সমস্যা নেই, ওরা বিভিন্ন অপরাধিদের পৃষ্টপোষকতা করে, এবং ওরাও সুযোগ পেলে অপরাধ করে, আমরা জনগনকে রক্ষার জন্য একটা বাহীনি তৈরি করেছি যার সাথে অপরাধিদের সংশ্লিষ্ঠতা এত বেশী যে তারা নিজেরাই অপরাধি, এবং এই অপরাধিরাই অপরাধের খবর প্রকাশ করে বলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত, আমার আসলে একটা অপরাধীচক্রের দ্্বারা আবদ্ধ চারপাশ দিয়ে, একেবারে প্রধান মন্ত্রি থেকে শুরু করে থানার চৌকিদার পর্যন্ত সবাই অপরাধি, অপরাধি সকল রাজনৈতিক কর্মি,এবং অপরাধের ছোয়া পেয়ে সকল রাজনৈতিকদের সন্তান এবং পরিবার পরিজন পর্যন্ত অপরাধী, এবং এদের কেউ কেউ অপরাধ করার পর তাদের শাস্তি দেওয়ার নিয়ম নেই, লালবাগের প্রকাশ্য ঘটনা, নাসিরউদ্দিন পিন্টুর ছোটো ভাই টিটু বলে এক মাস্তানের গলা কেটে ফেললো রহতুল্লাহক্সকুলের মাঠে, টিটু হারামজাদাও তার আগে ঐ মাঠেই আরও কয়েকজন বিরোধিদের গলা কেটেছে, ছুটের ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন নিয়ে সে বিশাল এক দন্দ্ব, এই ঝামেলায় টিটুর সমর্থক প্রায় 12 জন কে বুড়িগঙ্গার আশে পাশে কেটে নদিতে ফেলানো হয়, কিন্তু পিন্টু ভাইয়ের গুনধর ভাই ঠিকই লালবাগ থানায় বসে অফিসারদের সাথে চা মিষ্টি খায় এবং পিন্টু এলাকার শান্তিশৃংখলা নিয়ে পুলিশের আই জিদের সাথে বৈঠক করে।
এমন একদল অপরাধীদের ফেলে এই দিনে নিরীহ পুলিশ ভাইদের হোগা মেরে কি হবে, আমরা বরং রাজনীতিবিদদের হোগা মারি, সামনে ভোটের সীজন আসতেছে, তখন ওদের সাথে দেখা হবেই, এড়ানো যাবে না কোনো ভাবেই, এখন থেকে ঠিক করা হোক আমরা সেই সময় কিভাবে ওদের টিট করবো?
শেষ খবর,
কামরুজ্জামান সাহেবের বাসার এক নস্টেবলকে বহিস্কার, থুককু পুলিশ লাইনের ক্লোজ করা হয়েছে, কারন ঘেটে জানা গেছে ,কামরুজ্জামানের মেয়ে তার দিকে কাজগছুড়ে মেরেছিলো, কাগজ ছুড়ে মারাটা দোষের কিছু নয়, কাগজে সময় লেখা ছিলো, সময় লেখা ছিলো এটাও দোষের কিছু নয়, ওটাতে পাশের বাসার এক ছেলের নাম লিখা ছিলো, পাশের বাসার ছেলে হলেও দোষের কিছু ছিলো না, ঐ ছেলে বয়েসে ছোটো ছিলো, তা আমাদের কি? আমরা রাজনৈতিকদের বিভিন্ন কেচ্ছা কাহিনী শুনে শুনে হয়রান, কামরুজ্জামানের ঘরের খবর আর কত ভালো হবে? কিন্তু সমস্যা হলো ঐ বিষয়ে কামরুজ্জামানের মেজাজ খারাপ হয় নি, মেজাজ খারাপ হয়েছে সময়টা দেখে, ঐ সময় কাজের মেয়েকে নিয়ে তার একান্ত কোরান পাঠের আসরে বসার কথা সেই ঘরে, ওরা দরজা বন্ধ করে কোরান পাঠ করে, দোষের কিছু নেই শুধু সকাল বেলা ঘরের ঝুড়িতে ব্যাবহৃত কনডম পাওয়া যায়, খবর এসেছে, কামরুজ্জামান সাহেব নাকি কামরূপ কামাখ্যা থেকে পুরুষত্ব বর্ধক গাছগাছাড়ার ছাল নিয়ে এসেছেন চোরাই পথে, এই কাজে তাকে নৈতিক এবং শাররিক সহায়তা যেসব ত্যাগী শিবির কর্মি দিয়েছে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
তবে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় আলুখাগরার প্রান যায় প্রবাদটা কত সত্য চিন্তা করে দেখেন,
আমাদের মাননিয় রাজনৈতিক এবং তাদের পরিবারের গোপন কেচ্ছা জেনে ফেলার জন্য পুলিশের কনস্টেবল কে ক্লোজ করা হয়েছে, এমনও বলা হচ্ছে তাকে ক্রস ফায়ারে ফেলানো হবে, আমরা সেই নিরীহ কনস্টেবলের জন্য প্রার্থনা করি।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
মঈন বলেছেন: আচ্ছা কামরুজ্জামানটা কে? তিনি কৈ থাকেন?
মঈন বলেছেন: আচ্ছা কামরুজ্জামানটা কে? তিনি কৈ থাকেন? ২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: গল্প গল্পই এর মধ্যে আলাদা কিছু খুঁজতে গেলে আমারে কে বাঁচাইবো ক্রসফায়র থেইক্যা আপনেই কন?
অতিথি বলেছেন: গল্প গল্পই এর মধ্যে আলাদা কিছু খুঁজতে গেলে আমারে কে বাঁচাইবো ক্রসফায়র থেইক্যা আপনেই কন? ৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১০:০৪
তানভীর হাবিব বলেছেন: Interesting Indeed! We shouldn't hate police, rather we should hate the system they have involved themselves with. The System in BD sucks
তানভীর হাবিব বলেছেন: Interesting Indeed! We shouldn't hate police, rather we should hate the system they have involved themselves with. The System in BD sucks ৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১০:০৪
অতিথি বলেছেন: আপনার এমন লেখার ভক্ত না হয়ে উপায় নাই।
একটা ঘটনা বলি।
আমার এক ঘনিস্ট বন্ধু পুলিশে জয়েন করেছে বছর পাচেক আগে।
সে সারদা ট্রেনিং নিতে গিয়ে ফেনসি খাওয়া শিখেছে।
তারপর ঢাকায় পোস্টিং হয়ে আসার পরও অনেক দিন ফেনসী টানত। বিয়ে করে অবশ্য ঠিক হয়ে গেছে।
ভীষণ ভালো একটা ছেলে। পাকিসত্দান আমলের একজন সৎ মন্ত্রীর নাতি। রক্তে দূনর্ীতিই নাই। এডজাস্ট করতে পারতো না। বাইরে চাকুরীর জন্য চেস্টা করত। একটা বেসরকারী কোম্পানীতে 25 হাজার টাকা বেতনে চাকুরীও জুটিয়ে ফেলেছিল। অবশ্য পুলিশের চাকুরীতে তার ঘুস না খেয়েও মাসে 20 হাজার টাকা পকেটে নাকি ভুতে দিয়ে যায়। সবাইকে জিজ্ঞেস করলো কি করবে সে। একমাত্র আমি ছাড়া পরিবার ও বন্ধুদের সবাই তাকে পুলিশের চাকুরী না ছাড়ার জন্য বলেছে। ভীষণ কস্ট পেয়েছিলাম। কিন্তু সে বন্দী হয়ে গেছে লোভে; আশংকায় আছি কতকাল আর ভালো থাকবে।
আপনার এ পোস্টটা পত্রিকায় যদি ছাপানো যেত! তবে ভয় হয় আপনাকে আবার ক্রসফায়ারে না দেয়।
অতিথি বলেছেন: আপনার এমন লেখার ভক্ত না হয়ে উপায় নাই। একটা ঘটনা বলি।
আমার এক ঘনিস্ট বন্ধু পুলিশে জয়েন করেছে বছর পাচেক আগে।
সে সারদা ট্রেনিং নিতে গিয়ে ফেনসি খাওয়া শিখেছে।
তারপর ঢাকায় পোস্টিং হয়ে আসার পরও অনেক দিন ফেনসী টানত। বিয়ে করে অবশ্য ঠিক হয়ে গেছে।
ভীষণ ভালো একটা ছেলে। পাকিসত্দান আমলের একজন সৎ মন্ত্রীর নাতি। রক্তে দূনর্ীতিই নাই। এডজাস্ট করতে পারতো না। বাইরে চাকুরীর জন্য চেস্টা করত। একটা বেসরকারী কোম্পানীতে 25 হাজার টাকা বেতনে চাকুরীও জুটিয়ে ফেলেছিল। অবশ্য পুলিশের চাকুরীতে তার ঘুস না খেয়েও মাসে 20 হাজার টাকা পকেটে নাকি ভুতে দিয়ে যায়। সবাইকে জিজ্ঞেস করলো কি করবে সে। একমাত্র আমি ছাড়া পরিবার ও বন্ধুদের সবাই তাকে পুলিশের চাকুরী না ছাড়ার জন্য বলেছে। ভীষণ কস্ট পেয়েছিলাম। কিন্তু সে বন্দী হয়ে গেছে লোভে; আশংকায় আছি কতকাল আর ভালো থাকবে।
আপনার এ পোস্টটা পত্রিকায় যদি ছাপানো যেত! তবে ভয় হয় আপনাকে আবার ক্রসফায়ারে না দেয়।
৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪
শুভ বলেছেন: ধুর মিয়া, মনডাই খারাপ কইরা দিলেন- হগরের সামনে লাংগা কইরা দিলেন! কামডা ভালো হইল না!
শুভ বলেছেন: ধুর মিয়া, মনডাই খারাপ কইরা দিলেন- হগরের সামনে লাংগা কইরা দিলেন! কামডা ভালো হইল না!
