তেলাপোকা রাজ্যে ভীষন শোরগোল কয়েকদিন ধরে, পাশের ডাস্টবিনের তেলাঙ্গাকুল ম্যানহোলের তেলাপোকাদের কলোনি জবরদখল করেছিলো, অদ্য তেলাপোকা হিজরি 3354 সনের 12ই গুলহাজ মাসের রাত্রি 3 ঘটিকায় ম্যানহোলের তেলাপোকা দল স্বাধিনতা লাভ করে। জাতিয় খাদ্য কি হইবে ইহা নিয়া গোলোযোগের সুচনা, কেহ কেহ আবর্জনার কথা বলিলেও মুক্তিফৌজের মতামত, আবর্জনা আমদানি করতে হয় পার্শবর্তি ডাস্টবীন থেকে তাই উহার জাতিয় খাদ্য হওয়া অনুচিত, আর এর মধ্যে চিকন তেলরত্ন সরু গলায় বললো আপনারা সবাই জাতিয় খাদ্য নিয়ে পড়লেন কেনো, খাদ্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় আমাদের সমাধান করিতে হবে,
আমাদের দেশের সীমানা ঠিক হয় নি, আমাদের জাতিয় পোশাক নেই, আমাদের জাতিয় সংগীত নেই, জাতিয় সংসদের অধিবেশনের নামগন্ধ নেই, ইলেকশন হবে নাকি রাজতন্ত্র থাকবে এটাও নিশ্চিত হলো না, এমন কি আমাদের ভোটাধিকার থাকবে কি না তাও বললেন না, আপনারা এখনই ডাস্টবীনের দলের পদলেহন শুরু করলেন।
সবাই লজ্জা পেলো, আর এর মধ্যে তিন শুঙ্গার টেলাপোকাকুল বললো, আমরা বিশিষ্ঠ, আমাদের পুর্বপুরুষ ছিলেন মহান ককরোচা আমেরিকানা, আমরা তার মতের অনুসারি, তার মতই আমাদের রাষ্ট্রিয় মতবাদ হওয়া উচিত,
এক সপ্তাহ তেলাপোকাকূল কোথাও যায় না, খাওয়া দাওয়ার অভাবে শীর্ন দুর্বল, তাই অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো, ইঙ্গ কলোনির বিখ্যাত সুরজ্ঞ কপোকা, তার সুরে উদ্্বোধন হবে তেলাপোকা রাজ্যের, সেটাই হবে জাতিয় সংগীত, ক্ষুধাকাতর তেলাপোকাকূল দ্্বিরুক্তি না করে তখনকার মতো আবর্জনা ভক্ষনে মন দিলো।
কিন্তু ককোরচা আমেরিকানা মতবাদের অনুসারিরা তখনও আনন্দিত নয়, ককরোচা ইন্ডিয়ানা আর ককরোচা ইটালিয়ানার সৈন্যরাই যুদ্ধ করেছে, তেলাপোকা রাজ্যে তাদের ভীষন কদর আর ডাস্টবীনের তেলাঙ্গা গোত্রের বেশির ভাগই ছিলো ককরোচা আমেরিকানা মতবাদের, তাই ম্যানহোলের আমেরিকানা মতবাদের তেলাপোকাগুলোও ডাস্টবীনের তেলাঙ্গাদের সমর্থক ছিলো।
তারা মাঝে মাঝে ইটালিয়ানাদের উপর হামলে পড়ে দোষ দেয় িন্ডিয়ানাদের , ইন্ডিয়ানাদের খুন করে দোষ দেয় ইটালিয়ানাদের , এবং পরস্পর অবিশ্বাসের মধ্য দিয়ে যখন তেলাপোকাকুলের ঐক্য প্রায় নষ্ট তখন নবীন তেলাপোকা আপত্তি তুললো, ভিনদেশী কপোকার সুর করা জাতীয় সংগীত মানি না মানি না , বদলাতে হবে বদলাতে হবে , জাতিয় সংগীত বদলাতে হবে, এমন নৈরাজ্য দেখে ককরোচা আমেরিকানারা দলবল মিলে একে সমর্থন দিলো।
---------------------------------
মুখফোড় আমার কাজ না এটা, আমি চেষ্টা করছিলাম কিন্তু তুমি ভাি একটু সাহাজ্য করো।
আমাদের দেশের সীমানা ঠিক হয় নি, আমাদের জাতিয় পোশাক নেই, আমাদের জাতিয় সংগীত নেই, জাতিয় সংসদের অধিবেশনের নামগন্ধ নেই, ইলেকশন হবে নাকি রাজতন্ত্র থাকবে এটাও নিশ্চিত হলো না, এমন কি আমাদের ভোটাধিকার থাকবে কি না তাও বললেন না, আপনারা এখনই ডাস্টবীনের দলের পদলেহন শুরু করলেন।
সবাই লজ্জা পেলো, আর এর মধ্যে তিন শুঙ্গার টেলাপোকাকুল বললো, আমরা বিশিষ্ঠ, আমাদের পুর্বপুরুষ ছিলেন মহান ককরোচা আমেরিকানা, আমরা তার মতের অনুসারি, তার মতই আমাদের রাষ্ট্রিয় মতবাদ হওয়া উচিত,
এক সপ্তাহ তেলাপোকাকূল কোথাও যায় না, খাওয়া দাওয়ার অভাবে শীর্ন দুর্বল, তাই অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো, ইঙ্গ কলোনির বিখ্যাত সুরজ্ঞ কপোকা, তার সুরে উদ্্বোধন হবে তেলাপোকা রাজ্যের, সেটাই হবে জাতিয় সংগীত, ক্ষুধাকাতর তেলাপোকাকূল দ্্বিরুক্তি না করে তখনকার মতো আবর্জনা ভক্ষনে মন দিলো।
কিন্তু ককোরচা আমেরিকানা মতবাদের অনুসারিরা তখনও আনন্দিত নয়, ককরোচা ইন্ডিয়ানা আর ককরোচা ইটালিয়ানার সৈন্যরাই যুদ্ধ করেছে, তেলাপোকা রাজ্যে তাদের ভীষন কদর আর ডাস্টবীনের তেলাঙ্গা গোত্রের বেশির ভাগই ছিলো ককরোচা আমেরিকানা মতবাদের, তাই ম্যানহোলের আমেরিকানা মতবাদের তেলাপোকাগুলোও ডাস্টবীনের তেলাঙ্গাদের সমর্থক ছিলো।
তারা মাঝে মাঝে ইটালিয়ানাদের উপর হামলে পড়ে দোষ দেয় িন্ডিয়ানাদের , ইন্ডিয়ানাদের খুন করে দোষ দেয় ইটালিয়ানাদের , এবং পরস্পর অবিশ্বাসের মধ্য দিয়ে যখন তেলাপোকাকুলের ঐক্য প্রায় নষ্ট তখন নবীন তেলাপোকা আপত্তি তুললো, ভিনদেশী কপোকার সুর করা জাতীয় সংগীত মানি না মানি না , বদলাতে হবে বদলাতে হবে , জাতিয় সংগীত বদলাতে হবে, এমন নৈরাজ্য দেখে ককরোচা আমেরিকানারা দলবল মিলে একে সমর্থন দিলো।
---------------------------------
মুখফোড় আমার কাজ না এটা, আমি চেষ্টা করছিলাম কিন্তু তুমি ভাি একটু সাহাজ্য করো।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি, কৌতুক বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০২
জয় বলেছেন: সত্যি বলছি, চমৎকার আপনার আইডিয়া এবং
জয় বলেছেন: সত্যি বলছি, চমৎকার আপনার আইডিয়া এবং ২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ২:০২
নতুন বলেছেন: যদি আপনার লেখার অভ্যাস থাকে তবে বলবো চমতকার হয়েছে , আর না থাকলে অদ্ভত চমতকার হয়েছে( চমতকারের খন্ডত খজে পাচ্ছিনা কি বোর্ডে তাই এই বানান)
নতুন বলেছেন: যদি আপনার লেখার অভ্যাস থাকে তবে বলবো চমতকার হয়েছে , আর না থাকলে অদ্ভত চমতকার হয়েছে( চমতকারের খন্ডত খজে পাচ্ছিনা কি বোর্ডে তাই এই বানান) ৩. ২৭ শে মে, ২০০৬ সকাল ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: এইটাও তো অসম্পূর্ন !
অতিথি বলেছেন: এইটাও তো অসম্পূর্ন ! 
